জীবননগরের বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলু’র মৃত্যুতে উত্তপ্ত শহর, অবরোধ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলু’র মৃত্যু সংবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়।

গত সোমবার রাত ১০টায় সেনাবাহিনীর একটি টিম জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশে একটি কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ এর এক পর্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন পরে সেনাবাহিনীর একটি টিম তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শামসুজ্জামান ডাবলু জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মৃত্যুর খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে। এই অবরোধ রাত ১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে।

সকাল ১০টায় সেনাবাহিনীর একটি টিম স্থানীয় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান। এরপর সকাল ১১টায় জীবননগর থানার একটি টিম স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে বিক্ষিপ্ত জনতা তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় জীবননগর থানার ওসি সহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।

দুপুর ১টায় লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এবং পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম । লাশ নেওয়ার পরপরই জীবননগরের প্রধান সড়কগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং ব্যবসায়ীরা দোকান খুলতে থাকেন।

জেলা প্রশাসন মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ময়না তদন্ত করা হবে ময়না তদন্ত শেষে যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে মাধ্যমিকে জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক দিলারা আফরোজ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে মাধ্যমিক পর্যায়ে জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দিলারা আফরোজ।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর উপজেলা পর্যায়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে গাংনী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি। পরে জেলার তিনটি উপজেলার নির্বাচিত তিনজন শিক্ষকের মধ্য থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিক্ষকতা অভিজ্ঞতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন দক্ষতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, আইসিটি জ্ঞান, সহযোগিতামূলক মনোভাব, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নসহ মোট ১২টি মানদণ্ডের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের নির্ধারিত বিচারক প্যানেল তাকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করে।

দিলারা আফরোজ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারিকের জ্যেষ্ঠ কন্যা। সংসার জীবনে প্রবেশের পরও তিনি অদম্য পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এসএসসি, এইচএসসি, বিএ, এমএ ও বিএড ডিগ্রি অর্জন করেন। পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে চার বোনের পড়াশোনা ও পারিবারিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ অনুষ্ঠান উপস্থাপক। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও জাতীয় দিবসে নিয়মিত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তিনি মাস্টার ট্রেইনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকতা ও সংসার সামলানোর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে।

সাহিত্যচর্চায়ও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। তিনি উপন্যাস ‘দহনের দিন’, কাব্যগ্রন্থ ‘দহনের দিন’, এবং যৌথ কাব্যগ্রন্থ ‘দহনের কাব্য’, ‘বাংলার উদীয়মান কবি’ ও ‘সমকালের কবিকণ্ঠ’ রচনা করেছেন। তার কবিতায় প্রকৃতি ও জীবনবোধের প্রতীকী প্রকাশ লক্ষণীয়।

১৯৭৫ সালের ২৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী দিলারা আফরোজ বই পড়া ও সংগ্রহে আগ্রহী। ব্যক্তিগত উদ্যোগে একসময় তিনি নিজ বাড়িতে বয়স্ক ও নিরক্ষর নারীদের বিনামূল্যে স্বাক্ষরজ্ঞান শিক্ষা দিতেন এবং বই-খাতা সরবরাহ করতেন। করোনাকাল পরবর্তী সময়ে সেই কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও তার সামাজিক অবদান আজও প্রশংসিত।

২০২২ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গাংনী উপজেলায় তিনি শ্রেষ্ঠ সংগ্রামী নারী পুরস্কার অর্জন করেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি কৃষি ব্যাংকের উজলপুর শাখার ব্যবস্থাপক মো. আল আমিনের সহধর্মিণী। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী। বড় মেয়ে ডা. মাহজাবীন শাহীদি ঐশি এমবিবিএস সম্পন্ন করে বর্তমানে খুলনার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত। ছোট মেয়ে মুবাসসারাহ শাহিদী এশা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার বিভাগে অধ্যয়নরত।

মাধ্যমিক পর্যায়ে জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় দিলারা আফরোজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলার শিক্ষক সমাজসহ বিভিন্ন মহল।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে চুয়াডাঙ্গা জেলার শ্রেষ্ঠ রোভার আল মুতাকাব্বির সাকিব

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্যে শ্রেষ্ঠ রোভার ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এবং চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট আল মুতাকাব্বির সাকিব।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পর্যায়ের পর এবার জেলা পর্যায়েও তিনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। এ নিয়ে জেলা পর্যায়ে চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ রোভারের খ্যাতি অর্জন করে বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।

