বিএসএফের গুলিতে নিহত ২ যুবকের মরদেহ একমাস পরেও ফেরত পায়নি পরিবার

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই যুবকের মরদেহ ফেরত আনতে দীর্ঘ সময়েও কোনো অগ্রগতি নেই। মাস পার হয়ে গেলেও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মরদেহ ফেরত না দেওয়ায় নিহতদের পরিবারে চলছে গভীর শোক ও ক্ষোভ।

পরিবারগুলোর দাবি, বিজিবির গাফিলতি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই মরদেহগুলো দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল রাতে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন গোপালপুর গ্রামের হানিফ আলীর ছেলে ওবাইদুর রহমান। ঢাকায় গাড়ি চালানো ওবাইদুর সেদিন রাতে কয়েক বন্ধুর সঙ্গে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের মধুপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া দিলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ধরা পড়েন ওবাইদুর। কিছুক্ষণ পর গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিএসএফ মরদেহ নিয়ে যায়, কিন্তু এতদিনেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি।

মা নাসিমা খাতুন বলেন, “ছেলের লাশ ফিরে পেলে তাকে দাফন করে অন্তত মনকে বোঝাতে পারতাম যে সে আমার কাছেই আছে। বিজিবির কাছে বারবার গিয়েও কিছু হয়নি।”

আরেক যুবক ওয়াসিমের মরদেহ নদীতে ভেসে থাকতে দেখা যায় গত ৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন বাঘাডাঙ্গা গ্রামের ওয়াসিম ও আরও কয়েকজন। হাবাসপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যদের ধাওয়া খেলে বাকিরা পালিয়ে গেলেও ওয়াসিম ধরা পড়েন। ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইছামতি নদীতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাংলাদেশি কৃষকেরা। পরে স্থানীয়রা নিশ্চিত হন, মরদেহটি ওয়াসিমের এবং সেটি ভারতের অংশে অবস্থান করছে। বিএসএফ পরে মরদেহটি নিয়ে যায়।

ওয়াসিমের বড় ভাই মেহেদী হাসান বলেন, “ছবিতে নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবিকে জানাই। তারা লিখিত অভিযোগ নিলেও কয়েকদিন পর জানায়, আমাদের পক্ষে মরদেহ আনা সম্ভব নয়।”

মা ফিরোজা খাতুন বলেন, “বিজিবি বলছে, পাসপোর্ট-ভিসা করে নিজেরাই ভারতে গিয়ে মরদেহ আনতে হবে। আমরা গরিব, মুর্খ মানুষÑএভাবে কীভাবে মরদেহ আনব?”

মরদেহ ফেরত আনার ব্যাপারে ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন,‘বিএসএফ জানিয়েছে ওয়াসিমের মরদেহটি ভারতের পুলিশের কাছে আছে। তারা তার মরদেহটির ময়নাতদন্ত করেছে। ভারতীয় পুলিশের ভাষ্যমতে,মরদেহ নিতে হলে বৈধভাবে ভারতীয় পুলিশের কাছে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে উপযুক্ত প্রমাণ ও সনাক্ত শেষে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ দুতাবাস থেকে এনওসি নিতে হবে। পরে তাদেরকে ফরেনার রিজিওনাল রেজিষ্ট্রেশন অফিসে গিয়ে যাবতীয় কার্যাদী সম্পন্ন করতে হবে। এই বিষয়গুলো ওই দুই পরিবারকে জানানো হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে যাতে তারা মরদেহ ফেরত আনতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করে।

বিজিবির মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,ভারতীয় বিএসএফ’র সাথে অনেকবার পতাকা বৈঠক সহ নানা চেষ্টা করেছি। কিন্তু লাভ হয়নি। বিএসএফ জানিয়েছে,বিষয়টা পুরোপুরি ভারতীয় পুলিশ হ্যান্ডেল করছে। তাদের কিছু করার নেই। সেইক্ষেত্রে তারা বলেছে,পরিবারের পক্ষ থেকে বৈধ উপায়ে ভারতে এসে সকল কার্যাদী সম্পন্ন করে মরদেহ ফেরত নিতে হবে।’

পরিবারগুলোর মতে, সীমান্তে হত্যা হলেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরদেহ ফেরত আনার উদ্যোগ ছিল না বললেই চলে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়া নতুন কিছু নয়, তবে মরদেহ ফেরত না পাওয়ার এই ঘটনা সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ভয়াবহ দুর্বলতাকেই তুলে ধরে। বিশেষ করে মাসব্যাপী সময় পেরিয়ে গেলেও মরদেহ দেশে না আসা, পরিবারের চোখের জলে ভেসে যাওয়া বাড়ি, এবং প্রশাসনের নির্লিপ্ততাÑসব মিলিয়ে এটি একটি চরম মানবিক সংকট।




প্রতিষ্ঠাকালীন ‘মেহেরপুর পৌর কলেজ’ নামে ফিরছে প্রতিষ্ঠানটি

পূর্বের ‘মেহেরপুর পৌর কলেজ’ নামে ফিরছে বর্তমান ছহিউদ্দীন ডিগ্রি কলেজ। কলেজের স্টাফ মিটিং ও গভর্ণিং বাডির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিষ্ঠাকালীন নাম মেহেরপুর পৌর কলেজ নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ মোহা: মহসীন আলী স্বাক্ষরিত (স্মারক: ছডিকমে/২৫/১৯/২০২৫)  এক স্মারক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্মারকে অধ্যক্ষ মোহা: মহসীন আলী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭০.৩৫.০০১.১৭.১৩৪ তারিখ ২০/০৫/২০১৯ এর আলোকে জেলার সদর উপজেলার ‘মেহেরপুর পৌর কলেজ’-এর নাম পরিবর্তন করে তৎকালীন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনের পিতা মরহুম ছহিউদ্দিন-এর নামে ‘ছহিউদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, মেহেরপুর’ নামকরণ করা হয়। যা এখনও বহাল আছে এবং এ নামেই কলেজ পরিচালিত হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সে সময় কলেজ কর্তৃপক্ষকে তার পিতার নামে নামকরণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করেন।
তবে এরই মধ্যে কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীগণ কলেজের বর্তমান নাম পরিবর্তনের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বিষয়টি নিয়ে কলেজের স্টাফ মিটিং এবং গভর্ণিং বডির সভায় আলোচনা শেষে কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের নাম ‘মেহেরপুর পৌর কলেজ’ নামেই আবার নামকরণ করার জন্য সিদ্ধান্ত সানন্দে গ্রহণ করা হয়।




গাংনীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩

মেহেরপুরের গাংনীতে ২৪ ঘন্টার অভিযানে ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গতকাল রবিবার রাত থেকে আজ সোমবার ভোর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গাই অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

গ্রেফতারকৃত হলেন গাংনীর বাহাগুন্দার ওমর ফারুকের ছেলে মোঃ কাওছার, হাড়াভাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার মোঃ আলমগীর হোসেনের ছেলে মোঃ আকাশ মিয়া (২২), কুষ্টিয়ার মোঃ আলম মিয়ার ছেলে মোঃ আল আমিন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।




মেহেরপুরের চকশ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও ঝরেপড়া রোধের লক্ষ্যে এবং শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা ও অনিয়ম দূর করতে গতকাল রবিবার মেহেরপুর সদর উপজেলার চকশ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মা সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: হালিমা খাতুন। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড পর্যায়ের ওয়াচ গ্রুপের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের (পিটিএ) সভাপতি বারকে আলী।

সমাবেশে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এসএমসি সদস্য, ওয়াচ গ্রুপ সদস্য ও শিক্ষার্থীদের মা-বাবারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিশেষভাবে আলোচনা করা হয় মায়েদের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক)-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোছা: কাজল রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “শিশুদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, সামাজিক আচরণ শেখানো এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়। আর এই কাজে মায়েদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।”

এছাড়াও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে পিটিএ সদস্য ও অভিভাবকগণ তাদের মতামত তুলে ধরেন।

গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগিতায় মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আয়োজনে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন প্রোগ্রাম অফিসার আশিক বুল্লাহ ও চাঁদতারা।




সড়ক দুর্ঘটনা রোধে হিরোইজম বন্ধ করতে হবে-সুখী ইসলাম

ইংরেজি শব্দ হিরোইজমের আক্ষরিক অর্থ হলো বীরত্ব, যা সাধারণত ইতিবাচক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ইদানীং এই শব্দটি আর ইতিবাচক অর্থে যায় না বরং এর পরিবর্তে তা অনেক সময় নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এই যে অল্প বয়সিদের হাতে মোটরসাইকেল উঠছে, দুর্ঘটনা ঘটছে এর পেছনেও আছে এই হিরোইজম প্রবণতা।

আমাদের দেশে উঠতি বয়সি কিশোরদের মাথায় চেপে বসছে হিরোইজমের ভূত। এরা জানেই না প্রকৃত বীরত্ব আসলে কী বা কোন কাজে তা অর্জন করা যায়। রাস্তায় তীব্র বেগে মোটরসাইকেল চালানোতে কোনো হিরোইজম থাকে না বরং নিরাপদে এবং গতি মেনে মোটরসাইকেল বা অন্য যান চালানোতেই প্রকৃত হিরোইজম থাকে। রাস্তায় উচ্চ গতিতে রেসিং করে কোনো হিরোগিরি ফলানো যায় না। বরং ধীরগতিতে বাইক চালিয়ে সুস্থভাবে ঘরে ফেরাকে হিরোইজম বলে।

এই হিরোইজমের অংশীদার কিন্তু অভিভাবকরাও। তা সে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে আমি কেন অভিভাবকদের দিকে আঙ্গুল উঠাচ্ছি? অভিভাবকরা সন্তানের আবদার পূরণ করতে গিয়ে যেকোনো ভাবেই মোটরসাইকেল কিনে দিচ্ছেন। শিশু-কিশোরদের হাতে ব্যবহৃত হওয়া মোটরসাইকেল যে প্রয়োজনীয় নয় সে কথা জোর দিয়েই বলা যায় বটে। সন্তানরাও এক ধরনের ব্ল্যাকমেইল করছেন অভিভাবকদের। বন্ধুর আছে তাই আমাকেও কিনে দিতে হবে। সে বাবার সামর্থ্য থাক আর না থাক দিতেই হবে। অনেক কিশোর আবার অভিমান করে, না খেয়ে থেকে এমনকি আত্মহত্যার মতো ঘটনার ভয় দেখিয়েও অভিভাবকের কাছ থেকে এসব আদায় করছে। আবার একশ্রেণির অভিভাবক আছেন যারা মোটরসাইকেলের প্রতি সন্তানের ঝোঁক দেখে জেএসসি অথবা এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার আশ্বাসও দেন। আবার কিছু অভিভাবক টাকার গরমে শো অফ করতে কিনে দিচ্ছেন ‘ভয়ঙ্কর মৃত্যুফাঁদ মোটরসাইকেল’।

প্রাইভেট পড়া থেকে শুরু করে বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে রেসিং সবকিছুই চলে মোটরসাইকেলে। স্কুল কলেজের সামনে পিছনের কিংবা সামনের চাকা উঠিয়ে স্ট্যান নিয়ে মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এমন কি মেয়েদের টিজ করাও চলে মোটরসাইকেলে। স্কুল কলেজের সামনে মোটরসাইকেল দিয়ে বিকট শব্দ করা। মোটরযান আইন ভেঙ্গে মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত একটি সাইলেন্সার পাইপ ( এডজাস্ট পাইপ) লাগিয়ে বিকট শব্দ করে জানান দেয় আমি আসছি! অলিগলিতে এসব মোটরসাইকেল বেপরোয়া গতিতে চালাতে দেখা যায়। উঠতি বয়সী বাইকারদের বাইক চালনার স্টাইল দেখে অনেক সময় নিজেদেরই ভয় করে। জীবন বাঁচাতে নিজেদেরই সাইড দিতে হয়। অথচ এই গতিতে চালানোর জন্য উপযুক্ত রাস্তা এসব নয়। দ্রুতগতির সঙ্গে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পরিমাণ বাড়ছে। যেমন- অনেক সময় সামনের চাকা উঁচু করে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত কিশোররা তিন-চারজন করে বন্ধু নিয়ে মোটরসাইকেল চালাচ্ছে সর্বোচ্চ গতিতে। তারা উচ্চ শব্দ করে একাধিক মোটরসাইকেল রেসিং এ মেতে উঠছে। আবার কেউ কেউ মোটরসাইকেল অতিরিক্ত গতিতে চালিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছে টিকটকের জন্য। এই কাজগুলোর পেছনেই কিন্তু কাজ করছে হিরোইজম।

এছাড়া রাজনৈতিক বড় ভাইয়ের প্রভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে বেপরোয়া গতিতে ছুটছে কিশোর-যুবকরা। তারা মোটরসাইকেলে মহড়া দিচ্ছে হেলমেট ছাড়াই। বর্তমানে কিশোর ও যুবকদের কাছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বেশ লোভনীয়। উঠতি বয়সী এসব শিশু, কিশোর ও যুবকরাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে বেশি। বাইকে চড়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব কিশোর, তরুণ ও যুবক। তাদের মোটরসাইকেলের গতি থাকে সর্বোচ্চ। গতি দেখে ভয় পাচ্ছেন পথচারী ও অন্য যানবাহন চালকরাও।

মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় বেশিরভাগই প্রাণ হারাচ্ছে উঠতি বয়সের ছেলেরা। অনেক ক্ষেত্রে আবদার পূরণে শখের বাহন কেড়ে নিচ্ছে আদরের সন্তানের প্রাণ।

বাইক চালকদের ৫৮ শতাংশেরই বয়স ১৪-১৮ বছরের মধ্যে। শখ পূরণে অনেক অভিভাবকই কম বয়সী সন্তানদের হাতে আধুনিক মডেলের উচ্চগতির মোটরসাইকেল তুলে দিচ্ছেন। এই কিশোরদের অধিকাংশই কোনো নিয়ম মানে না। দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এই মোটরসাইকেল চলে গেছে দুই ধরনের লোকের কাছে। যাদের কেউ শখ করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন, কেউ বাধ্য হয়ে। আর এদের অনেকেই হচ্ছেন অদক্ষ চালক। একটি মানসম্মত হেলমেট বাইক চালকের মৃত্যুঝুঁকি ৪৮ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারে। কিন্তু বাইক চালকদের অধিকাংশের হেলমেট নিরাপদ না। তারা হেলমেটের নামে যা মাথায় দেয়, তাকে বড় জোর ‘প্লাস্টিকের ক্যাপ’ বলা যায়।
দেশে গত এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলারে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এপ্রিলে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৮ জন নিহত এবং ১ হাজার ১২৪ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ৮৬ জন ও শিশু ৭৮ জন। এ ছাড়া নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এবং থ্রি-হুইলার দুর্ঘটনায় ২০ দশমিক ২৩ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বেপরোয়া চালনা, মাত্রাতিরিক্ত গতি, আইন না মানা এবং চালকদের সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকা।একটু পর‌্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালকরা ঘনঘন লেন পরিবর্তন করেন। লেন পরিবর্তনের ফলে অপরদিক থেকে আসা পরিবহনের ওপর উঠিয়ে দেন। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার প্রধান কারণ চালকদের বেপরোয়াপনা। এ কারণে মোটরসাইকেলচালকদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জানাতে হবে। সবচেয়ে যা জরুরি তা হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনিটরিং। চালক বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালালেই তাকে থামিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর একটি বড় কারণ হেলমেট না থাকা কিংবা নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার করা। তাই শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও চালক ও আরোহীর ভালো মানের হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

মোটরসাইকেল চালানোর জন্য সড়কে আলাদা কোনো লেন নেই। ফলে চালককে বিশৃঙ্খলভাবে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ করতে পারলে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে তাতে সন্দেহ নেই। তাই মোটরসাইকেল চালকদের মোটিভেশনেরও দরকার আছে। আর তা হতে পরে পরিবারের ভেতরেই। পরিবারের অন্য সদস্যরা যদি মোটরসাইকেল চালক সদস্যকে সাবধানে চালানোর দীক্ষা দিতে পারেন, তাহলে তা দুর্ঘটনা রোধে বড় সহায়ক হবে বলে মনে করি।




মুজিবনগরে চিড়িয়াখানায় অভিযানে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরমা মিনি চিড়িয়াখানায় অভিযান চালিয়েছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট গতকাল রবিবার বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। পরিবেশ অনূযায়ী বেশ কিছু বন্যপ্রাণী এখান থেকে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়। বাকিগুলো সাথে নিয়ে যায় অভিযানকারী দলটি।

উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে, ২ টি হনুমান ২টি বানর, ৮টি কালেম, সজারু একটি, একটি অজগর, একটি হরিয়াল ৪ টি মুনিয়া, টিয়া একটি, একটি কচ্ছপ ও ৪ টি বালি হাঁস।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণি পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল সাদিক জানান, সারা দেশের চিড়িয়াখানা, রিসোর্ট ও মিনি পার্কে ধারবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। যেখানেই বণ্য প্রাণি পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় মুজিবনগরের মনোরমা মিনি চিড়য়াখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখান থেকে ২৭ টি বণ্য প্রাণি উদ্ধার করা হয়।

সেগুলোর মধ্যে মেহেরপুরের পরিবেশ উপযোগী বানর, হুনুমান, কচ্ছপ, সাজারু, টিয়া, হরিয়াল, বালি হাঁস ও মুনিয়া পাখি অবমুক্ত করে দেওয়া হয়। বাকি অজগর ও কালিম পাখি সাথে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবেশ উপযোগী বাসস্থানে তাদেরকে অবমুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান, জানুয়ারি থেকে চলতি মাস পর্যন্ত মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি, স্বপ্নপুরিসহ দেশের ৮ টি মিনি চিড়িয়াখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সেখান থেকে ৭৬ টি বন্যপ্রাণি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বন্যপ্রাণির পাচারের সাথে কারা জড়িত তাদেরকেউ চিহ্নিত করা হচ্ছে। তারা যতোবড়ই শক্তিশালী হোক আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি হুশিয়ারী দেন।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণি পরিদর্শক অসিম মল্লীকসহ ঢাকা ইউনিটের সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নেয়।

তবে মনোরমা মিনি চিড়িয়াখানার মালিক তাহাজ উদ্দীন জানান, দেড় বছর আগে এ বণ্যপ্রাণি ও চিড়িয়াখানাটি অন্য মালিকের সাথে কিনেছিলেন। এখন এর লাইসেন্স সম্পর্কে কিছুই জানেনা। যে কাগজপত্রগুলো তারা দিয়েছেন সেগুলো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। সেগুলো দেখিয়েছি কিন্তু কেনা কাজ হয়নি।




দর্শনায় শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী পালনে প্রস্তুতিসভা

আগামী ৩০ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাহদৎ বার্ষিকী। শাহাদাত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদার সাথে পালনের লক্ষে দর্শনায় বিএনপির প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রোববার বিকালে দর্শনা রেল ইয়ার্ড চত্তরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, দর্শনা পৌর বিএনপি’র সমন্বয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক, সাবেক সভাপতি হাজি খন্দকার শওকত আলী।

দর্শনা রেলবাজার দোকান মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা মাও ওমর আলী, মোখলেসুর রহমান, আজিজুল ইসলাম, মোখেলসুর রহমান, শুকুর আলী, আ. খালেক, আবু তাহের, দর্শনা পৌর মৎসজীবিদলের সভাপতি হাজি নজির আমিন, জেলা যুবদলের যুগ্নআহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মিঠু, নুর গনি, বাবু,

সেলিম মেহবুব লিটন, শাহীন আলম, আশরাফুল, নাসির উদ্দিন, তোফাজ্জেল হোসেন, যুবদলনেতা রাসেল, সের আলী, সোহেল, রানা, বাবু, রিপন, শান্ত, সেচ্চাসেবকদলনেতা সজিব, ব্যবসায়ী নেতা শরিফুল ইসলাম। সার্বিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দর্শনা পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল।




দামুড়হুদায় ভূমি মেলা উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দামুড়হুদায় ভূৃমি মেলা উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ” নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করি নিজের জমি সুরক্ষিত রাখি “এই স্লোগানকে সামনে রেখে দামুড়হুদা উপজেলা ভূমি প্রশাসনের আয়োজনে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়, ভূমি সংস্কার বোর্ড ও ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সহযোগীতায় এই র‌্যলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এইচ তাসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন, দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক অপারেশন হিমেল রানা, দামুড়হুদা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মামুনুর রশীদ, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, উপজেলা জামাত ইসলামির সেক্রেটারী জেনারেল আবেদ – ঊদ – দৌলা টিটন, সার্ভেয়ার সুজন মোলা, প্রধান সহকারী সোহেল রানা, কম্পিউটার অপারেটর মশিউর রহমান, সার্টিপিকেট পেশকার আনিসুর রহমান, সায়রাত সহকারী শহিরুল ইসলামসহ উপজেলার সাত ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তাগণ।




মুজিবনগরে ৩ দিনব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

“নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করি, নিজের জমি সুরক্ষিত রাখি”—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র‌্যালীর মধ্যদিয়ে উদ্বোধন হয়েছে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২৫। র‌্যালীটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। গতকাল রবিবার সকালে মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সেবা সপ্তাহর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এ মেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণকে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে উৎসাহিত করা এবং ভূমি সংক্রান্ত সেবা ও তথ্য প্রদান করা। এসময় তথ্যকেন্দ্র ও সেবা বুথের উদ্বোধন করেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ মন্ডল। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস সাদাত রত্ন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান,মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ওমর ফারুক প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস সাদাত রত্ন জানান, রবিবার থেকে মঙ্গলবার (২৫-২৭ মে) প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই সেবা। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, ই-নামজারি, ই-পর্চাসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে।

তিনি আরও জানান, এই সেবা সপ্তাহের মূল লক্ষ্য—ভূমি সংক্রান্ত ডিজিটাল সেবা সহজে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।এখান থেকে হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে কীভাবে ঘরে বসে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, নামজারির আবেদন ও ই-পর্চা সংগ্রহ করা যায়।

মেলার অংশ হিসেবে ২৬ মে বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদে এবং ২৭ মে উপজেলা অডিটোরিয়ামে জনসচেতনতামূলক সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যসেবা প্রদান, ডিজিটাল রেকর্ড যাচাই, অনলাইন খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ, নামজারি আবেদনসহ নানা সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

মেলাটি সাধারণ মানুষের ভূমি সংক্রান্ত জ্ঞান বাড়াতে এবং সেবা প্রাপ্তিকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।




ইবিতে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বরণ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে মাস্টার্সের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নতুন বর্ষের শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বেগম রোকসানা মিলি এবং ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম।

বক্তব্য রাখেন বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও বর্তমানে খণ্ডকালীন নিয়োজিত প্রফেসর ড. শহিদুর রহমান এবং বিভাগের শিক্ষক ড. মিঠুন মোস্তাফিজ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সভাপতি ড. আবু শিবলী মো. ফতেহ আলী চৌধুরী।

অনুষ্ঠান শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।