রাজবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় রজব আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার মওরাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রজব কালুখালী ঘাটোরা ঘাট গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে।

পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন জানান, রজব মোটরসাইকেল করে পাংশা থেকে বাগদুলির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একটি বালু বোঝাই ট্রাক তার মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে পাংশায় থানায় মামলা এবং ট্রাক চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।




মেহেরপুরের পাটকেলপোতার মাঠে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মেহেরপুর সদর উপজেলার পাটকেলপোতা গ্রামের মাঠ থেকে সালাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি সদর উপজেলার বর্শিবাড়ীয়া গ্রামের মরহুম আবুল কালাম বিশ্বাসের বড় ছেলে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে পাটকেলপোতা গ্রামের খয়রামারি খাল-সংলগ্ন মরহুম রমজান আলীর ছেলে হকার জমিতে কাঁঠাল গাছের সাথে ওড়না দিয়ে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালবেলায় মাঠে কাজ করতে যাওয়ার পথে কাঁঠাল গাছের সাথে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে বারাদী পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেওয়া হয়। পরে ইনচার্জ এসআই রেজাউল করিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন।
গ্রামবাসীরা জানান, সালাম প্রায় ৩/৪ মাস ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন।

এ বিষয়ে এসআই রেজাউল করিম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মহত্যার সব আলামত মরদেহে পাওয়া গেছে।




বিদ্যুৎ বিলে অসঙ্গতি, গ্রাহক ভোগান্তির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের কার্যক্রম চলছে হযবরল অবস্থায়। গ্রাহকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। আন্দোলনের নামে লাইন টেকনিশিয়ানরা কর্মবিরতি পালন করছেন। গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলেও রয়েছে নানা অসঙ্গতি। গ্রাহকদের অভিযোগ গাংনী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার

(ডিজিএম) বিজয় চন্দ্র কুন্ডু যোগদান করার পর থেকে জোনাল অফিসে চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে আবাসিক বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ প্রস্তুত করে, ১ মাসে গ্রাহকের কয়েক লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগে, গাংনীর হিজলবাড়িয়া গ্রামে ডিজিএম বিজয় চন্দ্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন সাহারবাটি ইউনিয়নের সাবেক সদস্য আব্দুল খালেক। এসময় ডিজিএম ও মিটার রিডারদের অপসারণ দাবি করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনুকূলে বিভিন্ন শ্রেণীর বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী (গ্রাহক) রয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার।

এসকল গ্রাহকদের সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহসহ সকল সেবা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন পদে কর্মরত রয়েছেন ৬৪০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী। তার মধ্যে রয়েছেন ১৭৪ জন লাইন টেকনিশিয়ান। যারা বৈদ্যুতিক ত্রুটি হলেই মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন।

গাংনী জোনাল অফিসের তথ্যে জানা গেছে, গাংনীতে মোট গ্রাহক রয়েছেন ৪১ হাজার ৬৮৪ জন। এদের মধ্যে আবাসিক গ্রাহক রয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৯ জন, বাণিজ্যিক ২ হাজার ৩৯৬ জন, শিল্প ৪৩২ জন, সেচ পাম্প ১ হাজার ১৭৪টি, মসজিদ ৪৯৭টি, এবং নির্মাণাধীন গ্রাহক ১৩১টি। বামন্দি এরিয়া অফিসের আওতায় ৪০ হাজার গ্রাহক। এসব গ্রাহকের নিকট থেকে ১ মাসে অতিরিক্ত বিল আদায় করা হয়।

মিটার রিডার ও বিল প্রস্তুতকারী বিলিং অ্যাসিস্ট্যান্টদের বিরুদ্ধে ভূতুড়ে বিল করার অভিযোগ করেন অনেক গ্রাহক। এতে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ঝোড়পাড়া গ্রামের গ্রাহক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমার মিটার নং ৮৫২৪৪, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিমাসে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার উপরে বিল আসেনি।

সেখানে জুলাই মাসের ৪০০ টাকার জায়গায় ৩৬০০ টাকা এসেছে। আমার মত এলাকার সকল মিটারের বিদ্যুৎ বিল ডাবল প্রস্তুত করে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এলাকার অধিকাংশ গ্রাহক বিদ্যুৎ সম্পর্কে অবগত না। অফিস থেকে যে বিল করে দেওয়া হয় সেটাই তারা পরিশোধ করে।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার, সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আব্দুল খালেক জানান, আমার গ্রামের প্রায় ১০০ জন গ্রাহক এসে অভিযোগ করেন গত জুলাই মাসের তুলনায়, আগস্ট মাসে দ্বিগুণ বিল প্রস্তুত করেছে।
১ হাজার টাকার জায়গায় ৭ হাজার টাকা, ৭০০ টাকার পরিবর্তে ১৬০০ টাকা এসেছে, এভাবে সকল গ্রাহকের একই অবস্থা।

আগস্ট মাসের বিল নেওয়া বন্ধ রেখে, ঘটনাটি তদন্তপূর্বক পরে বিল নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

আবাসিক এক মিটার ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, চলতি বছরের জুন মাসের বিল ১ হাজার ৩৬ টাকা, জুলাই মাসের বিল ১ হাজার ২৭৬ টাকা হলেও বর্তমান আগস্ট মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিল এসেছে ৩০ হাজার ৬৮৪ টাকা। প্রস্তুতকৃত বিলে চরম গরমিল বলে জানান গ্রাহকরা।

ভূতুড়ে বিলের এমন ঘটনাটি ঘটেছে, গাংনী উপজেলার রায়পুর ইউপির অন্তর্গত রায়পুর গ্রামেও। মিটার ব্যবহারকারীর নাম অর্থাৎ গ্রাহক রায়পুর গ্রামের শ্রী মদু দাসের ছেলে শ্রী সন্নাসী দাস।

যার মিটার নং-০০১০৩৮৩০। সন্নাসী দাস জানান, আমি একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসহায় বাসিন্দা। আমি দীর্ঘদিন যাবত গাংনী জোনাল অফিসের আওতায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছি।

বিগত বছর এবং মাসে কখনও ভৌতিক বিল আসেনি। প্রতি মাসেই গড়ে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা করে বিল করা হয়ে থাকে। চলতি আগস্ট মাসে ৩০ হাজার টাকার বেশী বিল দেখে আমি হতবাক।

ভুক্তভোগী গাংনী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএমকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বলেন, মিটারের রিডিং অনুযায়ী বিল ঠিক আছে। আপনি একবারে দিতে না পারলে মাসে মাসে দিয়ে পরিশোধ করবেন।

এদিকে গতকাল সকাল থেকে গাংনী জোনাল অফিসের কর্মরত ১৩ জন লাইন টেকনিশিয়ান অফিসে আসেননি। তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করছেন। টেকনিশিয়ানরা কাজে যোগদান না করায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। ফলে গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। কবে নাগাদ কাজে যোগদান করবেন তাও নিশ্চিত নয়। লাইন টেকনিশিয়ানরা কাজে যোগদান না করলে এই প্রচণ্ড গরমে গ্রাহক আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়বে। মোবাইল ফোনে কল করে একাধিক লাইন টেকনিশিয়ান আব্দুস সবুর, আব্দুল্লাহ, সোহেল রানা, আব্দুর রাজ্জাককে কাজ না করার বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমরা কাজেই আছি, বাসায় খেতে এসেছি। কেউ কেউ আবার অসুস্থতার অজুহাত তোলেন।

তবে, অফিস কর্তা বলেন, তারা কেউ অফিসে এসে আধাঘণ্টা পর আমাকে না জানিয়ে টেকনিশিয়ানরা চলে গেছে। তবে তারা কাজ না করলে গ্রাহকরা দুর্ভোগে পড়বে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম বিজয় চন্দ্র কুন্ডুর নিকট অতিরিক্ত বিল আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার অফিসের মিটার বিল রিডিং করার সময় আমাদের স্টাফদের ভুল হতে পারে। আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, ৭ জনকে শোকজ করা হয়েছে।




মেহেরপুরে মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

মেহেরপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

মেহেরপুর জেলা মহিলা দলের আয়োজনে বুধবার বিকেলে শহরের খাঁন কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি সায়েদাতুন্নেসা নয়নের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা ১৬ বছর লড়াই করেছি আজকে আমাদের যে আত্মত্যাগ এই আত্মত্যাগ একটি ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী শেষ করে দিতে চাচ্ছে। আমরা যারা রাজপথের লড়াইয়ে ছিলাম আমাদেরকে আজকে অপমানিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা নিশ্চয়ই খাঁটি বিএনপির নেত্রী আমরা এখানে লোক যারা করার জন্য আপনাদের উপস্থিত করিনি আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে বাস্তব ও সত্য পথে চলা।

মাসুদ অরুন যেভাবে কষ্ট করে এই সংগঠনকে ১৬ বছর পাহারা দিয়েছে, ঢাকা থেকে কর্মসূচি দেওয়া হতো যে কর্মসূচি ঢাকাতে পালন করতে পারত না আমরা এখানে আওয়ামী লীগের গুন্ডাদের চোখ রাঙানো পুলিশের রাইফেল বন্ধু পরোয়া না করে আছে ধরনের নেতৃত্বে কর্মসূচি করেছি।

তিনি আরো বলেন, আজকে অবাক দৃষ্টিতে দেখতে হচ্ছে আওয়ামী লীগের সেই ছায়া আওয়ামী লীগের সেই প্রতিচ্ছবি আমরা আবারো দেখতে পাচ্ছি গতকাল কি মহিলা দলের নামে একটি সমাবেশ হয়েছে পার্কে যেটা দেখে মনে হল ওটা কোন বিএনপির সমাবেশ না ওটা ফরহাদ হোসেন দোদুলের সমাবেশ।

লোক দেখাতে হবে তাই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন দলের ভাড়া করে লোক নিয়ে এসেছে। কালকে মনে হয়েছে আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাংলাদেশ থেকে সরে নাই। কালকের ওই মহিলা দলের সমাবেশ মনে হয়েছে আমার কাছে ওটা আওয়ামী লীগের সমাবেশ। ফরহাদ হোসেন দোদুল যেভাবে সমাবেশ করেছে কালকে সমাবেশ দেখে মনে হয়েছে ক্ষমতাশীল দলের সমাবেশ।

আজকে বিএনপি’র বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চলছে এখনো যদি মনোনয়ন হয় সামনে অনেক বিপদ অপেক্ষা করছে। রাজনীতি হচ্ছে মানুষের পাশে থাকা সুখে-দুখে ভালো-মন্দই কষ্টে বিপদে আপদে পাশে থাকা।

আজকে ওই যে কমিটির কথা উঠলো আজকে এই কমিটি করে যারা বিএনপিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে তারা সবাইকে নিয়ে সকাল দশটা থেকে বিকেল পর্যন্ত গণপূর্ত অফিস জনস্বাস্থ্য অফিস এল জি ডি ঠিকাদারি করে বেড়াচ্ছে, চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে। আর এই দায়ভার এসে বিএনপি’র কাঁধে পড়ছে। জনগণকে বাদ দিয়ে আজকে ওই মুখার্জিপাড়ায় অফিস হয়েছে। ওই অফিসে যারা আছে সবাই এখন ঠিকাদারি করে বেড়াচ্ছে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

এসময় তিনি বলেন, আপনাদের হৃদয়ের কষ্টের একটাই কারণ আমরা পরিশ্রম করে দল সংগঠিত করেছি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৪৭ বছর আগে যে দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়া সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য মাসুদ অরুনের নেতৃত্বে মেহেরপুরে যেই মুহূর্তে সেই উদ্দেশ্য পালনের চেষ্টা করছি সেই মুহূর্তে কমিটির নামে আমাদেরকে হেও করে আমাদেরকে ছোট করে আমাদের মাথার উপরে যেচে বসেছে আওয়ামী দোসরা।

আমাদের করণীয় যেভাবে আমরা ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায় করার জন্য মাসুদ অরুণকে সহযোগিতা করেছিলেন জেলা বিএনপিকে সহযোগিতা করেছিলেন আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন আমাদের পাশে ছিলেন আপনারা মাসুদ অরুণের জন্য আবারও তার পাশে থাকুন।

জেলা মহিলা দলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুপালি খাতুনের সঞ্চলনায় এছাড়াও এসময় জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বেদানা আক্তার পলি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিমা খাতুন, ইউনিয়ন মহিলা দলের সদস্য সোনিয়া আক্তার, মহিলা দল নেত্রী ফিরোজা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




আলমডাঙ্গায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পৌরসভার অভিযান

আলমডাঙ্গায় পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনা করেছে।

গতকাল বুধবার বিকাল ৫টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মেহেদী ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে কালিদাসপুর সাদাব্রিজ থেকে আনন্দধাম ব্রিজ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের উচ্ছেদ করার পাশাপাশি কয়েকটি দোকানের মালামালও জব্দ করা হয়। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের পণ্য বিক্রয়ের জন্য বিকল্প জায়গা দেখিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা অবৈধ দখল অপসারণ করে জনসাধারণের চলাচল সহজ করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহ থেকে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাহফুজ রানা, বাজার পরিদর্শক সুরত আলী, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখার সেক্রেটারি প্রভাষক খাইরুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব হাবিবুল করিম চঞ্চল।

এদিকে ধারাবাহিক এ অভিযানে আরও কঠোর না হওয়া পর্যন্ত এর সুফল পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন জনসাধারণ।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলাম বলেন, অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে জনগণের জন্য ফুটপাত উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। জনগণের সুবিধার্থে এবং জনস্বার্থ রক্ষায় এই পদক্ষেপ ধারাবাহিকভাবে চলবে।




দামুড়হুদায় মেয়াদোত্তীর্ণ সার জব্দ, দোকান মালিককে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ সার জব্দ ও জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি সার-কীটনাশক দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কে. এইচ. তাশফিকুর রহমান।

অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ সার জব্দ করা হয়। এসময় সার (ব্যবস্থাপনা) আইন-২০০৬ এর আলোকে দোকান মালিক আশরাফুলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এবং নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ সার-কীটনাশক বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

অভিযান চলাকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার উপস্থিত থেকে সার-কীটনাশক ব্যবসায়ীদের আইন মেনে সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য সতর্ক করেন।




আলমডাঙ্গার ডাউকীতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের গণসংযোগ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নেমেছে বিএনপি।

বুধবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের হাউসপুর ব্রিজ মোড় থেকে শুরু করে বিনোদপুর, ডাউকি ও পোয়ামারি গ্রামজুড়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও সরাসরি প্রচারণা চালান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ।

প্রচারণার শুরুতে হাউসপুর ব্রিজ মোড়ে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন শরীফুজ্জামান শরীফ। এরপর তিনি পথসভা ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু দলের জন্য নয়, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। এজন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দার, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এহসানুল হক স্বরাজ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, ডাউকি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সালাম সিরাজী, যুগ্ম-সম্পাদক সাইদুল আলম বুড্ডু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক টগর, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া হোসেন শান্ত, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সদস্য শাহারু আহমেদসহ ইউনিয়ন ও উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।




আলমডাঙ্গা পৌরসভার পাশে অবৈধ বিল্ডিং নির্মাণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, কাজ বন্ধ

আলমডাঙ্গা পৌরসভার পাশে অবৈধ নির্মাণাধীন বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মৃত রফিক খাঁনের ছেলে হেলান উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তিনি পৌর নির্মাণ আইন ও বিল্ডিং কোড অমান্য করে রাস্তার উপর বিল্ডিংয়ের ছাদ নির্মাণ করছিলেন।
বিষয়টি পৌর প্রশাসক ও আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
তিনি বলেন, আশা করছি, এমন পরিস্থিতি এড়াতে এখন থেকে কেউ আর বিল্ডিং কোড ও পৌর নির্মাণ আইন অমান্য করবে না।
আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব হাবিব করিম চঞ্চল বলেন, পৌর প্রশাসকের নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা পৌরসভা সকল দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছে। নাগরিকের সহযোগিতা পেলে আশা করছি অচিরেই পৌরসভা আমাদের কাঙ্ক্ষিত শহর উপহার দিতে পারবে।
এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নির্দেশ দিয়েছেন অবৈধ স্থাপনা ভেঙে নিতে এবং নতুন এস্টিমেট পাশ করিয়ে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ শুরু করার জন্য।




মেহেরপুর সীমান্তে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারি সীমান্তে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় সীমান্ত পিলার ১৩০/৩ এস-এর শূন্য রেখার কাছ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ওই ব্যক্তি কয়েকদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। এলাকার মানুষ তাকে খাবার দিতেন এবং তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানতেন। বুধবার সন্ধ্যার আগে স্থানীয়রা তার মরদেহ সীমান্তের শূন্য রেখায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর মর্গে পাঠিয়েছে। তবে নিহতের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং কিছুদিন ধরে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। নিহতের পরিচয় শনাক্তে তদন্ত চলছে।




ঝিনাইদহে সচেতনতা বাড়াতে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক কর্মশালা

স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০সেপ্টম্বর) সকালে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)।

কর্মশালায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাশেদ আলমামুন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুল্লাহ আল মামুন এসডিএফ’র জেলাব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান, জেলা স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর্মকর্তা ডা. অনুদীপা রানী, আইটি এন্ড এসআইএস মো. সাদ আহম্মেদ, ক্লাস্টার অফিসার বাণী বৈরাগীসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি প্রতিনিধি ও এসডিএফ’ কর্মকর্তাদের অংশ গ্রহণে এই কর্মশালায় সরকারি স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য করে গর্ভকালীন মাতৃ মৃত্যুহার, অপুষ্টি জনিত শিশু মৃত্যুও হার কমানোসহ সংক্রামক রোগের সংক্রমন প্রতিরোধে প্রশিক্ষণ দেওয়াহয়। পাশাপাশি কর্মশালায় এসডিএফ-এর পক্ষ থেকে খাদ্য ও পুষ্টি, অপুষ্টিজনিত সমস্যার প্রতিকার, কিশোর-কিশোরীদের পুষ্টির গুরুত্ব, ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস এবং বসত ভিটায় পুষ্টিবাগান স্থাপনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয় গুলো বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হয়।