মহেশপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল, শর্টগান ও মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী পিস্তল, দেশি ওয়ান শুটার গান, গুলি এবং মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক উপ অধিনায়ক আবু হানিফ মোঃ সিহানুক স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার দিকে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাটিলা বিওপি’র জেসিও-৮৯০২ সুবেদার শরীফ মনিরুজ্জামান এর নেতৃত্বে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার-৫১/৬-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জুলুলী গ্রামের মোঃ রিপন বিশ্বাস (৩৫) এর ড্রাগন বাগানের দক্ষিণ পাশে পাঁকা রাস্তার উপর চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার সময় একটি মোটরসাইকেলকে চ্যালেঞ্জ করলে চালক মোঃ লিটন মিয়া (পিচ্চি লিটন) (২১) পিতা-ওলিয়ার রহমান, গ্রাম-জীবননগর পাড়া, পোস্ট-সামান্তা, থানা-মহেশপুর, জেলা-ঝিনাইদহ) মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। উক্ত স্থান হতে বিজিবি টহল দল কর্তৃক ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি দেশী ওয়ান শুটারগান, ০৬ রাউন্ড গুলি এবং ০১টি মোটরসাকেল উদ্ধার করে। আটককৃত অস্ত্র, গুলি এবং মোটরসাইকেল মহেশপুর থানায় জমা করার কার্যক্রম প্রক্রয়াধীন রয়েছে।




মুজিবনগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

মুজিবনগরে লেখাপড়ার মান উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শিফাত মেহেনাজ।

বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটার দিকে উপজেলার শিবপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ভবানীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে লেখাপড়ার খোজ খবর নেন।এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময় মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল, সহকারী কমিশনার ভূমি নাজমুস সাদাত রত্ন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দীন আল আজাদ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ রোপনের উদ্বোধন করেন।




মুজিবনগরে উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় ২০২৪-২৫ অর্ধবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্প্রতিবার মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গরীব কৃষক, এবং গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে এ সকল উপকরণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ সকল উপকরণ সামগ্রী বিতরন করেন।

উপকরণ সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি নাজমুস সাদাত রত্ন,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দীন আল আজাদ,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান,উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক, মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ওমর ফারুক প্রমুখ।

এ সময় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে খেলার সামগ্রী হিসাবে ১০০ টি ফুটবল,১২ টি ভলিবল,ও ১২ টি ক্রিকেট সেটসহ ৭০০ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা দেওয়া হয় ।

এছাড়া গরীব, মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩০ টি বাই সাইকেল, কৃষকদের মাঝে ৪০ টি বিষ দেয়া স্প্রে মেশিনও গরীব মেয়েদের মাঝে ২২ টি সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।




গাংনীতে জেলা পর্যায়ে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরের গাংনীতে জেলা পর্যায়ে বাছাইপর্ব জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুরে গাংনীর সন্ধানী স্কুল পাড়ার নুর মোহাম্মদ রাবেয়া দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আহলুস্ সুন্নাহ হুফ্ফাজ ফাইন্ডেশন বাংলাদেশ জেলার বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।
কুরআন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নুর মোহাম্মদ রাবেয়া দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আহলুস সুন্নাহ হুফ্ফাজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রশিক্ষন সেন্টারের প্রশিক্ষক হাফেজ ক্বারী হাফিজুর রহমান রাফি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গাংনী তালিমুল কুরআন একাডেমীর অধ্যক্ষ ও দারুসসালাম জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ রুহুল আমিন, দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার গাংনী উপজেলা সংবাদদাতা প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম বোরহান।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নুর মোহাম্মদ রাবেয়া দারুল উলুম হাফিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আলহাজ্ব হাফেজ মোঃ আমজাদ হোসেন, শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সমাজ সেবক হাসান সাঈদ সরোয়ার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম, সাজ সেবক মোঃ আকবর হোসেন প্রমুখ।
প্রতিযোগিতায় গাংনীর নুর মোহাম্মদ রাবেয়া দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ছাতিয়ান হাফিজিয়া ক্বওমী মাদ্রাসা , ফজলুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসা ও গাড়াবাড়ীযা আশরাফুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষা র্থীরা অংশগ্রহণ করে।
দুইটি ইভেন্টে (ক্বিরাত শাখায় ১১ ও হেফজ শাখায় ১৫ জন) মোট ২৬ জন প্রতিযোগী অংশ গ্রহণ করেন।
গাংনীর বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




গাংনীতে বিএনপি’র মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নৈরাজ্যর বিরুদ্ধে মেহেরপুরের গাংনীতে বিরাট মশাল মিছিল করেছে বিএনপি।

গতকাল বুধবার রাতে গাংনী উপজেলা বিএনপি’র উদ্যোগে তাৎক্ষণিক এই মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গাংনী উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু ও জেলা কৃষকদের আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান মাহবুব এর নেতৃত্বে মশাল মিছিলটি গাংনী হাসপাতাল বাজার এলাকা থেকে শুরু হয়ে বড়বাজার, উত্তরপাড়া হয়ে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গাংনী উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, মেহেরপুর জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, গাংনী পৌর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সুলেরী আলভি, গাংনী পৌর বিএনপি’র সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ডাকু, গাংনী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শাজাহান সেলিম, মেহেরপুর জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি নাজমুল হুসাইন, যুবদল নেতা শাহিবুল ইসলাম সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে কাজিপুর গ্রামে বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির পক্ষ থেকে।




ঝিনাইদহে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে ঝিনাইদহে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শহিদ পরিবারের সদস্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল। এসময় জেলা পুলিশ সুপার মনজুর মোর্শেদ, শহিদ রাকিবের বাবা লুৎফর রহমান, মা হাফেজা খাতুন, শহিদ সাব্বিরের বাবা আমোদ আলী, ছাত্র প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, আবু হুরায়রাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস, জেলা সিভির সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ষষ্টী চন্দ্র রায়, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী আব্দুল আওয়াল, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক তহুরা খাতুন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ, রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে জুলাই শহীদরা জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। দেশের গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। জুলাই যোদ্ধারা জাতির নতুন অনুপ্রেরণা। তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।




ঝিনাইদহে আত্মহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝিনাইদহে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো: কামরুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো: মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, সহকারী কমিশনার এসএম শাদমান উল আলম, প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল কাজল।

কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত এনজিও কর্মী, সেচ্ছাসেবী, সংবাদকর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এসময় আত্মহত্যা প্রতিরোধে নানা দিকনির্দেশনা নিয়ে কথা বলেন বক্তারা। এ লক্ষ্যে স্কুল ক্যাম্পেনিং, প্রচার-প্রচারণার ওপর জোর দেয়ার দাবি জানান তারা।

তারা বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। পাশাপাশি সামাজিক অপরাধ, অপরাধপ্রবণতা ও মাদকের আগ্রাসন রোধ করতে হবে। একই ভাবে পারিবারিক সম্পর্ক উন্নতকরণ, শিক্ষার প্রসার, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। আত্মহত্যা একটি মানসিক সমস্যার বহিঃপ্রকাশ। সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের সচেতন ভাবে আত্মহত্যা রোধে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।




কোটচাঁদপুরে জুলাই শহীদ দিবস পালিত

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আনিসুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মোয়াবিয়া হুসাইন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকরামুল হক, পৌর জামায়াতের আমির আব্দুল কাইয়ুম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী কল্পনা রানী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়লা শারমিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোটচাঁদপুর শাখার আহ্বায়ক হৃদয় আহসান, পৌর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জগন্নাথ চন্দ্র, পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুজ্জামান তুহিন, পাইলট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান, বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসহাক আলী, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ।

সে সময় অতিথিবৃন্দ জুলাই শহীদদের তাৎপর্য তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, সুধীজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিশেষ দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তথ্য কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা।




নানা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ইবিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত

নানা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিত্রাঙ্কন ও গ্রাফিতি অঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ছিল।

বুধবার (১৬ জুলাই) টিএসসির ১১৬ নম্বর কক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ছিল ‘জুলাই বিপ্লব/ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’।

একই সময় ‘জুলাই বিপ্লব/স্বাধীনতার নতুন সূর্য/বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়’ শীর্ষক গ্রাফিতি অঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার শিক্ষক-কর্মকর্তা লাউঞ্জে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ভাইস চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্বে থাকা প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী দুপুর ১২টায় চিত্রাঙ্কন ও গ্রাফিতি অঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন করেন। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, প্রফেসর ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান, ফাইন আর্টস বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হাসান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ ওবায়দুল ইসলাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মুহ. মুজাম্মিল হক মোল্লাহ প্রমুখ এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দীন খান। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ.ব.ম. ছিদিকুর রহমান আশ্রাফী, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ ওবায়দুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির সহ বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।




সদর ইউএনও’র মহতি উদ্যোগ

মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামে একটি রাস্তার পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার নিরসন করেছেন ইউএনও খায়রুল ইসলাম। তার এ মহতি উদ্যোগে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: খায়রুল ইসলাম তার সরকারি ফেসবুক পেজে এ নিয়ে লিখেছেন, কুতুবপুর ইউনিয়নের উজলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রোগ্রাম শেষে নিশ্চিন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে মনোহরপুর গ্রামে দেখি এলজিইডির একটা রাস্তায় প্রায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে আছে।

গ্রামের লোকজন দেখলাম অনেক কষ্ট করে পার হচ্ছে। গাড়িচালককে বললাম গাড়ি থামাতে। আমার বিষয়টি দেখে খুব খারাপ লাগলো। দঁড়াতেই লোকজন এগিয়ে আসল। তারা বলল তাদের পার হতে খুব কষ্ট হয়। তারা বলল, মাঝে মাঝে এক্সিডেন্ট হয়। এগিয়ে যেতেই দেখলাম, রাস্তার দুই পাশের লোকজন তাদের জমিতে যেন পানি না যায় এজন্য তারা মাটির বাঁধ দিয়ে আটকে রেখেছে। অথচ তারাও এই রাস্তাটি ব্যবহার করে। কয়েক গ্রামের লোক এই রাস্তা ব্যবহার করে। আমি এক এক করে বাড়ির মালিকদের জিজ্ঞাসা করতেই বলল, অমুক বন্ধ করেছে, তাই তারাও করেছে। আমি পাশের বাড়ি থেকে কোদাল এনে মাটি কাটতে বললাম, গ্রাম পুলিশকেও ফোন দিয়ে আনলাম। তারাও কোদাল দিয়ে মাটি কেটে মুহূর্তের মধ্যে রাস্তা থেকে পানি নেমে যায়। শুনলাম অনেকেই বিষয়টি এর আগে সমাধান করতে পারে নাই। এর আগে অনেকবার মারামারি হয়েছে। যারা এতদিন এদের ভয়ে কথা বলতে পারত না তারা খুব খুশি হয়েছে। এখানেই চাকরির সার্থকতা খুঁজে পাই। ”

এলাকাবাসী ইউএনওর এমন কাজক প্রশংসা করে বলেন, সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এভাবে দায়িত্ব পালন করলে সমাজ থেকে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তার একটি প্রমান এ রাস্তা।