মুজিবনগরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা অফিস সহায়কের পকেটে

মুজিবনগরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা অফিস সহায়কের পকেটে। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির হস্তক্ষেপে উদ্ধার।
বিস্তারিত আসছে….




মেহেরপুরে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সক্রিয়করণে সমন্বয় সভা

মেহেরপুরে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত কার্যক্রম সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিচারিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুরের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো: তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ।

প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার আছাদুজ্জামান গ্রাম আদালত কার্যক্রম নিয়ে মেহেরপুরের তিন উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের অগ্রগতির চিত্র তুলে উপস্থাপনের মাধ্যমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিচারিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অংশীজনদের ভূমিকার গুরত্ব তুলে ধরেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশাদুল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন, পলাশীপাড়া সমাজকল্যান সমিতির নির্বাহী পরিচালক মোশাররফ হোসেন ।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে এখনো তথ্য পৌছায়নি। বিভিন্ন সেমিনার, মিটিং, লিফলেট এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে জহনসাধারণের মাছে প্রচারনা চালানোর আহবান জানান।

জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, প্রতিনিয়ত ছোট ছোট সমস্যা নিয়ে সাধারণ মানুষ আমাদের কাছে আসেন। অথচ সেগুলো অনায়াসেই গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে গ্রাম আদালত কার্যক্রমকে গতিশীল করতে আপনারা যারা অংশীজন রয়েছেন তাদের বিষয়টিতে মনিটরিং করতে হবে।




প্রতারণার মাধ্যমে ভাইয়ের নাম পরিবর্তন করে বোনের নাম

ঝিনাইদহ জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের মহাফেজখানা থেকে দলিল বের করে কাটাছেড়া করে ভাইয়ের নামের জায়গায় বসানো হয়েছে বোনের নাম। এতেই বেহাত হয়েছে বড়ভাই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাদাদ কামালের নামে বাবার দেওয়া অর্ধশতকোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি।

শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর বাজারে অবস্থিত এই জমির বাজার মূল্য ৫০ কোটির টাকার ঊর্ধে¦ এমন দাবি প্রতারণার শিকার অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাদাদ কামালের।

ঝিনাইদহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবিশ বাবুল আক্তার ও দলিল লেখক মোঃ আল মামুন (লাইসেন্স নং-১৭৮) বিপুল অংকের টাকার মাধ্যমে ছোটভাই প্রতারক ওয়াসিফ কামালকে এই জমি আত্মসাতে সহযোগিতা করেছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩ জুন ঝিনাইদহ সদর সাব রেজিস্ট্রার ও মহাফেজখানার দায়িতপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক হোসেন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংশ্লিষ্ট ২ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

আর এতেই সামনে এসেছে একটি বিরাট প্রতারণা ও দুর্নীতির ফিরিস্তি। তথ্য ফাঁস হলে রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত দলিল নিয়ে শঙ্কা করছেন জেলার সচেতন মহল। তাদের দাবি ঘষামাজা করে আরও জমির মালিকানা পরিবর্তন করে থাকতে পারেন রেকর্ড রুম সংশ্লিষ্টরা। এদিকে এই দুর্নীতি ফাঁস হলে নড়ে চড়ে বসেছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত দুইজনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে এবং জেলার মহেশপুর সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে প্রধান করে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানাগেছে, ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর শৈলকুপার হাটফাজিলপুর বাজারের বাসিন্দা এ্যাড: আহমেদ মাসুদ কামাল তার দুই ছেলে সাদাদ কামাল ও ওয়াসিফ কামালের নামে বাজারে অবস্থিত ৮৫ শতক জমি লিখে দেন। যার দলিল নং-৫৪৪৫। এই জমির ওপর রয়েছে বিপণীবিতান। বিপণীবিতান থেকে বর্তমানে প্রতিমাসে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা ভাড়া আসছে। ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন এ্যাড: মাসুদ কামাল। বাবার মৃত্যুর পরে বড়ভাই সাদাদ কামালের নামের অংশ আত্মসাৎ করতে ছক কষতে থাকেন ছোটভাই ওয়াসিফ কামাল। ওয়াসিফ কামাল পেশায় আইনজীবী। তিনি ঝিনাইদহ জেলা জজকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কর্মরত।

