মেহেরপুরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ২৩৮ জন পর্যবেক্ষক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধিত ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে মেহেরপুর জেলার দুটি সংসদীয় আসনে মোট ২৩৮ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন।

মেহেরপুর-১ আসন (মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা) এলাকায় পর্যবেক্ষণের জন্য ১৭০ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্যা চেঞ্জ এন্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান) থেকে ২০ জন, বিয়ান মনি সোসাইটি থেকে ১০ জন, মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) থেকে ৫৬ জন, চারু ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (সিডিএ) থেকে ৩ জন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন থেকে ৫ জন, রিসভা-বাংলাদেশ থেকে ৭ জন, বিচরণ কল্যাণ সংস্থা থেকে ১১ জন এবং SCOPE থেকে ৫৮ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে মেহেরপুর-২ আসন (গাংনী উপজেলা) এলাকায় ৬৮ জন পর্যবেক্ষককে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) থেকে ৩৭ জন, ব্লুরাল ভিশন (আর.ডি) থেকে ৫ জন, মুক্তির বন্ধন ফাউন্ডেশন থেকে ৫ জন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন থেকে ৫ জন, হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) থেকে ১০ জন এবং রিসডা-বাংলাদেশ থেকে ৬ জন রয়েছেন।




চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কে হবে আগামী দিনের কাণ্ডারী?

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কে হবে আগামী দিনের কাণ্ডারী? চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে কে নির্বাচিত হতে চলেছে—এ নিয়ে আকাশে-বাতাসে গুঞ্জনের অন্ত নেই। গ্রামগঞ্জের রাস্তায়-রাস্তায়, চায়ের দোকানে, মাঠে-ঘাটে একই আলোচনা। গ্রামের মানুষ চেয়ে থাকে শহরবাসীর মুখের দিকে। শহরের বুক চিরে ভেসে ওঠে ভোটের আওয়াজ, আর সেই শব্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের মেঠোপথ ধরে পাড়া-মহল্লায়।

চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্ববৃহৎ উপজেলা হলো আলমডাঙ্গা উপজেলা। এখানে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলা গঠিত। আলমডাঙ্গা উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৩ হাজার ১৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৬১ হাজার ০৬১ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৬২ হাজার ১৬৪ জন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলমডাঙ্গা উপজেলার এই বিশাল ভোটার উপস্থিতি ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে তিনজন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ। জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জহুরুল ইসলাম।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরই জন্মস্থান আলমডাঙ্গা। দুজনই আলমডাঙ্গার মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার দাবি রাখেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের পাঁচকমলাপুর গ্রামের সন্তান এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামের সন্তান।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘ সময় ধরে উভয় দল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ আন্দোলনে রাজপথে লড়াই করেছে। দীর্ঘদিনের সেই ঘনিষ্ঠ মিত্ররা ৫ আগস্টের পর থেকে একে অপরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হয়েছে। বিএনপি যখন মিটিং-মিছিল, জনসভা ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে, তখন জামায়াত ভিন্ন কৌশলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাস্তব প্রতিশ্রুতি ও ভরসার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে।

গোষ্ঠীকোন্দলে লিপ্ত গ্রামকেন্দ্রিক রাজনীতিতে একই ছাতার তলে কখনো আবদ্ধ না থাকার মানসিকতাকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন রাজনৈতিক দল ফায়দা তুলছে। ফলে গ্রামীণ রাজনীতিতে দেখা দিচ্ছে বিভক্তির খেলা—শত্রুর শত্রু হয়ে উঠছে বন্ধু।

ফলস্বরূপ, জোটসঙ্গী হিসেবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকায় কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া তেমন কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চোখে পড়েনি। নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন উত্তোলন থেকে শুরু করে জমাদান, প্রতীক বরাদ্দ, এমনকি সুজনের অনুষ্ঠানে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে যে সৌজন্যতা উভয় প্রার্থী দেখিয়েছেন, তা সত্যিই নজিরবিহীন।

উভয় দলই সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রচারণায় ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে ভোটারদের হৃদয়ে স্থান পাওয়ার আশায়। জামায়াত প্রার্থীর কৌশলে নতুন নতুন ভিন্নমাত্রা দেখা গেলেও বিএনপি প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসন বিগত দিনে বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০০৮ সালে প্রথম আওয়ামী লীগ এই আসন দখল করলেও আইলহাস, জেহালা ও বারাদী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে নাগদাহ, ডাউকি ও কুমারী ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

আগামী ১২ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠ জরিপে দেখা গেছে, বিএনপির একটি সুসংগঠিত আদর্শিক ভোটব্যাংক বংশানুক্রমে গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী তাদের কট্টর অবস্থান থেকে কিছুটা বেরিয়ে এসে উদার মনোভাবের পরিচয় দিয়ে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে থাকলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ভোটারদের মাঝে নতুন স্বপ্ন ও নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি করে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে নিরলস পরিশ্রম ও নানান কৌশলে। মাঠ জরিপে আরও দেখা গেছে, আওয়ামী ভোটাররাই ভোটের ফলাফলে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে চলেছেন।

এ কারণে উভয় দলই ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে আওয়ামী ভোটারদের দলে ভেড়ানোর জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, যা চোখে পড়ার মতো। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যোগ্য ব্যক্তির মাথায় বিজয়ের মুকুট শোভা পাবে—এই আশায় প্রহর গুনছে আপামর জনতা।




পরাজয়ের গন্ধ পেয়ে আমাদের বিপক্ষে অপপ্রচার করা হচ্ছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার আমির ও মনোনীত প্রার্থী তাজউদ্দিন খান বলেছেন, পরাজয়ের গন্ধ পেয়ে আমাদের বিপক্ষে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, আমাদের বোনেরা কোরআন হাতে শপথ দিচ্ছে। এ দেশের জনতা কি এসব বিশ্বাস করবে?

তিনি বলেন, এ দেশের জনতা অবস্থান নিয়েছে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে। আগামী ১২ তারিখে জনগণ প্রমাণ করে দেবে আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা জামায়াতের আমির আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের পর্যন্ত মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আমরা এটিকে একটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছি। মানুষ যেন স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে এবং কে কীভাবে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দখলদারিত্ব করতে চায় তা ক্যামেরার মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরা যেত। আপনারা যদি সত্যিই সুষ্ঠু নির্বাচন চান, তাহলে অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুযোগ দিতে হবে।

বিশাল এই নির্বাচনী গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর শূরা কমিটির সদস্য ও সেক্রেটারি মো. ইকবাল হুসাইন, জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারি রুহুল আমিন, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা, পৌর আমির সোহেল রানা ডলার, সদর উপজেলা সেক্রেটারি জাব্বারুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।




গাংনীতে বিদেশী পিস্তল, ম‍্যাগজিন ও গুলি উদ্ধার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় ধানখোলা ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর অভিযানে ০১টি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও এ্যামুনিশন উদ্ধার হয়েছে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমে তা প্রকাশ করে।

সেখানে বলা হয়েছে গতকাল রবিবার আনুমানিক রাত ৩টায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গাংনীর ধানখোলা ইউনিয়নের চিৎলা গ্রামে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে একটি আম বাগানে তল্লাশি চালিয়ে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০২টি ম্যাগাজিন এবং ০২ রাউন্ড পিস্তলের এ্যামুনিশন(গুলি) উদ্ধার করা হয়।

অবৈধ অস্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের সনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।




সার সিন্ডিকেট, মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নসহ ১৮ দফার অঙ্গিকার

মেহেরপুর-১ আসনের সিপিবি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ১৮ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। আজ সোমবার সকাল ১১ টাই মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ইশতেহারে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ এবং ভাংচুরকৃত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন , সাম্য-মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ এবং জনগণের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন, গণ-অভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, কৃষক ও কৃষির জন্য পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ প্রাপ্তি এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সহজে প্রাপ্তি নিশ্চিত এবং সার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়া এবং সরাসরি কৃষকের থেকে ধান ক্রয় নিশ্চিত, কৃষকের মৌসুমী ফসল পিয়াজ, আলু, ইত্যাদির জন্য সংরক্ষণাগার নির্মান, সকল প্রকার সরকারি অনুদান যথাযথভাবে বণ্টন নিশ্চিত, চাঁদা ও হাদিয়ার নামে জনগণের নিকট হতে শোষন ও লুটপাট বন্ধের চেষ্টা, স্থানীয় কৃষি (পাট, কলা, পিয়াজ, টমেটো, আম, ইত্যাদি) ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান, হাইটেক (জুস, পানি, ইত্যাদি ফ্যাক্টারী) পুনঃরায় চালু করা, জনগণকে সাথে নিয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের ঘুষ-দূর্নীতি বন্ধ, চীন ও জাপানসহ উন্নত দেশের কর্মসংস্থান মূলক বিষয়ে এলাকার যুবক-যুবতীদের টিটিসিতে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, অস্ত্র ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে সর্বশক্তি নিয়োগ ও ক্যাসিনো ও অনলাইন জুয়া বন্ধে প্রশাসনকে নিয়ে শক্ত ভূমিকা গ্রহন, শিশু-কিশোরদের নিয়ে স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত কাবাডি, ফুটবল, ক্রিকেট সহ দেশীয় বিভিন্ন খোলার আয়োজন, প্রশাসন এর উপরে কঠোর দৃষ্টি, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারের মাধ্যমে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীতের কর্মসংস্থানের এবং কর্মসংস্থানের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ, মিথ্যা মামলা ও হয়রানী রোধে এবং ভিকটিমদের পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত ,পরিবেশ ভালো রাখতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে জনগণকে সচেতন ও রাষ্ট্রের মাধ্যমে সহযোগীতা।




দর্শনায় ধানের শীষের পক্ষে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দর্শনা পরাণপুর গ্রামে ধানের শীষের পক্ষে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকাল ৪ টায় বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ধানের শীষের প্রার্থী বিজিএমইএ এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর শ্যালোক শফিকুল ইসলাম সোহেল।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনাদের সবাইকে বলছি বাবু খান যদি ভাল লোক হয়। তবে তাকে একটা ধানের শীষে ভোট দেবেন। বাবু খান একজন স্বাবলম্বী ব্যবসায়ী। উনি কারো অনুদানের অপেক্ষা করেন না। উনি নিজে আপনাদের একটি হাসপাতাল আরো আনুসাংঙ্গিক যা লাগবে তিনি করে দেবেন। তার নিজের টাকায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করে দেবে। খেলার দায়িত্ব আমি নিয়েছি।

আমি বিভিন্ন স্থানে ক্লাব করে দেবো। আপনাদের ছেলে মেয়েদের খেলার সরমজান আমার কাছ থেকে পাবে। আপনারা বাড়ি ফিরে গিয়ে আশেপাশের লোকজনকে বলবেন বাবু খান একজন সাদা মনের ভাল মানুষ। সবাই তার ধানের শীষে একটি করে ভোট দিতে বলবেন।

এ নারী সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, দর্শনা পৌর বিএনপি’র সাবেক সিনিয়ার সহ-সভাপতি ও সমন্বয়ক কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান বুলেট, পরানপুর একতা ক্লাবের সভাপতি ইন্তাজুল ইসলাম, একতা ক্লাবের উপদেষ্টা জাকির হোসেন, বকুল মালিতা, মিলন জোয়ার্দ্দার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, হাবিবুর রহমান হাবু।




দর্শনায় জামায়াতের বিশাল গণমিছিলে রুহুল আমিন

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ১১দল সমর্থিত ও জামায়াত মনোনীত দাড়িপাল্লার প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ রুহুল আমিনের পক্ষে বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দর্শনা থানা শাখার উদ্যোগে গতকাল রবিবার বাদ আসর দর্শনায় এই গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। দর্শনা বাসষ্ট্যান্ড থেকে শুরু করে মিছিলটি রেলবাজার, রেলগেট, পুরাতনবাজার, থানা মোড়, ইসলামবাজার, রেলইয়ার্ড হয়ে রেলবাজারস্থ শহীদ শাহরিয়ার মুক্ত মঞ্চে এসে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

দর্শনা থানা আমীর মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমীর ও জাতীয় সংসদ পদ প্রার্থী মোঃ রুহুল আমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল কাদের, এবি পার্টির জেলা সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিসোর জেলা সেক্রেটারী জুবায়ের খান, এনসিপির জেলা আহবায়ক খাজা আমিরুল বাশার বিপ্লব, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এস এম শাহজাহান কবির, মাজলিসুল মুফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আবু জার গিফারী, দর্শনা থানা নায়েবে আমীর মাজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, দামুড়হুদা যুব জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক, দর্শনা পৌর আমীর মোঃ সাহিকুল আলম অপু, মদনা ইউনিয়ন আমীর হাফেজ শহিদুল ইসলাম, কুড়–লগাছী ইউনিয়ন আমীর সদেকীন, বেগমপুর ইউনিয়ন আমীর মোশারফ হোসেন, নেহালপুর ইউনিয়ন আমীর লিটন মল্লিক, তিতুদহ ইউনিয়ন আমীর মোঃ রাফিজুল ইসলাম, গড়াইটুপি ইউনিয়ন আমীর মোঃ ইউনুছ আলীসহ সকল ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ্ব।

মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ১১ দল সমর্থিত ও জামায়াত মনোনীত দাড়িপাল্লার প্রার্থী জেলা আমীর মোঃ রুহুল আমিন বলেন- আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে দর্শনা-দামুড়হুদা ও জীবননগরের সকল মানুষের মধ্যে একটাই স্লোগান উঠেছে সব দল দেখা শেষ দাড়িপাল্লার বাংলাদেশ। আমরা এই স্লোগানের সন্মান জানাতে চাই। আমরা জনগনকে আশ্বস্থ করতে চাই আপনারা যে স্লোগান তুলেছেন, সেই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশটাকে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ। আমরা মানুষকে স্বাধীনভাবে নিরাপত্তার সাথে নিজ বাড়ীতে ঘুমানোর গ্যারান্টি দিতে চাই। হয়রানি মূলক মামলা কিংবা হয়রানি করে বাড়ী ছাড়া করতে চাইনা। আমরা মানুষের ঘর বানাতে চাই, ঘর ভাংতে চাইনা। আমরা মানুষকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে চাই, শত্রু হিসেবে গ্রহণ করতে চাইনা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, সেটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, আমরা এই সৌন্দর্যকে সাথে নিয়ে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করতে চাই। রাজনীতির ময়দানে কিলাকিলি বন্ধ করে কুলাকুলির সংস্কৃতি চালু করতে চাই।

আমরা ব্যবসায়ীদেরকে নিরাপত্তার সাথে ব্যবসা করার গ্যারান্টি দিতে চাই। ব্যবসায়ীদের চাঁদা দেবার যে সাংস্কৃতি চালু হয়েছে তা চিরদিনের মতো কবর দিতে চাই। আমরা ঐক্যবদ্ধ ও চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা দূর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত বাংলদেশ গড়তে চাই। আমরা আপনাদের হাতে বাংলাদেশের চাবী রাখতে চাই, যেন ফ্যাসিবাদ আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে আর না পারে। আর সেই জন্য দাড়িপাল্লার পক্ষে আপনাদের ভোট চাই।

১১দলের পক্ষে যদি আপনারা ভোট দেন আমরা আপনাদের স্লোগানকে সন্মান দিয়ে বলছি- আমরা আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করে দেব, দেশ বেকারমুক্ত হবে, দূর্ণীতিমুক্ত হবে, চাঁদাবাজ মুক্ত হবে, ক্ষুধা মুক্ত হবে, দুঃশাসনমুক্ত হবে ইনশাল্লাহ। আমরা জুলাইয়ের রক্তকে সন্মান জানিয়ে দেশটাকে ঢেলে সাজাতে চাই। আমরা দর্শনা, দামুড়হুদা ও জীবননগরকে সাজিয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করতে চাই। আপনারা আসুন আমাদের সাথে।

নির্বাচনের এই শেষ মিছিলে দর্শনা থানা সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী যোগ দেয়ায় ক্ষণিকের জন্য দর্শনা মিছিলের শহরে পরিণত হয়। পথচারীরা মন্তব্য করেন অনেক বচর এত বড় রাজনৈতিক মিছিল দর্শনাবাসী দেখেনি।




দামুড়হুদায় মাদকসেবীদের তাণ্ডবে কৃষকের সোনাঝরা ফসল ধ্বংস; লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের জয়রামপুর হাজীপাড়ার মাঠে মাদকসেবীদের নৃশংস তাণ্ডবে এক কৃষি উদ্যোক্তার সোনাঝরা ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে কলা বাগানে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার এলাকার বাসিন্দা কৃষি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার মাসুম জয়রামপুর হাজীপাড়ার মাঠে দীর্ঘদিন ধরে কলা, কচু , বেগুন, হলুদ, সরিষা,ওল, পেঁপে, বিভিন্ন প্রকার আমের বাগান, লিচু বাগান সহ বিভিন্ন ফসলের চাষ করে আসছেন। আগে পরিত্যক্ত পড়ে থাকা জমিগুলো তিনি আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের আওতায় এনে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলেও একটি মাদকাসক্ত চক্র এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, রাতের আঁধারে মাদকসেবীরা মাঠের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে কলাবাগানে ভয়াবহ ক্ষতিসাধন করে। পরিত্যক্ত বিষের পলিথিন ও শুকনো পাতা ব্যবহার করে কলাগাছের মাথায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে একাধিক কলাগাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়, অনেক গাছ ভেঙে ফেলা হয়। ফলে কলার মোচা ও পাতাসহ পুরো বাগান মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে। এতে প্রায় দুই লক্ষ টাকার অধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী কৃষক।

কৃষি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার মাসুম জানান, “এর আগেও আমার বাগানের অনেকগুলো ফলন্ত মোটা লিচু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, ফসল নষ্ট করা হয়েছে, এমনকি কাঁটাতারের বেড়া চুরি করে নিয়ে গেছে। স্থানীয়ভাবে সবাই জানে, একটি মাদকাসক্ত চক্র এসব করছে। আমি কৃষিকাজ শুরু করায় তারা তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা পাচ্ছে বলেই পরিকল্পিতভাবে ফসল নষ্ট করছে।

স্থানীয়রা জানান, জয়রামপুর হাজীপাড়ার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল হিসেবে পরিচিত। মাঠটি নির্জন হওয়ায় সন্ধ্যার পর সেখানে সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম থাকে। এই সুযোগে তারা নিয়মিত মাদক সেবন ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ কৃষক ও এলাকাবাসী দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী কৃষক জানান, তিনি এ বিষয়ে দামুড়হুদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন। কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদনের স্বার্থে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার দ্রুত বিচার এবং কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এবিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, এবিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




নতুন পোশাকে শিশুর চোখে নতুন স্বপ্ন জাগালো আলমডাঙ্গা মানবাধিকার কমিশন

নতুন ড্রেসে নতুন স্বপ্ন, আলমডাঙ্গার নান্দবারে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন।

“ছোট্ট সহায়তায় বড় আশা” এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মানবিক কার্যক্রমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখা। গতকাল  রবিবার বেলা ১২টার সময় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখার উদ্যোগে নান্দবারব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর হাতে নতুন স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখার সভাপতি আল আমিন হোসেন পরশ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির টুলু, উপস্থিত ছিলেন আসমানখালী ক্যাম্পের ইনচার্জ ফিরোজ আহমেদ, ক্যাম্পের উপ পরিদর্শক শাহরিয়ার তপু, মানবাধিকার কর্মী চঞ্চল হোসেনসহ স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ। এসময় নতুন পোশাক ও ব্যাগ হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।

জানা গেছে, চলতি বছর সংস্থাটির পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণে নগদ অর্থ ও টিন সহায়তা প্রদান করা করেছে। তীব্র শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন শীতার্তদের মাঝে ৪০০ এর অধিক কম্বল বিতরণ করা করেছে। এছাড়াও মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনার সময় ৪৬ ব্যাগ রক্তসহ গত বছর এপ্রিল মাস থেকে এখন পর্যন্ত ১০৭ ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করেছে শাখাটি।

সভাপতি আল আমিন হোসেন বলেন, “আমরা অসহায় মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।




দুধ কলা খেয়ে বড় হয়ে এখন কাল সাপের মত আচরণ -জয়ন্ত কুমার কুন্ডু

স্বাধীনতার পর একটি দল আমাদের সঙ্গে থেকে দুধ কলা খেয়ে বড় হয়ে এখন কাল সাপের মত আচরণ করছেন। গতকাল রবিবার বিকেলে কোটচাঁদপুর হাইস্কুল মাঠে ঝিনাইদহ-৩ আসনের নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপি’র খুলনা বিভাগের সহ-সাংগাঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু।

তিনি বলেন, ওই দলটি কখনও আমাদের সঙ্গে কখনও পতিত আওয়ামীলীগের সঙ্গে কখনও জলে জঙ্গলে থেকে গুপ্ত রাজনীতি করেছেন। এখন তারা কথায় কথায় বলেন, বিএনপি চাঁদাবাজি করে। বিএনপি দখলবাজি করে। আর তাদের ভাবটা এমন, ঠাকুর ঘরে কেরে,আমি কলা খায়নি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহেশপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মেহেদী হাসান (রনি), কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কে এম আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কেন্দ্রীয় জাসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী  মনির খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিঠুন কুমার দাস।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নেতা ইঞ্জিনিয়ার মমিনুর রহমান (মমিন), উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুজ্জামান খান মুকুল, যুব দলের সদস্য সচিব মাহফুজুল আলম মামুন, পৌর ছাত্র দলের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার বাধন রাজবীর (নিশু)। তারা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীর্ষ প্রতিককে বিজয়ী করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রুখে দিতে দেশ বিরোধী অপশক্তিকে।

সভা উপলক্ষে এ দিন দুপুর থেকে কোটচাঁদপুর উপজেলা ও পৌর সভার ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে কোটচাঁদপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে থাকে। সভা শেষে বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে বিশাল মিছিল বের হয়। এরপর মিছিলটি শহরের বিশেষ বিশেষ সড়ক ঘুরে বাজার চত্বরে এসে শেষ হয়।

সভা সঞ্চালনা করেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন খোকন।