আলমডাঙ্গায় চাচাশ্বশুরকে বিয়ের দাবিতে অনশনে গৃহবধূ

বিয়ের দাবিতে চাচাশ্বশুরের বাড়িতে দু’দিন ধরে অনশনে বসেছেন গৃহবধূ সামসুর নাহার (২৭)। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন ওই নারী। তবে অনশনের খবর পেয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন চাচাশ্বশুর রুহুল আমিন (৩৭)।

গতকাল রবিবার রাত ১০ টা থেকে আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বেলগাছি পূর্বপাড়া গ্রামে রুহুল আমিনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন সামসুর নাহার।

স্থানীয়রা জানান, সামসুর নাহার বেলগাছি বাজার এলাকার প্রবাসী শরিফুল ইসলামের সাথে পারিবারিক বিয়ে হয় তার। দাম্পত্য জীবনে তাদের স্কুলপড়ুয়া দুই ছেলে ও মেয়ে রয়েছে।

সামসুর নাহারের স্বামী কুয়েত প্রবাসী হওয়ায় চাচাশশুর সুবাদে তার অবাধ যাতায়াত ছিল। সম্পর্কে রুহুল আমিন সামসুর নাহারের চাচাশ্বশুর। এক পর্যায়ে সামসুর নাহার ও রুহুল আমিনের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ৩ দিন আগে গভীর রাতে বাড়ির পেছনে রুহুল আমিনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয় সামসুর নাহারের। স্ত্রীর অবৈধ এমন মেলামেশা নিজ চোখে দেখে ফেলেন স্বামী শরিফুল ইসলাম। ইতিপূর্বে তাদের অবৈধ সম্পর্কে মেলামেশার আগে তার স্বামী শরিফুলকে ঘুমের ঔষধ খাওয়াত সামসুর নাহার। পরে স্ত্রীর সঙ্গে আর সংসার করবেন না বলে জানান তিনি।

এ ঘটনার পর সামসুর নাহার বিয়ের দাবিতে চাচাশ্বশুর রুহুল আমিনের বাড়িতে অনশনে বসেন। এ ঘটনার পর থেকে রুহুল আমিন পলাতক।

সামসুর নাহার বলেন, রুহুল সম্পর্কে আমার চাচাশ্বশুর। প্রেমের ফাঁদে ফেলে তিনি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। বিষয়টি আমার স্বামী নিজ চোখে দেখেছেন। তাই আমার সংসার ভেঙে গেছে। বিষয়টি সে নিজেও জানে। তার কথা মতেই আমি বাড়ি থেকে তার বাড়িতে বিয়ের জন্য এসেছি। সে ফাঁকি দিয়ে ঢাকায় চলে গেছে। সেকারণে এখন আমি বিয়ের দাবিতে রুহুলের বাড়িতে অনশন করছি। বিয়ে না করলে তার ঘরেই আত্মহত্যা করবো।

রুহুলের বড় বোন বলেন, বিয়ের জন্য গতকাল রবিবার রাত থেকে আমাদের ঘরে অবস্থান করছেন সামসুর নাহার। আমার ভায়ের বউ ও ছেলে রয়েছে। সে ঢাকাতে ঠিকাদারি কাজ করেন। সামসুর নাহার ফাঁদে ফেলে এখন বিয়ের জন্য বসে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমার ভাই বাড়িতে না আসায় এ বিষয়ে কোনো সুরাহা হচ্ছে না। মেয়েটিকে নিয়ে এখন আমরা বিপদে আছি।




আলমডাঙ্গায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা; পাঁচ মালিককে জরিমানা

আলমডাঙ্গায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করায় পাঁচ দোকান মালিককে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস। তাঁকে সহযোগিতা করেন আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের একটি দল।

আদালত সূত্রে জানাযায়, সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পৌর শহরে কাঁচাবাজার মনিটরিং করছিলেন। হলুদপট্রি নামক এলাকায় কয়েকটি ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ যাতায়াত বিগ্ন ঘটছিল।

এমন সংবাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা দাস দুই দোকান মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় অন্যান্য মালিকেরা দোকান বন্ধ করে সটকে পড়েন। এছাড়া তিনটি হোটেল মালিককে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্নিগ্ধা দাস বলেন, অবৈধভাবে ফুটপাথ দখল করে ব্যবসায় করায় ব্যবসায়ীদের সর্তকতামূলক জরিমানা করা হয়েছে। এসময় তিনটি হোটেল মালিককেও জরিমানা করা হয়েছে।




কুষ্টিয়ায় অবৈধ গুড় কারখানায় অভিযান: মালিকের জরিমানা

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে গুড় প্রস্তুত করার সময় একটি গুড় কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসাথে ৫৬ টিন গুড় ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ সোমবার উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে মালিপাড়া বাঁশেরদিয়াড় গ্রামে আব্দুল গণির গুড়ের কারখানায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু ও কুষ্টিয়া জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল

জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল জানান, খাবার অযোগ্য বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল দিয়ে গুড় প্রস্তুত করার অপরাধে কারখানা মালিক আব্দুল গনিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে ৫৬ টিন গুড় ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণ মানুষের জীবন বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি হয় এমন কোন প্রক্রিয়া যা কোন আইন বা বিধির অধীন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিম্নমানের গুড় তৈরি যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল আমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, নিম্নমানের গুড় তৈরি করার সময় যেসব কেমিক্যাল যেমন ফিটকির, ডালডা, খাইসোডা,রং, হাইড্রোজ,ব্যবহার করছে যা মানব দেহের জন্য চরম ক্ষতিকর ছাড়াও কিডনি ড্যামেজসহ মানবদেহের ভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।




আলমডাঙ্গার বিনোদপুরে মারামারি মামলার আসামীকে কারাগারে

আলমডাঙ্গার বিনোদপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত মারামারি মামলার আসামী রুহুল আমিন মাষ্টারকে জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার মামলার ধার্য্য দিনে ওই আসামী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে ভুক্তভোগীর মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে আসামীর জামিন নামুঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

জানা গেছে,আলমডাঙ্গার বিনোদপুর গ্রামে জমি জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে লুৎফর রহমানের সাথে একই গ্রামের মৃত রহিম মন্ডলের ছেলে আহাম্মদ আলীর সাথে বিরোধ হয়। এ বিরোধের জের ধরে গত ৩০ অক্টোবর মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় লুৎফর রহমানকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৪ নভেম্বর লুৎফর রহমানের ছেলের বউ মারজিয়া খাতুন বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিবাদীর ছেলে জগন্নাথপুর জেস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, তার পিতা আহাম্মদ আলীসহ ৪ জনকে আসামীকে করা হয়।

এদিকে কয়েকদিন পর আসামিগণ আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত এমসি রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। আজ সোমবার ছিল ওই মামলার ধার্য্যদিন। ধার্যদিনে বাদীপক্ষ মেডিকেল রিপোর্ট দাখিল করেন। অন্যদিকে আসামী পক্ষ জামিন আবেদন করলে আদালত ভুক্তভোগীর দাখিল করা মেডিকেল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ১নং আসামী রুহুল আমিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




চুয়াডাঙ্গায় দ্রুত কমেছে তাপমাত্রা; জেঁকে বসেছে শীত

চুয়াডাঙ্গায় অগ্রহায়ণের শেষে এসে শীত জেঁকে বসেছে। দ্রুত কমেত শুরু করেছে তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর দিকে থেকে আসা শীতল বাতাস শীতের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক তহমিনা নাসরিন জানান, গত রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস,বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। ওই দিন সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস,বাতাসের তাপমাত্রা ছিল ৯২ শতাংশ।

আজ সোমবার (১১ ডিসম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস,বাতাসের আর্দ্রতা রয়েছে ৯১ শতাংশ। এদিন সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন,ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে এ জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে তীব্র আকারের একটি শত্য প্রবাহ বয়ে যেত পারে।

হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারনে দুর্ভোগ বেড়ে গেছে মানুষের। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে পড়ছেন। হাসপাতাল গুলোতে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড় গেছে। বয়স্ক ও শিশুরা নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। কুয়াশার কারনে সড়ক গুলোতে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।




আশাকরি আমাদের উপর অর্থনৈতিক কোন স্যাংশন আসবে না-এফবিসিসিআই সভাপতি

যুক্তরাষ্ট্র অর্থনীতি সংক্রান্ত কোন নিষেধাজ্ঞা দিবে না আশা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম।

আজ সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় একটি বেসরকারি জুট মিলের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনীতি যার যার অর্থনীতি সবার। অর্থনীতি ঠিক থাকলে দেশ ঠিক থাকবে। অর্থনীতি ঠিক থাকলে আমরা ঠিক থাকব। আমাদের সাপ্লাই চেইন যদি ঠিক থাকে তাহলে ভালো থাকব। আমাদের অর্থনীতি যদি ধংস হয়ে যায় তাহলে আমাদের তো আর থাকার জাইগা নেই। আমি মনে করি আমাদের বাংলাদেশের মানুষ ব্যবসা বান্ধন মানুষ। আমাদের সরকারও ব্যবসা বান্ধব। আমি মনে করি না যে আমাদের উপর কোন স্যাংশন আসবে।

মাহবুবুল আলম আরও বলেন, আমি আশা করি একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমুলক নির্বাচন যেন হয়। সবাই যখন ভোট দিতে আসবে তখন একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

দেশের বন্ধ হওয়া সরকারি পাটকল নিয়ে মাহবুবুল আলম বলেন, অলরেডি সব প্রাইভেট সেক্টরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেহেতু প্রাইভেট সেক্টরের হাতে এলে দেশ কিন্তু এগিয়ে যাবে। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। আমরা মনে করি যেসমস্ত বন্ধ জুট মিল আছে সেগুলো প্রাইভেট সেক্টর করবে। এতে জুট এগিয়ে যাবে। শুধু জুট না, জুটের তৈরী সকল পণ্য বিদেশে রপ্তানী হবে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১ টায় হেলিকপ্টারে করে শৈলকুপার হড়রা গ্রামে আসেন তিনি। পরে দিগনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে শিল্পপিত আসলাম সেরনিয়াবাত, বসুমতি গ্রুপের চেয়ারম্যান জেড এম গোলাম নবীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা শেষে বসুমতি জুট মিলের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি।




কোটচাঁদপুরের পল্লীতে জমি নিয়ে সংঘর্ষ ৯ জন আহত

কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার সকালে স্থানীয় বলাবাড়িয়ার খান পাড়ার মাঠে এ সংঘর্ষ হয়। এতে করে ৯ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে।

জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলে আসছিল দুই পক্ষের মধ্যে।আজ সোমবার সকালে ওই ঘটনা নিয়ে উভয় পক্ষ মারামারিতে জড়ায়। এতে করে উভয় পক্ষের ৯ জন গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আহতদের মধ্যে গুরুতর ৪ জনকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বাকিদের চিকিৎসা দিয়ে কোটচাঁদপুর ভর্তি করে দেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছে,বলাবাড়িয়া গ্রামের আলা উদ্দিন খান(৬০),জাহাঙ্গীর হোসেন(৩৫),আলমগীর খান(২৮),শাহাজান খান (৫০),আরিফ হোসেন খান(৪০),ফিরোজ খান(৩৫),আতিয়ার খান(৪২),শাকিব খান(১৭),রোহান খান (১৪ ) এদের মধ্যে শাহাজান খান,রোহান খান,ফিরোজ খান ও আরিফ হোসেন খানকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন,চিকিৎসক।

এলাঙ্গী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন,আলাউদ্দিন ও আলীম উদ্দিন আপন দুই ভাই। জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের ভিতর বিবাদ চলছিল। এর আগে বিষয়টি আমি এক প্রকার মিমাংশও করে দিয়ে ছিলাম। এরপরও তারা এ মারামারিতে জড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এক পক্ষের ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে প্রথমে যশোর, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানভির জামান (প্রতিক) বলেন,মারামারির ঘটনায় চিকিৎসা নিতে ৮ জন আসছিল। এরমধ্যে ৪ জনের অবস্থা গুরুতর ছিল। তাদেরকে চিকিৎসা দিয়ে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদেরকে চিকিৎসা দিয়ে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করা হলেও,তারা যশোর চলে গেছেন।

কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম। জানতে পারলাম জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ওই দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলছিল। ঘটনাটি চেয়ারম্যান মিমাংসা করে দিয়ে ছিলেন। এরপর আজ সকালে মাঠে গিয়ে উভয় পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।




হরিণাকুণ্ডুতে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১১ডিসেম্বর) দুপুরে হরিণাকুন্ডু পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ অর্থ প্রদান করা হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের সম্মানে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার শুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়। সে উপলক্ষে হরিণাকুন্ডু পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেন সরকারের দেওয়া অর্থ খুদে খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুজ্জামান তাজু, টিম লিডার আব্দুস সামাদ আজাদ দিপু, শুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী, পৌরসভার কাউন্সিলর ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন দলের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়কে ৫ হাজারসহ ১৮ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে সম্মানী প্রদানসহ পৌরসভার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।




জীবননগরে ভেজাল মধু বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভেজাল মধু বিক্রি করায় খন্দকার সুন্নাহ কালেকশনস নামে এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার ১টা ৩০ মিনিটের সময় জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিথি মিত্র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা আদায় করেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজিব পাল জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খন্দকার সুন্নাহ কালেকশনস থেকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ল্যাবে পরীক্ষার জন্য মধুর স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় মধু ভেজাল বলে প্রমাণিত হয়। ল্যাব রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিথি মিত্রের নেতৃত্বে খন্দকার সুন্নাহ কালেকশনসে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় ভেজাল মধুসহ পণ্যের গায়ে লেবেল না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকার সত্ত্বেও পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর একটি ধারায় প্রতিষ্ঠানের মালিক নয়ন খন্দকারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।

অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের একটি দল ও উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তিথি মিত্র বলেন, ভেজাল মধু বিক্রির দায়ে নয়ন খন্দকারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর ভেজাল মধু, দোকানে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা পণ্য জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।




আসন ভাগাভাগি নিয়ে ১৪ দলীয় জোটে কোন অসন্তোষ নেই : হানিফ

আসন ভাগাভাগি নিয়ে ১৪ দলীয় জোটে কোন অসন্তোষ নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি।

হানিফ এমপি বলেন, নিয়মিত বৈঠক চলছে, খুব দ্রুত আসন ভাগাভাগির বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে এবং জোটের শরীক দলের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীক নিয়েই ভোট করবে। এছাড়াও আসন বন্ঠনের বাইরেও ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীরা কোথাও দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান সেটাও তারা পারবেন। ‘তবে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীরা তাদের আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী চান না’ এমন প্রশ্নে হানিফ বলেন, ওইসব আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে আছে না আছে সে বিষয়ে কথা বলার সময় এখনও আসেনি।

সোমবার (১১ডিসেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে (১১ ডিসেম্বর) কুষ্টিয়া মুক্ত দিবসের আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহবুবউল আলম হানিফ এসব কথা বলেন।

এসময় অপর এক প্রশ্নের জাবাবে হানিফ বলেন,এ দেশে গুম খুনের রাজনীতি শুরুই করেছিলো বিএনপি। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে গুম খুনের রাজনীতি শুরু করেন। তারা আবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলে।

হানিফ আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করার ঘটনা ছিলো সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লংঘন। এই নিষ্ঠুর ঘটনার সাথেও জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলো। বিএনপির সময়কালে ২৫ থেকে ২৬ হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিলো। সেই বিএনপি নেতাদের মুখে গুম-খুন ও মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ মানায় না। এটা হাস্যকর।

পরে মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হানিফ।

এর আগে শহরে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবসের র‌্যালী করে মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে ফুল দেন তারা।