কোটচাঁদপুরে দিনব্যাপী পার্টনার কনগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

কোটচাঁদপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রোগাম অন এগ্রি কালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) আওতায় পার্টনার কনগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তন কক্ষে কৃষি অফিসারের আয়োজনে দিনব্যাপী এই পার্টনার কনগ্রেসের আয়োজন করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামারবাড়ি উপপরিচালক কৃষিবিদ কামরুজ্জামান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ দিপা রানী সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর অঞ্চলের পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ শেখ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা দ্বিন ইসলাম,মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ,অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ আনিসুজ্জামান খান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন।

এসময় অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন,উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার টিপু সুলতান। সে সময় অনুষ্ঠানে কনগ্রেসে পুষ্টি উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীল কৃষির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগের সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে কৃষি অফিসের কর্মকর্তা, উপকারভোগী কৃষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।




কুষ্টিয়ার মিরপুরে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ৩

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় র‌্যাব-১২ এর অভিযানে তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৩৫ পিস ইয়াবা ও ১৬ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গতকাল বুধবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের বলিদাপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাতে র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বলিদাপাড়া এলাকার নাসিমা খাতুনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে ১৩৫ পিস ইয়াবা ও ১৬ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, বলিদাপাড়া গ্রামের সুলতান হোসেনের ছেলে দিপু হোসেন (৩০), বদর উদ্দিন মালিথার ছেলে চাঁদ আলী মালিথা (৪৫) এবং গোপালপুর গ্রামের বাহার আলী মল্লিকের ছেলে শামীম মল্লিক (৩৫)।

তবে অভিযানের সময় বাড়ির মালিক নাসিমা খাতুন কৌশলে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাবের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পলাতক নাসিমা খাতুনসহ আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
র‌্যাব-১২ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে তাদের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।




কুষ্টিয়ায় সিদ্দিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা

কুষ্টিয়ার বটতৈল ইউনিয়নের বড়িয়া এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত ও চক্ষু রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল থেকে বেগম হামিদা সিদ্দিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে রোগী পরীক্ষা ও নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

“অন্ধজনে দেহ আলো” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে সিদ্দিক ফাউন্ডেশন এবং খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল।

শিবিরে আগত প্রায় ৫ শতাধিক চক্ষু রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা হয়। পরীক্ষার পর যেসব রোগীর ছানি অপারেশনের প্রয়োজন হবে, তাদের বাছাই করা হবে।

সিদ্দিক ফাউন্ডেশনের সদস্য কাজী বাবুল বলেন, গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কমিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অনেক অসহায় মানুষ নতুন করে আলোর মুখ দেখার সুযোগ পাবেন।

বেগম হামিদা সিদ্দিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে চক্ষু রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে সিদ্দিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

চক্ষু শিবিরে অংশগ্রহণকারী রোগী আব্দুল গফুর জানান, দীর্ঘদিন ধরে চোখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগলেও আর্থিক ও যোগাযোগগত কারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে পারিনি। বিনামূল্যের এই আই ক্যাম্পের মাধ্যমে আমি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ ও পরীক্ষা সেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছি।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রকৌশলী মরহুম কামরুল ইসলাম সিদ্দিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে ১৯৯৫ সালে বড়ীয়ায় মায়ের নামে এই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়াও সিদ্দিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সামাজিক কর্মকান্ড করে আসছে।




মাদক, অনলাইন জুয়া ও আত্মহত্যা: নীরব সামাজিক বিপর্যয়

মাদক, অনলাইন জুয়া ও আত্মহত্যা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক বিষয়, যা ধীরে ধীরে মানুষের জীবন, পরিবার ও সামাজিক কাঠামোকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। মাদকাসক্তি ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার বর্তমানে ঠিক এমনই এক নীরব সামাজিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। এর ভয়াবহ পরিণতি হিসেবে বাড়ছে হতাশা, ঋণগ্রস্ততা, পারিবারিক অশান্তি এবং আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনা। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, তরুণ-যুবকদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষ অনলাইন জুয়ার ফাঁদে আটকে সর্বস্ব হারিয়ে চরম মানসিক সংকটে পড়ছেন।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন জুয়ার বিস্তারও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে সহজেই প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। অল্প সময়ে বেশি অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখিয়ে হাজার হাজার মানুষকে এই অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ খেলোয়াড় শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন।

মাদকের মতোই অনলাইন জুয়াও একটি ভয়াবহ আসক্তি। একজন ব্যক্তি যখন ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ে, তখন তার পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়, কর্মজীবন ব্যাহত হয় এবং আত্মসম্মানবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে এই হতাশা আত্মহত্যার পথও তৈরি করে। ফলে এটি কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়; বরং একটি জাতীয় সামাজিক সংকট।

উদ্বেগের বিষয় হলো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিয়মিত জুয়ার এজেন্ট ও চক্রের সদস্যরা গ্রেপ্তার হলেও এই অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে এবং মোবাইল ব্যাংকিংসহ ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অর্থের প্রবাহ ঘটছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কঠোর আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। পরিবারকে সন্তানের অনলাইন কার্যক্রমের প্রতি নজর দিতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে লড়াই কেবল প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়; এটি পুরো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। আজ যদি আমরা সচেতন না হই, তাহলে আগামী প্রজন্মকে একটি বিপর্যস্ত সমাজের মুখোমুখি হতে হবে। তাই এখনই সময় কঠোর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ গড়ে তোলার।




সরকারি ধান বিক্রিতে লাগছে বিএনপি-জামায়াতের টোকেন

মেহেরপুরে চলতি মৌসুমে কৃষকদের কাছে থেকে ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হলেও প্রান্তিক চাষীরা খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

কৃষকরা ধান দিতে গেলে গুদাম কতৃপক্ষ কৃষকদের বলছেন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্লিপ নিয়ে ধান নিয়ে আসতে। এমন সমস্যা পড়েছেন হাজার হাজার প্রান্তিক চাষী। ফলে সরকারের নির্ধারিত দাম থেকে থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মেহেরপুর সদর উপজেলায় কৃষকদের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ৭৩০ টন ধান সংগ্রহ করা হবে। গত ৩ মে থেকে সেই ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। চলবে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে বিএনপির দুটি গ্রুপ এবং জামায়াত নেতাদের মাধ্যমে চাষীরা তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রয় করতে পারছেন। এক্ষেত্রে যেসকল চাষীরা রাজনৈতিক স্লিপ পেয়েছেন তারা ধান দিচ্ছেন, যারা স্লিপ পাননি তারা ধান দিতে পারছেন না।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির দুটি গ্রুপ ৬০ শতাংশ এবং জামায়াত ৪০ শতাংশ হিসেবে ধান দিচ্ছে এমন সমন্বয় তাদের মধ্যে হয়েছে।

মেহেরপুর পৌর এলাকার কালাচাঁদপুর গ্রামের ১৭ জন চাষী ধান দিতে গেলে তাদেরকে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে থেকে স্লিপ নিয়ে আসার কথা বলেন, সদর উপজেলার খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মাসুদ রানা। এমন অভিযোগ করেছেন কালাচাঁদপুর গ্রামের শান্ত নামের এক কৃষক।

ওই কৃষক জানান, ‘৩৬ টাকা কেজি দরে ধান বিক্রি করার জন্য আমরা এলাকার কয়েকজন চাষী খাদ্য গুদামে আবেদন করেছিলাম এবং কৃষি অফিসারের সাথে প্রত্যায়ন নিয়েছি। গত ১৩ মে আমরা প্রত্যায়ন পেলেও এখন পযর্ন্ত ধান বিক্রি করতে পারিনি। ধান বিক্রি করতে গেলে ওসি এলডি মাসুদ রানা বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের কাছে থেকে স্লিপ নিয়ে আসেন।’

অভিযোগ করে শান্ত আরও বলেন, ‘ আমি ৪ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। সাংসারিক প্রয়োজন মিটিয়ে ৪ টন ধান বিক্রি করতে পারবো। কিন্তু এমন দুর্নীতি-অনিয়ম করলে প্রান্তিক চাষীরা সরকারি সুফল পাবে না। এর বিহীত হওয়া উচিত।’

তবে এ তালিকার মধ্যে মনিরুল ইসলাম নামের এক কৃষক বিএনপির এক গ্রুপের মাধ্যমে ৩ টন ধান দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে তিনি আরও বলেছেন, আমি দিতে পারলেও সবাই গুদামে ধান দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মাসুদ রানা বলেন, আমরা কৃষকদের কাছে থেকেও ধান ক্রয় করছি। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি হুকুমের গোলাম। এর বেশি কি করার আছে আমার?

তবে খাদ্য গুদামের অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটি থেকে এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। মেহেরপুরে বিএনপির দুটি গ্রুপ ও জামায়াতের সমন্বয়ে স্লিপ তৈরি করা হয়েছে। তারা তাদের পছন্দমত কৃষকদের এ স্লিপ দিচ্ছেন।

সদর উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এরশাদ আলী বলেন, প্রান্তিক চাষীদের কাছে থেকেও ধান সংগ্রহ করতে হবে। তাদের বাদ দিয়ে অন্যদের কাছে থেকে ধান নেওয়ার সুযোগ নেই।

সদর উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সুত্রধর বলেন, প্রান্তিক চাষীরা যাতে ধান দিতে পারেন সে লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। যে সকল চাষীরা ধান দিতে পারছেন না, তারা অভিযোগ করলে তাদের ধান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে রাজনৈতিক নেতাদের স্লিপের বিষয়টি উঠালে তিনি এড়িয়ে যান।

জানা গেছে, গত ৩মে থেকে শুরু হয়েছে সরকার নির্ধারিত ৩৬ টাকা কেজি দরে ধান সংগ্রহ অভিযান। চলবে ৩১ আগষ্ট পযর্ন্ত। এবার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৩০ টন। গত ৪ জুন পযর্ন্ত শহরের খাদ্য গুমামে ১১৪ টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।




হরিণাকুণ্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চটকাবাড়িয়া গ্রামে বজ্রপাতে আজিজুল ইসলাম (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মালসাগাড়ীর মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রহিম মণ্ডলের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে তিনি পানের ক্ষেতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মাঠের মধ্যেই হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকানোর সঙ্গে বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও জানা যায়, বজ্রপাতের কিছুক্ষণ পর স্থানীয় এক নারী মাঠে গরু আনতে গিয়ে আজিজুল ইসলামের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে গ্রামবাসীকে খবর দেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৌরসভার চটকাবাড়িয়া মাঠে বজ্রপাতে আজিজুল ইসলাম (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তিনি ওই গ্রামের আব্দুর রহিম মণ্ডলের ছেলে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন।”




আলমডাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি, দৃশ্যমান হয়নি পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আলমডাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের কথা থাকলেও তার দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জমে থাকা পানি অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বার্তা প্রচার করেন।

তবে কর্মসূচিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাস্তবে এ-সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম লক্ষ করা যায়নি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মৌখিকভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করা হলেও তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তারসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

অনেকের মতে, র‍্যালি শেষে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হলে কর্মসূচিটি আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ হতো।




জ্ঞানভান্ডার: কুষ্টিয়ার পাঠক সংস্কৃতির এক জীবন্ত ইতিহাস

কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর ট্রাফিক অফিসের পাশেই রয়েছে একটি পরিচিত নাম— জ্ঞানভান্ডার। বাইরে থেকে এটি একটি সাধারণ স্টেশনারি ও ফটোকপির দোকান মনে হলেও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কুষ্টিয়ার বই, পত্রিকা ও পাঠক সংস্কৃতির দীর্ঘ ইতিহাস। প্রায় ২৭ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন মুকুল শেখ। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি দেখেছেন পাঠকের আগ্রহ, সংবাদপত্রের জনপ্রিয়তা এবং প্রযুক্তির পরিবর্তনের নানা রূপ।

বর্তমানে জ্ঞানভান্ডারে সংবাদপত্র বিক্রির পাশাপাশি ফটোকপি, কম্পিউটার প্রিন্ট, স্টেশনারি সামগ্রীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যায়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবসার পরিধি বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটির নাম ও ঐতিহ্য আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

দোকানের নাম ‘জ্ঞানভান্ডার’ কেন রাখা হয়েছিল জানতে চাইলে মুকুল শেখ বলেন,

“আমি প্রায় ২৭ বছর ধরে এই দোকান পরিচালনা করছি। তবে আমার আগেও এখানে রবীন্দ্রনাথ সেন বই-পুস্তক বিক্রি করতেন। তখন থেকেই দোকানের নাম ছিল ‘জ্ঞানভান্ডার’। মূলত বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা বিক্রি হতো বলেই এই নাম রাখা হয়েছিল। জ্ঞান অর্জনের জন্য তো বই-পুস্তকের প্রয়োজন রয়েছে। তাই এই নামের মধ্যেই সেই ভাবনাটা রয়েছে।”

একসময় জ্ঞানভান্ডার ছিল কুষ্টিয়ার সংবাদপত্রপ্রেমী মানুষের অন্যতম ঠিকানা। সকাল হলেই জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা কিনতে মানুষের ভিড় লেগে যেত। দিনের শুরুতেই খবরের কাগজ হাতে নেওয়া ছিল অনেকের অভ্যাস।

কিন্তু সময় বদলেছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে বদলে গেছে মানুষের সংবাদ গ্রহণের মাধ্যমও। এখন আর আগের মতো পত্রিকা বিক্রি হয় না।

মুকুল শেখ আক্ষেপের সুরে বলেন, “আগে সকাল হলেই পত্রিকা কিনতে মানুষের ভিড় লেগে থাকত। জাতীয় ও স্থানীয় অনেক পত্রিকা বিক্রি হতো। এখন মানুষ মোবাইল ফোনে খবর পড়ে। ফলে পত্রিকার বিক্রি অনেক কমে গেছে। তারপরও কিছু নিয়মিত পাঠক আছেন, যারা এখনও প্রতিদিন পত্রিকা কিনতে আসেন।”

প্রবীণ পাঠক আব্দুল কাদের বলেন, “একসময় সকালে পত্রিকা না পড়লে দিনই শুরু হতো না। দেশের খবর, খেলাধুলা, সাহিত্য থেকে শুরু করে সবকিছুই জানতাম পত্রিকার মাধ্যমে। এখন মানুষ মোবাইলে খবর পড়ে, কিন্তু কাগজের পত্রিকার যে আলাদা অনুভূতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে, তা কখনো হারিয়ে যাবে না। জ্ঞানভান্ডারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।”

স্থানীয় দৈনিক বাংলাদেশ বার্তা পত্রিকার সম্পাদক বলেন,

“সংবাদপত্র শুধু খবর পরিবেশন করে না, এটি সমাজের ইতিহাস সংরক্ষণ করে। ডিজিটাল যুগে প্রিন্ট মিডিয়া নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও সংবাদপত্রের গুরুত্ব এখনও ফুরিয়ে যায়নি। জ্ঞানভান্ডারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো পাঠক ও সংবাদমাধ্যমের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।”

সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী লাকী মিজান বলেন,

“কুষ্টিয়ার সংবাদপত্র সংস্কৃতির সঙ্গে জ্ঞানভান্ডারের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বহু বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি পাঠকদের হাতে পত্রিকা পৌঁছে দিয়েছে। সময়ের পরিবর্তনে ব্যবসার ধরন বদলালেও জ্ঞানভান্ডার এখনও জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাসের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। এটি শুধু একটি দোকান নয়, কুষ্টিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ।”

ডিজিটাল যুগে কাগজের পত্রিকার পাঠকসংখ্যা কমে গেলেও জ্ঞানভান্ডার এখনও অতীত ও বর্তমানের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বই, পত্রিকা ও জ্ঞানচর্চার প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রতীক হয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজও স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রযুক্তি যতই এগিয়ে যাক না কেন, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন কখনো ফুরিয়ে যায় না। কুষ্টিয়ার পাঠক সংস্কৃতির ইতিহাসে তাই জ্ঞানভান্ডার শুধু একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি স্মৃতি, একটি ঐতিহ্য এবং একটি জীবন্ত ইতিহাস।




গাংনী ও মুজিবনগর থানায় নতুন ওসি নিয়োগ

মেহেরপুর জেলার দুই থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী ও উত্তম কুমার দাস।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী এবং মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উত্তম কুমার দাস।




আলমডাঙ্গার বেলগাছি পালপাড়ার মন্দির ধ্বংসের মুখে, ৫০ বছরেও হয়নি সংস্কার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি পালপাড়ায় অবস্থিত পালবাড়ির ঐতিহ্যবাহী হরি মন্দিরটি দীর্ঘ ৫০ বছরেও কোনো সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে ধ্বংসের মুখে পড়েছে। শতবর্ষী এই ধর্মীয় উপাসনালয়টি এখন টিকে থাকার সংকটে রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে মন্দিরটিতে কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কারকাজ হয়নি। ফলে সময়ের আবর্তে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে এই পুরোনো ধর্মীয় স্থাপনাটি। এলাকায় সংখ্যালঘু কয়েকটি পরিবারের বসবাস। তাদের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে মন্দিরটির সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরোনো কাঁদামাটির গাঁথুনিতে নির্মিত মন্দিরটির দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ইট খসে পড়ছে, পলেস্তারা উঠে গিয়ে ভেতরের কাঠামো উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত টিনের চাল মরিচা পড়ে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় ক্ষয়ক্ষতি আরও বেড়ে যায়।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুকুমার কুমার পাল বলেন, “পূর্বপুরুষের আমল থেকে এই মন্দিরটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা দেখভাল করার চেষ্টা করি। কিন্তু এখন বড় ধরনের সংস্কার না হলে মন্দিরটি টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”

কমিটির সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার পাল বলেন, “প্রতি বছরই শুনি বরাদ্দ আসবে, কাজ হবে। কিন্তু পঞ্চাশ বছর কেটে গেলেও চোখে পড়ার মতো কোনো কাজ হয়নি। বরাদ্দ এসে থাকলে সেই অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে, তার হিসাব মানুষের সামনে আসা দরকার।”

স্থানীয় বাসিন্দা কাছেদ আলী বলেন, “বহুবার শুনেছি সরকারি বরাদ্দ এসেছে। কিন্তু বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও মন্দিরে কোনো কাজ হতে দেখিনি। টাকা কোথায় যায়, এলাকার মানুষ তা বোঝে; শুধু মুখ খুলতে পারে না। কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড সদস্যদের মাধ্যমেই সাধারণত এ ধরনের বরাদ্দসংক্রান্ত কাগজপত্র পরিচালিত হয়। তবে বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবঞ্চিত এই মন্দিরটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়; এটি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর এখানে বিভিন্ন পূজা-পার্বণ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তবে মন্দিরটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে দর্শনার্থী ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় স্থাপনাটি রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান ও সংস্কারকাজ শুরু করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।