মুজিবনগরে পিএসকেএস এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ

মেহেরপুরের মুজিবনগরে পলাশী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতর নিজস্ব অর্থায়নে বিনামূল্যে ফলজ গাছের চারা বিতরন করা হয়েছে।

রবিবার বিকেলে মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নে সাধারণ জনগণের মাঝে ২শত ৫০ টি পেয়ারা গাছের চারা এবং ২শত ৫০ টি কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দেশিও ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির কর্মসংস্থান সৃষ্টি রিজিওনাল ম্যানেজার সেলিম রেজা। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন প্রবীণ সভাপতি আফজাল হোসেন এবং সহ-সভাপতি গন আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমন্বয়কারী হাসানুজ্জামান , সহকারী উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী রহিম আক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইয়াস্তুরা সুলতানা।




চুয়াডাঙ্গায় ৬ বিজিবির অভিযানে চোরাচালানপণ্য উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সীমান্তে ৬ বিজিবি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মাদক ও শাড়ী থ্রী পিচ উদ্ধার করেছে।গত তিনদিনে দর্শনা, বারাদী, ঠাকুরপুর, মুন্সিপুর, হুদাপাড়া এবং আনন্দবাস বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে এ সব চোরাচালানপন্য উদ্ধার করে।

এ অভিযানে ২৫ বোতল ভারতীয় মদ, ৫৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ৪৩ পিস ভারতীয় শাড়ী, ২৯২ পিস বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক্স, ০১টি ভারতীয় আইফোন এবং ৮০ পিস মোবাইল ডিসপ্লে ছাড়াও অন্যান্য চোরাচালানপণ্য আটক করে।

দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিজিবি।




গাংনীতে পিএসকেএস এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ

মেহেরপুরের গাংনীতে পলাশী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতর নিজস্ব অর্থায়নে বিনামূল্যে ফলজ গাছের চারা বিতরন করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নে সাধারণ জনগণের মাঝে ২৫০ টি পেয়ারা গাছের চারা এবং ২৫০ টি কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়।

সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, সবুজ শ্যামল করার জন্য পলাশী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতি এই উদ্যোগ গ্ৰহণ করে। এই বৃক্ষ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে আমাদের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করবে এবং আমাদের দেশীয় ফলের চাহিদা মেটাবে।

উক্ত বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর ইউনিয়ন প্রবীণ কমিটির সহ সভাপতিসহ সদস্যরা, সাহেব নগর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, পিএসকেএস এর পরিচালক কর্মসূচী মোঃ কামরুল আলম, উপজেলা কর্মসূচী সমন্বয়কারী মোঃ জামিদুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা কর্মসূচী সমন্বয়কারী মোঃ রাকিবুল ইসলাম,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোছাঃ সাবিহা সুলতানা এবং কর্ম সংস্থান সৃষ্টি কর্মসূচির শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ ওমর ফারুক এসময় উপস্থিত ছিলেন।




স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্মারকলিপি প্রদান

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত ১ হাজার ৭৭২টি অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ, মেহেরপুর জেলা শাখা।

আজ রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার ‘সভাপতি ইনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক রূপালী খাতুন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিবন্ধী বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসনে এসব বিদ্যালয়ের অবদান অপরিহার্য।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়স গুলোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতির আওতায় আনার লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০০৯ ও ২০১৯ সালে বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইন আবেদন আহ্বান করা হয়।

সেই প্রক্রিয়ায় মোট ২ হাজার ৭৪১টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে, যার মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৭৭২টি প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হয়।

তবে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয় যে, ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এসব বিদ্যালয়ের পরিদর্শন কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা স্থগিত রাখা হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্মারকলিপিতে অবিলম্বে এসব বিদ্যালয়কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির কার্যকর নির্দেশনা জারি করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়। বলা হয়, “রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত হলে শিক্ষকরা না খেয়ে থাকবেন না এবং প্রতিবন্ধী শিশুরাও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না।”




জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতি সভা

আগামী ৫-ই আগষ্ট ” জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ” উৎযাপন উপলক্ষ্যে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন এর সভাপতিত্বে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ” জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ” যথাযথভাবে উৎযাপনের লক্ষ্যে নিম্নলিখিত কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আগামী ০৫ -ই আগষ্ট সকাল ১০ টা জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল ১১ টা আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষক দম্পতিকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়নের তিল্লা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক কৃষক দম্পতিকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষরা।

বর্তমানে ওই দম্পতি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো-তিল্লা গ্রামের মৃত ভাটাই মন্ডলের ছেলে জামির আলী (৫০) ও তার স্ত্রী সুখজান বেগম (৪৫)।

আহতের স্বজনরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সুতে পাওয়া জমি নিয়ে তার ভাই আমিরের সাথে তার বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে শনিবার বিকেলে আমির হোসেন, তারস্ত্রীসহ লোকজন জামিরের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীর জামির ও সুখজান বেধড়ক মারপিট করে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, মারপিটের ঘটনায় এখনও থানায় অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




ঝিনাইদহে টানা বৃষ্টিতে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে

ঝিনাইদহে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে জেলার ছয়টি উপজেলার হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সদর, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, কালীগঞ্জ, হরিণাকুন্ডু ও শৈলকূপা উপজেলায় সবজি ক্ষেত, ধানের বীজতলা ও সদ্য রোপণ করা আমন ধান ডুবে গেছে।

বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক কৃষক এখনও জমিতে নতুন করে ধান রোপণ করতে পারছেন না।

সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের কৃষক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমার দুই বিঘা জমির ধান তলিয়ে গেছে। পানি কবে নামবে জানি না। পানি নেমে গেলে আবারও ধানের চারা রোপণ করতে হবে। কিন্তু এখন চারা পাব কোথায়?”

কোটচাঁদপুরের কৃষক আশাদুল ইসলাম বলেন, “টানা বৃষ্টিতে আমার এক বিঘা জমির ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে রোপণ করলেও ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সময় লাগবে।”

মহেশপুরের রমজান আলী বলেন, “আমারসহ অনেক কৃষকের জমি ডুবে আছে। চিন্তার ভাজ কপালেÑএই বছর আমন ধান আদৌ ঘরে তুলতে পারব কিনা জানি না।”

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্ঠি চন্দ্র রায় বলেন, “কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের সহায়তায় বাঁধ অপসারণের কাজ চলছে। বেশ কিছু জায়গায় সমস্যা সমাধান করা হয়েছে, বাকি অংশেও কাজ চলছে।”

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঝিনাইদহ জেলার ছয়টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।




গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষক শওকত আলী নিহত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শওকত আলী (৫৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
নিহত শওকত আলী ভাটপাড়া গ্রামের মৃত ফরাতুল্লাহ কাজীর ছেলে।

আজ রবিবার (৩ জুলাই) সকাল ১১ টার সময় নিজ জমির মটারের বিদ্যুৎ লাইনের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বেলা ১১ টার দিকে কৃষক শওকত আলী নিজের জমির মটার চালু করতে সুইচ দিতে যান। এসময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাত ও বুকের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তবে, একটি সূত্র জানান, কৃষক শওকত আলীর মটারের বিদ্যুতের লাইনটি দীর্ঘদিন যাবৎ ফুটো হয়ে ছিল। মাঝে মধ্যে সেখানে স্কসটেপ দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে সেটি সচল রাখতেন। আজকেও সেই ফুটো জায়গায় স্কচটেপ মোড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।




মেহেরপুরে এসএসসি ৯১ ব্যাচের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

মেহেরপুরে জেলা ১৯৯১ সালের এসএসসি ব্যাচের উদ্যোগে কৃতি সন্তান সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে মেহেরপুর সরকারী কলেজের ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তন এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা এসএসসি ৯১ ব্যাচের জেলা সমন্বয়ক মেহেরপুর সরকারী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাউছার আলীর সভাপতিত্বে এবং মেহেরপুর পৌর কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ আলিবদ্দীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ শেখ বখতিয়ার উদ্দীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ এ কে এম নজরুল কবীর, মেহেরপুর সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক খেজমত আলী মালিথ্যা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আহাম্মদ আলী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রকিবুল হাসান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিরিন সুলতানা ও কৃতি সন্তানদের পক্ষ থেকে মুবাশ্বিরা রহমান।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর ব্যাচের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা এসএসসি ব্যাচের যে সকল সদস্যদের সন্তানরা যারা বিভিন্ন পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন তাদেরকে ব্যাচের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।




বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিট পদ্মা জোনের ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকাল দশটায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের তথ্য ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আবু হুরাইরা। অনুষ্ঠানে বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে ইউনিটের সভাপতি রাসেল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ৮ম বার্ষিক উদযাপন কমিটির আহবায়ক ইয়াসিন আরাফাত। অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক প্রতিবেদন ও আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের সহ-সভাপতি হাসিবুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ জান্নাতুল আইরিন।

আলোচনা সভায় বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ হাবিবের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের সিনিয়র শিক্ষক উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান। এ সময় অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাঁধন সংগঠন সেচ্ছায় রক্তদাতাদের একটি সংগঠন। ২০১৭ সালে থেকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে এই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। আমরা দেখে আসছি একঝাঁক তরুণ তরুণী এই সংগঠনের হয়ে বিভিন্ন মানুষের রক্তের চাহিদার প্রেক্ষিতে রক্ত জোড়াগ করা রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা এবং রক্তদানে শিক্ষার্থী সহ সাধারণ মানুষের উদ্বুদ্ধ করার মতো সৃজনশীল কাজ তারা করে যাচ্ছে তারা। এই সংগঠনটি চুয়াডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে তারা নিরলস ভাবে কাজ করছে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য। মানুষের রক্তের চাহিদা অনুসারে এই সংগঠনে যে সকল শিক্ষার্থী কাজ করে করে তারা দিন রাত যেকোনো সময় এই সেচ্ছাশ্রম দিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের শুভাকাঙ্ক্ষী এনআরবি ওয়ার্ল্ডের সাবেক সভাপতি ও শাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান মুহাম্মদ সাহিদুজ্জামান টরিক। এ সময় তিনি বলেন, মানবদেহে রক্তের বিকল্প কিছুই নেই। সড়ক দুর্ঘটনা, অপারেশন, থ্যালাসেমিয়া, ডেলিভারি কিংবা ক্যানসারের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন পড়ে এই রক্তের। এই প্রয়োজনীয় রক্তটিই অনেক সময় সময়মতো পাওয়া না যাওয়ায় হাজারো মানুষ অকালে প্রাণ হারায়। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রক্ত নিয়ে কাজ করছে বাঁধন নামের এই সংগঠনটি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আজকে আপনি যেই মানুষগুলোর জন্য সেচ্ছায় রক্ত দিচ্ছেন রক্ত জোগাড় করে দিচ্ছেন একদিন সেই মানুষগুলো আপনার বিপদে এগিয়ে আসবে। বাঁধন সংগঠন কে আরও কাজ করতে হবে এই জাতির পথ দেখাতে হবে মানুষের বিপদে আরও বেশি বেশি আগিয়ে যেতে হবে। এ সময় তিনি এই সংগঠনের মঙ্গল কামনা করেন এবং বাঁধন কর্মীদের এই সকল কাজের জন্য তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, বাঁধন একটি স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন । এটি ১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টর মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ হলে মোহাম্মদ শহিদুল হক রিপনের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাঁধন আজ দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এমনকি বিভিন্ন অঞ্চলেও বিস্তার লাভ করেছে। বাঁধনের সদস্যরা বিনামূল্যে রক্তদানে উৎসাহিত করে, নিজে রক্ত দেয়, অন্যকেও উদ্বুদ্ধ করে। বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিট পদ্মা জোন ২রা অগাস্ট ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

এ সময়, শিক্ষক উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুলতান মাহমুদ, আজিম হোসেন, সাবিনা খাতুন, জমসেদুর রহমান, বাঁধন কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিকাইল হোসেন, ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাজেদুর রহমান, সজিবুল ইসলাম, সুজাউদ্দীন টুটুল, সাকিব বিশ্বাস,বাঁধন কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শরিফুল,সাকিব হোসেন ,আশিক,অয়ন,মাহফুজ, ইব্রাহিম, মনিরুল, মুর্তজা, সোহা, মৌসুমি,চাঁদনী, হালিমা সহ বাঁধন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ইউনিটের শুভাকাঙ্ক্ষী বাঁধনের নেতৃবৃন্দ।