চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, তাপমাত্রা নেমেছে ৬.৯ ডিগ্রিতে

পৌষের শেষভাগে কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছে। কুয়াশার ফোঁটা বৃষ্টির মতো ঝরছে, ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। এর আগের দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টানা তিন দিন সূর্যের দেখা না মিললেও বুধবার কিছুটা রোদের দেখা মিলেছে। তবে উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিম বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষজন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, দিনে ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কম থাকায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। তিনি আরো জানান, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।

এদিকে জেলার চারটি উপজেলায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নগদ অর্থের বরাদ্দও পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় এই সহায়তা খুবই অপ্রতুল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত শীতবস্ত্র চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ইতিমধ্যে পত্র পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: কালের কন্ঠ ।




মুজিবনগরে অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর কলেজছাত্র উদ্ধার, পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর এলাকা থেকে অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর মাহিদ হোসেন নামের এক কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ সময় অভিযানে বাধা দিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে অপহরণকারীরা। তবে তারা পালিয়ে যায়।

অপহৃত মাহিদ হোসেন মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের চাকরিজীবী আমির উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, অপহরণের পর মাহিদের পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খানের নেতৃত্বে মুজিবনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)সহ পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। রাত ২টার দিকে টেংরামারী গ্রামের একটি মাঠ থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মাহিদকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি শক্তিশালী ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশকে দেখে তারা মাহিদকে ফেলে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অপহৃতের মামার মুঠোফোনে মুক্তিপণ নিয়ে কথোপকথনের সূত্র ধরে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। অপহৃতকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে মাহিদ হোসেন তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও জুনায়েদকে নিয়ে মুজিবনগর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কোমরপুর এলাকার একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন তাদের তিনজনকেই অপহরণ করে। পরে রিয়াদ ও জুনায়েদকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মাহিদকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।




ঝিনাইদহে পালিত হবে পীর হযরত ন’হুজুর কেবলার ৪৫তম ওফাত দিবস

ফুরফুরা শরীফের পীর এ কামেল, মাদারজাদ ওলি, গাওসুল ওয়াক্ত হজরত মওলানা শাহ সুফী নাজমুস সায়াদাত সিদ্দিকী ন’হুজুর পীর কেবলা (রহঃ) এঁর ৪৫তম ওফাত দিবস আজ ৭ জানুয়ারি বুধবার ।

দিবসটি যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্য্যের সাথে পালনের জন্য এপার বাংলা এবং ওপার বাংলায় বিস্তারিত কর্মসুচি গ্রহন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকায় জমিয়তে জাকেরিণের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ করা হয়।

দিবসটি পালনে ঝিনাইদহ শহরের আব্বাস উদ্দীন (রহঃ) সড়কস্থ ব্যাপারীপাড়া সায়াদাতিয়া খানকাহ শরীফ, ঢাকার ট্রফিক্যাল হাইওয়ে হোমস ও খুলনা শহরে বাকীবিল্লাহ ভবনে বুধবার সন্ধ্যায় সওয়াব রেসানী, জিকির, মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ভারতের ফুরফুরা দরবার শরীফেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৮২ সালের এই দিনে উপমহাদেশের প্রখ্যাত পীর মুজাদ্দেদে জামান হযরত পীর আবু বকর সিদ্দিকী (রহঃ) এঁর সাহেবজাদা ন’হুজুর পীর কেবলা নামে পরিচিত ফুরফুরা শরীফের পীর হজরত মওলানা শাহ সুফী নাজমুস সায়াদাত সিদ্দিকী (রহঃ) ভক্ত আশেকানদের কাঁদিয়ে ওফাত লাভ করেন।

দিবসটি পালনে প্রতিবছরই দুই বাংলার ভক্ত আশেকানরা ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহন করে থাকেন। হুজুরের ৪৫তম ওফাত দিবস পালনের প্রাক্কালে ন’হুজুর পীর কেবলার পৌত্র ও জমিয়তে জাকেরিণের মুখ্য নির্দেশক মওলানা মোহাঃ আল্লামা জাবিহ্হুল্লাহ (মাদ্দঃ) সিদ্দিকী এক বার্তায় ন’হুজুর কেবলার ওফাত দিবসের সওয়াব রেসানী, জিকির, মিলাদ এবং দোয়ার মাহফিল শরীক হয়ে তাঁর মুরীদ ও ভক্ত আশেকানদের অশেষ নেকী হাসিল করার আহবান জানান।




দামুড়হুদায় শত্রুতামূলক ফলন্ত ভুট্টার গাছ কর্তন 

দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদের শত্রুতামূলক এক বিঘা ভুট্টার গাছ কর্তন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কে বা কাহারা এক বিঘা জমির ভুট্টা গাছ কলা গাছ টেনে ভেঙে দিয়েছে।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ লোক মারফত শুনতে পারে যে তার শত্রুতামূলক কে বা কাহারা এক বিঘা জমির ফলন্ত ভুট্টার গাছ কলা গাছ টেনে ভেঙ্গে দিয়েছে। পরে সে জমিতে গিয়ে দেখে এক বিঘাা জমির সব ভুট্টা গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।এই দৃশ্য দেখে দিনমুজুর আব্দুল ওয়াহেদ মাথা হাত দিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

এসময় আব্দুল ওয়াহেদ কান্না জড়িত কন্ঠে বলতে থাকে আমি গরীব মানুষ বিভিন্ন জায়গায় ধার দেনা করে পরের জমি লিজ নিয়ে এই ভুট্টা চাষ করেছি।আর আমার এত বড় ক্ষতি করে দিল। আমি এ বিচায় আল্লার হাতে ছেড়ে দিলাম। আল্লাহ এ বিচার করবে।

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, আমি এমন ঘটনা শুনেছি। আসলে এই ধরনের ঘটনা খুব দুঃখজনক। একটি লিখিত অভিযোগ দিলে কৃষি প্রণোদনা দিয়ে সহায়তা করা হবে।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার উবাইদুর রহমান সাহেল বলেন, আসলে এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।




দামুড়হুদা চিৎলায় পিতাকে মারধর করায় ছেলে ও নাতিসহ আটক-৩

দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলা গ্রামে পিতা-মাতা ও বোনকে রক্তাত্ব জখম করার অপরাধে ছেলে ও নাতিসহ তিনজনকে আটক করেছে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ।

আটকৃতরা হলো ইয়ারুল ইসলাম (৩৬), আকতারুল ইসলাম (৩৩) ও চিৎলা গ্রামের আব্দু সাত্তারের ছেলে ও একই গ্রামের কবিরের ছেলে মামুন (২৩)।

গত ২ই জানুয়ারি রাত ৮ টার দিকে অতর্কিতভাবে পিতা মাতা ও বোনকে মারধর করে রক্তত্ব জকম করে। পরে পিতা আব্দুস সাত্তার বাদি হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে গতকাল সোমবার রাত ১০ টার দিকে দুই ভাই ও নাতি ছেলেকে আটক করে পুলিশ।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের(৮০) স্ত্রী খাজিরনের সাথে বৈ মাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হয়। এমন কথা শুনে আব্দুস সাত্তারের দুই ছেলে ইয়ারুল ইসলাম আকতারুল ইসলাম ও নাতি ছেলে মামুন ঘুমন্ত অবস্থায় আব্দুস সাত্তার, স্ত্রী খাজিরন ও মেয়ে রোকসনাকে লাঠিসোঠা নিয়ে মারধর করে রক্তাত্ব জখম করে। পিতা আব্দুস সাত্তার বাদি হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ে করে (যার মামলা নংদামুরহুদা থানার মামলা নং ০২ তাং ০৩/০১/২০২৬ধারা১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৬/७०২/৩০৪)। পরে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই সৈয়দ আসাদ তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দুই ছেলে ও এক নাতি ছেলেকে আটক করে। গতকালই তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এমন ধরনের একটি নেককারজনক ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বৃদ্ধ বাবাকে এভাবে রক্তাক্ত জখম করার অপরাধে দুই ছেলে ও নাতি ছেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।




আলমডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় জনজীবনে দুর্ভোগ-ঐশিকার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

চুয়াডাঙ্গা সহ আলমডাঙ্গায় সর্বকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জন জীবনে দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। কনকনে শীতে আর হিমেল বাতাসে মানুষ ঘর থেকে বাহির হয়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে কষ্টের অন্ত নেই। এই অবস্থায় শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে পাশে দাঁড়াতে সকল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, বেসরকারি সংস্থা ও ধনীকশ্রেনী কে এগিয়ে আসার আহব্বান জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।

আলামডাঙ্গায় ঐশিকা সংস্থার উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করেছেন। আলামডাঙ্গা থানাপাড়া ঐশিকা সংস্থার উদ্যোগে ৩ শতাধিক শীতার্ত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে থানা পাড়া ঐশিকা সংস্থার কার্যালয় হতে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার। সমাজসেবা অফিসার সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বণিক সমিতির সভাপতি আরেফিন মিয়া মিলন, গার্মেন্টস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সামাদ, ঐশিকা সংস্থার নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল কবির, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপক আলাউদ্দিন, মোঃ মোবারক হোসেন, সার্জেন আলী।

সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন, ঐশিকা সংস্থার সহ-সভাপতি আবু সাঈদ মিয়া। ঐশিকার সংস্থার স্বত্বাধিকারী আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল মান্নান রতন জমিদারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতি বছরের মত এবারো মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শীতকালজুড়ে তাদের সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকবে।




আলমডাঙ্গায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

আলমডাঙ্গা মুন্সিগঞ্জ এলাকার মাধবিতলা নামক স্থানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রান গেল একজন মৎস্যজীবী দিনমজুরের। গতকাল সকাল ৭ টার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ঝিনাইদহ মহেশপুর বাগান মাঠ গ্রাম থেকে আলমসাধু যোগে মাছ নিয়ে আলমডাঙ্গায় আসছিলেন। মাছভর্তি আলমসাধু পিটি আই মোড় ছাড়িয়ে মাধবিতলায় আসলে, উল্টো দিক থেকে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা বালুভর্তি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। আলমসাধু চালক ছিটকে পড়ে প্রানে বাঁচলেও হেলপার হিসেবে আসা আলি হোসেন ফরায়জী ঘটনাস্থলে মৃত্যু বরণ করেন।

সকালের কনকনে শীতে আর  ঘন কোঁয়াশায় এইসব বালি বোঝাই ট্রাকের দ্রুত গতিতে ছুটে আসাকেই এই দুর্ঘটনা জন্য দায়ী করেছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে বিক্ষুব্ধ জনতা এই রকম বালি বোঝাই ট্রাক থামিয়ে বিক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ও মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্প পুলিশ  ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মৃত আলি হোসেনের লাশ উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরায়েল বলেন, আটককৃত বালিভর্তি ট্রাক থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।




মুজিবনগরে কিটনাশক ব্যবসায়ীর ছেলে অপহরণ, ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় কীটনাশক ব্যবসায়ীর ছেলেকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

অপহৃত যুবকের নাম মাহিদ হোসেন। তিনি মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের বাসিন্দা আমির উদ্দিন ও রেশমা দম্পতির ছেলে।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার (০৬/০১)২৬) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে। মাহিদ তার নিজ গ্রাম বাবুপুরে ফেরার উদ্দেশ্যে কোমরপুর বাজার থেকে রওনা দেন। পথিমধ্যে কোমরপুরের মশিউর রহমানের ইটভাটার নিকট অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা তাকে অপহরণ করে।

এ সময় মাহিদের সঙ্গে একই গ্রামের আজিজুলের ছেলে রিয়াদ এবং ইলিয়াসের ছেলে জুনায়েদ উপস্থিত ছিলেন। অপহরণকারীরা তাদের তিনজনকে জোরপূর্বক মাঠের ভেতরে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। পরে মাহিদকে আলাদা করে নিয়ে যাওয়া হয়।

অপহৃত মাহিদের বাবা হেকেম পেস্টিসাইড কোম্পানিতে চাকরি করেন। অপহরণের পর থেকেই পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।

এ ঘটনায় মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং দ্রুত তাকে উদ্ধার করার সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।




তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমে পরিচালক হিসেবে নিয়োগে পেলেন ক্যাপ্টেন (অব.) গণী 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমে অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিয়ে তিনজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হছে। এ টিমে মেহেরপুর সদর উপজেলা আমঝুপি গ্রামের সাবেক সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন (অব.) মো. গণী উল আজম রয়েছেন।

নতুন এই নিয়োগের মাধ্যমে তার নিরাপত্তা, প্রটোকল ও সমন্বয় কার্যক্রমকে আরো সুসংগঠিত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ‘সংশিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমের পরিচালক (নিরাপত্তা) হিসেবে মেজর (অব.) মোহাম্মদ শাফাওয়াত উল্লাহ, পরিচালক (প্রটোকল) হিসেবে মেজর (অব.) মইনুল হোসেন এবং পরিচালক (সমন্বয়) হিসেবে ক্যাপ্টেন (অব.) মো. গণী উল আজমকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।




মেহেরপুরে নিখোঁজের ৭ দিন পর পরিত্যক্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার

মেহেরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর টগরী খাতুন (৩৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মেহেরপুর পৌর এলাকার ক্যাশবপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত টগরী খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের সেন্টু মিয়ার স্ত্রী। তার দুটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নোমান গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী নোমানের ক্যাশবপাড়ার পরিত্যক্ত জমিতে একটি নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বামী সেন্টু মিয়া ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি তার স্ত্রীর বলে শনাক্ত করেন।

নিহতের স্বামী সেন্টু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ৩ দিন আগে তার স্ত্রী টগরী খাতুন বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তিনি একাধিকবার মেহেরপুর সদর থানায় যোগাযোগ করলেও পুলিশের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাননি বলে দাবি করেন।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।