আলমডাঙ্গায় বিএনপির মতবিনিময় সভা

আলমডাঙ্গা উপজেলা পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো:শরীফুজ্জামান শরীফ।

প্রধান বক্তা আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইয়িন টিলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিরুল ইসলাম সেলিম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস।

আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আইনজীবী ফোরাম এর আহ্বায়ক অ্যাড. আ স ম আব্দুর রউফ, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ও বাড়াদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন, জেলা জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ সরোয়ার রোমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম হোসেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক হাজী মকবুল হোসেন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুল মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার কাজী সাচ্চু, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন বিশ্বাস, কুমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহাবুব হোসেন, বাড়াদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদউর রহমান মাসুদ, বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চান্দ আলী, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব মাস্টার, হাড়দী ইউনিয়ন বিএনপির  মইনদ্দিন মিয়া, কুমারী ইউনিয়ন বিল্লাল হোসেন, গাংনী ইউনিয়ন বিএনপির মামুনুর মামুন,কালিদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইনাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর হোসেন লালন, ডাউকি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দর হোসেন, সাধারন সম্পাদক সালাম সিরাজী, বেলগাছি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আমজাদ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ঝন্টু মালিতা, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, খাসকররা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক শাহীন আলম, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ, জেহেলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহেদুজ্জাহ মিল্টন, সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন খান আলা, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বকুল হোসেন, সাধারন সম্পাদক শুকুর আলী, গাংনী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি রেজাউর রহমান রেজু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আইনাল, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারন সম্পাদক আতাউল হুদা, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্তাত সভাপতি মনির হোসেন, সাধারন সম্পাদক শফিউল ইসলাম, জামজামি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ আলম, সাধারন সম্পাদক পলাশ আহমেদ,খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেরেগুল ইসলাম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক লালন ইসলাম, চিতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাজিব ফেরদৌস হাসান পাপেন, সাধারণ সম্পাদক মহাসিন আলী বিশ্বাস,  সভাপতি জেলা যুবদলের নেতা মাগরিবুর রহমান মাগরীব, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি তোজ্জামেল হক মাস্টার, জামজামি ইউনিয়ন লিয়াকত আলী, কুমারী ইউনিয়ন বিল্লাল হোসেন, হাড়দী ইউনিয়ন নাসির উদ্দিন, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন সন্টু মিয়া, বেলগাছি ইউনিয়ন আব্দুল মজিদ, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চান্দ আলী, ডাউকী ইউনিয়ন আব্দুল হান্নান, গাংনী ইউনিয়ন মামুনুর রশীদ মামুন, কালিদাসপুর ইউনিয়ন  ময়নয়উদ্দিন,  আব্দুর রহিত, খাসকররা নওশদ মাস্টার, চিতলা ইউনিয়ন আব্দুল হালিম,নাগদাহ ইউনিয়ন আব্দুর রশিদ হ্যাবা, যুবদল নেতা সুন্নত আলী, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সহ-সাধারন সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন হাবলু, শফিকুল হক সালাম,  আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর উজ্জ্ল, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম পৌর যুবদলের আহবায়ক নাজিম উদ্দীন মোল্লা, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাদের, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খন্দকার আরিফ,  জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কৌশিক কাউনাইন রুবেল, আলমডাঙ্গা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ এমদাদ হোসন, সদস্য সচিব রাজু, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাসেল আহমেদ, আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসান রিংকু, সদস্য সচিব তন্ময় আহমেদ, আলমডাঙ্গা পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া হোসেন শান্ত প্রমুখ।




আলমডাঙ্গার রুশদান ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে আঞ্চলিক পর্বে প্রথম

আলমডাঙ্গার বিশিষ্ট কবি লেখক ও হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক আসিফ জাহানের ছোট ছেলে রুশদান বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে আঞ্চলিক পর্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

গতকাল কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় আলমডাঙ্গা একাডেমির ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মাহবীর হাসান রুশদান এ-গ্রুপে অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করে।

পুরস্কার প্রদান পুর্বক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আহবায়ক বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড আঞ্চলিক কমিটি সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর লাল মোহাম্মদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোল্লা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড কমিটি ফয়েজ আহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাসুদ। আয়োজনে বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড।

আলমডাঙ্গা হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক আসিফ জাহান তার সন্তানের সাফল্যে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মাহবীর হাসান রুশদানের সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গা একাডেমির মহাপরিচালক আব্দুল হাই, অধ্যক্ষ এনামুল হক, আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ওমর আলী মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক কবি হাবিবুর রহমান মজুমদার, আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরি, কবি সিদ্দিকুর রহমান, গাঙচিলের সভাপতি কবি জামিরুল ইসলাম প্রমুখ।




দর্শনায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে জামায়াতের জেলা আমীরের মতবিনিময়

দর্শনায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াতের জেলা আমীর রুহুল আমিন বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক কালচারালের পরিবর্তন করতে চাই। যারা  ক্ষমতায় থাকে তারা বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন  চালায়। আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই।

গতকাল শনিবার দুপুরে দর্শনার পুরাতন বাজারে অবস্থিত  লিটিল এনজেল কেজি স্কুলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতের দর্শনা পৌর শাখার আমীর  সাহিকুল আলম অপুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি  রুহুল আমিন উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে

ছেলে ও মেয়েদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। অবহেলিত জেলায় শিক্ষার মান বাড়াতে চাই। তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে মুক্তি যোদ্ধা শুরু হয়েছিল। আজ মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে রাজনৈতিক কালার দিয়ে তাদের ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হয়। বৃদ্ধ বয়সে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। তখন তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, একজন বিচারক জবাব দিহিতার অভাবে অন্যায়ভাব রায় দিয়ে থাকে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারী সেক্রেটারী আব্দুল কাদের ও দর্শনা থানা সেক্টেটারী মাহবুবুর রহমান টুকু।




আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা

দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে চুরি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা। ফলে চরমভাবে অবনতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিগত অক্টোবর-২০২৫ থেকে এলাকায় ছোট-বড় বেশ কয়েকটি চুরি, ছিনতায় ও ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন মহল সহ ভুক্তভোগীরা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হবার আহ্বান উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের। গত ২ জানুয়ারি দিবাগত রাতে থানা এলাকাযর চিৎলা টু জুড়ানপুর সড়কে দুটি দোকানে চুরি সংগঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রায় প্রতিনিয়তই এ সকল ভয়াবহ চুরির ঘটনায় মাদকদ্রব্যের অবাধ ব্যবহার ও বিচরণকে দায়ী করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ, সংবাদ কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, দিনমজুর সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকার বিভিন্ন স্থান ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক শ্রেণী পেশার সচেতন মহলের ভাস্যমতে উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা তাদের চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে থানাতে লিখিত অভিযোগ করলেও আজও পর্যন্ত জড়িত অপরাধীদেরকে আটক কিংবা চুরি যাওয়া মালামাল এখনো পর্যন্ত  উদ্ধার করতে পারেনি থানা পুলিশ। স্থানীয়রা চুরির এ সকল ঘটনায় অবাধ মাদক ব্যবসায়ী ও প্রবণতাকে দায়ী করছেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য মতে,উপজেলার মডেল থানা এলাকায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর-২০২৫ পর্যন্ত বেশ কিছু ছোট-বড় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতের ঘটনা ঘটেছেন বলে খবর পাওয়া যায়।যার মধ্যে একাধিক দুঃসাহসিক চুরি’র ঘটনা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে-১৬ অক্টোবর দামুড়হুদা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার তারেফ ফল ভান্ডারে রাতের আঁধারে তালাবদ্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে ১২ হাজার ৫’শ টাকার বিভিন্ন মালামাল চুরি’র ঘটনা ঘটে,১১ ই নভেম্বর দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের গোবিন্দহুদা গ্রামের সরকারি চাকরিজীবী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির তালাবদ্ধ বাসভবনের ভেঙে প্রায় চার লাখ টাকার স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র,২০ ডিসেম্বর উপজেলার হাউলী ইউনিয়নে দিনের আলোতে ভুক্তভোগী শ্রী চন্দন কুমার বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির ব্যবহৃত চুয়াডাঙ্গা ল: ১২-১২৬৯ নম্বর রেজিস্ট্রেশনের ২ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল, ২৯ ডিসেম্বর রাতে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের মুন্সিপুর সীমান্তবর্তী গ্রামের সুরাত আলী নামের এক ভুক্তভোগীর পরিবারের বসত বাড়ির তালা ভেঙ্গে জমি বিক্রয়ের প্রায় ৭ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্রের সদস্যরা।

সর্বশেষ চলতি জানুয়ারি মাসের ২ তারিখে দিবাগত রাতে থানা এলাকার চিৎলা টু জুরানপুর পাকা সড়কের পাশে খাদিজা স্টোর নামের এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হতে চুরির ঘটনা ঘটে।প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই চুরির ঘটনায় তার দোকানে থাকা নগদ ৪ হাজার ৫’ শ ঢাকা সহ সর্বমোট ২০ হাজার ৫’ শ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।

একই সড়কে একই দিনে সুমন ফল ভান্ডার নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও নগদ ১৩ হাজার টাকা সহ দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সুমন আলী জানিয়েছেন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকাসহ সর্বমোট ২৭ হাজার ৮’ শ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।এক রাতে দুইটা চুরির ঘটনায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী মহলের অনেকেই।

