দামুড়হুদায় আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

দ্বাদশ শ্রেনীর ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করণ উপলক্ষ্যে দামুড়হুদার আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজের আয়োজনে কলেজ মিলায়তনে এই অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আশাবুল হক, মন্জুরুল কাদির, হাবীবুর রহমান, এস এম ওয়াজেদুল হাসান টুটুল শাহ, জাহাঙ্গীর আলম।

প্রভাষক মিল্টন কুমার সাহার সঞ্চালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান, মরিয়ম খাতুন, আসাফ- উদ- দৌলা, আনিসুজ্জামান মল্লিক,শরিফুল ইসলাম, নূর কুতুব আলী, আব্দুল আলীম, মাহফুজা খাতুন, প্রভাষক নাসরীন নাহারসহ কলেজে অধ্যায়ণরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ।

অভিভাবক সমাবেশে বক্তারা কলেজে ছাত্র – ছাত্রীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও নিয়মিত উপস্থিতির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বক্তব্যে বলেন আমাদের ক্ষেত খামার, চাকরি, ব্যবসাসহ জীবন ধারণের জন্য আমরা নিয়মিত যে সময় ও মূলধন ব্যয় করি ঠিক তেমন ভাবে নিয়ম করে প্রতিদিন আমরা যারা ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবক আছি আমাদেরকে নিয়মিত, আমার সন্তানের শিক্ষার মান ও সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য সময় ও মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে। কোন ভাবেই অবহেলা করা যাবে না। আমার সন্তান কোথায় যায়, কী করে, কাদের সঙ্গে মেলামেশা করে নিয়মিত খোজ খবর নিতে হবে। ছাত্র ছাত্রীদের মুঠোফোন ব্যবহারের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নিয়মিত কলেজে  যাচ্ছে কিনা, লেখা পড়া করেছে কীনা কলেজের শিক্ষকদের সাথে অভিভাবক হিসাবে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। ডিজিটাল যুগে আমাদের উঠতি বয়সী সন্তানের হাতে আমরা হর হামেশাই  দামী মোবাইল ফোন ও দামী মটর বাইক তুলে দিচ্ছি যা আমাদের সন্তানকে আমরা বিপথগামী ও মৃত্যুর মূখে ঠেলে দিচ্ছি। এই অবস্থা থেকে বের হবার পথ খুজতে হবে এবং সন্তানকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সম্মতিতে কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।




মেহেরপুরের মন্দির পরিদর্শন করলেন ইউএনও খায়রুল ইসলাম

শারদীয় দুর্গা উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে মেহেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি পিরোজপুর, বারাদী ও আমঝুপি ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে তিনি মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ সার্বিক বিষয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। নির্বাহী অফিসার বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




মেহেরপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ফ্যান, চেয়ার ও ওষুধ বিতরণ

মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে কমিউনিটি ক্লিনিকে ফ্যান, চেয়ার ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ৪টি ফ্যান, ৪টি চেয়ার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, পিরোজপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইকবাল এনামুল কবির।

এসময় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মনিরুজ্জামান, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এরশাদ আলী, ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম, কালু মিয়া, ওহিদুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম, ইস্কান্দার ইকবাল বিপ্লবসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ মাঠে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিপুল উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমিলা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ খেলায় মানবিক শাখা ও বিএনসিসি-রোভারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

ম্যাচের উদ্বোধন করেন, কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল ওয়াদুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল্লাহ আল আমিন, কাজী আশরাফুল আলম, আব্দুল হামিদ, মিরাজ উদ্দিন ও ইকরামুল হাসান লোটাসসহ অনেকে। ম্যাচ পরিচালনা করেন মেহেরপুর সরকারি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক আলমগীর হোসেন।

খেলা শেষে অংশগ্রহণকারী ফুটবলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।




মেহেরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

মেহেরপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বনজ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া জাহান ঝুরকা শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেন। তিনি বলেন, একটি গাছ মানুষের প্রিয় বন্ধু। গাছ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে, তেমনি দুর্দিনে বন্ধুর মতো পাশে থাকে। তাই গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমদ আলী, আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।




আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার 

আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১ শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমান, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) হাফিজুল ইসলাম হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সঙ্গীয় ফোর্সসহ নিয়মিত মোবাইল ডিউটি, মাদকদ্রব্য উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানাধীন ১নং ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাংবাড়ীয়া কারিগরপাড়া গ্রামের পায়ে হাটা রাস্তা থেকে অভিযান চালিয়ে ভাংবাড়ীয়া কারিগরপাড়া গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আরশেদ আলী (৩৮) কে ১ শত গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করে গতকাল আসামিকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




মেহেরপুরে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ নবম শ্রেণীর ছাত্র

মেহেরপুরে ভৈরব নদে পড়ে মোহাইমিনুল ইসলাম (ছোট বাবু) নামের এক স্কুল ছাত্র নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ মোহাইমিনুল ইসলাম সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের শুভরাজপুর গ্রামের শিমুল হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানায়, নিখোঁজ মোহাইমিনুলের অপর তিন বন্ধু মিলে ভৈরব নদে গোসল করতে নামে। মোহাইমিনুল ইসলাম নদীর কুলে বসে ছিলো। তিন বন্ধু নদীর পানিতে গোসল করছিলো। হঠাৎ মোহাইমিনুল নদীর পানিতে পড়ে যায়। তার বন্ধুরা সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন তাকে উদ্ধার করতে। স্থানীয় লোকজন নদের পানিতে সাড়ে ৬ ঘন্টা খুজেও উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধার অভিযান এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলতে দেখা যায়।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।




মুজিবনগরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ৫২তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  বেলা ১২টায় উপজেলা স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি আয়োজনে উপজেলা পরিষদের খেলার মাঠে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২ দিনব্যাপী ৫টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

২ দিনব্যাপী ৫টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলেন, বালক ফুটবল খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন আনন্দবাস মিয়া মনসুর একাডেমি এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বালিকা ফুটবল খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মুজিবনগর আম্রকানন মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

বালক হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বালিকা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মহাজনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

ছোট বালক দাবা খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন রবিউল হক রিজভী, জয়পুর তারানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন বাগোয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ছোট বালিকা দাবা খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ফারিহা তাসনিম, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন আফিফা খাতুন, গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

বড় বালক দাবা খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন নাফিজ ইমতিয়াজ, মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন আকিব ফুয়াদ, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বড় বালিকা দাবা খেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন সামিয়া আফরিন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

সাঁতার প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার চিৎ সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন শহিদুল ইসলাম, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন আশরাফুল আলম, মানিকনগর ডি. এম. আমিনিয়া আরাবি মাদ্রাসা। ২০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন সালমান শাহরিয়ার, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মামুন হোসেন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ছোট বালিকা মুক্ত সাঁতার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মনিরা খাতুন, গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন জান্নাতুল খাদিজা, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। চিৎ সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন জান্নাতুল খাদিজা, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মনিকা খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

বালিকা বুক সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন জান্নাতুল খাদিজা, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মনিকা খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। বালিকা প্রজাপতি সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন নুসরাত জাহান তিথি, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন লাবিবা খাতুন, আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শিবপুর।

বড় বালিকা মুক্ত সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন রাজিয়া খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মেরিনা খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। বড় বালিকা চিৎ সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন মেরিনা খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন রাজিয়া খাতুন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

বড় বালিকা প্রজাপতি সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন মিতালী খাতুন, মহাজনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন সুরাইয়া আক্তার, মোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

কাবাডি বালক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন আনন্দবাস মিয়া মনসুর একাডেমি, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কাবাডি বালিকা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

মুক্ত সাঁতার ছোট বালক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন আশিকুর রহমান, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ইখলাস শেখ, আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শিবপুর।

বালক প্রজাপতি সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন লিয়ন হোসেন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন লিজল হোসেন, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বালক বুক সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন আশিকুর রহমান, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ইয়াসিন আরাফাত, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

বালক চিৎ সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন ইয়াসিন আরাফাত, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন জিহাদ আলী, আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শিবপুর। বড় বালক মুক্ত সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন আশরাফুল ইসলাম, মানিকনগর ডি. এম. আমিনিয়া আরাবি মাদ্রাসা, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন সাদিকুল ইসলাম, আনন্দবাস মিয়া মনসুর একাডেমি।

বড় বালক প্রজাপতি সাঁতারে প্রথম স্থান অধিকার করেন শহিদুল ইসলাম, দারিয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন আশরাফুল ইসলাম, মানিকনগর ডি. এম. আমিনিয়া আরাবি মাদ্রাসা।

বড় বালক ১০০ মিটার বুক সাঁতার প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অধিকার করে।




মেহেরপুরের মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

মেহেরপুর সদর উপজেলার মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিদ্যালয় হলরুমে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক সমাবেশে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী রেজার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুর রাহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি লিয়াকত আলী।

আসন্ন ২০২৬ সালের অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রি টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, লেখাপড়ার অগ্রগতি, পাঠদানের মানোন্নয়ন, স্কুল পালানো, বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক তারিক মুছা বলেন, আমরা বর্তমানে এমন একটা সময় পার করছি যে সময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষককে সম্মান করে না। ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা না করলে বা কোনো অপরাধ করলে আমরা তাদের শাসন করতে পারি না। যার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগী ও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার পরিস্থিতিতে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী রেজা বলেন, বর্তমান সময়ে বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি খুবই কম। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা হোম ভিজিট করছি, তারপরও আশানুরূপ সাফল্য পাচ্ছি না। তিনি এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমিক সুপারভাইজার আনারুল ইসলাম। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।




দর্শনায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দর্শনার কেরু’জ মন্দির পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার পূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।

এসময় তিনি বলেন, “আমরা চাই সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে গতবারের মতো এবারও দুর্গোৎসব সম্পন্ন হোক। আমাদের আনসার বাহিনী, পুলিশ বাহিনীসহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

তিনি পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার পাশাপাশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

এসময় দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর, দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, কেরু’জ মন্দিরের সভাপতি এবং অন্যান্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।