দশর্নায় কৃষকদের মাঝে বিনা-২৬ ধানবীজ বিতরণ

দশর্না পরানপুর কৃষকদের মাঝে বিনা-২৬ ধানবীজ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বীনা গবেষণার উদ্যোগে পরানপুর আলিফ ট্রেডার্সের সামনে এই বীজ বিতরণ করা হয়।

এ বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন এবং বিশিষ্ট বীজ ও কীটনাশক উদ্ভাবক রাজেদুল ইসলাম বিনা ধান রোপনের দিক নিদর্শনা ও নিয়মাবলী সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা প্রদান করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক আওয়াল হোসেন।




“মুজিবনগর ইয়ুথ পিস এ্যাম্বাসেডর গ্রুপ” (ওয়াইপিএজি)’র ত্রৈমাসিক সভা

এখনই সময় বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে যুবদের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে নিশ্চিত করা। সেই লক্ষে সহিংসতা নিরসন ও সম্প্রীতি স্থাপনকে সামনে রেখে আজ শনিবার ইয়ুথ পিস এ্যাম্বাসেডর গ্রুপ (ওয়াইপিএজি) এর উদ্যোগে ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এফসিডিও এর অর্থায়নে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এমআইপিএস প্রকল্পের উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, ওয়াইপিএজির কোঅর্ডিনেটর মো: রিয়াজ শেখ, সহ-সমন্বয়কারী মুক্তা খাতুন এবং নাদিম আনজুম রেজা, পিএফজি কোঅর্ডিনেটর মো: ওয়াজেদ আলি খান এবং ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

উক্ত ত্রৈমাসিক সভায় পরবর্তী ত্রৈমাসিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করার বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, মাঠ সমন্বয়কারি মো: আশরাফুজ্জামান। সভায় ছাত্রদল, যুবদল, যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

ত্রৈমাসিক সভায় সকলে শান্তি স্থাপন ও সহিংসতা নিরসনে অঙ্গিকারবদ্ধভাবে কাজ করতে যে সকল বিষয়সমূহ আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাতে সতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে মত প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক প্রশিক্ষণে সকলের সতস্ফুূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরন ও প্রশিক্ষণ এর সফলতার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহিত করা হয়।




আলমডাঙ্গা সহ সারাদেশে বাউল সম্প্রদায় শঙ্কিত

গোয়ালন্দে নূরাল পাগলের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেওয়ায় আলমডাঙ্গায় মাজার নিয়ে শঙ্কিত বাউল সম্প্রদায়। বাউল শিল্পীদের জীবিকায় ভাটা পড়েছে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা শতাধিক মাজার রয়েছে। মাজার নিয়ে বাউল সাধকদের যে আবেগ, মনের বিশ্বাস লালন করে, তাদের সেই ভাবাবেগের উপর বার বার নেমে এসেছে খড়গাঘাত। আঘাতে আঘাতে আহুত হৃদয় নিয়ে কোনোমতে টিকিয়ে রেখেছে তাদের ধর্মীয় অনুভূতি। বছরের একটি মাত্র গুরুপ্রাপ্ত দিন স্বরণ করে আসছে সাদামাটা ভাবে। বিগত দিনে দেখা গেছে, প্রতিটি আখড়া বা মাজারে বাৎসরিক অনুষ্ঠান কত সুন্দর জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে। দূর দূরান্ত থেকে সাধুদের আগমন দেখে এলাকার মানুষ চমকে যেত। নামী-দামী শিল্পদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। পালা গান বা ভাব গানে সারা রাত জেগে মানুষ উপভোগ করেছে।

সারা বছর এলাকাবাসী চেয়ে থাকে ঐ একটি দিনের অপেক্ষায়। পায়ে হেঁটে দূর দূরান্তে মানুষ ছুটে যেত গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সংগীত ভাব গানে আসরে। ইহাতে শিল্পীদের মধ্যে একটা সংগীত চর্চার একটা প্রতিযোগিতা তৈরি হত,পাশাপাশি শিল্পী ও বাদ্যযন্ত্র বাদকদের একটা রুজিরোজগারের সংস্থান হত। সাঊন্ড,লাইট ডেকোরেশন ব্যাবসায়ীদের ব্যাবসা দিদারসে রমরমিয়ে চলত।আজ তাদের রুজির ভাণ্ডারে টান পড়েছে।তারা আজ সংগীত চর্চা ছেড়ে বেকার হয়ে কেউ কেউ রিকসা চালায়ে,মাছ ধরে,মাঠে জন খেটে জীবিকা নির্বাহ করছে।

একুশে পদক প্রাপ্ত খোদাবক্স শাহের পুত্র বাউল শিল্পী আব্দুল লতিফ শাহ বলেন সংগীতানুষ্ঠান প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। শিল্পীরা সব ঘরে বসে আছে। তারা না পারে মাঠে কৃষি কাজ করতে, না পারে রিক্সা চালাতে। সংগীত পরিমন্ডল উন্মুক্ত করে দেওয়া উচিত।

বাংলাদেশের স্বনামধন্য বংশীবাদক মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, আমরা সারা দেশে প্রোগ্রাম করে থাকি। বর্তমানে কোন কাজ পাচ্ছি না। একপ্রকার ঘরে বসে আছি। আলমডাঙ্গার নামকরা হারমনিয়াম বাদক আশরাফুল আলম মন্টু বলেন, বাউল সাধক সম্প্রদায় খুব সঙ্কটে আছে। মন খুলে অনুষ্ঠান করতে পারছে না। আমরা অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছি। আলমডাঙ্গার স্বনামধন্য বাউল সাধক শিল্পী রইচ উদ্দিন শাহ বলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলায় শতাধিক মাজার বা আখড়া আছে। সমস্ত জায়গায় সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠান বন্ধ হতে চলেছে। কোনো কোনো স্থানে হলেও ছোট আকারে দিন রক্ষা করে চলেছে।

সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাংবাদিক হামিদুল আজম বলেন, বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় ঘরে ঘরে বাউল সম্প্রদায়ের আদর্শে দীক্ষিত মানুষ বসবাস করে। আলমডাঙ্গার ফরিদপুর গ্রাম কে বলা হয় সাতশ ফকিরের বসবাস। এখানে বাউল শিল্পী বাদ্যকার অনেক মানুষ আছে যাদের সংগীতই হল একমাত্র বাঁচার অবলম্বন বা জীবিকা। তাদের সেইর জীবকায় আঘাত পড়েছে। এদের মুক্তমনে তাদের আদর্শিক রীতিনীতি পালন করতে দেওয়া উচিত।




মেহেরপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহামদ আবদুল ছালাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তরিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এ জে এম সিরাজুম মুনির, ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আবদুর রাহীম, জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মো. রোকনুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, জেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি সাদিকুর রহমান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ট্রেইনার আব্দুল হামিদ।

বক্তারা তাঁদের আলোচনায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও কর্ম নিয়ে আলোকপাত করেন এবং সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় তাঁর আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।




মেহেরপুরের শ্যামপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে বিএনপির ৩১ দফা দাবি প্রচারে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের আলমপুর উত্তরপাড়া, ধোসারপাড়া ও নোনাপাড়ায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

এ সময় তিনি এলাকাবাসীর হাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট তুলে দেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

গণসংযোগ কর্মসূচিতে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, জেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি আলিফ আরাফাত, শ্যামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিন্টু আলী, যুবদল নেতা মিঠুন, নাহিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।




মেহেরপুরে সার্ভেয়ার সমাজকল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা

মেহেরপুরে সার্ভেয়ার সমাজকল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শহরের ঘোষপাড়ায় সার্ভেয়ার সমাজকল্যাণ সংস্থার কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সভাপতি সার্ভেয়ার মোঃ আব্দুল মজিদ। সভার কার্যক্রম পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হানিফ মাহামুদ সাকিব।

সভায় বক্তব্য রাখেন সার্ভেয়ার মোঃ সোহরাব হোসেন, দীন মোহাম্মদ, আঃ বারী, তানভীর আল মামুন, মোঃ উবায়দুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

আলোচনা শেষে সভাপতি সংস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।




হরিণাকুণ্ডুতে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় নিখেজের ৫দিন পর এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের চাঁদ আলী মন্ডলের ছেলে মোঃ মিলন হোসেন (১৯) গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল এবং আজ শনিবার গ্রামের পান বরজের পাশে হলুদ ক্ষেতের মধ্যে তার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়।

স্বজন এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে লক্ষীপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয় মিলন পরে আর বাড়িতে ফিরে না আসার কারনে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গাতে খোঁজ-খবর নিতে থাকে এবং কোথাও খুজে পায় নাই।

অনেক খোজাখুজির পর আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রহিম, মাসুমসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক তাদের নিজ গ্রামের মাঠে পানের বরজে কাজ করতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী হলুদ ক্ষেত থেকে পঁচা দুর্গন্ধ পায়। তারা গন্ধের উৎস খুঁজতে হলুদের খেতে গিয়ে ভিকটিমের অর্ধ গলিত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে ভিকটিমের পিতা ও পরিবারের সদস্যগণ লাশ চিহ্নিত করে।

পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ শেষে মৃত লাশের ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এবিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়রে সাথে সাথে পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম, গত কয়েকদিন আগে থেকেই মিলন নিখোঁজ ছিল, থানায় জিডি করার পর আমরা খোজ রাখছিলাম, আজ মাঠে কিছু শ্রমিক ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে দুপুরে দুর্গন্ধ পেয়ে লাশটি শনাক্ত করে। আমরা মামলা নিয়েছি, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি দোষিদের খুজে বের করার চেষ্টা চলছে।




দর্শনায় কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

দর্শনায় কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে যথাযথ সম্মান ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে ঈদ ই মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বেলা ১১ টায় কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে স্কুলের হল রুমে ঈদ ই মিলাদুন্নবী উদযাপনের দোয়া ও আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ রহিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেরু এ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাব্বিক হাসান এফসি এম এ। এ সময় তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং তার উপর বিস্তর আলোচনা করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মোঃ আশরাফুল আলম ভূইয়া, জুনিয়র হিসাব সহকারী নাঈমা রেজা। পরে প্রতিযোগিতার বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।




মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী মেহেরপুরের রায়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা।

এছাড়াও এসময় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিলন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ইলিয়াস হোসেন, এ কে এম খাইরুল বাশার, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকাবিল্লাহ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ক্যাম্পে শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ গ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




মুজিবনগরে দুই দেশের সম্প্রীতির বন্ধনে পূরণ হলো পচি খাতুনের শেষ ইচ্ছা

ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতির বন্ধনে পূরণ হলো পচি খাতুনের শেষ ইচ্ছা। ভারতের নদিয়া জেলার চাপড়া থানার হৃদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত জামাত শেখের স্ত্রী পচি খাতুনের (৬৫) শেষ ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর যেন বাংলাদেশে থাকা তার নানাবাড়ির স্বজনরা অন্তত এক নজর তার মরদেহ দেখতে পারেন।

আজ তার মৃত্যু হলে তার পরিবার-পরিজন তার শেষ ইচ্ছার কথা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে জানায় এবং তাদের অনুরোধ করে ইচ্ছা পূরণের জন্য। বিএসএফ তাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সাথে যোগাযোগ করে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় মৃত পচি খাতুনের ইচ্ছা পূরণ হয়।

শনিবার সকালে ভারতের হৃদয়পুর থেকে বিএসএফ সদস্যদের সহযোগিতায় পচি খাতুনের মরদেহ আনা হয় মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়ক সীমান্তের ১২৫ নম্বর মেইন পিলারের কাছে। মুজিবনগর বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার আবুল বাশার এবং ভারতের বিএসএফ চাপড়া কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমারের নেতৃত্বে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী আন্তরিকতা দেখিয়ে মরদেহ নিয়ে আসার অনুমতি প্রদান করে।

সীমান্তে মরদেহটি এনে মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর নতুনপাড়ার তার নিকট আত্মীয়দের দেখার ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় ২৫ মিনিট মরদেহটি সীমান্তে রাখা হয়। এ সময় নিকট আত্মীয়স্বজনসহ আশপাশের বিপুল সংখ্যক মানুষ পচি খাতুনকে শেষবারের মতো দেখে বিদায় জানান। পরে মরদেহটি কবরস্থ করার জন্য আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।