প্রাপ্ত অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, দুটি থানা এলাকা নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা গঠিত। যার একটি দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকা অপরটি দর্শনা থানা এলাকা। যার মধ্যে দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকা ৫ টি ইউনিয়ন দামুড়হুদা সদর, হাউলি, জুরানপুর, নাটুদহ ও সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এছাড়াও প্রায় ১০দিন আগে থানা এলাকার কার্পাসডাঙ্গা টু কুতুবপুর সড়কে প্রায় ৪/৫ জন যাত্রী বেঁধে রেখে ডাকাত দলের সদস্যরা নগদ টাকা সহ স্বর্ণালংকার লুট করে নেন। এছাড়াও,থানা এলাকার উল্লেখিত ইউনিয়ন সমূহের কোন না কোন গ্রামে প্রায় প্রতিনিয়ত ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটছে বলে একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়। এ সময় গৃহপালিত পশু ছাগল,সাংসারিক আসবাবপত্র, অসহায় দিনমজুর পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল পাখি ভ্যান চুরি’র ঘটনা ঘটছে। এদের আবার বেশিরভাগই ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করছেন না বলেও জানা যায়।

অনুসন্ধান আরও বলছে, দামুড়হুদা থানা অন্তর্গত ইউনিয়ন গুলোর প্রায় প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মাদকের অবাধ বিচরণের ভয়াবহ প্রবণতার বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে সন্তানদের আগামীর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তিত।সচেতন মহল্লা বাসী ও  অভিভাবকদের অনেকের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে পাড়া মহল্লার অলি গলিতে  মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় থেকে মাদকদ্রব্য তুলে দিচ্ছেন তরুণ কৃষক ও যুব সমাজের হাতে।দামুড়হুদা উপজেলা সদর সহ দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকার সকল ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রাম সহ আশপাশ পাড়া মহল্লায় প্রায় ২০০ টির মত মাদকের স্পটে নিয়মিত অবাধে মাদক বিক্রি করছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাদক বিক্রেতারা। এসকল মাদক স্পট গুলোতে মাদকদ্রব্য সেবনের জন্য ক্রয় করতে আসা প্রত্যেকের বয়স বেশিরভাগ ১৫-৩০ বছরের মধ্যে, তবে সবচেয়ে বেশি মাদকদ্রব্য ক্রয় ও সেবনে উদ্বেগ জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে কিশোর তরুণ যুবসমাজ,যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। সকল মাদকের আঁকড়ায় ফেনসিডিলের পরিবর্তে আসা বিভিন্ন নেশা জাতীয় স্রাব, হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও বাংলা মদ বিক্রি করা হচ্ছে বলেও  স্থানীয়দের একাধিক সূত্রে অভিযোগ রয়েছে।

অবাদে মাদক বিক্রি ও প্রসারের ফলেই থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে রাতের আঁধার কিংবা দিনের বেলাতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকে আবার  মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানা পুলিশ সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের  দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ না থাকাকেই দায়ী করছেন  এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সচেতন সচেতন মহল।

দামুড়হুদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খুবই ভয়াবহ অবস্থা।সামাজিক পেক্ষাপটে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরকে আরো তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে মাদকের বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।

মাদক থেকেই সকল ধরনের অপরাধের সূত্রপাত ঘটে।তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে সামজিক সচেতনা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরী।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমরা এ বিষয়ে কার্যক্রম করতেছি। ইতিমধ্যেই কিছু চোর ধরে আমরা জেল হাজতে প্রেরণ করেছি। এছাড়াও যে চুরির ঘটনা ঘটছে তা আমরা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।




দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনকালে ট্রাক্টরসহ আটক ২, এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ভৈরব নদ সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে দুইজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের ভৈরব নদ ব্রীজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবাইদুর রহমান সাহেল।

অভিযানে ভৈরব নদের পার্শ্ববর্তী সরকারি খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে ট্রাক্টরযোগে পরিবহনকালে মাটিসহ দুইটি ট্রাক্টর হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃত ট্রাক্টর দুটি উপজেলায় জব্দ আছে।

এসময় আটক ব্যক্তিরা হলো, উজিরপুর গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে নয়ন (২৯) এবং উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে ইকবল গাজী। তাদের দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত উভয়কে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) এর ৪(খ), ৭(ক), (খ), (গ) ও (ঘ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরে তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়, পরিবেশ ও কৃষি জমি রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।




চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনের সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনে যাচাই-বাছাই শেষে সকল মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সকল প্রার্থীর উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে আসন দুটির ১১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়।

গত সোমবার সকাল থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ছয়জন এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুজন প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব ও জহুরুল ইসলাম, এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং এনসিপির প্রার্থী মোল্লা ফারুক এহসান।

চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী ও বিজিএমইএ সভাপতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী নুর হাকিম, এবি পার্টির জেলা আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় যে কোন একজনকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অন্যত্থায় দুজনের প্রার্থীতাই বাতিল বলে গণ্য হবে মর্মে জানানো হয়।

এর আগে, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনেই ১১ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলে হলফনামা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। চুয়াডাঙ্গা-১ (৭৯) ও চুয়াডাঙ্গা-২ (৮০) আসনের সকল প্রার্থীর হলফনামা যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেছে। তাই সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর দুজন মনোনয়ন দাখিল করেন, দুটি মনোনয়পত্রই বৈধ হয়েছে। যেহেতু একই আসনে একই দলের দুজন প্রার্থী হতে পারবেন না। তাই প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে যে কোনো একজনকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যত্থায় দুজনের প্রার্থীতাই বাতিল হবে।’

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ঘোষিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসনে (চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা) মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৭ হাজার ৪৮১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৭১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫০৩ জন।

অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ সংসদীয় আসনে (জীবননগর, দামুড়হুদা ও সদর উপজেলার একাংশ) মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৮৬ হাজার ১৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৬৩ জন।




দামুড়হুদায় দায়সারাভাবে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালন 

দামুড়হুদায় দায়সারাভাবে জাতীয় সমাজ সেবা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দায়সারাভাবে র‍্যালী ও আলোচনা সভা করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকাল ১০ টায় দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা কার্যালয় ও সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সমূহের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চার কর্মকর্তা সহ গুটি কয়েকজনকে নিয়ে র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো উবায়দুর রহমান সাহেল। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডাঃ মশিউর রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন।




মেহেরপুরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক

মেহেরপুরে অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ইয়াবাসহ সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব-১২)।

গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ধূষরপাড়া এলাকা থেকে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ মেহেরপুর ক্যাম্পের একটি দল তাকে আটক করে। আটক সাদ্দাম সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের মৃত আলহামদু মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার আল মামুন চিশতী জানান, মাদক পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধূষরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সাদ্দাম হোসেনের দেহ তল্লাশি করে ৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৭ হাজার টাকা।

তিনি আরও জানান, আটক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে মেহেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




চুয়াডাঙ্গায় নানান আয়োজনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালন

‘প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়, আস্থা আজ সমাজসেবায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালন করা হয়েছে ।

শনিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি শহরের বিশেষ বিশেষ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশিদ।

এরপর সভায় সমাজসেবার বিভিন্ন কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে শীর্ষক আলোচনা সভা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের সমাজে যেসব শিশু শারীরিকভাবে কোনো না কোনো সমস্যায় ভুগছে, তারা কোনোভাবেই সমাজের বাইরে নয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং তারা আমাদের সমাজেরই একটি অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বহু গুণী ও প্রখ্যাত ব্যক্তি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অসাধারণ মেধা ও জ্ঞান দিয়ে সমাজ ও সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। কেউ হাঁটতে পারেননি, হুইলচেয়ারের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, কিন্তু তাঁদের চিন্তা, মেধা ও সৃজনশীলতা পুরো সমাজকে আলোকিত করেছে। সমাজের সকল মানুষের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই আমাদের চারপাশে যে সকল শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু রয়েছে তাদের যেন আমরা কখনোই অবহেলার চোখে না দেখি। কারণ হতে পারে এই শিশুটিই একদিন আমাদের সমাজকে গর্বিত করবে ও আলোকিত করবে’।

তিনি আরও বলেন, ‘যে শিশু শারীরিক সমস্যায় ভুগছে, তাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং তাকে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সমান মর্যাদা দেওয়াই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।একই সঙ্গে বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের এসব বিষয় সম্পর্কে সচেতন করা জরুরী। স্কুলের শিশুদের বোঝাতে হবে তাদের সহপাঠীদের মধ্যে কেউ শারীরিক সমস্যায় থাকতে পারে, কিন্তু তাতে তারা কম যোগ্য নয়। তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে। কোনোভাবেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অবমাননাকর আচরণ করা যাবে না’।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং নানান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।




আলমডাঙ্গা আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের উদ্যোগে শীশুদের মাঝে বই ও কম্বল বিতরণ

আলমডাঙ্গা আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের উদ্যোগে নতুন বছর উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ এবং শিশু-কিশোরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার আলমডাঙ্গা উপজেলার কামালপুর পাঠাগার চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও উপহার সামগ্রী প্রদান, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কবি গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে এবং কবি এম. সিদ্দিকুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ওমর আলী মাস্টার। তিনি কবি গোলাম রহমান চৌধুরির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি হাবিবুর রহমান মজুমদার, বিআরএমপি’র সভাপতি ও কামালপুর বাইতুল আমান জামে মসজিদের সেক্রেটারি ডা. জিনারুল ইসলাম।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিআরএমপি’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ডা. আতিক বিশ্বাস, কবি সিদ্দিকুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা পাঠ, পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও ইসলামী গজল পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে শীতার্তদের মাঝে কম্বল এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।