কনকনে শীতে রাতে হতদরিদ্র বয়স্ক ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন পৌর প্রশাসক

কনকনের শীতে রাতের বেলায় বিভিন্ন ওয়ার্ড়ে ঘুরে হতদরিদ্র বয়স্ক ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন, দর্শনা পৌর প্রশাসক শাহিন আলম। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা দর্শনা হল্ট ষ্টেশন বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন মহল্লায় শতাধিক কম্বল বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রায় সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮/৯ ডিগ্রি থাকে। আমরা চেষ্টা করছি যতটুকু পারি মানুষের সাহায্য করতে। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত্র পর্যন্ত দর্শনা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে হত দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষে মাঝে  সামান্য কম্বল করে শীত নিবারণের জন্য চেস্টামাত্র।

দর্শনায় অনেক ধনী মানুষ আছে। আপনাদের মাধ্যম আহ্বান জানাচ্ছি সকলে যেন অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দর্শনা পৌরসভার সচিব সাজেদুর আলম, প্রধান সহকারী রুহুল আমিন, উচ্চমান সহকারী শাহ আলম, কর নির্ধারক জাহিদুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক আরিফিন হোসেন, লাইসেন্স পরিদর্শক মোমিনুল ইসলাম, কার্য্য সহকারী হারুন অর রশিদ।




দামুড়হুদায় সার ব্যাবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনে দুই প্রতিষ্ঠানের অর্থদণ্ড

দামুড়হুদায় সার ব্যাবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনে দুই প্রতিষ্ঠানের অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দামুড়হুদা বাজার সংলগ্ন এলাকায় সার ব্যাবস্থাপনা আইন–২০০৬ লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আলম।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নিবন্ধন না থাকায় দামুড়হুদা বাজার সংলগ্ন মেসার্স আব্দুল ওয়াহেদ প্রতিষ্ঠানের মালিককে সার ব্যাবস্থাপনা আইন–২০০৬ অনুযায়ী ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও দশনা পুরাতন বাজার এলাকায় অতিরিক্ত সার মজুত রাখার অপরাধে ফাতেমা ট্রেডার্স কে একই আইনে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানটি বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সার বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




আলমডাঙ্গায় মাদক বিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ৩

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত রবিবার রাত সাড়ে নয়টার সময় আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, জহুরুল হকের ছেলে মোঃ আশাদুল হক (৪০), আমির আলির ছেলে মোঃ মিল্টন আলী (৩২), মোঃ তুহিন মন্ডল (২৫)। তাদের সকলের বাড়ি পুরাতন বাজার পাঁচলিয়া ।

থানা সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থানার এসআই (নিঃ) সঞ্জিত সাহার নেতৃত্বে জামজামি পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বাজার পাঁচলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে   নায়েব আলীর বসতবাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারনির ২৯(ক) ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-০৪, তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বানী ইসরাইল জানায়, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




আলমডাঙ্গায় শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ  -ডাউকিতে শীতবস্ত্র বিতরণ

কনকনে শীতে জুবুথুবু অসহায় মানুষের কষ্ট দিনদিন বেড়েই চলেছে। দিনমজুর, শ্রমিক থেকে কৃষক সকলেই প্রচন্ড শীতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। সূর্যের আলো দেখা নেই কয়েকদিন থেকে। সকালের ঘন কোঁয়াশায় ঢেকে রেখেছে সারাদিন, সাথে কনকনে ঠান্ডা ঝড়ো হাওয়া জন জীবন দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।

আলমডাঙ্গায় কনকনে শীতের কামড়ে জর্জরিত অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে ডাউকি গ্রামের কৃতি সন্তান “উন্নয়ন সংস্থা ” চেয়ারম্যান ও ডাউকি বশিরা মালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুল হক খোকনের উদ্যোগে ডাউকি গ্রামের প্রায় দুইশতাধিক দুঃস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শীতের কম্বল হাতে পেয়ে অনেক অসহায় ও দুস্থ মানুষ খুশির বন্যা বয়ে যায়। পরে দুস্থদের খুঁজে খুঁজে তাদের হাতেও কম্বল তুলে দেওয়া হয়। বিতরণকালে সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, এ্যাডঃ ইউনুস আলী, সাবেক ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী, সমাজ সেবক আঃ সাত্তার, সমাজ কর্মী ঠান্ডু রহমানসহ গ্রামবাশী উপস্থিত ছিলেন।




মাদক সম্রাজ্ঞী মিনির রাজত্বে নতুন বেনামবাদশা ছোট জামাই আহাদ-প্রশাসন নির্বিকার

আলমডাঙ্গায় মাদক সাম্রাজ্ঞী “ মিনির” মাদক সাম্রাজ্য আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এলাকায় বেড়েছে চুরির উপদ্রব্য। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের প্রতিরোধ প্রশ্নের মুখে।

আলমডাঙ্গা পৌরসভার স্টেশন এলাকায় সকল অপকর্মের তীর্থস্থান। ২০১৮ সালে মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণার পর আলমডাঙ্গা উপজেলায় ধারাবাহিক অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে তিনজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। এর পরপরই পৌর শহরে আলোচিত ‘মাদক সম্রাজ্ঞী মিনি’র নেতৃত্বাধীন চক্র ভেঙে পড়ে। কয়েক বছর ধরে এলাকায় মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও বিক্রি তুলনামূলকভাবে কমে আসে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে সেই চক্র। আলমডাঙ্গা পৌর শহরের রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইয়াবা, ট্যাপেন্টা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমানে এই মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে মাদক সাম্রাজ্ঞী মিনির ছোট জামাই আহাদ আলীর হাতে। তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে পুরো নেটওয়ার্ক। এ কাজে যুক্ত আছেন স্টেশনপাড়ার আলাউদ্দীনের স্ত্রী মিনি খাতুন, ২০১৮ সালে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ওল্টু মিয়ার স্ত্রী মায়া খাতুন, রেজাউলের স্ত্রী মুন্নি খাতুন ও তাঁর ছেলে রুবেল হোসেন। রুবেল একাধিক মামলার আসামি হয়ে কারাগারে থাকায় তাঁর স্ত্রী লিজা খাতুন বর্তমানে ব্যবসা দেখভাল করছেন বলে অভিযোগ।

এছাড়া মুন্নির বোন হাসি খাতুন ও তাঁর মেয়ে বৃষ্টি খাতুন, সফু ও তাঁর স্ত্রী রোলা খাতুন এবং সামাদ ও তাঁর স্ত্রী কুটি খাতুনও এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়দের দাবি।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, কারা মাদক ব্যবসা করছে তা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সবাই জানে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। তাঁদের বাসাবাড়ির ঠিকানাও প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত। তবু তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

পুলিশ ও চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, আলমডাঙ্গা পৌর এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে মূলত মিনি ও মুন্নির পরিবারের সদস্যরা। ট্রেনে করে বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা, গাঁজা, পেথিডিন ও ফেনসিডিল এনে স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। মিনির ছোট জামাই আহাদ আলী ও সামাদ এলাকায় মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত পেয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তথ্য থাকলেও জনবল ও কৌশলগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় প্রত্যাশিত সাফল্য আসে না।”

পুলিশের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, মাদকের হোতাদের ধরতে তৎপরতা অব্যাহত আছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, কিছু অসাধু সোর্স ও কর্মচারী আগাম তথ্য ফাঁস করে দেওয়ায় অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, থানার মাত্র দেড় কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত স্টেশন এলাকায় কেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা নির্মূল করা যাচ্ছে না। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাদকবিরোধী ক্যাম্পিং হলেও এই এলাকায় আজ পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ।

এক বাসিন্দা বলেন, “কারা মাদক বিক্রি করে আমরা সবাই জানি। কিন্তু মুখ খুললেই বিপদে পড়তে হয়।”

আরেক দোকানি জানান, মাদকসেবীদের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় ছিনতাই ও চুরির ঘটনা বাড়ছে। এমনকি মসজিদের দানবাক্স থেকেও টাকা চুরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা  বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাঁদের অবস্থান ‘শূন্য সহনশীল’। অভিযোগ পেলে যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া প্রতিদিন পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।




কোটচাঁদপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা  

কোটচাঁদপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়  দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে পিজন ক্লাবে এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা করা হয়।

কোটচাঁদপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক মেয়র এস কে এম সালাহউদ্দিন বুলবুল সিডল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক।

প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ঝিনাইদহ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মেহেদী হাসান রনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আবু বকর বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন আর রশিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফুজ্জামান খান মুকুল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ তুফান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহফুজ আলম মামুন।

সভা শেষে দোয়া অনুষ্ঠান ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, কোটচাঁদপুর ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মহতামিম মাওলানা নুরুন্নবী আশিকী।




গাংনীতে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার সকাল ১১ টার সময় গাংনী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, গাংনী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ রবিউল ইসলাম।

সভায় উপস্থি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ নাজমুল হুদা, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর মোঃ আহসানুল হক এবং সাবেক পৌর কমিশনার আলমগীর হোসেন।

অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম, গাংনী উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়ক সবুজ রানা, জেলা সদস্য আমীর হামজাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে উভয় পক্ষই গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির জন্য পারস্পরিক যোগাযোগ ও মতবিনিময় অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




মেহেরপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মেহেরপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত এ দোয়া মোনাজাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস।

দোয়া মোনাজাতে বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং শান্তি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

এ সময় মেহেরপুর পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরে জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মেহেরপুর সদর উপজেলা জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে ৬ দিনব্যাপী ৫৪তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সমিতির শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার সকালে মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম। তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দিনব্যাপী শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গার্ল গাইডস সদস্যরা মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোভীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহারুল ইসলাম এবং কামদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাইল হোসেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মনিরুজ্জামান, সীমান্ত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, ক্রীড়া শিক্ষক ফারহা হোসেন লিটন, আব্দুল কুদ্দুসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, এই শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে।




চুয়াডাঙ্গায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের সাথে দুর্ব্যবহার, তিন যুবক গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গায় পৌর এলাকার একাডেমি মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকির অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত হলো রাজু ওরফে লোকাল রাজু, শাওন ওরফে লোকাল শাওনসহ তিনজনকে আটক করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রাজু চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পুরাতন মোটরসাইকেলের ব্যবসা করেন। অপরজন শাওন ওরফে লোকাল শাওনের বাড়িও একই উপজেলায়।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যার পর চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমি মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্টে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অভিযুক্তরা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ সময় তারা পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেন এবং হুমকি-ধামকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজু, শাওনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর রাতেই জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মশিয়ার রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের সকাল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।