সীমান্তে পুশইন বৃদ্ধ মুনতাজ আলী কারাগারে, মানবিক সংকট ঘিরে প্রশ্ন
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ভারতীয় অবাঙালি মুসলমান মুনতাজ আলী মানবিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন। সীমান্ত এলাকা থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর তিনি আনন্দবাস গ্রামে একটি সরকারি যাত্রী ছাউনিতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। তীব্র শীত ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল তার।
এ বিষয়ে মেহেরপুর প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর। এরপর বিজিবি মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রাম থেকে মুনতাজ আলীকে উদ্ধার করে মুজিবনগর থানায় হস্তান্তর করে।
গতকাল শুক্রবার অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাকে কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট, ১৯৫২-এর ৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মুনতাজ আলীর বোন আমেনা বেগম বর্তমানে মেহেরপুর জেলা কারাগারে রয়েছে, তার বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের প্রকৃত ঠিকানা ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের কেন্দ্র শহর । তবে মুজিবনগর থানায় সংরক্ষিত ডায়েরিতে মুনতাজ আলীর ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে ভারতের নদীয়া জেলার অরুণ নগর গ্রাম—যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় সীমান্তে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মানবিক সহায়তা, পরিচয় যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।