মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপির দুই নেত্রী

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন।

সড়ক দুর্ঘনায় আহতের বিষয়টি আড়াল করে একটি মহল ‘জামায়াতের হামলায় আহত’ বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয়।

জানা গেছে, মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা। আমঝুপি ও চাঁদবিলের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে একটি কুকুরের সঙ্গে তাদের রিকশার ধাক্কা লাগে। এসময় রিকশাটি উল্টে যায়। এতে রোমানা আহমেদ ও সাবিহা সুলতানা আহত হন।

ঘটনার পর রোমানা আহমেদ এবং সাবিহা সুলতানার স্বামী শফিক সেন্টু তাদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে পোস্ট করেন। অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতেও ঘটনাটি একটি সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবেই প্রকাশিত হয়।

তবে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এই দুর্ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চালায় হয়। ফেসবুকে দাবি করা হয়, ধানের শীষের প্রচারণা শেষে ফেরার পথে জামায়াত-শিবিরের হামলার শিকার হন রোমানা ও সাবিহা।

তবে আহত বিএনপি নেত্রী রোমানা আহমেদ বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি ঠিক হচ্ছে না।

জেলা জামায়াতের রাজনৈতীক সেক্রেটারি মো. রুহুল আমিন বলেন, এভাবে দুর্ঘটনার খবর জামায়তের ঘাড়ে চাপিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাওয়া বিএনপির দেউয়ালিয়াত্ব প্রমাণ করে। এটা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল। তিনি প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের প্রতি অনুরোধ জানান, দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় হোক।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহত নেত্রীদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে জামায়তের নেতারা ছুটে যান।

আহত রোমানা আহমেদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে জানান, যারা দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপির জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন তারা ঠিক করছেন না।

সেখানে এ নেত্রী দুর্ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জামায়াতের উপর দোষ চাপানো বন্ধ করার আহ্বান জানান।




সাংবাদিকদের কার্ড অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার প্রক্রিয়া কেমন হবে—জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন, তারা তো করেছেন, তবে যারা অনলাইনে আবেদন করেননি, তাদের আর তা করা লাগবে না।

তারা সশরীরে নির্বাচন ভবনে এসে কার্ড ইস্যু করতে পারবেন।

এর আগে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার নিতে অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানায় ইসি। তবে এই ‘প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না’ জানিয়ে দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

এদিকে, আগামী রবিবারের (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে ইসিকে আলটিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।

এরপরই অনলাইনে কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইসি।




শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাধুখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সাধুখালী গ্রামের শহিদুল মাস্টারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই এলাকার নূর আলী ও বাদশার।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে নূর আলী ও বাদশার লোকজন ওই জমি দখল নিতে গেলে শহিদুল মাস্টারের পক্ষের লোকজন বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ন কবির মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




হরিণাকুণ্ডুতে দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নারী গ্রেফতার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও বিপুল সংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ তাছলিমা আক্তার(৩৫) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।
গ্তকাল বুধবার রাত ১টার দিকে হরিণাকুন্ড পৌরসভার চটকাবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে তাকে আটক করা হয়। হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত তাছলিমা আক্তার ওই গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। র‌্যাব-৬ এর কম্পানী কমান্ডার এএসপি মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হরিণাকুণ্ডু পৌরসভার চটকাবাড়িয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক কারবারী হোসেন আলীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। হোসেন আলী ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।

এ সময় দুই কেজি গাঁজা ও ৮টি রাম দা-সহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তাছলিমা আক্তারকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৬।
র‍্যাবের কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হোসেন আলী পলাতক রয়েছেন। সে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা করা হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, র‍্যাব-৬ এর পক্ষ থেকে হরিণাকুণ্ডু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার নারীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




মুজিবনগরে মসজিদের দখলকৃত খাস জমির একমালিকানা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে মানববন্ধন

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ৬০ বছর ধরে মসজিদের কাজে ব্যাবহিত খাস জমির উপর একমালিকানা হস্তক্ষেপ ঠেকাতে মানববন্ধন করেছে গৌরীনগর দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীগণ।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তার বলেন,মসজিদের সাথে একটি ডোবা খাস জমি ৬০ বছর ধরে মসজিদ কমিটি মসজিদের কাজে ব্যাবহার করে আসছে।
বর্তমানে গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে সামাদুল এবং আনারুল ইসলামের ছেলে সুমন নামের দুইজন মিটিকে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি বলেন, মসজিদের সাথে একটি ডোবা খাস জমি ৬০ বছর ধরে মসজিদ কমিটি মসজিদের কাজর ব্যাবহার করে আসছে। তবে জমিটি বর্তমানে মসজিদের পশ্চিম পাশের সামাদুল ও সুমন নামের দুইজন জমিটিকে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।

তাই জমিটির দখল ঠেকাতে এবং জমিটি মসজিদের নামে আইন অনুযায়ী লিজ দেয়ার জন্য আমরা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আজকে মানববন্ধন করছি। মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সদস্য এবং শত শত মুসুল্লী অংশ নেয়।

এ বিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, মানববন্ধনের পরে উভয়পক্ষ আমার কাছে এসেছিলেন। উভয়পক্ষের আমিন ও সরকারি আমিন দিয়ে মেপে মিমাংসা করার বিষয়ে উভয়পক্ষ মত দিয়েছেন।




সোনার দামে রেকর্ড অব্যাহত

দেশের বাজারে আবার বেড়েছে সোনার দাম। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা। নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দাম আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সোনার দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

সোনার নতুন দাম—

২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা

২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা

১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা

সনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে বেড়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৮ হাজার ১৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।




দামুড়হুদায় পুষ্টি ও পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

দামুড়হুদায় স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির আওতায় স্কুল শিক্ষক, ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও অভিভাবকদের জন্য ‘পুষ্টি ও পরিবেশ সচেতনতা’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পুরাতন বাস্তবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দুধের ভূমিকা অপরিসীম। স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের স্কুলমুখী করা এবং তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হচ্ছে। এই ধরনের প্রশিক্ষণ অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান, দামুড়হুদা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ, পুরাতন বাস্তবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমতারা খাতুন এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আসিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপি বলেন, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা হলে তাদের শেখার আগ্রহ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। দুধ একটি পরিপূর্ণ খাদ্য, যা শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

প্রশিক্ষণে প্রজেক্টরের মাধ্যমে দুধের উপকারিতা, পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. কমলাকান্ত পাল।




দামুড়হুদায় বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর গণসংযোগ

দামুড়হুদা উপজেলা শহরের বিভিন্ন বাজারে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। বুধবার সকাল থেকেই তিনি বাজার এলাকায় গণসংযোগে নামেন।

এ সময় তিনি ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দেশ রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া তিনি বেলা ২টার দিকে জুড়ানপুর ও নতিপোতা ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন। প্রথম গণসংযোগ শুরু করেন নতিপোতা ইউনিয়নের হোগলডাঙ্গা গ্রাম থেকে।

গণসংযোগকালে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, দেশ আজ চরম সংকটে রয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের ন্যায্য অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের স্লোগানে বাজার এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।




মেহেরপুর পৌর যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে কুতুবপুরে নির্বাচনী প্রচারণা

মেহেরপুর পৌর যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদ অরুনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে বুধবার বিকেলে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নওশেল আহমেদ রনি, যুগ্ম আহবায়ক শিমুল বিশ্বাস, ছাত্রনেতা রাসেল, বিজল, শাকিল, মাহিন, আশিক, স্বপন, মোমিন, নোমান, মনিব, সোহাগ, কানন, সোহান, জয়, দোয়েলসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।




মুজিবনগরে দাড়িপাল্লার পক্ষে নারী প্রচারণায় বাধা, অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার যতারপুর গ্রামে দাড়িপাল্লার প্রার্থী তাজউদ্দীন খানের পক্ষে নারী ভোটারদের প্রচারণা কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুজিবনগর উপজেলার যতারপুর গ্রামে ১১ দলীয় জোটের মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দ দাড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে গেলে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী এতে বাধা দেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যতারপুর গ্রামের মো. সাগর (পিতা: টগি বিশ্বাস), মো. সাব্দার (পিতা: পাঞ্জু বাঘ), মো. ইশাদুল (পিতা: ইয়াজউদ্দীন), মো. সাবু (পিতা: কছি হাজি), মো. কালু বিশ্বাস (পিতা: মাদার আলী বিশ্বাস)সহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী ব্যারিকেড দিয়ে প্রচারণাকারীদের আটকিয়ে রাখেন এবং গালিগালাজ করেন।

পরবর্তীতে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে দীর্ঘ সময় পর একজন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ রয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেও অভিযুক্তরা অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করতে থাকেন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা খানজাহান আলী। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার এমন ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।