সাইফের ছক্কাবাজি দেখার অপেক্ষায় বাংলাদেশ

শারজায় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করার টাটকা সুখস্মৃতি নিয়ে এবার ওয়ানডে সিরিজ জয়ের অভিযানে নামছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে আজ আবুধাবিতে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে শুরু হবে দিবা-রাত্রির ম্যাচ।

শারজার বদলা আবুধাবিতে নিতে দুদলই উদ্গ্রীব। টি-টোয়েন্টির হতাশা ভুলতে ওয়ানডে সিরিজ জিততে আফগানদের উদ্গ্রীব থাকাই স্বাভাবিক। পুরোনো হিসাব চুকানোর আছে বাংলাদেশেরও। গত বছর নভেম্বরে শারজায় দুদলের সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে আফগান স্পিনে নাকাল হয়ে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

এ বছর ছয় ওয়ানডের মাত্র একটি জেতা বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রিয় সংস্করণে ছন্দে ফেরার টনিক হতে পারেন সাইফ হাসান। সব ঠিক থাকলে ছক্কাবাজ সাইফের ওয়ানডে অভিষেক হচ্ছে আজ। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরুর পর নিজেকে মেলে ধরতে না পারায় দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন ২৬ বছর বয়সি এই অলরাউন্ডার।

ছয় টেস্টে তার প্রাপ্তি ছিল মাত্র ১৫৯ রান ও এক উইকেট। এ বছর এশিয়া কাপের আগে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে সেই সাইফ হয়ে উঠেছেন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সমার্থক। এশিয়া কাপে চার ম্যাচে ১২ ছক্কা হাঁকিয়ে পাদপ্রদীপের আলোয় আসার পর আফগানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও টর্নেডো ব্যাটিংয়ে দুটি ফিফটি উপহার দেন তিনি। শেষ ম্যাচে হাঁকান সাতটি ছক্কা। তাতেই ওয়ানডে দলের দুয়ার খুলে যায় সাইফের সামনে। একদিবসী ক্রিকেটেও সাইফের ছক্কাবাজি অব্যাহত থাকলে আফগান চ্যালেঞ্জ সহজ হয়ে যাবে টাইগারদের জন্য।

আরেক তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসানও ছন্দে আছেন। টি-টোয়েন্টি দলে না থাকা ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন এবার দৃশ্যপটে। মিডলঅর্ডারে তাওহিদ হৃদয়, শামমি হোসেন, জাকের আলী ও নুরুল হাসানের মধ্যে একজন একাদশের বাইরে থাকবেন। পেস আক্রমণে মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশ আজ তিন স্পিনার খেলালে সুযোগ পাবেন রিশাদ হোসেন ও তানভীর ইসলাম। আর তিন পেসার খেলালে বাদ পড়তে পারেন রিশাদ।

আবুধাবিতে শেষ পাঁচটি ডে-নাইট ওয়ানডের চারটিতেই জিতেছে আগে ব্যাট করা দল। বাংলাদেশের মতো আফগানিস্তানও তাই ব্যাটিংয়ে শক্তি বাড়িয়েছে। আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদির তুরুপের তাস হতে পারেন অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ গুরবাজ। বোলিংয়ে ভরসা দুই অভিজ্ঞ স্পিনার রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী। বাকিরা নতুন। প্রায় আট মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামছে আফগানরা। এটা বাংলাদেশকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

সূত্র: যুগান্তর ।




মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হবে-বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন কমিটি প্রথম দিনেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিসিবির স্কুল ক্রিকেট অনেক আগে থেকে চালু আছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আরও খুদে প্রতিভা তুলে আনতে বিসিবির পরিকল্পনা—মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ক্রিকেট চালু করা।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিসিবির প্রথম বোর্ড সভায় নবনির্বাচিত পরিচালকদের মধ্য থেকে ২৩টি কমিটির প্রধান বেছে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসাতেও ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসায় লাখ লাখ ছাত্র আছে, সেখান থেকে যদি কিছু ক্রিকেটার আসে। সেই ব্যবস্থা করছি।’

কোন ফরম্যাটে মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে টুর্নামেন্ট হবে সে ধারণাও দেন তিনি।

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তবে আমরা যেহেতু পরিকল্পনা করেছি, অবশ্যই বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। আপাতত ছোট ফরম্যাটে হবে।’

জানা গেছে, ১০ ওভারের ক্রিকেট হতে পারে মাদ্রাসায়। আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে, আসর থেকে মাগরিবের সময়টাতে আয়োজনের উদ্দেশ্য এ আসরের।

সূত্র: যুগান্তর




সমন্বিত ৯ ব্যাংকে বড় নিয়োগ, পদ ১০১৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ৯টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিকপ্রতিষ্ঠানে ‘সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)’ পদে ১০১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগ্রহীরা আগামী ১০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ ব্যাংক

পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)

পদ সংখ্যা: ১,০১৭টি

সোনালী ব্যাংক পিএলসি ১১৮টি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি ২০০টি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি ৭৫টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ২১টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ৩৯৮টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ০৬টি, কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৮টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ৩৭টি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ১১৪টি, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন ১৫টি এবং ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ১৫টি ।

বেতন স্কেল: জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর টাকা ২২০০০-৫৩০৬০ স্কেল এবং তৎসহ নিয়মানুযায়ী প্রদেয় অন্যান্য সুবিধা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

ক)স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে যে কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদী স্নাতক /স্নাতক(সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।

খ) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহে ন্যূনতম ০২(দুই) টিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

গ) কোন পর্যায়েই ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।

বয়স: ০১/০৭/২০২৫ তারিখে সকল প্রার্থীর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ নভেম্বর ২০২৫, রাত ১১:৫৯টা।




গাংনীর গ্রামে গ্রামে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক; ৯ মাসে আক্রান্ত ৪৭৫ জন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যানথ্রাক্স। চলতি বছরের ৯ মাসে এ উপজেলায় ৪৭৫ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ফলে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। গবাদি পশুর ভ্যাকসিন ও সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম না থাকায় অ্যানথ্রাক্স দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

জানা গেছে, গাংনী উপজেলার কাজিপুর, মটমুড়া, সাহারবাটি ও বামন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের ক্ষত দেখা দিয়েছে। অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরু-ছাগলের মাংস থেকেই মূলত মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ছে ব্যাকটরেরিয়াজনিত রোগের জীবাণু। গ্রাম পর্যায়ে কোন পশু আক্রান্ত হলে তা জবাই করে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে মাংস। কম দামে আকৃষ্ট হয়ে অনেকে ছুটে যাচ্ছেন মাংস কিনতে। আক্রান্ত পশুর মাংস কাটা এবং রান্নার সময় সাবধানতা না থাকায় অ্যানথ্রাক্স জীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মানবদেহে। যার ফলে শরীরের দেখা দিচ্ছে ক্ষত ঘা। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করায় নিরাময় হচ্ছে না। ক্ষত স্থানের আকার বাড়ার সাথে সাথে তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরতে হচ্ছে এসব রোগীদের। অসুস্থ পশু জবাই ও বিক্রি রোধে কোন পদক্ষেপ না থাকায় আশংকাজনকহারে বাড়ছে ভুক্তভোগী মানুষের সংখ্যা।

গাংনী হাসাপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে উপজেলার ৮ জন রোগী হাসপাতালে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে দেবীপুর গ্রামের ফুলঝুড়ি, মৌসুমী, মোহাম্মদপুর গ্রামের চামেলী,ভবানীপুরের সেলিম, বালিয়াঘাটের তানিয়া, কাজীপুরের আক্কাস আলী, হাড়াভাঙ্গার কামাল হোসেন, রাইপুর গ্রামের রেখা খাতুন।

গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের আফাজউদ্দিন জানান, তিনি বাজারে মাংসের ব্যবসা করেন। রোগাক্রান্ত গরুর মাংস নাড়াচাড়া করা কারণে তার শরীরে প্রথমে ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে পরীক্ষা করে অ্যানথ্যাক্স রোগ ধরা পড়ে।

একই গ্রামের আক্কাস আলী জানান, একদিন গরুর মাংস কিনে বাড়ি নিয়ে এসে পািন দিয়ে ধুয়ে দিয়েছিলাম রান্না করার জন্য। এর পরদিন থেকে শরীরে হাতে চুলকাতে শুরু করে এবং ঘায়ের মত গুটি দেখা যায়। গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে দেখালে তিনি বলেন অ্যানথ্রাক্স হয়েছে। পরে গাংনী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ওষুধ খাচ্ছি।

উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামের কামাল হোসেন জানান, তিনি বাজার থেকে গরুর মাংস কিনে আনেন। সেই মাংস নাড়াচাড়া করার কারণে তার শরীরে ছোট ছোট ঘায়ের মত কি যেন দেখা যায় । পরে পরীক্ষা করে জানতে পারেন অ্যানথ্রাক্স হয়েছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ফারুক হোসেন জানান, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়ে অনেকেই গ্রামে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিলে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার স্পোর থেকে যায়, যা বিপদজনক। তাই এ ধরণের লক্ষণ দেখা দিলেই ঘরে চিকিৎসা না নিয়ে দ্রæত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেওয়ার আহবান জানান।

গাংনী উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোত্তালেব আলী বলেন, গবাদী পশুকে শতভাগ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাবে। তবে জনবল সংকটের কথা বলছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম আবু সাঈদ বলেন, চামড়ার পাশাপাশি ফুসফুস ও খাদ্যনালীতেও অ্যানথ্যাক্স আক্রান্ত হয়। এর ফলে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। সামাজিক সচেতনা তৈরির মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতা কার্যক্রম চালু রয়েছে।




দর্শনায় বড় মসজিদের ওয়াস রুম থেকেপরিত্যাক্ত হ্যান্ডকাপ ও নষ্ট স্মার্টফোন উদ্ধার

দর্শনা রেলবাজার বড় মসজিদের ওয়াস রুমের ভিতর থেকে একটি পরিত্যাক্ত হ্যান্ডকাপ ও একটি নষ্ট টাসফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় হ্যান্ডকাপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন দর্শনা থানার এস আই আশিকুল হক।

পুলিশ জানায়, প্রায় ১০/১২ বছর আগের পুরাতন জংধরা হ্যান্ডকাপ ও একটি নষ্ট মোবাইল ফোন ওয়াস রুমের ভিতরে ছিল। এতে করে করে ওয়াস রুমটি ব্যাহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এসময় একজন হরিজনকে দিয়ে ওয়াস রুমটি পরিস্কার করতে গিয়ে দেখায় একটি পুরাতন হ্যান্ডকাট ও একটি নষ্ট মোবাইল ফোন আটকে ছিল।

এসময় হরিজন মোবাইল ও হ্যান্ডকাপ পেয়ে মসজিদ কমিটিকে জানালে মসজিদ কমিটির লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে দর্শনা থানার এস আই আশিকুল হক মোবাইল ফোন ও হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে দর্শনা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী হয়েছে বলে জানান দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর।




চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে শরীফুজ্জামানের গণসংযোগ

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা, গণসংযোগ ও পথসভায় করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ। তার উপস্থিতিতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। অনেকে তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন, মাথায় হাত রেখে দোয়া করেন যেন তিনি জেলার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করে যেতে পারেন।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় তিনি গণসংযোগ ও পথসভা করেন তিনি। এর মধ্যে ছিল পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভেমরুল্লাহ মাঠপাড়া, ভেমরুল্লাহ প্রাথমিক স্কুলপাড়া, হাটকালুগঞ্জ, এলজিডি রোড, পুলিশ লাইন, সি অ্যান্ড বি মোড়। আছোড়ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের নিলার মোড়, ঠিকানা মোড়, ডাঙাপাড়া, সুমিরদিয়া ক্লাব মোড় ও সুমিরদিয়া রেলপাড়া এলাকায় প্রচারণা চালান তিনি। এসব স্থানে শরীফুজ্জামান স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

প্রচারণায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি কেবল একটি রাজনৈতিক ইশতেহার নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি ও ন্যায়ের রূপরেখা। এই ৩১ দফার মধ্যেই রয়েছে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার রাস্তাটি। আমরা যারা বিএনপির কর্মী, তাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব এই বার্তাটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধানের শীষ প্রতীক মানে জনগণের ভোটাধিকার, মানুষের মুখে হাসি, তরুণদের কর্মসংস্থান ও কৃষকের ন্যায্য মূল্য। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে এই মাটির মানুষই পরিবর্তনের স্রোত তৈরি করবে। তারেক রহমান হচ্ছেন সেই নেতৃত্ব, যিনি জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করছেন। জনগণের ভোটে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব না পাওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো, মানুষের পাশে থাকবো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, চুয়াডাঙ্গার মানুষ অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না। এই শহরের প্রতিটি গলিতে, প্রতিটি ঘরে ধানের শীষের ভীত গড়ে উঠছে। তরুণ প্রজন্ম আজ জেগে উঠেছে, তারা চায় পরিবর্তন, তারা চায় ন্যায়বিচার। বিএনপি সেই পরিবর্তনের বাহক। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের মুক্তি আসবেই। আমরা সবাই মিলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর, শান্তি ও গণতন্ত্রভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।’

শরীফুজ্জামান শরীফ তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই দেশ তোমাদের, ভবিষ্যতও তোমাদের হাতে। ভালো কাজের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াও এবং নিজের এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করো। একসঙ্গে কাজ করলে কোনো শক্তিই আমাদের রুখতে পারবে না।’

গণসংযোগ চলাকালে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছিল বিপুল উৎসাহ ও প্রত্যাশা। তারা বলেন, ‘শরীফুজ্জামান শরীফ আমাদের সন্তান, আমাদের নেতা। তার নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা এগিয়ে যাবে।’

প্রচারণায় জেলা বিএনপির এই নেতার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আরশেদ আলী কালু, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাফিতুল্লাহ মহলদার, যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুক্ত, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকের আলী, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝন্টু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশীদ টনিক, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ইনতাজ আলী, যুগ্ম সম্পাদক আশাবুল হক ও আব্দুল কুদ্দুস, সদর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মতিউর রহমান মিশর, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হ্যাপি, সদস্য রুবেল হাসান, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খন্দকার আরিফ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ, যুগ্ম সম্পাদক সাইমুম আহমেদ মিশা, যুগ্ম সম্পাদক নাইম আহমদ, জেলা ক্রীড়া সম্পাদক বিক্রম সাদিক মিলন, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. আজিজুর রহমান আজিজুল, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব হাসান, পৌর ছাত্রদলের সদস্য শাহারু আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যাযের নেতাকর্মীরা।




মুজিবনগরে জামায়াত এমপি প্রার্থী মাওলানা তাজউদ্দিন খানের গণসংযোগ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন সোনাপুর  গ্রামে গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে সোনাপুর গ্রামের প্রধান সড়ক ও দোকানপাটে এ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। গণসংযোগের নেতৃত্ব দেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা তাজ উদ্দিন খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আমীর মাও. খানজাহান আলী, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা ফিরাতুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ খাইরুল বাসার, সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি ফজলুল হক গাজী, উপজেলা সমাজ কল্যাণ সেক্রেটারি আমিনুল হক এবং বাগোয়ান ইউনিয়ন আমীর মাও. ফারুক হোসেন।

গণসংযোগ কর্মসূচিতে আসন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সর্বাত্মক সমর্থন প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।




মেহেরপুরের শ্যামপুর ও গোপালপুরে অ্যাড. কামরুলের গণসংযোগ ও পথসভা

মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোপালপুর বাজারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র উদ্যোগে পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ইলিয়াস হোসেন, আলমগীর খান ছাতু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আনিসুর হক লাভলু, মোশাররফ হোসেন তপু, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকাবিল্লাহ, জেলা যুবদলের সদস্য মেহেদী হাসান রোলেক্স, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি আলিফ আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, শ্যামপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান (বাবু), আমদহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস বিশ্বাস এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিন্টু হোসেন। এছাড়াও পৌর বিএনপি নেতা নাহিদ আহমেদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গণসংযোগ শেষে বিবিসিকে দেওয়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা যোগায়।




আলমডাঙ্গায় যৌথ অভিযানে মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র ও  জালনোটসহ গ্রেফতার ১

আলমডাঙ্গায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র, জাল নোট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে, আরেকজন পলাতক রয়েছে।

জানা যায়, গত সোমবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে “অপারেশন ৩৬ এডি” শীর্ষক অভিযানে সেনাবাহিনীর ৫৫ এফ আই ইউনিটের এফএস এর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন, বিএ-১০৯৪৯ ক্যাপ্টেন সৌমিক আহমেদ অয়ন, ৩৬ এডি রেজিমেন্ট।

অভিযানে আলমডাঙ্গা মিয়াপাড়ার মো. ইসরাফিল আলম সনির (৩৩) বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৬৫০ গ্রাম গাঁজা, ১৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, এক বোতল বিদেশি মদ, চারটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি ৫০০ টাকার জাল নোট, নগদ দুই লাখ ৪৭ হাজার ৮৩০ টাকা এবং দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করা হয়।

এসময় বাড়ির মালিক ইসরাফিল আলম সানিকে আটক করা হয়। তাঁর সহযোগী পিয়াল মাহমুদ সাদ্দাম (পিতা মৃত মজিদ মিয়া, একই এলাকার বাসিন্দা) পলাতক রয়েছেন। অভিযানে উদ্ধার করা মালামাল ও আসামিকে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর ল্যান্স কর্পোরাল আল ইমরান (৩৬ এডি রেজিমেন্ট)।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, “উদ্ধারকৃত মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযানে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পেরেছি।” পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ইসরাফিল ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অবৈধ অর্থ লেনদেনে জড়িত ছিল।




আলমডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৩টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই

আলমডাঙ্গা পৌরসভার আনন্দধাম মোড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে আগুন লাগে রথতলা এলাকার মৃত নরেন বিশ্বাসের ছেলে মন্টুর লন্ডি দোকানে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও দুটি দোকানে। দোকান দুটি হল হান্নান ডেকোরেশনের এবং অন্যটি রবি ফার্মেসি।

লন্ডি দোকান মালিক মন্টু জানান, “বেলা বারোটার দিকে দোকান বন্ধ করে কিস্তি দিতে বাড়িতে গিয়েছিলাম। একটু পরে দোকানে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন সময় আমার কাছে মোবাইলে খবর আসে আমার দোকানে আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে ছারখার। প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন আমি পথে বসে গেলাম। একটাও জিনিস অবশিষ্ট নেই।

পাশের দোকানদার হান্নান ডেকোরেশন মালিক হান্নান বলেন, “আমি দুপুরে খাবার খেতে বাড়ি গিয়েছিলাম। দোকানে তালা দিইনি। শুধু সাটার লাগানো ছিল। ফোনে জানতে পারি আগুন লেগেছে। এসে দেখি পাশের দোকানের আগুন আমার দোকানেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ২৫ হাজার টাকার ডেকোরেশনের কাপড় ও সিলিং পুড়ে গেছে।

পাশের ওষুধের দোকান মালিক রবি জানান, “আমি তখন বাড়িতে ছিলাম। স্থানীয়রা ফোনে জানায় দোকানে আগুন লেগেছে। দৌড়ে এসে দেখি পাশের লন্ডি দোকান পুরোপুরি পুড়ে গেছে। আমার দোকানের সিলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিছু ওষুধও হয়তো নষ্ট হয়েছে। আনুমানিক ২০-২৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে দোকানগুলোর বেশিরভাগ মালামাল পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা গেছে। জীবনের সকল সঞ্চয় হারিয়ে মন্টু এখন দিশেহারা। ক্ষতিগ্রস্ত তিন ব্যবসায়ীই প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।