সেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একাদশে বদল আনবে বাংলাদেশ?

এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে একবার দেখা হয়েছে বাংলাদেশের। সে স্মৃতি খুব সুখের নয় দলের জন্য। সেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজ সুপার ফোরের ম্যাচে মুখোমুখি লিটন দাসের দল। এই ম্যাচে একাদশে পরিবর্তন আসতে পারে অন্তত একটি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৪ বোলার নিয়ে খেলেছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান আর শামীম পাটোয়ারী মিলে ৪ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত মোটেও কার্যকর কিছুই ছিল না।

আজ সে ভুল করছে না বাংলাদেশ। অন্তত একটা পরিবর্তন তাই অবধারিতই। সে পরিবর্তনটা কোন পজিশনে আসে সেটাই দেখার বিষয়। শেষ অনেক দিন ধরেই ফর্মহীনতায় ভোগা তাওহীদ হৃদয় জায়গা হারাবেন কি না, তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। যদি তাই হয়, তাহলে তার জায়গায় দলে ঢুকতে পারেন শেখ মাহেদী। সেক্ষেত্রে নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে তিন বিশেষজ্ঞ স্পিনার খেলাবে বাংলাদেশ।

তা না হলে জায়গা হারাতে হবে নুরুল হাসান সোহানকে। লোয়ার মিডল অর্ডারে তার জায়গায় আসবেন মাহেদী।

এছাড়া একাদশে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আগের ম্যাচে একাদশের বাকি দশজনের ওপর ভরসা রাখার সম্ভাবনাই বেশি।

বাংলাদেশ একাদশ–
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়/নুরুল হাসান সোহান, শামীম পাটোয়ারী, জাকের আলী অনিক, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।




ঝিনাইদহে রোপা আমনে মাজরা পোকার আক্রমণ

ঝিনাইদহে রোপা আমন মৌসুমের শুরুতেই ধানের জমিতে দেখা দিয়েছে মাজরা পোকার আক্রমণ। সদ্য রোপণ করা চারাগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। নানা কীটনাশক ব্যবহার করেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না এ পোকা।

এতে উৎপাদন খরচ যেমন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনি ফলন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে তারা মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়বেন।

জানা গেছে, জেলার শৈলকুপা, সদর, কালীগঞ্জ, হরিণাকুন্ডু, মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর সব উপজেলাতেই একই পরিস্থিতি। ধান গাছের গোড়ায় আক্রমণ করছে মাজরা পোকা। এতে অনেক গাছ শুকিয়ে সাদা হয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি। কৃষকরা বলছেন, বারবার কীটনাশক স্প্রে করেও কোনো কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহ জেলার ৬ উপজেলায় ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৯ মেট্রিক টন। তবে মৌসুমের শুরুতেই পোকার এমন আক্রমণ কৃষি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

শৈলকুপা উপজেলার নাকোইল গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, “ধান রোপণের পর থেকে নিয়মিত যত্ন নিচ্ছি। কিন্তু এখন মাজরা পোকার আক্রমণে অনেক গাছ মরে যাচ্ছে। আমরা যতবার কীটনাশক ব্যবহার করছি, তত খরচ বাড়ছে। কিন্তু ফল পাচ্ছি না। যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে।”

একই এলাকার কৃষক সাইদুর রহমান জানান, “ধানের গোড়ায় পোকা ঢুকে গাছকে সাদা করে দিচ্ছে। এতে পুরো জমি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অনেক টাকা খরচ করেছি কীটনাশকে, কিন্তু কাজ হয়নি। ফলন কম হলে ঋণ শোধ করাই আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।”

কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কৃষির প্রধান ভরসা হচ্ছে আমন ধান। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই যদি পোকা আক্রমণ করে, তাহলে আমরা কীভাবে বাঁচব? সরকারি দিকনির্দেশনা আর সহযোগিতা ছাড়া আমাদের সামনে অন্ধকার ছাড়া কিছু নেই।”

এ ব্যাপারে শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “এখনো আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কৃষকরা যদি আমাদের নির্দেশনা মেনে চলেন, তাহলে পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আমরা কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।”




ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ন্যায় ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে ঝিনাইদহে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের কুটুম কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝিনাইদহ জেলা শাখা। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর’র সভাতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য ড.আলমগীর বিশ্বাসের কিন্তু বিশেষ কারণে তিনি অনুপস্থিত থাকায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলীম।

জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর ডা. এ কে এম কামাল হোসেন, ঝিনাইদহ আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রশিদ, ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার ইউনিয়নের সভাপতি সাংবাদিক এম এ কবির, অবসরপ্রাপ্ত পেশকার আব্দুল হাকিম, সহকারী অধ্যাপক মিরাজুর রশীদ, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল বাহারুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, অ্যাড. এহসান উল্লাহ প্রমূখ । সমাবেশের শুরুতে দারস পেশ করেন ড. শাহ মো: শাহাদাত হোসেন।

এছাড়াও সমাবেশে অংশ নেওয়া জেলার বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত পেশ করেন।

এসময় বক্তারা বলেন, জনগনের কল্যাণে নিবেদিত রাজনীতি ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত নেতৃত্বই সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে। এজন্য নতুন প্রজন্মকে সৎ, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




আলমডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

আলমডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলমডাঙ্গা পৌর শাখার সমাজকল্যাণ বিভাগ, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের সহযোগিতায় মেডিকেল ক্যাম্পটির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শেখ মেহেদী ইসলাম, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিউল আলম বকুল, সেক্রেটারি মামুন রেজা, জে-আ সাংগঠনিক থানা শাখার আমীর আব্বাস উদ্দিন, আলমডাঙ্গা পৌর সেক্রেটারি মাওলানা মোসলেম উদ্দিন, পৌর নায়েবে আমীর মাওলানা জুলফিকার আলী, মাওলানা আব্দুল কাদের, সহকারী সেক্রেটারি সাইফুল্লাহ হাসানসহ পৌর ও ওয়ার্ড জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও পৌর জামায়াতের আমীর মোঃ মাহের আলীর তত্ত্বাবধানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসা প্রদান করেন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. মাহবুবুর রহমান (মিলন), শিশু রোগ বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলহাজ্ব লিয়াকত আলী, নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. এএসএম নাজিমুজ্জামান মিলন, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নুসরাত নওরিন নাহার (সেতু), মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোঃ আল-আমিন এবং ডা. মোঃ সাজিদ হাসান।

মেডিকেল ক্যাম্প থেকে পাঁচ শতাধিক মানুষকে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান করা হয়।




সাংবাদিক আইয়ুবের ওপর হামলার প্রতিবাদে দর্শনায় মানববন্ধন

নরসিংদীতে সংবাদ সংগ্রহের সময় যমুনা টিভির সাংবাদিক আইয়ুব খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবিতে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে দর্শনা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির যৌথ আয়োজনে প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান, দর্শনা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মামুন, সাংবাদিক হাসমত আলী, আবিদ হাসান রিফাত, মিঠুন মাহমুদ, রিপন হোসেন, তুহিনুজ্জামান, আঃ রহমান, ইমতিয়াজ রয়েল, ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেন। আর সেই সত্য প্রকাশ করলেই তাদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। দোষীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন।




জীবননগরে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরেক ভাই

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে দুই ভাইকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আরেক ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উথুলী ইউনিয়নের মিথে মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উথুলি গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত খোদা বক্স মণ্ডলের দুই ছেলে আনোয়ার (৫৫) ও হামজা (৪৫)।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে আনোয়ার ও হামজা উথুলি ব্রিজ মাঠে কাজ করতে গেলে ৮-১০ জন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে হামজা এবং পরে আনোয়ার মারা যান।

একটি সূত্র জানায়, প্রায় চার মাস আগে গরু কেনাবেচা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা গরু বিক্রেতা এবং হামলাকারীরা গরু ক্রেতা বলে জানা গেছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় উথুলি এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, দুজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আঘাত করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই একজন মারা যান, আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে গরু কেনাবেচা নিয়ে পূর্ব থেকে বিরোধ চলছিল। আজ মাঠের মধ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার খবর পেয়েছি। মরদেহ হাসপাতালে আছে, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে।




মেহেরপুরে পৃথক পতাকা বৈঠকে ২২ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দিনে দুই দফায় মোট ২২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

গতকাল শুক্রবার সকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৪ জনকে ফেরত দেওয়ার পর সন্ধ্যায় আরেক দফায় আরও ১৮ জনকে ফেরত দেওয়া হয়। গাংনী উপজেলার কাজিপুর সীমান্তের ১৪৭ নম্বর পিলারের কাছে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, ফেরত আসা বাংলাদেশিরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরে বিএসএফ তাদের আটক করে। পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এবং ভারতের ১৬২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারিতে রয়েছে বিজিবি।




মেহেরপুরে সবজির দাম নিম্নমুখী, বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম

কাঁচা বাজারে সবজির দাম কমে আসায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে সবজির উচ্চমূল্যে বিপাকে পড়া ক্রেতারা এখন কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

মেহেরপুরের পাইকারি ও খুচরা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় সবজি, মুরগি ও মাছের দামে নানা রকম ওঠানামা দেখা গেছে। বাজারে ঠিক মতো সরবরাহ থাকায় বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমেছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

পাইকারি বাজারে আলু, পেয়াজ ও রসুনের দাম অপরিবর্তিত থেকে যথাক্রমে ১৬,৬৫ ও ১৭০ টাকা। কাঁচামরিচ ১০০ থেকে বেড়ে ১৪০ টাকায়। বেগুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় । আদার দাম অপরিবর্তিত থেকে ১৮০ টাকা । তবে শশার দাম কমে ৪০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে ।

মুরগির মধ্যে ব্রয়লার মুরগির পাইকারি দাম বেড়ে ১৭০ যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ টাকা, সোনালী মুরগির দাম কমে ২৫৫ যা গত সপ্তাহে ছিলো ২৭০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি কেজি ২৯০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

খুচরা বাজারে আলু, পেয়াজ ও রসুনের দাম স্থিতিশীল থেকে যথাক্রমে ২০, ৮০ ও ১৮০ টাকায় ।কাঁচা মরিচ দাম বেড়ে ১২০ থেকে ১৮০ টাকায় উঠেছে। তবে শশার দাম ৫০ থেকে নেমে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পটল, ঢেঁড়স, কলা, শাক, কচু ও পেঁপের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা করে কমে যথাক্রমে ৪০,৪০,৩০,২০ ও ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আদার দাম ২০০ টাকায় স্থিতিশীল।

মুরগির খুচরা বাজারে ব্রয়লার বেড়ে ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে যা গত সপ্তাহে ছিলো ১৮০ টাকা, সোনালী মুরগির দাম কমে ২৭০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিলে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার মুরগির দাম ৩১০ টাকায় স্থিতিশীল থেকে বিক্রি হয়েছে।

মাছের বাজারে রুই ২৩০, তেলাপিয়া ১৮০, পাঙাশ ১৫০, সিলভার ২৩০, জিওল ৩০০-৪০০, চিংড়ি ১২০০, পাকাল ১১০০ এবং ইলিশ ৬০০-২৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

মাছ বিক্রেতা জয়ন্ত বলেন, মাছ আমদানি ঠিক থাকলে মাছের দাম কম থাকে এবং ঠিক মতো আমদানি না থাকলে দাম বেড়ে যায়।
ছাগলের মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস সর্বদা ৭৫০ টাকায় অপরিবর্তিত।

ছাগলের মাংস বিক্রেতা মেহেদী হাসান বলেন, ছাগলের দাম অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়া মাংসের দাম একটু বেশি। আমরা ছাগল কম দামে না পেয়ে বাধ্য হয়ে আমাদের বেশি দামে ছাগলের মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা নবাব বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে অনেক সবজিতে দাম কমেছে এর মধ্যে পটল, কলা, কচু এগুলোতে ৫-১০ টাকা কমেছে এবং কাচা মরিচের দাম বেড়েছে। বৃষ্টির কারনে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে।

সবজি বিক্রেতা সবুজ বলেন, সবজির দাম কম হওয়া বেচা কেনা বেড়েছে এবং ক্রেতারা অনেক বাজার করছে আশানুরূপ বেচা কেনা হচ্ছে।

ক্রেতারা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের থেকে এই সপ্তাহে সবজির দাম কমেছে শুধু কাচা মরিচের দামটা বেশি।

সবজি ক্রেতা সামসুজ্জোহা বলেন, গত সাপ্তাহের থেকে এ সপ্তাহে বেশকিছু সবজির দাম কমেছে, আগের সপ্তাহে পটল ছিলো ৫০ টাকা এ সপ্তাহে ৪০, কচু ছিলো ৩০ টাকা এ সপ্তাহে ২০ টাকা। মোটামুটি সবকিছু দান কমেছ।

সবজি ক্রেতা জালাল বলেন, আমরা সাধারণ মানুষরা সবসময় চাই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নাগালে থাকুক। এবার দাম কমায় অনেকেই বেশি করে কিনছে।

মেহেরপুর তহ বাজার সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফি বলেন, কাঁচা বাজার এখন পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। শাক- সবজি সবকিছুর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। আসলে কাঁচা মালের দাম তো সব সময় আবহাওয়া তারপর আমদানির ওপর নির্ভর করে। আমদানি ঠিক থাকায় কাচামালের দাম এখন অনেক কম এবং স্বাভাবিক।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে কাঁচা মরিচ দাম এখন একটু বেড়েছে। গত দুই তিনদিন অতিরিক্ত বৃষ্টি হওয়ায় মূলত দাম বৃদ্ধি কারন। বৃষ্টির কারনে গাছের ফুল নষ্ট হয়ে যায়, জমিতে পানি আটকে থকে ফুল আসে না। সেজন্য কাঁচা মরিচের আমদানি কমে যাওয়ায় দাম টা বেড়েছ। আবহাওয়া পরিবর্তন হলে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।




মেহেরপুরে জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন

বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে চালু হলো মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।

গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় ফলক উন্মোচন এবং নবনির্মিত হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় এক জমকালো অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে নতুন ভবনে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য মনির হায়দার।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফিরোজ সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, সিভিল সার্জন ডা. এ. কে. এম. আবু সাঈদ এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শাহরিয়া শায়লা জাহান।

উদ্বোধনকালে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মেহেরপুর থেকে বাংলাদেশের সূচনা। তাই সর্বক্ষেত্রে মেহেরপুরকে এক নম্বর হতে হবে। চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও মেহেরপুরের মানুষ পাবে উন্নত সেবা। দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবল ও চিকিৎসক সংকট কাটিয়ে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে শুধু চাকচিক্যময় ভবন নয়, বরং চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রেও মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চিকিৎসকদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জানা গেছে, ৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আটতলা ভবনটি কাগজে-কলমে ২৫০ শয্যা হলেও সরকারিভাবে জনবল বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ১০০ শয্যার অনুপাতে। সেখানে ৪২ জন চিকিৎসক বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৩ জন। ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ পদ এখনো শূন্য। ফলে দীর্ঘদিনের চিকিৎসক সংকট কাটেনি।

এর আগে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তৎকালীন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অসম্পূর্ণ ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন। এরও আগে এই ভবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট সার্ভিস ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন ফরহাদ হোসেন। তবে তখন থেকে এখন পর্যন্ত ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়নি। এবার পুনরায় উদ্বোধনের পর কার্যক্রম চালু হতে যাচ্ছে।
তবে নতুন ভবনের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে এই হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যেই শঙ্কা রয়েছে। তৃতীয় তলা থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত সিঁড়ি প্লাইউড দিয়ে বন্ধ করা হলেও নিচতলার লিফট সচল রয়েছে। ফলে যে কেউ সহজেই উপরে যেতে পারছে। এতে যন্ত্রপাতি চুরি, মাদকাসক্তদের আড্ডা কিংবা অপরাধীদের আস্তানা তৈরির ঝুঁকি রয়েছে। হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ জরুরি।

উদ্বোধনের পর আপাতত ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় স্বাস্থ্যসেবা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে অনুষ্ঠানে। তবে উপরের তলাগুলো এখনও ব্যবহারযোগ্য নয়। সেগুলোকে ব্যবহার উপযোগী করা হবে বলে জানিয়ে অতি দ্রুত এর সঙ্গে জনবলের ঘাটতিও পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও তিনজন মেডিকেল অফিসারের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অতি দ্রুত তারা কর্মস্থলে যোগ দেবেন। বাকি জনবল সংকটও দ্রুততম সময়ে পূরণ করা হবে।




অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, মসজিদ কমিটি থেকে অব্যাহতি

আলমডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে এক শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। সালিশ বৈঠকে হাতাহাতির পর মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের ঘটনায় মসজিদ কমিটির সভাপতি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি গার্লস স্কুলের এক শিক্ষক এবং স্থানীয় কাজী জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। গত বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।

ঘটনার জেরে শুক্রবার বিকেলে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তদের আচরণে গ্রামজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রবাসীর স্ত্রীকে জড়িয়ে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সামাজিকভাবে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। গ্রামবাসীর দাবি, ওই শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে মসজিদ কমিটির সভাপতি পদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সালিশ বৈঠকে শালিসদাররা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে জানা গেছে। এ নিয়ে গ্রামের পরিবেশ এখনো উত্তপ্ত।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে কিছু আর্থিক লেনদেন করেছেন বলে ওই শিক্ষক স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জহুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি সঠিক নয়। স্থানীয়রা চক্রান্ত করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউল হক জানান, এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করা হবে। তিনি দায়ী প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।