আল মুতাকাব্বির সাকিব চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হায়দারপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক মেম্বার শহিদুল ইসলামের পুত্র। তার এই সাফল্যের পেছনে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল হাসান এবং তার অভিভাবকসহ সকল শিক্ষাগুরুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারেন এই কামনায় সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।




তৃতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক (কারিগরি) রফিকুল আলম বকুল

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ -২০২৪ এ মেহেরপুর জেলায় কারিগরি শাখায় জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রফিকুল আলম বকুল ।

রফিকুল আলম বকুল একজন দক্ষ স্কাউটার। তিনি স্কাউটস এর রোভার শাখার একজন উডব্যাজার। এছাড়া তিনি মেহেরপুর জেলা রোভার স্কাউটস এর সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের রোভার স্কাউটস গ্রুপ এর ইউনিট লিডার। তিনি প্রতিষ্ঠানের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যান্ত জনপ্রিয় এ শিক্ষক ২০১৯ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক, ২০২২ সালে সদর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালেও তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিনি কলেজের বিভিন্ন জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন দিবসে একজন ভাল উপস্থাপক হিসেবে ও অনুষ্ঠান সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এছাড়া মেহেরপুর প্রতিদিনের আয়োজনে জেলার জনপ্রিয় শিক্ষা বিষয়ক সাপ্তাহিক লাইভ অনুষ্ঠান শিক্ষা ভাবনার একজন উপস্থাপক। তিনি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষক ও নিরীক্ষক।

জাতীয় দিবস ছাড়াও যে কোন অনুষ্ঠানে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে ও তিনি কাজ করে থাকেন। শিক্ষকতার বাইরে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও রোভারিং নিয়ে লেখালেখি করে থাকেন। তিনি যৌথভাবে এইচএসসি (বিএম) এর হিসাববিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ-২ (দ্বিতীয় পত্র) বই রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।

রফিকুল আলম বকুল আইসিটি জ্ঞানে অত্যন্ত দক্ষ। তিনি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি, বগুড়া থেকে আইসিটির উপর একাধিক কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি ব্যানবেইস এর অধীনে ও আইসিটির উপর প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন। তিনি জাতীয় শিক্ষক বাতায়নের একজন সদস্য। এটুআই আইসিটি ডিভিশনের মাধ্যমে আইসিটির বিভিন্ন অনলাইন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

এছাড়া তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কিশোরের ডাক এর উপদেষ্টা, কসবা ব্লাড ব্যাংক সোসাইটির উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব এর মেহেরপুর জেলা প্রেসিডেন্ট ও ২০২৬ সালের ডিস্ট্রিক্ট -৬ এর গভর্নর। জাতীয় পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বসুন্ধরা শুভ সংঘের মেহেরপুর জেলার সভাপতি তিনি। দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এর সংগঠন পিস ফ্যাসিলিটিটর গ্রুপ (পিএসজি) গাংনী উপজেলা সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । ব্যক্তিগত জীবনে তার ওয়াইফ গাংনীর চৌগাছা পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এক ছেলে ও মেয়ে সন্তানের জনক তিনি। অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী এ শিক্ষক জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় সহকর্মী সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তাকে। জনাব রফিকুল আলম বকুল তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন , সর্বপ্রথম মহান আল্লাহুর কাছে শুকরিয়া জানান।

এছাড়া তিনি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বাছাই কমিটি এবং জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ এ কাজের সাথে জড়িত ছিলেন তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং পরিবারের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান তাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতার জন্য। পাশাপাশি সকলের দোয়া কামনা করেছেন তিনি। রফিকুল আলম বকুলের প্রথম সন্তান আব্দুল্লাহ আল জামী সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের১০-ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ও কন্যা সন্তান সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫-ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অত্র কলেজ থেকে কারিগরি পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ শাহী উদ্দীন ও কারিগরি কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার স্নিগ্ধা।




মেহেরপুরের দুটি আসনে নেই নারী প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাকি আর মাত্র এক মাস। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী, ভোটার সকলেই অপেক্ষা করছে একটি উৎসবের।

পুরুষ ভোটারদেরও পাশাপাশি নারী ভোটাররাও মুখিয়ে আছেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে।

কিন্তু স্বাধীনতা উত্তর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জহুরা তাজউদ্দিন নামের এক নারী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে ভোট করেছিলেন।

