নাগরিক সেবা বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের কাছে সরকারি সেবা মানেই ছিল দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অনিশ্চিত প্রতীক্ষা, ফাইল হাতে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ছোটা, নথিপত্রে ভুল-ত্রুটি হলে আবারও ঘুরে আসা এবং শেষে দালালের ফাঁদে পড়া।

এই অভিজ্ঞতা শুধু হতাশাজনকই নয় বরং সময় ও অর্থেরও অপচয় ঘটাতো। অনেকেই তাই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে গিয়েও মাঝপথে বিরক্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিতেন। কিন্তু এই পুরোনো বাস্তবতার পরিবর্তনে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামের একটি উদ্যোগের মাধ্যমে। এটি একটি ওয়ান স্টপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে এক ঠিকানা থেকে বহু ধরনের সরকারি সেবা নেওয়া যাবে। নাগরিক আর ফাইল হাতে অফিসে ছুটে বেড়াতে হবে না, বরং অনলাইনে কয়েকটি ধাপে আবেদন জমা দিয়ে কাজের অগ্রগতি সহজেই ট্র্যাক করা যাবে। সময়, খরচ ও হয়রানি কমিয়ে সুশাসনের নতুন মানদণ্ড তৈরি করাই এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য।

এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২৬ মে ২০২৫ সালে। রাজধানীতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি ঘোষণা দেন দালালের দৌরাত্ম্য কমানো, হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা এবং এক জায়গায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার। তাঁর বক্তব্য শুধু প্রতিশ্রুতিই ছিল না, বরং একটি কাঠামোগত সংস্কারের ইঙ্গিত বহন করছিল। শুরুর দিকেই ঢাকার গুলশান, উত্তরা ও নীলক্ষেতে তিনটি নাগরিক সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই কেন্দ্রগুলো। এখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্যোক্তারা দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে সরকার নির্ধারিত ফি তালিকা উন্মুক্তভাবে ঝুলানো আছে। ফলে নাগরিকরা আগেই বুঝে নিতে পারেন কোন সেবার জন্য কত খরচ হবে। তথ্য সুরক্ষার জন্য উদ্যোক্তাদের নন-ডিসক্লোজার চুক্তির আওতায় আনা হয়েছে, যাতে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকে।

তবে নাগরিক সেবা কেবল একটি ফ্রন্ট ডেস্ক নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম। এখানে একক সার্ভিস পোর্টাল ও সুপার অ্যাপ থাকবে, থাকবে বিলিং অ্যাগ্রিগেটর ও পেমেন্ট গেটওয়ে। প্রতিটি আবেদনের জন্য স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং নম্বর দেওয়া হবে, ফলে একজন নাগরিক যেকোনো সময় জানতে পারবেন তাঁর আবেদন কোন ধাপে আছে। নীতিনির্ধারকরাও দেখতে পারবেন কোথায় কোনো বটলনেক তৈরি হয়েছে। ফলে এই উদ্যোগ কেবল ডিজিটালাইজড ফ্রন্ট ডেস্ক নয়, বরং প্রমাণভিত্তিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিকেও এক ধাপ অগ্রগতি। নাগরিকের প্রতিটি অভিযোগ, প্রতিটি ধাপের রেকর্ড ও প্রতিক্রিয়া সহজেই নথিভুক্ত হয়ে যাবে।

বর্তমানে পাইলট পর্যায়ে ৮১টি সেবা চালু আছে। তবে লক্ষ্য অনেক বড়। খুব শিগগিরই ৪৫০-এর বেশি সেবা একত্রে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন ও পুনর্মুদ্রণ, নতুন পাসপোর্ট আবেদন ও নবায়ন, অনলাইন জিডি, ই-মিউটেশন ও ই-পর্চা, ভূমি কর পরিশোধ, ট্রেড লাইসেন্স ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধন, আয়কর রিটার্ন দাখিল ও ভ্যাট চালান, বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাসসহ ইউটিলিটি বিল, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহন নিবন্ধন নবায়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি সম্পর্কিত নানা সেবা এক গেটওয়েতে পাওয়া যাবে। যাদের নিজস্ব ডিভাইস নেই বা অনলাইন ব্যবহারে দক্ষতা কম তারা কাছের নাগরিক সেবা কেন্দ্রে গিয়ে সহায়তা নিতে পারবেন। প্রয়োজনে ৩৩৩ নম্বরে কল করে নির্দেশনাও মিলবে। ফলে ডিজিটাল বিভাজনের বাস্তবতাকে মাথায় রেখে অনলাইন ও অফলাইন উভয় চ্যানেলের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।

এই উদ্যোগের মূল ভরসা হলো উদ্যোক্তা মডেল। সরকারের তত্ত্বাবধানে কড়া বাছাই ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ২০০ জন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০০ জন সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন, যাদের মধ্যে ৫০ জন নারী ও ৫০ জন পুরুষ। উদ্যোক্তাদের জন্য থাকছে ব্র্যান্ডেড ইউনিফর্ম, পরিচয়পত্র, সনদ এবং ভবিষ্যতে স্বল্পসুদে আর্থিক সহায়তার সুযোগ। সরকার-আধাসরকারি স্থাপনা, পোস্ট অফিস, বিটিসিএল অফিস, জেলা ও উপজেলা কমপ্লেক্সে কো-ওয়ার্কিং স্পেসে কেন্দ্র বসানো হয়েছে, যাতে বিনিয়োগের বাধা কমে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে স্বল্পসুদের ঋণের বিষয়েও আলোচনা চলছে। সেবার মান বজায় না রাখলে উদ্যোক্তার লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করার বিধানও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রভিত্তিক র‌্যাঙ্কিং ও নাগরিক ফিডব্যাক প্রকাশ্যে প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে সেবাদাতাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।

যদিও পরিকল্পনা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক, তবুও কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থিতিশীল ইন্টারনেট ও বিদ্যুতের অভাব সেবার মানে বৈষম্য তৈরি করতে পারে। ডিজিটাল সাক্ষরতার ঘাটতির কারণে অনেকেই নিজের হাতে আবেদন করতে স্বস্তি বোধ করবেন না। তাদের জন্য উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও নৈতিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, কারণ নাগরিকের তথ্য ফাঁস হলে তা বড় ধরনের বিপদের ডাক আনতে পারে। তাই কে কখন কোন ডেটায় প্রবেশ করবেন, তা কঠোরভাবে নিয়মে বেঁধে দিতে হবে। সমস্ত কার্যক্রম রেকর্ড রাখতে হবে এবং নিয়মিতভাবে সিস্টেম পরীক্ষা করে দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থায়ন। জাতীয় পর্যায়ে এই সেবা চালাতে হলে নেটওয়ার্ক, যন্ত্রপাতি, সার্ভার, সাপোর্ট টিম ও তদারকির জন্য দীর্ঘমেয়াদি বাজেট দরকার। সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশীদারিত্বও কাজে লাগাতে হতে পারে।

তবুও এই উদ্যোগ নাগরিক জীবনে বিশাল পরিবর্তন আনতে সক্ষম। আগে একটি জন্মনিবন্ধনের জন্য ফাইল হাতে বারবার অফিসে যেতে হতো। এখন কয়েকটি ক্লিকেই আবেদন জমা হবে, সঙ্গে হাতে মিলবে ট্র্যাকিং নম্বর ও এসএমএস আপডেট। ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা। পুরোনো লাইসেন্স নম্বর ও টিআইএন নম্বর দিলেই সিস্টেম নিজে থেকেই বিলম্ব ফি হিসাব করে দেখাবে। অনলাইনে পেমেন্ট করলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়ায় ঢুকে যাবে। ফলে নাগরিক আর অযথা সময় নষ্ট করবেন না এবং দালালের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন পড়বে না। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে নাগরিকের আস্থায়। আগে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যেত না। এখন প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছভাবে দেখা যাবে, অভিযোগ করলে রেফারেন্স নম্বর পাওয়া যাবে, আর ফিডব্যাকও প্রকাশ্যে থাকবে। এতে মানুষ বুঝবেন সেবা প্রক্রিয়া সত্যিই বদলাচ্ছে। আস্থার এই পরিবেশই হবে নাগরিক সেবার দীর্ঘমেয়াদি শক্তি।

পরিকল্পনা রয়েছে প্রথমে ৬৪ জেলার প্রতিটি উপজেলায়, এরপর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এ সেবা পৌঁছে দেওয়ার। প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অন্তত দুটি করে সেবা যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্টের মতো বায়োমেট্রিক সেবার ক্ষেত্রেও নাগরিক সেবা কেন্দ্রে সরাসরি আঙুলের ছাপ, চোখের স্ক্যান ও ছবি সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। এভাবে নাগরিক সেবা কেন্দ্রগুলো শুধু সেবা দেওয়ার জায়গা নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতির ছোট হাবে পরিণত হবে। তরুণ, নারী ও প্রযুক্তিপ্রেমীরা এখানে কাজ শিখবেন, দক্ষতা বাড়াবেন এবং আয় করার সুযোগ পাবেন।

সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, যদি ডেটা সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, মান নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা যায়, তবে এই উদ্যোগ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভেঙে দিতে সক্ষম হবে। সরকারি সেবা নিতে নাগরিকদের আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না, দালালের উপর নির্ভর করতে হবে না কিংবা হতাশাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে না। নাগরিক সেবা বাংলাদেশ তাই শুধু একটি প্রযুক্তি প্রকল্প নয়, বরং এটি নাগরিক সেবা সংস্কৃতিতে এক নতুন যুগের সূচনা। মানুষের আস্থা তৈরি হলে এই আস্থাই হবে উদ্যোগটির দীর্ঘমেয়াদি শক্তি।

লেখক: সহকারী তথ্য অফিসার




গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র রাব্বির মৃত্যু

মেহেরপুরের গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাব্বি হোসেন (১১) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলার কাজিপুর গ্রামের মাঠপাড়ায় নিজ বাড়ির দরজা খুলতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাব্বি একই গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে ও স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল রাব্বি। ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশের সময় বৈদ্যুতিক তারের লিকেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয় সে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, “বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




মেহেরপুর সরকারি কলেজের সবুজ চত্বরে শুভসংঘের পাঠচক্র

শিক্ষার্থীদের পাঠঅভ্যাসে অভ্যস্ত করতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেহেরপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের সবুজ চত্বরে অনুষ্ঠিত হলো পাঠচক্র অনুষ্ঠান।

রবিবার সকালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি কবিতা পাঠ ও কবিতার পটভূমি নিয়ে আলোচনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ মেহেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি ইয়াদুল মোমিন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অনিক হাসান।

বসুন্ধরা শুভসংঘ মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল আলম বকুলের সভাপতিত্বে পাঠচক্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাফিউল ইসলাম।

কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি ইয়াদুল মোমিন বলেন, বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মূল্যবান সময় নিজের অজান্তেই নষ্ট করছি। আমরা যদি দিনের একটি সময় বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারি, তবে ভবিষ্যতে সফলতার গল্প লিখতে এই সময়টির কথা বারবার মনে পড়বে। বিখ্যাত মনীষী এবং সফল ব্যক্তিরা এখনো তাদের দিনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যে কিছুটা সময় বই পড়ার কাজে কাটান। আমাদেরও এখন থেকেই বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। নিয়মিত বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানকে বিকশিত করতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে রফিকুল আলম বকুল বলেন, আমাদের ছোটবেলায় যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছিল না, তখন সময় কাটানোর মূল উৎসই ছিল বিভিন্ন ধরনের বই পড়া। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন দেশের, এলাকার কৃষ্টি-কালচার সম্পর্কে জানতে পারি। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দিনের একটি সময় হাতের মোবাইলটি দূরে সরিয়ে রেখে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলি। এ অভ্যাসের মাধ্যমে আমাদের মানসিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

পাঠচক্রে অংশ নেন সংগঠনের স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক উলমাতুন নেছা পূর্ণিমা, কার্যকরী সদস্য সুরাইয়া আক্তার হ্যাপী। পাঠচক্রে গীতাঞ্জলির বিভিন্ন কবিতা পাঠ করেন শিক্ষার্থী স্মৃতি খাতুন , জেবা আক্তার , উর্মিলা খাতুন, আলিন আহম্মেদ, আয়েশা সিদ্দিকা অ্যানি, সামিয়া আক্তার , সুরাইয়া আক্তার মলি, তাবাচ্ছুম সুলতানা আইরিন, মোছাঃ গোলাপী, ফারজানা আক্তার আশা, সাদিয়া ইসলাম, দিশা দাস , মোঃবিপুল , নাহিদ খান প্রমুখ।

পাঠচক্র অনুষ্ঠানে সকলকে বই পড়ার অভ্যাস তৈরিতে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয় এবং পাঠঅভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতি মাসে অন্তত একটি পাঠচক্র অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 




মেহেরপুরের পিরোজপুরে এনসিপির দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

গতকাল শনিবার মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারকরণ, জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন এবং নতুন কার্যালয় চালু উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জনাব আব্দুস সালাম। আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র মেহেরপুর জেলা সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ, এনসিপি’র জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য (সংগঠন/দপ্তর) মোঃ হাসনাত জামান সৈকত এবং যুগ্ম সমন্বয়কারী আশিক রাব্বি। তারা স্থানীয় পর্যায়ে দলকে আরও সক্রিয় ও জনগণের পাশে রাখার আহ্বান জানান। বক্তব্যে সংগঠনের লক্ষ্য, নীতি এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য (লিয়াজু) মাহাবুব-ই তৌহিদ রবিন, সদস্য (অর্থ) মোঃ তামিম ইসলাম, এনসিপি’র পিরোজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দোয়া মাহফিলে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয় এবং নতুন কার্যালয়ের সফলতা ও সংগঠনের অগ্রগতির জন্য মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে নেতৃবৃন্দ পিরোজপুর ইউনিয়নে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।




আলমডাঙ্গায় ব্লাড ডোনেট সোসাইটির ১০০ ব্যাগ রক্ত ডোনেশন সম্পন্ন

আলমডাঙ্গায় মানবতার কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলা “ব্লাড ডোনেট সোসাইটি আলমডাঙ্গা” গতকাল একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। সংগঠনের সদস্যরা গত এক বছরে টানা পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে ১০০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ সম্পন্ন করেছে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ শাওন জানান, “মানবতার সেবায় আমরা সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি। গত এক বছরে আমরা ১০০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। ইনশাআল্লাহ সামনে বছরে এই সংখ্যাটি আরও বড় হবে। আমাদের লক্ষ্য—একজন মানুষও যেন রক্তের অভাবে কষ্ট না পায়।”

সংগঠনের সদস্যরা জানান, তারা শুরু থেকেই অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়াতে সচেষ্ট ছিলেন। বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে রক্ত সরবরাহ করে বহু মানুষের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে এই সংগঠন। মানবতার এই মহৎ উদ্যোগকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




আলমডাঙ্গায় সিএইচআর নাইন ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আলমডাঙ্গার চিৎলা রুইতনপুর মাঠে সিএইচআর নাইন ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে চিৎলা রুইতনপুর মাঠে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী খেলায় যে দুটি দল অংশগ্রহণ করেছিল, তারা হলো বন্দবিল একাদশ ও পাঁচকমলাপুর একাদশ। খেলায় বন্দবিল একাদশ ২ গোল এবং পাঁচকমলাপুর একাদশ ৩ গোল করে। টানটান উত্তেজনায় পাঁচকমলাপুর একাদশ এক গোলে বিজয়ী হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক শিপলু, শফিকুল ইসলাম পিন্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, সিএইচআর নাইন ক্লাবের সভাপতি মাহাবুব হাসান মাবুদ, সাধারণ সম্পাদক বেলটু রহমান, সহিদুল ইসলাম প্রমুখ।




ঝিনাইদহে ডিবিএল ব্যাংকের এমডিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা

ব্যাংকে গচ্ছিত চেক চুরি করে মামলা ও জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ডিবিএল) ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) ও সিইও, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, শাখা ব্যবস্থাপকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা হয়েছে।

সম্প্রতি ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের সালিম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ইয়াসমিন আক্তার। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে ঝিনাইদহ সি.আর মামলা নং-৮০৭/২০২৫ হিসেবে।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ঝিনাইদহ শাখার ব্যবস্থাপক, ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও, চারজন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং কোটচাঁদপুর উপজেলার আদর্শপাড়ার আবু জাফরের ছেলে আলমগীর হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে ঝিনাইদহ শাখা থেকে ১৮ লাখ টাকা ঋণ নেন ইয়াসমিন আক্তার। ঋণ নেয়ার সময় তিনি জমির দলিল, বিভিন্ন কাগজপত্র ও ৩৭টি স্বাক্ষরিত ফাঁকা চেক ব্যাংকে জমা দেন। কিন্তু সম্প্রতি কোটচাঁদপুরের আলমগীর হোসেন ঐ চেকগুলোর একটি ব্যবহার করে আদালতে মামলা করেন। তিনি দাবি করেন, ইয়াসমিনের স্বামী তার কাছে ৯৭ লাখ টাকা দেন।

বাদীর অভিযোগ, যে চেক ব্যাংকের ভল্টে থাকার কথা, সেটি কীভাবে আলমগীর হোসেনের হাতে গেল তা রহস্যজনক। তার দাবি, ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তারা আলমগীরের সাথে যোগসাজশ করে চেক চুরি করেছে এবং জালিয়াতির মাধ্যমে মামলা দায়ের করেছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লাল বলেন, “আমার মক্কেলের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। চেক জালিয়াতি ও জাল কাগজপত্র দেখানো হচ্ছে। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে এ অপকর্ম করেছে। এজন্য আমরা আদালতে মামলা দায়ের করেছি।”

এ ঘটনায় আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওয়াজিদুর রহমান মামলা তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন পিবিআইকে। আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

তবে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখার ব্যবস্থাপক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।




ঝিনাইদহে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৃত্যু ও গানের শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

শনিবার সকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। সেসময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা শিহাব উদ্দিন, জেলা শাখার সভাপতি মাস্টার শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জে এম শরিফ হোসেন কাজল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা শাখার সভাপতি ডা.এইচ এম মোমতাজুল করীম, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. নাজমুল হাসান, আলিয়া মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক, প্রভাষক মাওলানা ইসমাইল হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন খানসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সেসময় বক্তারা বলেন, দেশের শিশুদের নৈতিক শিক্ষার চরম অবক্ষয় রোধ করতে হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ জরুরি। শুধুমাত্র নাচ-গান শেখানোর মাধ্যমে শিশুদের মননশীল বিকাশ সম্ভব নয়। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।




ঝিনাইদহে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিএনপির মতবিনিময় সভা

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়দের নিয়ে ঝিনাইদহে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আয়োজিত এই সম্প্রীতি সভায় সনাতন ধর্মালম্বী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন।

শনিবার দুপুরে জেলা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক মিলন কুমার ঘোষ। জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব সমীর কুমার হালদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট এমএ মজিদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান, সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান পপ্পু, ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান লাকী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রহমান শেখর, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক তপন বিশ্বাস, সদস্য সচিব প্রহল্লাদ সরকার ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক চন্দন বসু মুক্ত বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি এম এ মজিদ বলেন, সম্প্রীতির এই বাংলাদেশ কারো একার পক্ষে স্বাধীন করা সম্ভব হয়নি। মুসলিমদের যেমন স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান আছে, তেমনি আছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের। সবার মিলিত প্রচেষ্টার ফসল আজকের বাংলাদেশ।

তিনি বলেন এই দেশকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে তারা কখনোই সফল হয়নি। শেখ হাসিনা এই বাংলাদেশকে ভারতের কদর রাজ্য করতে চেয়েছিল কিন্তু এদেশের মানুষ তার সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছে।

বিএনপি’র এই তরুণ নেতা বলেন, আসন্ন দূর্গা পূজা নির্বিঘ্ন করতে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।




মেহেরপুরের সাবেক এসপি নাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার

রাজধানী থেকে মেহেরপুরের সাবেক এসপি একেএম নাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে ইস্কাটন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। আমরা রিকুইজিশন পাওয়ার পর গত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে, গত ২৮ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একেএম নাহিদুল ইসলামকে জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিধি অনুযায়ী তিনি অবসরের সব সুবিধা পাবেন।

একেএম নাহিদুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১১ জুলাই ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান। তখন তিনি সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পদোন্নতির পরও তাকে সিআইডিতে রাখা হয়। তিনি অতীতে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন অ্যান্ড ক্রাইম) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে মেহেরপুর জেলায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে পড়েছিলেন। ২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে দুইটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে।