মুজিবনগরে ডেন্টাল স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

মুজিবনগরে গুডনেইবারর্স বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপি এর আয়োজনে, কমিউনিটির সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিশেষ করে মহিলা ও বাচ্চাদের দাঁতের রোগের চিকিৎসা এবং ডেন্টাল স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে গুডনেইবারর্স এর বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস চত্বরে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

দিন ব্যাপী কমিউনিটির সুবিধাবঞ্চিত মহিলা ও শিশুদের দাঁতের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেন মো: কামরুল হাসান রিদয় (বিডিএস, পিজিটি- রাজশাহী)

এ সময় সিডিপি ম্যানেজারঃ বিভব দেওয়ান গুড নেইবারস বাংলাদেশ এর মেডিকেল অফিসার শুভ কুমার মজুমদার হেলথ অফিসার আহসানুল হক উপস্হিত ছিলেন।




সিলেটে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা

প্রার্থীকে যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে । বয়সসীমা: ২০ নভেম্বর, ২০২৩ইং তারিখে সর্বোচ্চ ৫০ বছর। অভিজ্ঞতা: স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকে স্থায়ীকর্মী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজ করার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অন্যথায়, আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে ।

বেতন

বেতন ও পদমর্যাদা নির্বাচিত প্রার্থীদের কর্মক্ষেত্রে পূর্ব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

কর্মস্থল

সিলেট

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীরা

যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদেরকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইট http://app.dutchbanglabank.com/Online_Job -এ অনলাইনে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। সম্প্রতি তোলা স্ক্যানকৃত ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্র, সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ এবং সর্বশেষ পে-স্লিপ এর স্ক্যানকৃত কপি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ

২০ নভেম্বর ২০২৩

সূত্র : বিডিজবস




বাইডেনের তথাকথিত উপদেষ্টা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মিয়ান আরেফি আটক

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার ঘটনায় মিয়ান আরেফি, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান সারওয়ার্দী এবং বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

গতকাল  রবিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মহিউদ্দিন শিকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে পল্টন থানায় এ মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন বাদী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ডিএমপির মিডিয়া উইং।

আমেরিকার পাসপোর্টধারী মিয়ান আরেফির প্রকৃত নাম মিয়া জাহিদুল ইসলাম আরেফি। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়। শনিবার বিএনপির কার্যালয়ে মিথ্যা পরিচয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার পর রোববার বিকেলে তিনি দেশছাড়ার চেষ্টা করলে তবে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশে সোপর্দ করে।

২৮ অক্টোবর বিশৃঙ্খলার কারনে বিএনপির মহাসমাবেশ পন্ড হওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে অবঃ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান সারওয়ার্দী এবং বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কিছু সংবাদমাধ্যমের সামনে মিয়ান আরেফি নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয় দেন।এসময় তিনি বলেন পুলিশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার বিভাগের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তার সরকারের (যুক্তরাষ্ট্র) কাছে সুপারিশ করেছেন।এসময় মিয়ান আরেফি তার বক্তব্যে দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার দিনে ১০ থেকে ১৫ বার যোগাযোগ হয় এবং মার্কিন সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে। তিনি মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

উল্লেখ্য ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষুব্ধ বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কাকরাইল মোড় থেকে আরামবাগ মোড় পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। তারা প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনসহ সরকারি স্থাপনা এবং সরকারি গাড়িসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করে। এতে পুলিশের এক সদস্য নিহত ও পুলিশের ৪১ সদস্য আহত হন। সেসময় দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে ৩০ জন গণমাধ্যম কর্মী আহত হন। একপর্যায়ে বিকেল ৩টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হইয়েছে, ওই সংবাদ সম্মেলনে একপর্যায়ে মিয়ান আরেফির বক্তব্য শুনে এবং ভিডিও দেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে।হাসান সারওয়ার্দী এবং ইশরাক হোসেন তাকে মিথ্যা বক্তব্য দিতে সহযোগিতা করেন এবং তার বক্তব্য সমর্থন করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতিতে উসকানি দেন। মিয়ান আরেফি তাদের সহায়তায় সরকারের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি করে সারা দেশে নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়াতে আসামিরা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ করেছেন।




বিএনপি কী গণমাধ্যম বিমুখ হলো?

একজন নয় দু’জন নয় ২জন সাংবাদিক বিএনপি কর্মীদের হামলায় আহত! অবাক না হয়ে উপায় কী? একজন দু’জন হলে না হয় বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া যেতো। কিন্ত সংখ্যাটা যখন এত বেশি তখন বলতেই হবে সাংবাদিকদের ওপর বিশেষ ক্ষোভ রয়েছে বিএনপি কর্মীদের। শুধু তাই নয়, বলতে হবে এই হামলা পরিকল্পিত এবং নির্দেশিত। কিন্তু কেন? সাংবাদিকদের সঙ্গে তো রাজনৈতিকে কর্মীদের শত্রুতা থাকার কথা নয় বরং বন্ধুত্ব থাকার কথা। যুগে যুগে তাই ছিল। কিন্তু কেন জানি, এই ২৮শে অক্টোবরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং ৯০ এর গণঅভ্যূত্থানের ধারাবাহিকতা ভাঙলো।

আমাদের প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে, কোন রাজনৈতিক দল যেটা করবে সাংবাদিক সেটা প্রচার করবে। সারাদেশের মানুষ তাদের মাধ্যমেই কী হয়েছে সেটার একটা চিত্র পাবে এবং তার এই মুহূর্তের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু ২৮শে অক্টোবর আমরা কী দেখলাম? দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে একের পর এক সাংবাদিকের ওপর হামলা করা হলো। মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হলো। টেলিভিশনের গাড়ি ভাঙা হলো। অদ্ভুদ। আগে কখনো এরকম দেখেছি বা শুনেছি বলে আমি মনে করতে পারছি না।

একদল লোক যাদের কাজ তথ্য সংগ্রহ করা এবং ছবি তোলা। তারা নানা ঘটনার ছবি তোলে এবং তথ্য সংগ্রহ করে। পরে এই ছবি এবং তথ্য মিলিয়ে মানুষকে খবর জানায়। তাহলে কী এখন আমরা বলবো গণমাধ্যমকে বিএনপির দরকার নেই? আমার মনে হয়, সেটা বলার যায়। কারণ আমরা জানি, গত দুই মাস ধরে বিএনপি দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা দেশের অন্যতম দুটি টেলিভিশনে যাবে না এবং কথা বলবে না।

দুই টেলিভিশনের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার সিদ্ধান্তটা অবশ্য প্রকাশ্য। গণমাধ্যমের প্রতি কোন রাজনৈতিক দলের এমন প্রকাশ্য বিদ্বেষ অবশ্য বিরল। কিন্তু কাজটি তারা করছে। সেই ধারাবাহিকতায় চিন্তা করলে বলা যায়, সাংবাদিকদের প্রতি বিএনপি কর্তৃপক্ষের বিদ্বেষ রয়েছে। আরও বলা যায় এই বিদ্বেষ সদ্য নয়। বেশ পুরোনো। না হলে একদিনেই ২৭ জন সাংবাদিকের ওপর হামলার সিদ্ধন্ত নেয়া যায় না।

আমি আহত কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বেশিরভাগই ফটো সাংবাদিক। তারা প্রত্যেকেই কাজ করছিলেন। অর্থাৎ এই হামলা মাঠে কর্মরত সাংবাদিকের ওপর হামলা। যারা হামলা শিকার হয়েছেন, তারা নিজের পরিচয় লুকাননি। যে কারণে বিএনপি কর্মীদের হামলার জন্যে তাদের খুঁজে বের করতে দেরি হয়নি। পরে কেউ কেউ অবশ্য পরিচয় লুকিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।

২৮শে অক্টোবর নিশ্চয়ই সাংবাদিকরা বার্তা পেয়ে গেছেন যে, এখন থেকে বিএনপির খবর সংগ্রহ করতে হলে সাবধানে করতে হবে। সেই সাবধানতা বিএনপির জন্যে কতটুকু ভালো হবে, আমি জানি না। কিন্তু সাংবাদিকদের অনেকেই বিএনপির কর্মসূচির্ খবর সংগ্রহ করার ঝুঁকি নিতে চাইবেন না, এটা এখন স্বাভাবিক। এই সরল সত্য বোঝার ক্ষমতা বিএনপি নেতাদের নেই, সেটা ভাবতে চাই না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন বিএনপি প্রচলিত গণমাধ্যমকে এমন বার্তা দিল? তারাতো একটি রাজনৈতিক দল। নিজেদের কথা তো বলতেই হবে। তাহলে মাধ্যমটি কী হবে? এখনতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়া, আমি কোন মাধ্যম দেখছি না। তারা যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর হয়ে পড়েছে, সে নিয়ে অবশ্য সন্দেহ থাকার কথা নয়। সেকথা পাঠক্ও নিশ্চই জানেন। কিন্ত প্রচলিত গণমাধ্যম ফেলে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর কতটা ঠিক হলো?

চরিত্র অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে যা খুশি তাই বলা যায়। কিন্তু একজন গণমাধ্যম কর্মী কখনই যা খুশি তা বলতে পারেন না। কিছু বলতে হলে তাকে নানা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে বলতে হয়। তার ক্লু লাগে সোর্স লাগে। নিশ্চিত হওয়ার দরকার পড়ে। তাই একজন সাংবাদিক যেটা বলেন সেটার ওপর মানুষ ভর করতে পারেন। কিন্তু সত্যের জন্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধমের ওপর ভরে করলে সেই ফল যে খুব ভালো হওয়ার কথা নয়, তা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

সা্ংবাদিক তার কাজের পদ্ধতির কারণে হয়তো বিএনপিকে খুশি করতে পারছে না। যেকারণে তারা আজ প্রচলিত গণমাধ্যম বিমুখ। এখন বিএনপির এই প্রচলিত গণমাধ্যম বিমুখতার সূত্র ধরে কেউ যদি বলে, এই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধেমে সরকার বিরোধী যত প্রপাগাণ্ডা এসবই বিএনপির পরিকল্পিত তিনি কী ভুল বলবেন? কেউ যদি বলেন সাংবাদিকদের হামলার পরিকল্পনা এবং সরকার বিরোধী প্রপাগাণ্ডার পরিকল্পনা একই সূত্রে গাঁথা, তিনিও কী ভুল বলবেন?

তাদের কথা ভুল না ঠিক সেটা আমার মূল আলোচনা নয়। মূল কথা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর ভর করে বৈতরনী পার হওয়া যাবে না। কারণ তারা একটি রাজনৈতিক দল। সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথা বলে তাদের জন্ম। কিন্তু আমাদের এখনকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভরকেন্দ্র হচ্ছে ঘৃণা। এই ঘৃণা দিয়ে আর যাই হোক, মানুষের কল্যাণ করা যায় না।

এই লেখা লিখতে লিখতেই খবর পেলাম, শনিবারের সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলেছে, ২৮ অক্টোবর ঢাকায় যে রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য। সাংবাদিকদের ওপর হামলাসহ প্রতিটি সহিংসতা পর্যালোচনা করা হবে। সম্ভাব্য ভিসা নিষেধাজ্ঞার জন্য এই সহিংসতা আমলে আসবে। আপাতত আর কিছু বলতে চাই না। শুধু বলি, মাথাভরা ঘৃণা থাকার ফল যে ভাল কিছু আনে না, তা প্রমাণের জন্যে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না।

লেখক: গণমাধ্যম কর্মী।




কিংবদন্তি ম্যারাডোনার জন্মদিন আজ

সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার ৬৩তম জন্মদিন আজ। কিন্তু এই কিংবদন্তি এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রায় তিন বছর আগে চলে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে। ১৯৬০ সালের এই দিনে (৩০ অক্টোবর) আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস প্রদেশের লানুস শহরে জন্মগ্রহণ করেন ম্যারাডোনা। সেদিন কে জানতো সদ্যভূমিষ্ট এই শিশুকে দেওয়া হয়েছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুরধার মেধা আর ইতিহাসের অন্যতম সেরা বাম পা!

কারো কাছে তিনি আবার পরিচিত সাক্ষাৎ ঈশ্বর হিসেবেও। আবার কারো কাছে তিনি বিদ্রোহী। যেভাবেই ডাকা হোক না কেন, তিনি দিয়েগো ম্যারাডোনা। বল পায়ে দক্ষ নিয়ন্ত্রণ, চিতার বেগে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়াসহ আরও অনেক ঐতিহাসিক মুহূর্ত আর গোল বিশ্বসেরা ফুটবলারের বিতর্কে তাকে রেখেছে বেশ উঁচু স্থানে।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নৈপুণ্যে দ্বিতীয় বারের মত বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। সেই আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন ‘হ্যান্ড অব গড গোল’ ও শতাব্দীর সেরা গোলটি। এরপর ১৯৯০ বিশ্বকাপেও দলকে তুলেছিলেন ফাইনালে। সেইবার আর দলকে বিশ্বকাপ জিতাতে পারেনি ম্যারাডোনা। ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ও ক্লাব ক্যারিয়ারে আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা মোট গোল করেছেন ৩৪৬টি।

মাত্র দুই দশকের পেশাদার ক্যারিয়ারে ম্যারাডোনা খেলেছেন ছয়টি ক্লাবে। ১৬ বছর বয়সে পা দেওয়ার ঠিক দশদিন আগে নিজ শহরের ক্লাব আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে অভিষেক হয়েছিল তার। বর্তমানে তাদের হোম গ্রাউন্ডের নামকরণ করা হয়েছে ম্যারাডোনারই নামে।

ক্লাব ক্যারিয়ারে বোকা জুনিয়র্স, বার্সেলোনা, নাপোলিসহ নানা ক্লাবে খেলেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো নাপোলিকে একক কৃতিত্ব চ্যাম্পিয়ন করা। তিনি ক্লাবটির অধিনায়কত্ব গ্রহণ করে ক্লাবটিকে নিয়ে যান ইতিহাসের সফলতম পর্যায়ে।

ফুটবল বিশ্বের অনন্য এই জাদুকরের মৃত্যু ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর। তার মৃত্যুর পরেই নাপোলি শিরোপা জিতেছে, আর্জেন্টিনা জিতেছে বিশ্বকাপ। ম্যারাডোনা তার জীবদ্দশায় সেই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখতে পারেননি। জন্মদিনে এটিই হয়ত আর্জেন্টিনার ভক্তদের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ।

সূত্র: ইত্তেফাক




পুরোনো স্মার্টফোন দিয়ে ভালো ছবি তোলার কৌশল

স্মার্টফোন কেনার পর কয়েক বছরের ব্যবধানে এর কার্যক্ষমতা অনেকটাই কমে আসে। বিশেষ করে সেলফোনের ক্যামেরা দিয়ে আর ভালো ছবি তোলা যায় না। অনেকের ক্যামেরা ঘোলা হয়ে যায়। তবে শুধু ডিভাইস পুরোনো হলেই যে ছবি ঝাপসা হয় তা নয়। এর পেছনে আরও কিছু কারণ রয়েছে।

ব্যবহারকারীদের কিছু ভুল বা গাফিলতির কারণেও ডিভাইসের ক্যামেরা দিয়ে ভালো ছবি তোলা যায় না। তবে এ সমস্যার সমাধান রয়েছে। কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলে পুরোনো ডিভাইস দিয়েও উন্নতমানের ছবি তোলা সম্ভব।

প্রথমেই সেলফোনে থাকা ক্যামেরা লেন্স ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। দীর্ঘদিন ডিভাইস ব্যবহার করলেও ক্যামেরার অংশ পরিষ্কারের বিষয়ে অধিকাংশ মানুষই অসচেতন। পরিষ্কার না থাকলে ক্যামেরার লেন্স ঘোলা হয়ে যায় এবং ছবি ঘোলা ওঠে। তাই ক্যামেরা ঘোলা হয়ে গেছে কিনা সেটি যাচাই করতে হবে এবং মাইক্রোফাইবার দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

অন্ধকারে বা কম আলোয় ছবি তোলা সবসময়ই কষ্টসাধ্য। সে সময় ছবি ঘোলা আসা স্বাভাবিক। তাই পর্যাপ্ত আলো না থাকলে ছবি না তোলাই ভালো। এজন্য সেলফোনে ব্রাইটনেস বাড়িয়ে দেওয়া যায়। এতে করে যে ছবিটি তোলা হয়েছে তা সহজে বোঝা যাবে। ছবির মানও ভালো থাকবে।

ছবি তোলার আগে ডিভাইস ক্যামেরার সেটিংস দেখতে হবে। বর্তমান সময়ের স্মার্টফোনে পোর্ট্রেইট, ল্যান্ডস্কেপ, নাইট মোডসহ বিভিন্ন অপশন রয়েছে। একেক সময়ে ছবি তোলার জন্য এসব অপশন ব্যবহার করা যায়। তবে রাতে ছবি তোলার জন্য নাইট মোড ব্যবহার করা ভালো।

হাই কনট্রাস্টে ছবি তুলতে হলে এইচডিআর মোড নির্বাচন করে নিতে হবে। এছাড়া ফটোতে ক্লিক করার সময় স্ক্রিনে ট্যাপ করে ম্যানুয়ালি এক্সপোজার ও ফোকাস ঠিক করুন। এতে ছবি ভালো আসবে।

সূত্র: ইত্তেফাক




নিখোঁজের চারদিন পর অটোচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী গ্রামের বিজন (২৬) নামের এক ইজি বাইক চালকের নিখোজ হওয়ার চারদিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিজন মোনাখালী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

গতকাল রবিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দিলে মুজিবনগর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে। তবে কি কারণে এ হত্যা তা পুলিশ এখনো জানাতে পারেনি।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে বিজন তার ইজিবাইকে কয়েক ব্যক্তিকে চুয়াডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গা নিয়ে যায়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। একদিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে মুজিবনগর থানায় অভিযোগ করতে গেলে বলা হয় চুয়াডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করার জন্য।ঘটনার পরদিন মুজিবনগর উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের মাঠ থেকে ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হলেও তখন বিজনের কোন সন্ধান মেলেনি।

মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদি রাসেল বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমাদের তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান ছিলো। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান আছে, যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে হবে। ‘

মেহেরপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সাইফুল আলম বলেন,’ অভিযোগের পর অটোচালক বিজনের ফোন বন্ধ ছিল। তবে আমরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তদন্তে অনেকটা অগ্রসর হয়েছি। অপরাধীদের শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।’




হরতাল প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দেশ বিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক পুলিশ হত্যা, কাকরাইল মসজিদ ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক মহলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং বিএনপি-জামায়াতের দেওয়া হরতাল প্রতিরোধে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগ।

গতকাল রবিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের মোহাম্মদী শপিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন অফিসে যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে এসে সমবেত হয়। এরপর জেলা যুবলীগের আহবায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার শত শত নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ইউনিটে ভাগ করে দেন। পরে যুবলীগের এসব নেতাকর্মীরা চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমি মোড়, রেল বাজার, টার্মিনাল, পৌর কলেজ মোড়, স্টেশন, কলেজ মোড়, চৌরাস্তার মোড়, কোর্ট মোড়, জীবননগর বাসস্ট্যান্ড মোড় ও ভিমরুল্লাহ-জেলখানা মোড়ে শান্তি পুর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে হরতাল প্রতিরোধ করে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল, যানবাহনের চলাচল ও দোকানপাট খুলতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করে। যার ফলে চুয়াডাঙ্গার হরতাল ঢিলেঢালায় রুপ নেয়।

পরে বিকেলে জেলা যুবলীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে নঈম হাসান জোয়ার্দ্দারের নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহীদ হাসান চত্বরসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূর্বের স্থানে এসে শেষ হয়। তখন একইস্থানে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সামসুদ্দোহা মল্লিক হাসুর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার। এছাড়া এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য সাজ্জাদুল ইসলাম লাভলু, আজাদ আলী, হাফিজুর রহমান হাফু, আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ, আলমগীর আজম খোকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার বলেন, যেখানেই বিএনপি-জামায়াত নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে, সেখানেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যুবলীগ প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল যুবলীগকে সেই নির্দেশনায় দিয়েছেন। তাই আজ চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা পিরু মিয়া, শেখ শাহী, হাসানুল ইসলাম পলেন, বিপুল জোয়ার্দ্দার, জুয়েল জোয়ার্দ্দার, টিটু, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রামীম হোসেন সৈকত, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ সানিউল শেখ সুইট, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য শেখ রাসেল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য খালিদ মন্ডল, দিপু বিশ্বাস, তানভীর রেজাল্ট টুটুল,চুয়াডাঙ্গা পৌর ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রানা, সাধারণ সম্পাদক খানজাহান আলী, ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আব্দুল আলিম, সহ-সভাপতি জুয়েল, ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ বিপ্লব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক লালটু, পদ্মবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি বিপ্লব হোসেন,মমিনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছোট, বঙ্গ, শিমুল, মমিন, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাসুম, আমজেদ, রিঙ্কু, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জাকির, আরও উপস্থিত ছিলেন, লোকমান হোসেন, মহসিন হক রনি, টিপু, হীরা, মুন্না, শান্ত, মামুন, আশা, সুমন, নোমান, সজীব,শাওন রেজা কবীর,হাসান,সজল,লিপটন, তারিক, রনি, জনি, শফিক, সিকদার, বাচ্চু, আলতাফ, জিপু, তুষার, সোহান, জুয়েল, সবুজ, রাজন, আলো, রানা, বিপুল, সঞ্জু,আমান, রুবেল, মিন্টু, বিন্দু, সুশান্ত, সুমন, সাঈদ, শাকের, রসূল, মোখলেছ, মহাদেব, চঞ্চল, জনি, জাহিদ, বিপ্লব,চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা উপ-সম্পাদক শেখ আনোয়ার, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান ফেরদৌস, নোমান, কাফি, তানজির, মিশা, টিলু, ছাত্রলীগ নেতা ইমাদু ওয়াসিম, শাকিল আহমেদ তূর্য, সাহেব মাহমুদ, সাব্বির, কবির, জিম, বিপুল, নয়ন, আরিন, মেহেদী, সারুক, পাপন, শোভন সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।




চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধন

“নিজ আঙিনা পরিস্কার রাখি সবাই মিলে সুস্থ থাকি” এই প্রতিপাদ্যে চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ-২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, ডেঙ্গু রোগটি এখন আর শুধু শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ ডেঙ্গু রোগী ঢাকার বাইরের। ফলে এডিস মশা এবং ডেঙ্গু রোগ দুটি সারাদেশে সমানভাবে ছড়িয়েছে। মারাত্মক ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে এর প্রজনন স্থান নষ্ট করতে সবাইকে সচেতন করতেই এই আয়োজন।তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আমরা সচেতন হলেই এডিস মশার জন্মানোর উৎস ধ্বংস করতে পারি। স্লোগানে উজ্জীবিত হয়ে মারাত্মক ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রজনন স্থান নষ্ট করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে কার্যকর কোনও উপায় এখনও পর্যন্ত কেউ বলতে পারেনি। তাই এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে, জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে এবং মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আওলিয়ার রহমান। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিমুদ্দিন আল আজাদ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন প্রমুখ। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহিদুল আলমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান চাঁদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সিনিয়র রোভার মেট আল মুতাকাব্বির বিশ্বাস সাকিব। আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম ক্বারি কবির আহম্মেদ ও গীতা পাঠ করেন বাবু সুনীল মল্লিক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ, জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলাম, জেলা রোভারের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হাসান প্রমুখ।




দর্শনায় শান্তি উন্নয়ন সমাবেশে এমপি টগর

বিএনপি – জামাতের সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নৈরাজ্য অপরাজনীতি ও অব্যহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

আজ রবিবার সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে দর্শনা রেলবাজার সংলগ্ন আকাশ শপিং কমপ্লেক্সের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে, দর্শনা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তুম আলীর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের উন্নয়নের রূপকার হাজী আলী আজগার টগর।

এ শান্তি সমাবেশে তিনি বলেন বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস,‌ জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের স্বর্ন শেখরে।জাতির জনকের স্বপ্ন পৃরনে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।অবহেলিত এই জনপদের উন্নয়ন হয়েছে চোখে পড়ার মত।সারা বাংলাদেশসহ আমাদের এলাকায় রাস্তা ব্রীজ,কালভার্ট স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।এ সব উন্নয়ন দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিএনপি- জামাত,তারা অহেতুক অরাজকতা সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচালসহ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পায়তারা করছে।একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামাত ও বিএনপি যতই অরাজকতা সৃষ্টি করুক না কেন এদেশের জনগন তা শক্তহাতে প্রতিহত করবে।তাই আসুন দেশের উন্নয়ন অব্যহত রাখতে বিরোধী দলের অপশক্তিকে রুখে দিতে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার গঠনে সহায়তা করি।জামাত- বিএনপি সমাবেশের নামে পুলিশ সাংবাদিকে হত্যা করছে। তাই কোন ভাবেই বিএনপি জামাত মাথা চড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এ সময় বিশেষ অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম,দর্শনা পৌর মেয়র আতিয়ার রহমান হাবু,দর্শনা পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক গোলাম ফারুক আরিফ,দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট, দর্শনা পৌর আ’লীগের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম,আ’লীগ নেতা,জয়নাল আবেদীন নফর,আব্দুল হাকিম,দর্শনা পৌর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ববি,কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ পারভেজ,সাধারন সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন তপু প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান ও দর্শনা পৌর আ’আলীগের সাধারন সম্পাদক আলী মুনছুর বাবু।