মুজিবনগরে বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি’র উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আমিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর খান ছাতু ও মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মশিউর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হোসেন, বাগোয়ান ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইসলাম শেখ, মহাজনপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আশরাফুল হক কালু ও সাধারণ সম্পাদক সোনা গাইন, মোনাখালি ইউনিয়ন বিএনপি’র’র সভাপতি রায়হান কবির ও সাধারণ সম্পাদক টুটুল বিশ্বাস, দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিনসহ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা ও র‌্যালিতে বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অংশ নেবে।




আলমডাঙ্গায় বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকালে আলমডাঙ্গা উপজেলা মঞ্চ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 এই আলোচনা সভায় আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আকতার জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু।

 উপজেলা বিএনপি’র সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন, আলী আসগার সাচ্চু, মাহবুল হক মাষ্টার, মোকলেসুর রহমান মিলন, রাসেদুজামান, সকল ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, মহিলা দলের আহ্বায়ক জিনিয়া পারভীন, উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক বন্নি,যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জল, সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দীন মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এমদাদুল হক, পৌর বিএনপি’র সহ সাংগাঠনিক সম্সপাদক হাসিবুল ইসলাম, সদস্য সচিব রাজু আহমেদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান হিমেল, সদস্য সচিব জাকারিয়া শান্ত, ছাত্র দলের সদস্য সচিব আলইমরান রাসেল, পৌর ছাত্র দলের আহ্বায়ক রাকিব হাসান রিঙ্কু, মাহদুল তত্ময় সহ স্থানীয় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আমাদের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এখন নির্বাচনমুখী। তাই আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবেন এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছিয়ে দেবেন।

 আমি প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মানুষের মাঝে উপস্থিত হতে চাই। আপনারা উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের সাথে আলোচনা করে একটা প্রোগ্রাম তৈরি করেন। আগামী সপ্তাহ থেকে আমি প্রতিটি ইউনিয়নে সভা করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।




ঝিনাইদহে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ ও আলোচনা সভা

ঝিনাইদহ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ষাটবাড়িয়া গ্রামে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর সামাজিক দ্বন্দকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষের বহু পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় শতাধিক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

সংঘর্ষের এই রেশ কাটাতে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদের উদ্যোগে আয়োজিত হয় সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ। গতকাল সকাল ১০টায় ষাটবাড়িয়া ঋষিপাড়ার মন্দিরে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা সামনের দিনে মিলেমিশে বসবাসের শপথ নেন। বিশেষ করে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে সকলকে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার অঙ্গীকার করানো হয়। এসময় অতীতে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করা হয়। ভবিষ্যতে কেউ মাদক বিক্রি বা সেবনে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এছাড়া এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১০ জন মাতুব্বর ও ১০ জন জ্ঞানী ব্যক্তিকে নিয়ে ২০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। স্থানীয় কোনো সমস্যা হলে প্রথমে এ কমিটি সালিশি করবে। যদি সমাধান না হয় তবে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঝিনাইদহ সার্কেল মাহফুজ হোসেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন, ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন।




মেহেরপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালামের সঙ্গে জেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সভা আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেহেরপুর যেমন আপনাদের, তেমন আমারও। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাংবাদিকরা অনলাইন জুয়া, কৃষিক্ষেত্রে দুর্নীতি, শহরের ভেতর ট্রাক চলাচল, বাল্যবিবাহ, তথ্য প্রাপ্তিতে অসুবিধা, সরকারি হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের দুর্নীতি, ক্লিনিক ও ল্যাবের স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মানের অবনতি এবং সার নিয়ে অনিয়মের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি আরো বলেন, তিনি বলেন, আমি জানি না কতদিন এখানে থাকব, কিন্তু আমি চাই মেহেরপুরের উন্নয়নে সবাই মিলে একসাথে কাজ করতে।

জেলা প্রশাসক জানান, শিক্ষার হার বাড়াতে আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে মেহেরপুরের শতভাগ মানুষকে অন্তত স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের অনিয়ম রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, শহরে দিনের বেলায় ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে, কৃষিক্ষেত্রে সার অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং ডিসি ইকোপার্ক, শিল্পকলা একাডেমি ও ক্রীড়া সংস্থার উন্নয়নে কার্যক্রম শুরু হবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. তরিকুল ইসলাম, তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ, জেলা তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তোজাম্মেল আজম, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব চান্দু, কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ও মেহেরপুর প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন, মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক,দৈনিক কাল বেলার জেলা প্রতিনিধি রাফি, চ্যানেল ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামান, সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি বেন ইয়ামিন মুক্ত, এখন টিভির জেলা প্রতিনিধি মুজাহিদ, বিএসএস এস জেলা প্রতিনিধি দিলরুবা প্রমুখ।

সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।




গাংনীতে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মেহেরপুরের গাংনীতে পুকুরের পানিতে ডুবে মুরসালিন (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কল্যাণপুর মন্ডলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মুরসালিন ওই গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিনের ছেলে এবং নওদাপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে মুরসালিন ও আরও কয়েকজন মিলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের এক পর্যায়ে মুরসালিন পুকুরের মাঝখানে চলে গেলে হঠাৎ করেই ডুবে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বানী ইসরাইল পানিতে ডুবে শিশু মুরসালিনের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।




মহেশপুরে পানিতে ডুবে ২বছরের শিশুর মৃত্যু

ঝিনাইদহের মহেশপুরে পানিতে ডুবে সীমান্ত দাস নামের দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে মহেশপুর পৌর এলাকার গাড়াবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সীমান্ত ওই গ্রামের মধু দাসের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, শিশু সীমান্ত বল নিয়ে বাড়ির পাশে খেলা করছিলো। খেলতে গিয়ে বল পাশের ডোবার মধ্যে পড়ে গেলে শিশুটি বল আনতে গিয়ে ডোবায় পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে খোজাখুজির এক পর্যায়ে ডোবায় শিশুটিকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। সেখান থেকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।

মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বলেন, পানিতে ডুবে শিশুটি মারা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।




ঝিনাইদহে বিদেশি আনার চাষে কৃষকের সফলতার স্বপ্ন

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে আনার ফলের বাগান গড়ে তুলে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন তরুণ উদ্যোক্তা সোহেল রানা আব্দুল্লাহ। বিদেশি জাতের আনার চাষ করে তিনি একদিকে যেমন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, অন্যদিকে স্থানীয়দের মধ্যে জাগিয়েছেন নতুন সম্ভাবনা।

জানা যায়, ২০২১ সালে ইউটিউব ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে পাশ্ববর্তী জেলা থেকে ভারতীয় ভাগওয়া জাতের ৯১টি চারা সংগ্রহ করে এক বিঘা জমিতে রোপণ করেন আব্দুল্লাহ। গাছ লাগানোর দুই বছর পর থেকেই ফুল আসা শুরু হয়। বর্তমানে তার পুরো বাগান ভরে গেছে ফলে ফলে। একেকটি গাছে ৩০ থেকে ৮০টি পর্যন্ত আনার ধরছে। বাগান দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন ভিড় জমাচ্ছে। ফলগুলো লালচে-সবুজ আভা ছড়িয়ে ঝলমল করছে, যেন প্রকৃতির ক্যানভাসে আঁকা রঙিন তুলির আঁচড়।

স্থানীয় কৃষক আজিজুল হক বলেন, শুরুতে আমরা ভেবেছিলাম এই মাটিতে আনার হবে না। কিন্তু এখন দেখছি ফলনে ভরপুর গাছ। দেখে মনটা ভরে যায়।

দর্শনার্থী কলেজছাত্র আশিকুর রহমান জানান, ফেসবুকে ছবি দেখে এসেছি। সত্যিই চোখধাঁধানো দৃশ্য। মনে হয় যেন কাশ্মীরের কোনো বাগান।

উদ্যোক্তা সোহেল রানা আব্দুল্লাহ বলেন, প্রথমে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছিল। তবে আমি হাল ছাড়িনি। স্থানীয় বাজারে আনারের চাহিদা ভালো থাকায় আশা করছি এ মৌসুমেই দেড় থেকে দুই লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পারব। ভবিষ্যতে আরও জমি নিয়ে আনার চাষ বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।”

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, আনার বাংলাদেশের আবহাওয়ায় একটি নতুন সম্ভাবনা। আমরা উদ্যোক্তাদের পাশে আছি। আব্দুল্লাহর সফলতা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”

আব্দুল্লাহ’র এমন সাফল্যে গ্রামজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়। প্রথমদিকে সমালোচকরা এখন উৎসাহ পাচ্ছেন আনার চাষে। ফলে আনার চাষ ঝিনাইদহের কৃষি খাতের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে।




চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে মেয়াদ উত্তীর্ণ রিএজেন্ট ফ্রিজে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করার কারণে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারীদের জরিমানা করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গার হাসপাতাল সড়কে পরিচালিত ওই তদারকির সময় জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, তদারকিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ রিএজেন্ট ফ্রিজে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করার কারণে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারায় যৌথ স্বত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান জনতা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী জান্নাতুল, হাসান, ইসমাঈল, হাসনাত, শাকিল এবং ওলিকে ৩০ হাজার টাকা ও নিউ জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মমিনুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তাদের কাছ থেকে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়। এসময় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা ও মেয়াদ উত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

তদারকি কাজে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, পৌর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, ক্যাব প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম ও একদল জেলা পুলিশের সদস্য। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।




দামুড়হুদায় মাদকদ্রব্যসহ আটক-১, জেল-জরিমানা

দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মদ রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড ও ৩০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কে এইচ তাসফিকুর রহমান।

দণ্ডিত ব্যক্তি হলেন, দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দহুদা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৪২)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই শ্রী উত্তম কুমার দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তল্লাশির সময় আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে একটি প্লাস্টিকের বোতলে প্রায় ৩০০ মিলি মদসহ মদ্যপান করা অবস্থায় তাকে আটক করেন।
পরবর্তীতে দামুড়হুদা বাসট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্তকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা

অনুযায়ী ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৭ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কে এইচ তাসফিকুর রহমান। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল ইসলামকে পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।




জীবননগরে পাওয়ারট্রলি থেকে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, আটক-২

চুয়াডাঙ্গা জীবননগর থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল ও একটি পাওয়ার টিলার সহ ২ জনকে আটক করেছে। গতকাল মঙ্গলবার আনুমানিক রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামের ঈদগাহ ময়দানের সামনে থেকে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল, একটি পাওয়ার টিলার সহ দুইজনকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর গ্রামের আব্দুল দাউদের ছেলে আব্দুর রহমান (৩০) ও মহেশপুর উপজেলার শ্রীনাথপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এনামুল হক (৩৪)।

জীবননগর থানা সুত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মাওলার বিপিএম সেবার নির্দেশে ও জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মামুন হোসেনের নেতৃত্বে এস আই মিজানুর রহমান, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় বস্তায় ভর্তি পাওয়ার টিলারে রাখা ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে মাদকবিরোধী একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল, একটি পাওয়ার টিলার সহ দুইজনকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।