বদলে দেওয়া এক জেলা প্রশাসকের গল্প

একজন জেলা প্রশাসক শুধু প্রশাসনিক প্রধানই নন, তিনি একটি জেলার উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবার অন্যতম চালিকাশক্তি। অনেক সময় একজন সৎ, সাহসী ও উদ্যোগী জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বেই বদলে যেতে পারে একটি জেলার চিত্র। এমনই এক জেলা প্রশাসকের কর্মতৎপরতায় বদলে যাওয়ার গল্প এখন স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে। বলছিলাম ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদের কথা।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন তিনি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘদিনের অবহেলা, দাপ্তরিক জটিলতা ও অনিয়মে জর্জরিত সেবাখাতগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে শুরু করেন ধারাবাহিক উদ্যোগ। ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে নিয়মিত অভিযান, সরকারি সেবা সহজ করতে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার এবং জনভোগান্তি কমাতে সরাসরি তদারকি—সব মিলিয়ে প্রশাসনে আসে নতুন গতি।

এ ছাড়া অবৈধ দখল, মাদক কারবার ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়তে শুরু করেছে।

শুধু আইন-শৃঙ্খলা নয়, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও দেখা গেছে তার সক্রিয়তা। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে তিনি সরাসরি মানুষের সমস্যা শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। দেশের অন্যতম অপরাধপ্রবণ এ জেলায় রক্তপাতহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, আগে যেখানে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে দীর্ঘদিন ঘুরতে হতো, এখন অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সেবা পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন এই জেলা প্রশাসক।

জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও মানবাধিকার কর্মী আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও মানবিক নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি জেলার চিত্র বদলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা তিনি শুরু করেছেন, তা অনেকের কাছেই নতুন আশার বার্তা হয়ে উঠেছে। জেলার মানুষ এখন আশা করছেন, এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে উন্নয়ন ও সেবার দিক থেকে আমাদের এই জেলা আরও এগিয়ে যাবে।




বাসে অগ্নিসংযোগের মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি-সম্পাদকসহ ৭ নেতা গ্রেপ্তার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ফারদিন আহম্মেদ নিরব হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা তিনটি বাসে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে গয়েন্দা পুলিশ। পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর থানায় বাস মালিকের পক্ষে সাইফ নোমান এবং সৃজনী ফিলিং স্টেশনের পক্ষে শামসুল কবীর মিলন বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবন, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হাসান, অন্তর মাহমুদ, ‘দ্য রেড জুলাই’-এর আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাঈম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, তাশদিদ হাসান ও রাসেল।

পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের মালিকানাধীন ‘তাজ ফিলিং স্টেশন’-এ তেল নিতে গিয়ে কর্মচারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।

নীরব হত্যার পর উত্তেজিত নেতাকর্মীরা একই মালিকের ‘সৃজনী ফিলিং স্টেশন’-এ হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন রাত সোয়া তিনটার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা ‘রয়েল পরিবহন’-এর দুটি ও ‘জে-লাইন পরিবহন’-এর একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এর আগে নিরব হত্যা মামলায় ৩জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজা বলেন, আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক। তবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অনেকেই নিরপরাধ। হত্যার ঘটনার চেয়ে ভাঙচুরের বিষয়টিকে বড় করে দেখা হলে তা হবে দুঃখজনক। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।




কুষ্টিয়ায় তিন প্রতিষ্ঠানে ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা

কুষ্টিয়ায় বাজার তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জেলগেট মোড় এবং কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রাম বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, হোটেল, জ্বালানি তেলের দোকান ও ফিলিং স্টেশন মনিটরিং করা হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পণ্যের মূল্যতালিকা, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।

অভিযানকালে অনুমোদনহীন ও অনিরাপদ উপায়ে জ্বালানি তেল সংরক্ষণ এবং সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ডিজেল ও পেট্রোল বিক্রির অভিযোগে কুমারখালীর বাঁশগ্রাম বাজারের মেসার্স হিরা হার্ডওয়্যারকে ১৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স টুকটুকি এন্টারপ্রাইজকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশে ইফতারি প্রস্তুত করার দায়ে কুষ্টিয়া জেলগেট মোড় এলাকার ফরহাদ হোটেলকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম সহায়তা প্রদান করে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, বাজারে ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। এ সময় ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্যও সতর্ক করা হয়।




নেতৃত্বের নৈতিকতা: পদের মোহ বনাম দায়বদ্ধতার সংকট

রাজনীতি কেবল একটি শাসনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়, এটি একটি জাতির সামষ্টিক চরিত্র এবং নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ। বর্তমানে আমরা যে নেতৃত্ব সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি, তার মূলে রয়েছে পদের মোহ এবং দায়বদ্ধতার ঐতিহাসিক বিচ্ছেদ। নেতৃত্ব যখন ত্যাগের মহিমা হারিয়ে কেবল ক্ষমতার অলঙ্কার হয়ে ওঠে, তখন রাজনীতির মূল সুরটিই মৃতপ্রায় হয়ে যায়। পদের জন্য হাহাকার করা ব্যক্তি সাময়িক ক্ষমতার স্বাদ পেতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় তিনি কখনো ধ্রুবতারা হতে পারেন না। প্রকৃত নেতৃত্বকে খুঁজে নেয় খোদ জনগণই, আর তার ভিত্তি রচিত হয় অটল নৈতিকতার ওপর।

নেতৃত্ব ও জনগণের দর্পণ:

একটি সমাজ বা জাতির নৈতিক মানদণ্ড কেমন, তা সরাসরি ফুটে ওঠে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির চরিত্রে। কারণ, জনপ্রতিনিধি মূলত জনগণেরই আয়না। আয়না যেমন মানুষের আসল চেহারাটি নিভৃতে ও নির্মোহভাবে প্রদর্শন করে, একজন জনপ্রতিনিধিও তেমনি সমাজের সামষ্টিক রুচি, শিক্ষা এবং বিবেকেরই প্রতিফলন ঘটান। তাই দায় কেবল নেতার নয়, বরং সেই জনগণেরও যারা তাকে বেছে নিয়েছে। নির্বাচনের দিন জনগণ যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা কেবল একটি ব্যালট পেপার নয়, বরং একটি জাতির আগামী দিনের ভাগ্যলিপি। জনগণের আজকের একটি ক্ষুদ্র ভুল সিদ্ধান্ত বা সাময়িক আবেগের বশবর্তী হওয়া আগামী প্রজন্মের জন্য এক দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক খেসারত হয়ে দাঁড়াবে। অযোগ্য নেতৃত্ব কেবল বর্তমানকে কলুষিত করে না, বরং অনাগত ভবিষ্যতের পথকেও রুদ্ধ করে দেয়।

নৈতিকতার মানদণ্ড ও চারিত্রিক দৃঢ়তা:

একজন রাজনৈতিক কর্মীর সবচেয়ে বড় এবং অবিনশ্বর সম্পদ হলো তার ব্যক্তিগত চরিত্র। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বা চটকদার স্লোগান দিয়ে সাময়িকভাবে মানুষের মন জয় করা সম্ভব, কিন্তু ইতিহাসে ঠাঁই পেতে হলে প্রয়োজন প্রশ্নাতীত সত্যনিষ্ঠা। যার ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিকতার বালাই নেই, তিনি সমাজকে নীতি শেখানোর নৈতিক অধিকার রাখেন না। অথচ বর্তমান রাজনীতির এক বড় ট্র্যাজেডি হলো চাটুকারিতার সর্বগ্রাসী প্রভাব। একজন প্রজ্ঞাবান ও নীতিবান নেতা সবসময় চাটুকারদের এড়িয়ে চলেন এবং সত্যবাদীদের মর্যাদা দেন। বিপরীতে, পদের মোহে অন্ধ নেতা কেবল নিজের স্তুতি শুনতে পছন্দ করেন, যা তাকে ক্রমে এক জনবিচ্ছিন্ন অন্ধকার দ্বীপে নির্বাসিত করে ফেলে।

দায়বদ্ধতা: পদের মোহ বনাম আমানত:

নেতৃত্বের অপর নাম হলো দায়বদ্ধতা। এটি কেবল মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেওয়া নয়, বরং নিজের বিবেকের কাঠগড়ায় এবং জনগণের প্রতিটি যৌক্তিক প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে জবাবদিহি করার মানসিকতা। ক্ষমতা কোনো জন্মগত অধিকার বা ভোগের সামগ্রী নয়; ক্ষমতা হলো জনগণের দেওয়া এক পবিত্র ‘আমানত’। যখনই ক্ষমতা ভোগবিলাসের হাতিয়ারে পরিণত হয়, তখনই সেই আমানতের খেয়ানত শুরু হয়। পদের মোহ যখন দায়বদ্ধতাকে গ্রাস করে ফেলে, তখনই একটি জাতি নেতৃত্বের দেউলিয়া হয়ে পড়ে।

বৌদ্ধিক বিপ্লবের আহ্বান:

আমাদের এই ক্রান্তিকালে প্রয়োজন কেবল একজন স্লোগান দেওয়া কর্মী নয়, বরং প্রশ্ন করতে জানা একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের অন্ধ অনুসারী হওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তিবাদী ও প্রাজ্ঞ হতে হবে। নেতার পদবি বা বাহ্যিক আভিজাত্য নয়, বরং তার নীতি, আদর্শ এবং চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখেই তাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের এই ‘বৌদ্ধিক বিপ্লবের’ মূলমন্ত্র হওয়া উচিত—পদের চেয়ে আদর্শ বড়, আর ব্যক্তির চেয়ে জাতীয় স্বার্থ মহীয়ান। পরিবর্তনটি শুরু হতে হবে আমাদের নিজেদের ঘর থেকে, আমাদের সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। কারণ আমরা যেমন আয়না (প্রতিনিধি) নির্বাচন করব, আমাদের জাতীয় প্রতিচ্ছবি ঠিক তেমনই ফুটে উঠবে।




মেহেরপুর কলেজ মোড়ে “হোয়াটএভার” শোরুমের উদ্বোধন

মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে নতুন পোশাকের শোরুম “হোয়াটএভার” এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শোরুমটির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় শোরুমের স্বত্বাধিকারী ইয়াসিন আল মারুফ উদয় ও মারুফ হোসেন মুরাদ উপস্থিত ছিলেন।

শোরুম কর্তৃপক্ষ জানান, এখানে ছেলেদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পোশাক পাওয়া যাবে। বিশেষ করে পোলো টি-শার্ট, জিন্স প্যান্ট, ট্রাউজারসহ আধুনিক ফ্যাশনের নানা পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী রাখা হয়েছে।

উদ্বোধন শেষে অতিথিরা শোরুমের সার্বিক সফলতা কামনা করে দোয়া করেন।




চুয়াডাঙ্গায় উদ্ধারকৃত ২৮ মোবাইল মালিকদের ফিরিয়ে দিল পুলিশ

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক হারানো মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণার অর্থ উদ্ধার পূর্বক ভুক্তভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সোমবার দুপুর বারোটায় পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে হারানো মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণার অর্থ উদ্ধার পূর্বক ভুক্তভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

স্মার্ট ফোন ও নগদ অর্থ ভুক্তভোগীদের মাঝে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের সাথে সাথে সাইবার অপরাধও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। তিনি জনগণকে মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং কোনো ধরনের প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় অথবা জেলা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেন।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন এবং বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণার ঘটনায় হাতিয়ে নেওয়া অর্থ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ সময় বিভিন্ন মডেলের মোট ২৮ (আটাশ)টি স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে খোয়া যাওয়া ১,১৯,০০০/- (এক লক্ষ উনিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থার বার্তা পৌঁছেছে। পুলিশ সুপার ভুক্তভোগীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো অপরাধের বিষয়ে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মশিয়ার রহমান, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত অন্যান্য অফিসারবৃন্দ।




কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক অভিযানে অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার

কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক চারটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাদক, অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার আনুমানিক ভোর সাড়ে ৫টার সময় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ তেঁতুলবাড়ি মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল মদ, ৪৮০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৫২০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এর আগে রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় রংমহল মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৩ কেজি গাঁজা, ৫ বোতল মদ, ১ হাজার পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ১ হাজার পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ৮৮ পিস চকলেট বোমা উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রোববার আনুমানিক রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের সময় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কাজিপুর বর্ডার পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৭ বোতল মদ এবং ৯৯০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া একই দিন রাত ১০টার সময় চিলমারী বিওপির আলিমডোবা মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৫০০ পিস সিলডেনাফিল ট্যাবলেট এবং ২৪০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত এসব মাদক, অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪ লাখ ৪১ হাজার ৯০০ টাকা।

বিজিবি জানায়, মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় পণ্য বিধি মোতাবেক ধ্বংসের নিমিত্তে ব্যাটালিয়ন সিজার স্টোরে জমা রাখা হয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ সব ধরনের চোরাচালান এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ভবিষ্যতেও সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবির কঠোর ও কার্যকর অভিযান অব্যাহত থাকবে।




জমে উঠেছে কুষ্টিয়ার পোড়াদহের ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের হাট

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ কাপড়ের হাটে এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখানে এসে কাপড় কেনাবেচা করছেন। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বসা এই হাটকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পোড়াদহ কাপড়ের হাট বহু বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত দিনে এখানে কয়েকশ ব্যবসায়ী তাদের দোকান বা অস্থায়ী স্টল নিয়ে বসেন। হাটে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার কাপড় কেনাবেচা হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

এই হাটে শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি, গামছা, শার্ট-প্যান্টের কাপড়, বাচ্চাদের পোশাকসহ বিভিন্ন ধরনের তৈরি ও আধা-তৈরি পোশাক পাওয়া যায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের খুচরা ব্যবসায়ীরা এখান থেকে পাইকারি দামে কাপড় কিনে নিজ নিজ এলাকায় বিক্রি করেন। ফলে পোড়াদহের এই হাট স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কুষ্টিয়া ছাড়াও ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, রাজবাড়ীসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা নিয়মিত এই হাটে আসেন। এতে করে হাটের বেচাকেনা আরও জমে ওঠে।

এদিকে হাটের অন্যতম পরিচিত প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ বস্ত্র বিতান। দোকানে গিয়ে দেখা যায়, দোকানটিতে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি, থ্রি-পিস ও পোশাকের কাপড় সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত কাপড় ও তুলনামূলক কম দামে বিক্রির কারণে দোকানটিতে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেশ চোখে পড়ার মতো।

বিসমিল্লাহ বস্ত্র বিতান-এর মালিক আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, বর্তমানে দোকানে বেশ বেচাকেনা হচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যে নিত্যনতুন পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে থ্রি-পিস, শাড়ি ও লুঙ্গির পাইকারি বিক্রি বেশি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সামনে উৎসব মৌসুমকে ঘিরে পোড়াদহ কাপড়ের হাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি ও বেচাকেনা আরও বাড়বে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতিও আরও সচল হবে।

এদিকে আশিকুল ইসলাম তার পরিবারকে নিয়ে এখানে কেনাকাটা করতে এসেছেন। তিনি জানান, এখানে পছন্দমতো মানানসই পোশাক পাওয়া যায়। দামেও বেশ সাশ্রয়ী। তাই তারা নিশ্চিন্তে এখান থেকে কেনাকাটা করেন।

মেহেদী হাসান নামের আরেক ক্রেতা বলেন, পোড়াদহ কাপড়ের হাটে তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের কাপড় পাওয়া যায়। তাই তারা নিয়মিত এই হাটে এসে প্রয়োজনীয় পোশাকের কাপড় কিনে থাকেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সামনে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে পোড়াদহ কাপড়ের হাটে বেচাকেনা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, এ বছর হাটে কেনাবেচা আগের তুলনায় আরও বেশি হবে।




আমঝুপিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত

মেহেরপুরের আমঝুপিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান মানব উন্নয়ন কেন্দ্রের (মউক) উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। পারিবারিক সহিংসতা রোধ এবং সমাজে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গতকাল রবিবার সকালে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সমাজে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় মউক হলরুমে সকাল ১০টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নারী অধিকার রক্ষা, পারিবারিক নির্যাতন বন্ধ এবং সমাজে নারী-পুরুষের সমঅধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মউক নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের ফোকাল পার্সন মোছা. ফাহিমা আক্তার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, টেকসই সমাজ গঠনে নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করা অপরিহার্য। বিশেষ করে গ্রামীণ পর্যায়ে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মুরাদ হোসেন বলেন, মউক দীর্ঘদিন ধরে মেহেরপুর জেলায় প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নারীদের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করার একটি অঙ্গীকার।

অনুষ্ঠানে সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকল্পের কর্মীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ৫০ জন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারী নারী প্রতিনিধিরা নিজেদের অধিকার রক্ষা এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, শিশুসহ আহত ৩

মেহেরপুর সদর উপজেলার ফতেপুর ইটভাটা সংলগ্ন সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল মান্নাফ (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছেন তিনজন।

সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মান্নাফ মেহেরপুর সদর উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের আসাদ আলীর ছেলে। আহতরা হলেন—মান্নাফের কন্যা তসলিমা খাতুন (৩০), নাতনি খাদিজা খাতুন (৩) ও চাঁদনী খাতুন (৩ মাস)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নাফ তার কন্যা ও নাতনিদের নিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি শোলমারীতে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় ফতেপুর ইটভাটার কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল মান্নাফ নিহত হন এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। অপর মোটরসাইকেল চালকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তিনি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন।

নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল মান্নাফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা বর্তমানে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।