কিন্তু তিনি মেহেরপুরের স্থানীয় ছিলেন না। তিনি ছিলেন জাতীয় নেতা সৈয়দ তাজ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী। এছাড়া ২০১৪ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সেলিনা আক্তার বাণুকে মেহেরপুর এলাকার সংরক্ষিন নারী সদস্য করা হয়। এর আগে বা পরে আর কোন নারী প্রার্থী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করেননি।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থ্যান সৃষ্টি হয়ে একটি নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় সবক্ষেত্রে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে। অথচ দেশের সবচেয়ে বড় একটি নির্বাচনে মেহেরপুরের দুটি আসন থেকে নেই কোনো নারী প্রার্থী। নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার মত কোন নেত্রী কি রাজনৈতিক দলগুলো তৈরি করতে পারেনি, না কি নারীদের পিছনে রেখে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্যে কারণ তার এখনো অজানা নারীদের কাছে।

মেহেরপুরের রাজনীতিতে বর্তমানে বিএনপি ও জামায়াত এ দুটি দল মূল লড়াইয়ে মাঠে রয়েছে। দুটি দলেরই নারী সংগঠণ রয়েছে। যারা দলের জন্য তৃণমূল নারীদের কাছে, ভোটরদের কাছে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক লড়াইয়ে সবক্ষেত্রে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে কিন্তু প্রার্থীতার ক্ষেত্রে বৈষম্য রাখা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, জেলার তিন উপজেলায় দুটি সংসদ আসন। সদর ও মুজিবনগর মিলে মেহেরপুর—১ এবং গাংনী উপজেলা নিয়ে মেহেরপুর—২ গঠিত। মেহেরপুর —১ আসনে পুরুষ ভোটার ১৫৭৮৯০ , নারী ভোটার ১৫৯০৮২ । মেহেরপুর—২ আসনে পুরুষ ভোটার ১৩৫০৮৭, নারী ভোটার ১৩৫৬১৫ । দুটি আসনেই নারী ভোটার বেশি। নারী ভোটারদের ভোটেই নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের ভাগ্য। অথচ নারী ভোটার বেশি হলেও নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলা হয়নি এ জেলায়।

এ বিষয়ে কথা হয় নারী উদ্যোক্তা ও সাহিত্যিক সুখী ইসলামের সাথে, তিনি বলেন, ‘পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় অনেকেই মনে করেন রাজনীতি নারীদের জায়গা নয়। একজন নারী রাজনীতিতে এলে তার যোগ্যতার চেয়ে তার ব্যক্তিজীবন, চলাফেরা ও চারিত্রিক বিষয় বেশি আলোচনায় আসে। রাজনীতি মানেই সময়, ঝুঁকি ও সংঘাত। এই বাস্তবতায় অনেকের পরিবার নারীদের রাজনীতিতে আসতে নিরুৎসাহিত করে। এছাড়া অর্থনৈতিক দুর্বলতা ও নিরাপত্তাহীনতাও রয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী ব্যয় বহন করা এবং সহিংস পরিবেশ মোকাবিলা করা অনেক নারীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এর মধ্যেও রয়েছে দলীয় মনোনয়নে বৈষম্য।’

সুখী ইসলাম আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত যাকে ‘জেতার সম্ভাবনাময়’ মনে করে, তাকেই প্রার্থী দেয়। নারী প্রার্থী কম মানে নারীরা অযোগ্য এমনটা কখনোই নয়। সমস্যা হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এখনো নারীদের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। যদি রাজনৈতিক দলগুলো দলীয় মনোনয়নে নারীদের অগ্রাধিকার দেয় এবং নিরাপদ ও সম্মানজনক রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করে তাহলে তৃণমূল থেকে নারী নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।’

জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সায়েদাতুন নেছা নয়ন বলেন, ‘রাজনীতি হচ্ছে কৌশলগত অবলম্বন ও বুদ্ধিবৃত্তির বিষয়। সে যায়গা থেকে আমরা নারীরা অনেক পিছিয়ে আছি। এর পাশাপাশি সামাজিক ও সাংসারিক পিছুটানের কারণের নারীরা রাজনীতি অংশ নিতে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছেন। তবে আমার দল এবং আমারা নেতারা আমাকে সাপোর্ট দিচ্ছেন। আমি আশাবাদি আগামীতে নারী সকল পযর্যায়ের নির্বাচনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করবে।’

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রোমানা আহমেদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো নারীদের প্রতি অবিচার করছে। পাঁচ শতাংশ রাজনীতির মাঠ থেকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে পৌষ্য কোটা থেকে। শ্রম, মেধা এবং সংসারের পিছুটান ফেলে এখন অনেক নারীই রাজনীতিতে আসছেন। আমার দলই না কোনদলই নারীদের সেভাবে মূল্যায়ন করছে না। আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারীদের নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছেন শুনেছি, আশা করি আগামীতের নারীরা নেতৃত্বে এগিয়ে আসবে।’

রোমানা আরও বলেন, ‘একজন পুরুষকে যেভাবে সামনে যায়গা করে দেওয়া হয়, নারীদের সেভাবে যায়গা করে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে রাজনীতে নারীদের সাথে বৈষম্য করা হচ্ছে।’

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘মহিলারা যেহেতু মোট জনসংখ্যার অর্ধেক, সে হিসেবে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব গুরত্বপূর্ণ। তাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন আছে তবে এটা বাড়ানো দরকার এবং প্রতিনিধিত্ব করাতে পারলে মহিলাদের অধিকার আদায় সহজ হবে।’

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, ‘শুধু নারী নেতৃত্ব নয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক কারণে অন্যান্য জেলার তুলনায় মেহেরপুর সব দিক দিয়েই পিছিয়ে আছি। আস্তে আস্তে সেগুলো আমাদের মেয়েরা কাটিয়ে উঠছে। এখন অনেকেই রাজনীতিতে এগিয়ে আসছে। আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা সংস্কারের অন্যতম সংস্কার হচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। আমরা সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

মেহেরপুর সরকারি কলেজের উপাধাক্ষ ও গবেষক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘বৈষম্যহীন ও অন্তভুক্তিমূলক সমাজ গড়তে হলে নারীদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যায়গা করে দিতে হবে। আরপিও অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ৩০ শতাংশ নারী প্রার্থীকে নেতৃত্ব করার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এছাড়া গণতান্ত্রিক ও ভারসাম্যমূলক সমাজ গঠণ করা যাবে না।’

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুটি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতায় টিকে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে আপিল করে নতুন করে বৈধ হয়েছেন এনসিপি প্রার্থী ইঞ্জি. সোহেল রানা।




মেহেরপুরে নির্বাচন ও গণভোটের প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধিবিধান প্রতিপালন শীর্ষক সেমিনার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধিবিধান প্রতিপালন শীর্ষক সেমিনার মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার সময় সেমিনারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির। জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক খাতুনে জান্নাত। সেমিনারে নির্বাচনের বিভিন্ন বিধিবিধান তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিকুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম, গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন ও মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল হুদা, মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মুহা. আবদুল্লাহ আল-আমিন, জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব চান্দু প্রমুখ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও মিডিয়া কর্মীরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবাইকে সজাগ থেকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ কাউকে ভয়ভীতি বা হুমকি-ধামকি দিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




মেহেরপুরে ইটভাটায় অভিযান, দুই লাখ টাকা জরিমানা

মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ফতেপুর এলাকায় অবস্থিত এইচবি ব্রিকস ইটভাটার প্রোপ্রাইটর মোঃ ইয়াসিনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া জাহান ঝুরকা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এইচবি ব্রিকস ইটভাটায় ফিক্সড চিমনি ব্যবহার এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে ভাটার প্রোপ্রাইটর মোঃ ইয়াসিনকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৬/১৬ ধারায় দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।




মেহেরপুরে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মেহেরপুরে ৫৪তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর জেলা স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবদুর রাহীম।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি, মেহেরপুরের আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে অতিথিরা বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও সৌহার্দ্যবোধ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।




গণভোট উপলক্ষে গাংনীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গণভোট ২০২৬ সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে গণভোটের প্রচারণা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকালে গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্তরে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা নির্বাচন অফিসার এনামুল হক।

সভায় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ইমাম, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথি সৈয়দ ড.এনামুল কবির গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গণভোট জনগণের মতামত প্রকাশের একটি গণতান্ত্রিক মাধ্যম। এ প্রক্রিয়াকে অর্থবহ করতে হলে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি। গণভোট সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটকে সামনে রেখে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে মেহেরপুরের নাফিউল ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় একাধিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন মেহেরপুর সরকারি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ নাফিউল ইসলাম।

তিনি নির্ধারিত বক্তৃতা, উপস্থিত বক্তব্য (একক) এবং তাৎক্ষণিক অভিনয় এই তিনটি বিভাগেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এর আগে গত ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন মোঃ নাফিউল ইসলাম। পরবর্তীতে ১২ জানুয়ারি ২০২৬ জেলা পর্যায়েও তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নিজের মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন।

মোঃ নাফিউল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মোঃ ফয়েজ শেখের পুত্র।
তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষকবৃন্দ, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে।