মুজিবনগরে আমিরুল ইসলামের গণসংযোগ ও পথসভা

মেহেরপুর-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী ও দারিয়াপুর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি বাস্তবায়নসহ ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে গণসংযোগের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে পৌঁছালে ভবানীপুর গ্রামের বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। তিনি মোনাখালী ইউনিয়নের ভবানীপুর, রামনগর, গোপালনগর, দারিয়াপুর ইউনিয়নের গৌরীনগর, মহিষনগর, গোপিনাথপুর এবং পুরন্দরপুর গ্রামে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ, পথসভা ও ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন।

এ সময় সাধারণ জনগণের মাঝে তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি বাস্তবায়নসহ ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রদানে জনগণকে উৎসাহিত করেন তিনি। এ সময় মোনাখালী ও দারিয়াপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান এবং আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জাতীয়তাবাদী দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার অঙ্গীকার করেন।

গণসংযোগকালে পথসভায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “১৬ বছর আওয়ামী লীগের জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন একটি দেশ পেয়েছি। আপনারা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে শক্তিশালী করে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়ে ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের সফলতা নিয়ে আসবেন।”
তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যাকে ধানের শীষের প্রতীক দিয়ে আমাদের মাঝে পাঠাবেন আমরা তার হয়ে একযোগে ধানের শীষের পক্ষে ভোট করে তার বিজয় সুনিশ্চিত করব।”

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন, বাগোয়ান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইসলাম আলী, মোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রায়হান কবীর, সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান টুটুল, দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান ভিকু, মুজিবনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম, দারিয়াপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, মেহেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিম আহনাফ লিংকনসহ মোনাখালী ও দারিয়াপুর ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামের বিএনপি নেতা-কর্মীবৃন্দ।

এছাড়াও মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় দশমী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে নওজোয়ান সংঘ জয়ী

দামুড়হুদার দশমী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে নওজোয়ান সংঘ বনাম দামুড়হুদা স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে সেমিফাইনালের প্রথম খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪ টার দিকে দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুল মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় নওজোয়ান সংঘ ১ – ০ গোলে দামুড়হুদা স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে। ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন নওজোয়ান সংঘের ১০ নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় সুমন।রেফারি হিসাবে ছিলেন লিটা হোসেন, পারভেজ, ইমাম হোসেন। ধারাভাষ্য ছিলেন শামীম খাঁন।

এসময় মাঠে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন ও ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়ের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু।

টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক একরামুল হোসেন মেম্বারের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম – সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাশেম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম- আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আফজালুর রহমান সবুজসহ আব্বাস, জানু, হাফিজুর, জাহাঙ্গীর, মামুন, রাজু, সজিব, খরসেদ, দিপু, টগর, শুভ, ইউনুস, জিল্লু, আশিক প্রমূখ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন টুর্নামেন্ট কমিটির যুগ্ম- আহবায়ক আমিনুল ইসলাম রশিদ।




আলমডাঙ্গা একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ

আলমডাঙ্গা একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮ টার সময় একাডেমিক প্রাঙ্গণে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

২০২৪ সালের সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত, ২০২৫ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ ৫.০০ প্রাপ্ত ও বৃত্তি প্রাপ্ত সহ মেডিকেল কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাডেট কলেজে চান্সপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা-২০২৫ দেওয়া হয়।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমায়রা শারমিলা ও নুসরাত জাহান মীম এর উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ মোঃ মফিজুর রহমান।

আলমডাঙ্গা একাডেমির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও দর্শনা ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ ড: আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সমাজসেবা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আবু তালেব,আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ সহকারী অধ্যাপক ড: মাহাবুব আলম।

এছাড়াও কৃতি শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাসিন আবরার, মিসবাউল হক অনন, হামিম রেজা, তাফিয়া নুর অন্তি, নানজিবা রাইসা সিনথিয়া, ইকবাল মাহমুদ সানভী বক্তব্য দেয়। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন: মিসবাউল হক অনন এর পিতা মোঃ এনামুল হক।

উক্ত অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত, ২০২৫ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ ৫.০০ প্রাপ্ত ও বৃত্তি প্রাপ্ত সহ মেডিকেল কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাডেট কলেজে চান্সপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

২০২৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় ১ জন ট্যালেন্টপুল, ১০ জন সাধারণ গ্রেড প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, ২০২৫ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় ৮৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৭ জন জিপিএ ৫.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, তার মধ্যে ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ০৭ জন, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ০২ জন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ০৮ জন এবং ক্যাডেট কলেজে ০৪ জন শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে পরিচালনা পরিষদের সকল সদস্য ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক/অভিভাবিকা মন্ডলী এবং সুধী জন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন দেশ গড়ার লক্ষ্যে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ একান্ত প্রয়োজন।শিক্ষার্থীদের অনুশাসনের পাশাপাশি স্নেহময় শীতলতা অবগাহন একান্ত প্রয়োজন। আলমডাঙ্গা একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাফল্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।




রাজনীতির ভিতর ধর্ম আনতে চায় না, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার

কোনো সংখ্যা গুরু বুঝিনা, কোনো সংখ্যা লঘু বুঝিনা, আপনারা আমার ভাই। আমরা সবাই ভাই ভাই। ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করি, রাজনীতির ভিতর ধর্ম আনতে চায় না। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি জীবননগর পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। বিজিএমই ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু আরো বলেন জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে আমাদের একটাই পরিচয় আমরা বাংলাদেশের মানুষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জীবননগর পৌর বিএনপি’র সভাপতি শাহজাহান কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ঠান্ডু, বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদসহ দলীয় নেতাকর্মীর। এছাড়াও পূজামন্ডপ কমিটির সদস্য ও সনাতন ধর্মাবলম্বীর মানুষরা উপস্থিত ছিলেন।




দাড়িপাল্লায় ভোট দিলে জিতে যাবে জনগণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনিত চূয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি পদপ্রার্থী জেলা আমীর এডভোকেট রুহুল আমিন জীবননগর শহরে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার সময় তিনি জীবননগর জামায়াত অফিস থেকে জীবননগর শহরের চ্যাংখালী রোড পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে গণসংযোগ করেন। গণসংযোগ কালে তিনি বলেন, দাড়িপাল্লায় ভোট দিলে জিতে যাবে জনগণ।

জামায়াতে ইসলামী সাধারণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠি চাওয়া পাওয়া কে মাথায় নিয়ে দেশ পরিচালনা কররে। দাড়িপাল্লা সাধারণ মানুসের প্রিয় প্রতীক। তিনি বলেন, যারা আপনাদের বন্ধু হবেনা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করুন। আমরা আপনাদের উত্তম বন্ধু হতে চাই।

জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে এ দেশে উন্নতি আর দূর্নীতি একসাথে চলবে না। সবরকম দূর্নীতিকে জাদুঘরে পাঠানো হবে।

টাকা ছাড়াই আপনার সন্তানকে চাকুরির ব্যবস্থা করতে চাই। জামায়াত মানুষের হক তার দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। আমরা শাসক নই বরং জনগণের সেবক হতে চাই। জীবননগর হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করে স্বাস্থ্য সেবার মান আরো উন্নত করা হবে। তিনি আরো বলেন, বৈচিত্রময় কৃষি প্রধান জীবননগর এলাকায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট আসাদুজ্জামান, জেলা তালিমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিনি পরষিদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, জীবননগর উপজলো আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমান, নায়েবে আমীর সাখাওয়াত হোসেন, হাফেজ বিল্লাল হোসেন, জীবননগর উপজলোর সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর, মাওলানা সাইদুল হক, আইটি সম্পাদক হারুন অর রশীদ, উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা আল আমিন, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি কামাল উদ্দীন, জীবননগর পৌর আমীার হাফেজ ফিরোজ হোসেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, পৌর সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল, জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম, মোজাম হোসেন মিয়া, আতিয়ার রহমান, গোলাম মোস্তফা, পৌর যুব সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ারদ্দার, শ্রমিক নেতা সিরাজ উদ্দীন, মোহাম্মদ আলী, যুবনেতা মোমিনল ইসলাম, আব্দুল মোতালেব, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন, আলমগীর হোসেন, মোঃ সুজন মিয়া, সায়মুম শাহরিয়ার প্রমুখ।




দর্শনায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদীয় উৎসব।

সকালে ৬টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিহিত পূজা। এরপর হয়েছে দর্পণ ও বিসর্জন। বিজয়া দশমীতে স্থানীয় আয়োজন ও সুবিধামতো সময়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জন দেয় ভক্তরা। হিন্দুশাস্ত্র মতে, এদিন দেবী দুর্গা মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন দোলায় চড়ে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের অসুরিক প্রবৃত্তি, কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এসব প্রবৃত্তি বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

দুর্গার বিদায়ের আগে মন্ডপে মন্ডপে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠে পুরুষ-নারীরা। দেবীর চরণের সিঁদুর নিয়ে নিজেদের রাঙিয়ে তুলছিলেন তারা। শাস্ত্রমতে, স্বামীর মঙ্গল কামনায় দশমীর দিন নারীরা দেবী দুর্গার সিঁথিতে দেওয়া সিঁদুর নিজের সিঁথিতে লাগিয়ে আশীর্বাদ নেন। পান ও মিষ্টি নিয়ে দুর্গা মাকে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর একে অপরকে সিঁদুর লাগিয়ে দেন তারা। সিঁদুর খেলা শেষে শেষবারের মতো দেবীর আরাধনা করেন তারা।

দর্শনা মাথাভাঙ্গা নদীতে ৬ টি প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ করে বিজয়া দশমী। দশর্না হরিজন পূজা মন্ডপ , পুরাতন বাজার পূজা মন্ডপ, কেরুজ পূজা মন্ডম, রামনগর দাসপাড়া ও আদিবাসী পাড়া এবং পারককৃষ্নপুর পূজা মন্ডপ জাঁকজমক পূর্নভাবে মাথাভাঙ্গা নদীতে বিসর্জন দেয়।

সময় ভক্তরা ঢোলের তালে তালে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় দূর্গা উৎসব।




আলমডাঙ্গা বাউল সাধুগুরু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আলমডাঙ্গা বাউল সাধুগুরু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শরৎকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় আলমডাঙ্গার স্টেশনরোডে বাউল সাধুগুরু ফাউন্ডেশনের অফিসে পুরস্কার বিতরণী পূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, আলাউদ্দিন বাউল সাধুগুরু ফাউন্ডেশনের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলাম। তিনি বলেন, আপনারা যারা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত তারা সবসময় নিজেদেরকে সঠিক পথে চলার চেষ্টা করেন। আমি আশা করবো আলমডাঙ্গা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আপনাদের উপস্থিতি সকলকে বিকশিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, একরামুদৌল্লা ঝিন্টু। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন পলাশ আহমেদ, ইয়ামিন আলী, শফিকুর রহমান জীবন, পলাশ আহমেদ, কবি সিদ্দিকুর রহমান, জয়ন্ত বিশ্বাস, রাজিব, ইসমাইল হোসেন, ইয়ামিন আলী, রফি উদ্দিন, বাবলু, প্রমুখ।

সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় কে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি সকল শিল্পীদের বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।




দামুড়হুদায় শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন ও প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন

দামুড়হুদা উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা শেষে শান্তিপূর্ণভাবে সবগুলো প্রতিমা বিসর্জন সম্পূর্ণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুর্গা পূজার শেষের দিন উৎসবমুখর পরিবেশে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়। এ বছর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও দর্শনা পৌরসভা মিলিয়ে মোট ২১টি পূজা মন্ডপে এই ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, পূজার শুরু থেকেই প্রতিটি মন্ডপকে সাজানো হয়েছিল বর্ণিল আলোকসজ্জা, প্যান্ডেল ও ভাস্কর্য শিল্পের মাধ্যমে। প্রতিটি মন্ডপে ভক্তরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আসছিলেন‌ এবং আরাধনা, মন্ত্রপাঠ ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করছিলেন। বিশেষ করে দেবী দুর্গার মমতা ও কল্যাণময় শক্তিকে স্মরণ করে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় আচরণ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রশাসনের নজরদারিতেও এবছর পূজা উদযাপন শান্তিপূর্ণ ও সুসংগঠিত ছিল। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতিটি মন্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও উৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও সহায়তা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি শুরু হয়। স্থানীয় নদী ও পুকুরে দেবী দুর্গার প্রতিমা সম্মানজনকভাবে বিসর্জন করা হয়।

ভক্তরা আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে ভাসমান প্রতিমার দিকে প্রণাম করেন, যা এই উৎসবকে আরও ধর্মীয় ও আনন্দময় করে তুলেছে। স্থানীয়দের মতে, এবছরও দুর্গাপূজা উদযাপন সকলের জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ এবং আনন্দঘনভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ববোধ বজায় রেখে ভক্তরা উৎসব উদযাপনে অংশগ্রহণ করেছেন। এ বছর প্রতিটি মন্ডপে প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকায় কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থেকে পূজার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সবাই মিলিতভাবে শারদীয় দুর্গার পুণ্য ও কল্যাণ কামনা করেছেন। উৎসবের আনন্দে ছোট-বড় সব বয়সের মানুষরা অংশ নিয়েছে, যা স্থানীয় ঐক্য, বিশ্বাস ও ধর্মীয় চেতনার পরিচায়ক হয়ে উঠেছে। দামুড়হুদার প্রতিটি মন্ডপের ভক্তরা এবছরের পূজাকে স্মরণীয় ও সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন।

হাউলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইউসুফ আলি বলেন, সনাতন ধর্মীবলম্বী মানুষগুলি এবার সুষ্ঠু সুন্দরভাবে পূজা উদযাপন করেছে। কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা বিসর্জন দিয়েছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষগুলি। হাউলি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূজা উদযাপন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষগুলী। আমার জানামতে কোথাও কোনো অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিমা তৈরীর পর থেকেই আমরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আমরা নজরদারিতে রেখেছিলাম যাতে কোথাও কোনো আপত্তিকর ঘটনা না ঘটে। সেই লক্ষ্যে আজ শান্তি শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মের মানুষগুলো তাদের প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছে। কোনো আপত্তিকর ঘটনা ছাড়াই দামুড়হুদায় খুব সুন্দর ভাবে ১৩ টি প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছেন।




আলমডাঙ্গায় বিদায়ী সুরে ঢাকের সাথে উলুধ্বনিতে দূর্গার বিসর্জন

আলমডাঙ্গায় মেঘলা আকাশে মাঝারি বৃষ্টিতে মা দূর্গার বিদায়ী সুরে ঢাক আর উলুধ্বনিতে বিসর্জন দিয়েছে মা দূর্গার মৃন্ময়ী প্রতিমা।

বিজয়া দশমী সিঁড়ির খেলার শেষে বিদায়ী করুন সুরে মা দূর্গার প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে আলমডাঙ্গা সহ সারাদেশে। শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমী। মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তরা আজ দেবী দুর্গাকে সিঁদুর দিয়েছেন। খেলেছেন সিঁদুর খেলা।আজ দুপুরের পর আরতি, শোভাযাত্রাসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

আজ সকালে মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, পূজার প্রস্তুতি নিয়ে ভক্তরা দলে দলে মণ্ডপে জড়ো হচ্ছেন। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে শুরু হয় বিজয়া দশমী বিহিত পূজা। পূজা শেষে ভক্তরা দেবীর দর্পণ বিসর্জন করেন। শাস্ত্রমতে দেবীর দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শেষ হয়েছে। মা বিদায় নিয়েছেন। তারপর ভক্তরা অঞ্জলি দিয়েছেন। ভক্তরা মাকে সিঁদুর দিয়েছেন ও সকল বিবাহিত নারী ও নারীদের স্বামীর মঙ্গল কামনায়,দীর্ঘায়ু জীবনের আশায় সিঁদুর দিয়েছেন, যাকে আমরা বলি সিঁদুর খেলা। মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বিদায় জানিয়েছেন।
পূজার পর অঞ্জলি দেওয়া শুরু হয় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। এ সময় ভক্তদের জন্য হাতে হাতে অঞ্জলির ফুল দেওয়া হয়। ফুল হাতে পুরোহিতের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা মন্ত্র বলেন। মন্ত্র পাঠ শেষে ভক্তরা অঞ্জলির ফুল তুলে দেন। তখন উলুধ্বনি বাজিয়ে মা দুর্গাকে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়।

স্ত্রীকে সাথে নিয়ে পূজা মন্ডপে এসেছেন অমল কুমার বিশ্বাস। তিনি মেহেরপুর প্রতিদিন কে বলেন ‘মায়ের আশীর্বাদে সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সুখ আর সমৃদ্ধি। অন্যায়ের অন্ধকার দূর হোক, সত্য ও ন্যায়ের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। মায়ের কাছে এই প্রার্থনাই করেছি।’

স্ত্রী কন্যাকে সাথে নিয়ে বিজয়ার অন্তিম দিনে পূজা মন্ডপে এসেছেন এসিআই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি সুজিত কুমার শীল।তিনি বলেন বলেন, ‘ধর্ম, বর্ণ–নির্বিশেষে সবার জন্য মা দুর্গার কাছে আশীর্বাদ চেয়েছি। যাতে সবার মঙ্গল হয়। এ বছর পূজা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলায় মোট ৩৫ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা স্থান পেয়েছে।কালীদাসপুর পূজা মন্ডপে এক অনান্য নজীর সৃষ্টি করেছে।সাম্প্রতিক সম্প্রতির এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। মন্ডপের পাশেই রয়েছে মসজিদ। শুধুমাত্র একটি পাঁচ ইঞ্চির প্রাচীর আলাদা করেছে দুই ধর্মের মানুষকে।কিন্তু পূজার সকল কর্ম,যেমন মন্ডপ তৈরি,আলোকসজ্জা,নিরাপত্তা ব্যাবস্থা সকল কাজই করে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ।

এছাড়াও রথতলা,হরিতলা,আনন্দধাম,স্টেশন পাড়ায় খুব ধূমধাম করে প্রতিবছর শারদীয় দুর্গোৎসবের পালন করা হয়।আলমডাঙ্গায় কোল ভীল,ব্যাদ সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ বসবাস করে।এই শারদীয় দুর্গোৎসবে তাদের ভক্তি সাধনার অজ্ঞলি আর নৃত্য গানে ভরে উঠে আকাশ বাতাস।




প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মেহেরপুরে শেষ হয়েছে দুর্গাপূজা

ঢাকের বাদ্য আর আবীর খেলার মধ্য দিয়ে মেহেরপুরে বিসর্জন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মহালয়ার মধ্য দিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে এই পূজার উৎসব শুরু হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে বিজয়া দশমীতে বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি হলো দুর্গাপূজার। বিকেল থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা বা দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা ছিল মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর শহরের শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, নায়েববাড়ি মন্দির, হরিসভা মন্দির, বকুলতলা পূজা মন্দির, হরিজন বালক পূজা মন্দির, সদর উপজেলার গোভীপুর বায়পাড়া দুর্গা মণ্ডপ, গোভীপুর দাসপাড়া দুর্গা পূজা, বামনপাড়া সর্বজনীন কালী মন্দির, পিরোজপুর দুর্গা মন্দির, পিরোজপুর কালীমাতা দাসপাড়া মন্দির, মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাবুপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কোমরপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মোনাখালী পূজা মণ্ডপ, রতনপুর দাসপাড়া পূজা মণ্ডপ, বল্লভপুর পূজা মণ্ডপ, এবং দারিয়াপুর পূজা মণ্ডপ মেহেরপুর ভৈরব নদে বিসর্জন দেওয়া হয়। এছাড়াও গাংনীতে কাজলা নদে বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন করা হয়।

উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলায় মোট ৩৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলায় ১৪টি, গাংনীতে ১৮টি এবং মুজিবনগর উপজেলায় ৭টি মণ্ডপ ছিল।

কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় মেহেরপুর জেলা পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জেলা বাসী ও জেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে।