সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মেহেরপুরের রাফিজা আলম লাকি

ত্রয়োাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হয়েছেন মেহেরপুরের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট রাফিজা আলম লাকি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

এলাকার উন্নয়ন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের আন্তরিক দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জেলাবাসীর আস্থা, পরামর্শ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই মেহেরপুরকে আরো সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নেওয়ার প্রেরণা।

ছাত্র জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী দলের সাথে সম্পৃক্ত। সেন্ট্রাল ’ল’ কলেজে অধ্যয়ন কালেও তিনি আইন ছাত্র ফোরামের এর সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালে আইন পেশায় যুক্ত হয়েও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য। ২০১১-১২ সালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪-১৫ সালে সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে কমিটি সফলভাবে পরিচালনা করেন। জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা কমিটি দক্ষভাবে গঠন করেন।

বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঘোষিত সকল আন্দোলনে মাঠ পর্যায়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। সুপ্রীম কোর্টের সামনে জলকামান ও লাল গরম পানির বাধা সত্বেও অংশ গ্রহণ করেন এবং দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে অন্যায় রায়ের প্রতিবাদে পুলিশের লাঠি চার্জের মুখে রাস্তাায় নেমে আন্দোলন করেন। একদফা আন্দোলনে পুলিশের আঘাতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন যার খোঁজখবর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নেন। জাসাসের মিছিল ও মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ, প্রতিবাদী গান পরিবেশন ও ব্যঙ্গ নাটকে অভিনয় করেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসন থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রার্থী ছিলেন। জেলা আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন এবং ৩১দফা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রচারণায় সহযোগিতা এবং অন্যান্য মহিলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কার্যক্রম করেন।
তিনি স্পষ্টবাদী, বলিষ্ঠ ও আপোষহীন আইনজীবী। মামলা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আইনের আলোকে দ্রুত পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম। দলের প্রতি তিনি নির্ভীক আনুগত্যশীল।

১৯৯৮ সাল থেকে আইন ছাত্র ফোরামের সদস্য, ২০০৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এবং যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), মহানগর উত্তর।

সংরক্ষিত নারী আসনে কেমন নারী দেখতে চাই দেশবাসী।

জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখানে শিক্ষিত, মার্জিত, নীতিবান, দক্ষ অভিজ্ঞ, নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন, সমাজ সংস্কারক, নারীর অধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ে সচেতন। এক্ষেত্রে অ্যাডভোকেট রাফিজা আলম লাকী যথেষ্ট যোগ্য বলে জনগণ মনে করেন।




কোটচাঁদপুরের প্রথম নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আর নেই

কোটচাঁদপুর উপজেলার প্রথম নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার আলী আহম্মেদ আর নেই। শনিবার জার্মানিতে নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি কোটচাঁদপুর বাজারপাড়ার বাসিন্দা এবং সাবেক পৌরসভা চেয়ারম্যান মরহুম গোলাম হায়দার সরদারের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ছয় ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা বাজেবামনদহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কোটচাঁদপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সম্পন্ন হয়। পরে তিনি রাজশাহীতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক জীবনে প্রথমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে জাসদের রাজনীতিতে যোগ দেন। সে সময় তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সালের দিকে উপজেলা পরিষদ গঠনের পর নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি কোটচাঁদপুরের প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে তিনি একটি সরকারি পোস্ট কোয়ার্টার অপসারণ করে সেখানে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বহু শিক্ষার্থী হাফেজ হিসেবে বের হয়েছেন।

১৯৯৫ সালের দিকে তিনি জার্মানিতে পাড়ি জমান এবং সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ ৩২ বছর তিনি জার্মানিতে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী সরদার রেজমুন নাহার শিরিন জানান, মাথায় জটিলতা দেখা দিলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকে বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। শনিবার সকালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা চলছে। তিনি এক ছেলে ও দুই কন্যা সন্তানের জনক। কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান বলেন, যেহেতু তিনি উপজেলার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন, তাই উপজেলা মসজিদে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হবে।




গাংনীতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “আমাদের করণীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) গাংনী এই সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাংনী পিএফজি অ্যাম্বাসিডর জুলফিকার আলী ভুট্টো।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর যশোর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী খোরশেদ আলম। গাংনী পিএফজি সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম বকুলের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ফেরদৌস ওয়াহেদ বেল্টু, সভাপতি, কাথুলী ইউনিয়ন বিএনপি ও সাবেক চেয়ারম্যান, কাথুলী ইউপি। মোঃ রেজাউল ইসলাম, ওয়ার্ড সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মোজাম্মেল হক, সভাপতি, সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক), গাংনী উপজেলা শাখা।

আবু সাদাত সায়েম পোল্টু, সাধারণ সম্পাদক, সুজন, গাংনী উপজেলা শাখা। আবজাল হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক গাংনী উপজেলা বিএনপি। আব্দুল বারী মাস্টার সাবেক প্রধান শিক্ষক শোলমারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। আব্দুল ওহাব মাস্টার সহকারী শিক্ষক ধলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। লায়লা আরজুমান বানু সাধারণ সম্পাদক মেহেরপুর জেলা মহিলা দল। আব্দুল মালেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাংনী উপজেলা বিএনপি। সাহেব আলী সেন্টু সভাপতি তারেক জিয়া প্রজন্ম দল, মেহেরপুর জেলা শাখা। সিনিয়র সাংবাদিক জুলফিকার আলী কানন।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, গুজব প্রতিরোধ এবং সব ধরনের সহিংসতা পরিহার করে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খোরশেদ আলম বলেন, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তিনি স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও যেকোনো বিরোধ নিরসনে পিএফজি সদস্যদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




কোটচাঁদপুর ও মহেশপুরে এমপি মতিয়ার রহমানের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্না অভিযান করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান।

সেসময় উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা তাজুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাস্টার শাহাবুদ্দিন খান, যুব বিভাগের সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, যুব বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবীব শামীম, পৌর জামায়াতের আমীর মুহাদ্দিস আব্দুল কাইয়ুম, সেক্রেটারি মাহফুজুল হক মিন্টু, বলুহর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর শাহ আলম, সাফদারপুর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি জুবায়ের হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে দিনভর এই পরিচ্ছন্ন অভিযানে হাসপাতাল চত্বর, বিভিন্ন ওয়ার্ড, রুম পরিষ্কার করা হয়।

আয়োজকরা জানান, রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালকে আরও পরিচ্ছন্ন ও সেবাবান্ধব করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান। এর আগে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একই অভিযান পরিচালিত হয় দলটির পক্ষ থেকে।




গাংনীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুরু হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুরু হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

আজ সোমবার সকালে মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা নিজ হাতে ঝাড়ু দিয়ে নর্দমা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে তাঁর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর আহসানুল হক, কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম হুসাইন, উপজেলা সাবেক সেক্রেটারী মোঃ শফিকুল ইসলাম, পৌর বায়তুলমাল সম্পাদক জিল্লুর রহমান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি আবু সায়েম, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারি রওশন মাহমুদ সাবেক কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনসহ জামায়াত ও শিবিরের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আজিজ, মেডিকেল অফিসার ও সেবিকারাও উদ্যোগটিকে স্বাগত জানান।

নবনির্বাচিত এমপি নাজমুল হুদা বলেন, “আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত শহর গড়ে তুলতেই এই অভিযান শুরু করেছি। এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়—নিয়মিতভাবেই এই  কার্যক্রম চলবে।”




গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন

মেহেরপুরের গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সোমবার গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এক সভার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি আগামী তিন বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমির ডা: মোঃ রবিউল ইসলাম। সহ-সভাপতি মোঃ সালাউদ্দিন শাওন ও প্রফেসর মোঃ বেদারুল আলম। সাধারণ সম্পাদক মোঃ বশির আহমেদ। সহ-সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব মাহবাবুল বারী সাজু ও মোঃ বজলুর রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিন আলী বাবলু , দপ্তর সম্পাদক প্রফেসর মহিবুর রহমান মিন্টু এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম।

এছাড়াও সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ইলিয়াস হোসেন, আলী আজগর, ছাদ আলী, আ: হান্নান, ইউনুস আলী ও মাহবুল হক। সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান এলাকার ধর্মীয় কার্যক্রম, ঈদ জামাতের সুষ্ঠু আয়োজন এবং সার্বিক উন্নয়নে নবগঠিত কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ঈদগাহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কমিটির সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, “সকলের সহযোগিতায় গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহকে একটি আদর্শ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

উল্লেখ্য, ১৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি আগামী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে।




জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান; পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ৭৯ হাজার টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং অভিযানে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর চারটি মামলায় ৪ হাজার টাকা এবং বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও একটি মামলায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম রাসেল জীবননগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, বাজারে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, ওজন ও পরিমাপে অনিয়ম, এবং নিয়মবিরোধীভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও একাধিক দোকানে অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান শেষে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।




আলমডাঙ্গা অমর একুশে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

আলমডাঙ্গা আলাউদ্দিন আহম্মেদ পাঠাগারের উদ্যোগে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তিন দিনের বইমেলা অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় মেলার মাঠে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলাউদ্দিন আহম্মেদ পাঠাগারের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ওমর আলী মাষ্টার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম, সহ-সভাপতি হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক কবি আসিফ জাহান, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি, গাংচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি জামিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক কবি হাবিবুর রহমান মজুমদার।

সাহিত্য পরিষদের কোষাধ্যক্ষ কবি সিদ্দিকুর রহমানের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন কবি আব্দুল খালেক, কবি মোস্তাফিজুর রহমান ফারায়েজি, কবি অহর আলী, কবি টিনু, রিয়াজ জাহিন, রফি সাধূ, সুজন নাহিদ, আফিম রাজদীপ ও মুস্তাকিম। সভায় কবিতা আবৃতিকারদের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খন্দকার হামিমদুল ইসলাম আজম, ওমর আলী মাষ্টার এবং সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি।




চুয়াডাঙ্গায় বিপি দিবস ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের আয়োজনে স্কাউটিং এর প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট স্টিফেনসন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব গিলওয়েলের ১৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, স্কাউটস ওন এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালি শেষে আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ রোভার ডেনে অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের সহকারী কমিশনার ও নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু নাসিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের কমিশনার ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুর রশিদ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “স্কাউটিং একটি বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর মূল কাজ হলো সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সামাজিক কাজে অংশ নেওয়া এবং দেশের যেকোনো ক্রান্তিকালে মানুষের সেবা করা। পড়ালেখার পাশাপাশি যারা স্কাউটিং কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত, তারা অন্যান্য শিক্ষার্থীর তুলনায় অধিক যোগ্য, মেধাবী ও পরিশ্রমী হয়।”

তিনি আরও বলেন, “স্কাউটিং একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তাই আমরা স্কাউটিং-এর প্রতিষ্ঠাতা বিপি’র দেখানো পথ অনুসরণ করে নিজেদের জীবনকে আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ করবো।”

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের সম্পাদক আব্দুর মুকিত জোয়ার্দ্দার (এএলটি)। স্কাউটিং ওন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের সাথে প্রতিজ্ঞা পাঠ করান চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের সহকারী কমিশনার ও সাবেক সম্পাদক জাহিদুল হাসান (এএলটি)। স্কাউটিং আইন পাঠ করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের যুগ্ম সম্পাদক শাফিউল ইসলাম।

র‍্যালি, আলোচনা সভা, স্কাউটস ওন ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবু বক্কর সিদ্দিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের কোষাধ্যক্ষ লিয়াকত আলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা রোভারের কর্মকর্তা আবু রাশেদ, হেলেনা নাসরিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের ইউনিট লিডার আজিম হোসেন এবং চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক রতন আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট আল মুতাকাব্বির সাকিব।




আলমডাঙ্গায় বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান

মাহে রমজান উপলক্ষে আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এ সময় পঁচা খেজুর বিক্রি ও নানা অনিয়মের জন্য তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গুণগত মান ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জনাব আবদুল্লাহ আল নাঈম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা।

অভিযানে বাজারের বিভিন্ন ফল ও মুদি দোকান তদারকি করে পণ্যের মান, মূল্য তালিকা ও মেয়াদ যাচাই করা হয়।

মেসার্স মিলন ফল ভান্ডার পঁচা খেজুর বিক্রির জন্য ৫,০০০ টাকা জরিমানা ও পঁচা খেজুর জব্দ। মেসার্স রিমি ভ্যারাইটিজ স্টোর মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের অপরাধে ৩,৫০০ টাকা জরিমানা। মিজান স্টোর মূল্য তালিকা না থাকার জন্য ১,৫০০ টাকা জরিমানা।

জরিমানা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আদায় করা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, রমজান মাসজুড়ে বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নিয়মিত নজরদারি থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং সাধারণ ক্রেতারা নিরাপদ ও ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারবেন।