আলমডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় শরিফ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার সকাল ১০টার সময় হাটবোয়ালিয়া বাজারে অবস্থিত ১ নং ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিস উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা–১ (আলমডাঙ্গা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা আহ্বায়ক ইউনিট কমান্ড আবেছ উদ্দিন, হাজী আব্দুল মাবুদ, সাবেক জেলা কমান্ড, চাঁদ আলী, সদস্য জেলা ইউনিট কমান্ড,

বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান (দামুড়হুদা উপজেলা), সাবেক ইউনিট কমান্ডার ইসমাইল হোসেন (বেল্টু), আঃ মালেক, আলতাফ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক, আলমডাঙ্গা উপজেলা কমান্ড, মতিউর রহমান, আহ্বায়ক, আলমডাঙ্গা উপজেলা কমান্ড, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা মোমেনা বেগম (হারদী)।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সদস্য জিন্নাত আলী, গিয়াস উদ্দিন, আবুল হাসেম, রইস উদ্দিনসহ আরও অনেকে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ধুনা, সোয়োব উদ্দিন, খোসদেল আলম, মজনু, নাসির উদ্দিন, বাশির উদ্দিন, মারফোত আলী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান রাসেল হুদা, হাসান আলী, চঞ্চলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। আপনাদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়েই আজ আমরা স্বাধীন দেশে কথা বলতে পারছি। মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং আলমডাঙ্গাসহ চুয়াডাঙ্গা-১ আসনকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নসমৃদ্ধ আসনে রূপান্তর করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।”




দামুড়হুদায় মাহমুদ হাসান খান বাবু’র ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা ও গণসংযোগ 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল রবিবার সন্ধ্যার পরে দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের বিভন্ন ওয়ার্ডে মাহমুদ হাসান খান বাবুর ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন।

এসময় তিনি হাউলী ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পাড়ায় মহল্লায় ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। তার উপস্থিতিতে ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর মনে আবেগ প্রবল হয়ে ধানের শীষের পক্ষে জোর প্রচারণা চালায়। প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী তাদের ওয়ার্ডের চাওয়া পাওয়া বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমল থেকে আমাদের ০১নম্বর ওয়ার্ডে আজ পর্যন্ত কোথাও কোনো পিচের রাস্তা করা হয়নি। এ সময় মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, আল্লাহ পাক যদি আমাকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে এমপি হিসাবে কবুল করেন তাহলে আমি আপনাদের এক নম্বর ওয়ার্ডের পিচের রাস্তা করার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এসময় হাউলী ইউনিয়ন বিএনপি’র নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।

উক্ত নির্বাচনী পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, হাওলি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী সহ বিএনপি ও তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




দর্শনায় পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচার চক্রের সদস্য গ্রেফতার

দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচার চক্রের সদস্য জয়নগরের মারুফকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত শনিবার রাতে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালায় দর্শনা পৌরসভার জয়নগর গ্রামে। এ সময় দর্শনা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্সসহ জিআর মামলার -৪৩/২৪ ও ১৭০/২৫  আসামী জয়নগর গ্রামের জাম্বু হোসেনের ছেলে মারফ হোসেনকে (২৫) গ্রেফতার করে।

তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও স্বর্ণ পাচারের মামলা রয়েছে। গতকালই মারুফকে চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




দর্শনার বড় বলদিয়া গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা জোরপূর্বক পাঁকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

দর্শনা বড় বলদিয়া গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা জোরপূর্বক পাঁকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল স্বরেজমিনে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বড়বলদিয়া গ্রামের ফকির মিস্ত্রী ছেলে আবুল হাসেম জানান, বড়বলদিয়া গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত কিতাব আলীর স্ত্রী রাহাতন খাতুনের কাছ থেকে একটা দলিলে ৩৫ শতক আর একটা দলিলে ১০ শতক আর একটা দলিলে ১০৫৩ দাগে আমার শশুর ১২ শতক জমি ক্রয় করে।

দাউদ ও নুরুল হক ঐ ১০৫৩ দাগে ২১ শতক জমি ক্রয় করে। দাউদ ও নুর হকের নামে ভুলক্রমে করে ১০৫৩ দাগে রের্কড হয় ৪৯ শতক। এর মধ্যে আমার শশুরের কাছে ১৯৭৪ সালে ১২ শতক জমি বিক্রী করে। এরপর তার জমি থাকে ৯শতক। সেই ৯শতক দাউদের এখনো নিজের দখলে আছে। থাকার পর রের্কডে বেশী জমিটুকু ঐ বেশী রের্কডটুকু মৃত কিতাব আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন ও আব্দুল বলে আমাদের জমি। কিন্তু তার জামাল ও আব্দুলের মা ঐ জমি অনেক আগেই ঐ জমি বিক্রী করে দিয়েছে। তার মার নামে রের্কড হয়নি। জামাল ও আব্দুল দাউদকে বলে ঐ ভুল রের্কডের বেশি জমিটুকু আমাদের কাছে বিক্রী করে দাও। তখন রের্কড বিহীন জমি দাউদ ঐ ভুল রের্কডের জমি জামালের নিকট বিক্রী করে দেয়। তারা বলে জামাল ও আব্দুল বেশী ভুল রের্কডের ঐ জমি ৫ আগষ্টের পর ৯ তারিখে আমার ২৪শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে মারধর করে হুমকি-ধামকি দিয়ে দখল ঘরবাড়ি নিমার্ন করছে। এটা দলিয়ভাবে দখল করেছে। ঐ জমি আমার ৩ ফুফু শাশুড়ী আছে তাদের ওয়ারেশ সুত্রে তাদের অংশ আছে। মোট ৭৪ শতক জমি আমাদের। ঐ ৭৪ শতকের মধ্যে এ জমির মধ্যে ২৪ শতক জমি নিয়ে দখল করে করে ঘরবাড়ি করছে। আমরা আদালতে মামলা করি। যার মামলা নং ১৯৩৮।

এ মামলায় ওরা আমাদের বিরুদ্ধে ১০টা মামল করে। সে মামলা গুলোই আমাদের পক্ষে রায় হয়। এরপর ওরা এ জমির উপর ইনজাংশন জারি করে। সেটা্ও আমাদের পক্ষে রায় হয়। এরপরও এ জমির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এরপরও জোরপূর্বক ঐ জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার চেষ্টা করে।

এ বিষয়ে জামাল ও আব্দুল বলেন, বর্তমান আমাদের জমি হচ্ছে সাড়ে ১০ বিঘা জমি আমারা ৫বিঘা জমি নিয়ে লড়ছি।  ১৫ কাঠ জমি তো এ দাগে। আরো বাদবাকি দাগেতো আমরা যায়নি। ১২ শতক জমি ওর কেনা আছে। আমি ছেড়ে দিয়েছি। আমার মা যে ওদের কাছে জমি বিক্রী সে কাগজে আমার মার কোন টিপসই নেই। লেখাপড়া জানলেও আপনার বুড়ো আঙ্গুলে ছাপ নেই। আসল কাগজ দেখাতে পারছে না। আজ ৫/৭ বছরের মধ্যে তারা কাগজ দেখাতে পারেনি। আমার মা ২ বিঘা জমি বিক্রী করেছে। এ জমির কাগজপত্র সব আমাদের আছে। জোর করে তো সবকিছু হয়না।




চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নিবার্চনকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রচারণা  

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নিবার্চনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রচারনা শুরু করেছে। তবে এবারের প্রচারনায় নারী ভোটাদেরকে বেশী বেশী গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রার্থীদের নেতাকর্মীরা।

গতকাল দর্শনা পারকৃষ্ণপুর গ্রামে ধানের শীষের পক্ষে নারীদের নিয়ে সমাবেশ করে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, দর্শনা থানা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফা ইয়াসমিন। এ নারী সমাবেশে নারীদের কাছে ভোট চাওয়া হয় এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিবার রহমান, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আলী আহম্মদ, দর্শনা থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আশাবুল হক আনার ও নজরুল মাষ্টার।

এছাড়া নারী নেত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুগ্ম সম্পাদিকা পারুল খাতুন, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা সালেহা খাতুন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের সভাপতি শফি উদ্দিন। এদিকে দর্শনা পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে দর্শনা দাস পাড়া থেকে ধানের শীষের পক্ষে একটি মিছিল বের করা হয়।




মেহেরপুরে পৌর যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচারণা

মেহেরপুরে পৌর যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদ অরুনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুরের ১নং  ওয়ার্ডে গতকাল রবিবার ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নওশেল আহমেদ রনি, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর সুজন, মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হাসনাত আফরোজ, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব জারজিস ইউসুফ রমিকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।




বারি সরিষা-২০ উৎপাদনে মেহেরপুরে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে মেহেরপুরে বারি সরিষা-২০ এর উৎপাদন কর্মসূচির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার বাড়াদি এলাকায় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব গবেষণা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মেহেরপুরের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মেহেরপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সনজীব মৃধা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাড়াদি বিএডিসির ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক মির্জা শফিকুল ইসলাম, কৃষি বিজ্ঞানী ড. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ সময় প্রায় ৫০ জন কৃষক-কৃষাণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং বারি সরিষা-২০ এর চাষ পদ্ধতি ও সুফল সম্পর্কে ধারণা নেন।

বক্তারা বলেন, বারি সরিষা-২০ একটি লাভজনক চান্স ফসল। একই জমিতে দুইবার ধান চাষের মধ্যবর্তী সময়ে মাত্র ৮৫ দিনে এ সরিষা চাষ করা সম্ভব। এতে বিঘা প্রতি অন্তত ৬-৭ মণ ফলন পাওয়া যায়। সরিষা চাষে খরচ খুবই কম মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে চান্স ফসল হিসেবেই একজন চাষি ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা লাভ করতে পারেন।

বর্তমানে নিয়মিত বারি সরিষা-১৪ চাষের কারণে রোগবালাই বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উৎপাদন আগের তুলনায় কমে যাচ্ছে। তাই চাষিদের লাভজনক বিকল্প হিসেবে বারি সরিষা-২০ চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।




ঝিনাইদহে ইজি বাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু

অনার্স পরীক্ষা শেষ করে ঘুরতে বেরিয়েছিল সুমাইয়া। বাড়ি থেকে বের হয়ে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পথে ইজি বাইকের মোটরে গলার ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেছে সুমাইয়া খাতুন (২৩) নামে এক কলেজ ছাত্রীর।

রোববার বেলা ১টার দিকে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের সাধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের পাশের বোড়াই গ্রাম মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সুমাইয়া হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে এবং একই উপজেলার জুড়াপুকুরিয়া গ্রামের সেলিম রেজার স্ত্রী। তিনি এ বছর সরকারি কেসি কলেজ থেকে অনার্স পরীক্ষা শেষ করেছেন।

স্বজনরা জানান, রোববার দুপুরে সুমাইয়া তার স্বামীর সঙ্গে চুয়াডাঙ্গার আক্কাস লেকভিউ পার্কে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। তারা সাধুহাটী মোড় পার হয়ে চুয়াডাঙ্গা অভিমুখে যাওয়ার সময় বুড়াই বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি পৌঁছালে সুমাইয়ার গলার ওড়না ইজি বাইকের মোটরে পেঁচিয়ে যায়। এতে তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঝিনাইদহ সদর হাইওয়ে থানার পুলিশ বিকাল ৪টার দিকে পরিবারের কাছে সুমাইয়ার মরদেহ হস্তান্তর করে। সুমাইয়ার মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।




মেহেরপুরের আমঝুপিতে ছাত্রদলের ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও সমাবেশ

মেহেরপুর সদর উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বিকাল ৪টার দিকে সদর উপজেলার আমঝুপি এলাকায় এ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। গণসংযোগকালে নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমঝুপি ইউনিয়নের সাবেক বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাবেদ সেনজির, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলাম রাজন, দপ্তর সম্পাদক লিজন আহম্মেদ, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক তৌফিক এলাহিসহ সদর উপজেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফজলে রাব্বী।




বার্ষিক ক্রীড়ায় আবারও উজ্জ্বল দুই বোন তাসনিয়া তুবা ও নিশাত জারা

শৈশবের উচ্ছ্বাস, পরিশ্রম আর সাফল্যের হাসি- সব মিলিয়ে আবারও ক্রীড়াক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখল দুই বোন তাসনিয়া তুবা ও নিশাত জারা। ঢাকার গাইডেন্স ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এবছরও পুরস্কার অর্জন করে তারা স্কুল অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

গ্রেড-৩ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া তুবা একটি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজের দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসের প্রমাণ দেয়। অপরদিকে নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছোট বোন নিশাত জারা দুটি ইভেন্টে রানার্সআপ হয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে। বয়সে ছোট হলেও মাঠে তার দৌড়, মনোযোগ আর লড়াইয়ের মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো— এ সাফল্য তাদের জন্য নতুন নয়। গত বছরও স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দুই বোন দুটি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তাক লাগিয়েছিল। ধারাবাহিক এই অর্জন প্রমাণ করে, খেলাধুলায় তারা শুধু অংশগ্রহণকারী নয়— বরং প্রতিযোগিতামুখর ও প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড় হিসেবেই নিজেদের গড়ে তুলছে।

তাসনিয়া তুবা ও নিশাত জারা মেহেরপুরের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক  তোজাম্মেল আযমের নাতনি। নাতনিদের এই সাফল্যে পরিবারে যেমন আনন্দের জোয়ার, তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝেও তৈরি হয়েছে গর্বের অনুভূতি। শিক্ষকরা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় নিয়মিত চর্চাই তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।