ওয়াসিফ কামাল ঝিনাইদহ সাবরেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবিশ বাবুল আক্তার ও দলিল লেখক মোঃ আল মামুনকে টাকা দিয়ে রেকর্ড রুম থেকে দলিল ও বালাম বই বের করে ভাই সাদাদ কামালের নাম মুছে দিয়ে সেখানে বোন দিশা কামালের নাম লেখেন। ইনডেক্সেও নাম পরিবর্তন করে ফেলেন। বালাম বইয়ে ঘষামাজা অন্য কর্মকর্তার নজরে আসলে ধরা পড়েন নকল নবিশ বাবুল আক্তার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে টাকার বিনিময়ে তাদের দুর্নীতির তথ্য। প্রবাসী সাদাদ কামাল ঘটনার সঠিক তদন্ত চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে মহাফেজ খানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সাব রেজিস্ট্রার মোস্তাক হোসেন নকল নবিশ বাবুল আক্তার ও দলিল লেখক মোঃ আল মামুনের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবেনা জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন।

সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানাগেছে, টেম্পারিং করে নাম পরিবর্তনের পর একটি নকলও নিয়েছেন ওয়াসিফ কামাল গং। যেটা প্রস্তুত করে দিয়েছেন নকল নবিশ বাবুল আক্তার।

প্রতরণার শিকার প্রবাসী সাদাদ কামাল বলেন, বাবা প্রয়াত আইনজীবী এ্যাড: আহমেদ মাসুদ কামাল ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর আমাদের দুই ভাইয়ের নামে হাটফাজিলপুর বাজারে থাকা ৮৫ শতক জমি লিখে দেন। এই জমির উপরে মার্কেট রয়েছে। যেখান থেকে প্রতিমাসে দুই লাখ ১৬ হাজার টাকা ভাড়া ওঠে। বাবা মারা যাওয়ার পরে ছোটভাই ওয়াসিফ কামাল আমার নামের জমি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে দলিল ও বালাম বই টেম্পারিং করে আমার নামের জায়াগায় বোনের নাম বসিয়েছে।

আমাদের অন্য জমি ভাগাভাগি করতে গেলে ছোটভাই ওয়াসিফ কামাল বলে এই জমি বাবা বোন ও ওয়াসিফ কামালের নামে লিখে দিয়ে গেছে। তখন আমি বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ খবর নিয়ে তাদের প্রতারণার কথা জানতে পারি। আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এর সঠিক বিচার চাই। তিনি বলেন, আমার বোনের নামে এই জমি পুরোপুরিভাবে করে ফেলতে পারলে পরে আবার বোনের কাছ থেকে তার নামে করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল ছোটভাই ওয়াসিফ কামাল। তিনি বলেন, এসমস্ত প্রতারণা নিয়ে ছোটভাইয়ের স্ত্রী প্রতিবাদ করলে তাকেও ডিভোর্স দিয়েছে ওয়াসিফ কামাল।

এ বিষয়ে দিশা কামাল বলেন, তিনি এই সব বিষয়ে কিছুই জানেন না। বড় ভাই অভিযোগ করার পর বিষয়টি বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে জানতে পেরেছেন। দলিল ঘষামাজা হয়েছে কি না, এটা তাঁর জানা নেই।

এ্যাড: ওয়াসিফ কামালকে ফোন করলে তিনি বলেন, তার জমি নিয়ে কোন সমস্যা নেই। ঘষামাজা করে বোনের নাম বসানোর বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।

এদিকে নকল নবিশ বাবুল আক্তারের একটি ভিডিও রয়েছে প্রতিবেদকের হাতে যেখানে তার স্বীকারোক্তি রয়েছে। ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি এই কাজ করেছেন। দলিল লেখক আল মামুন তাকে এই কাজ করতে বলেছেন।

সদর মহাফেজখানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সাবরেজিস্ট্রার মোস্তাক হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়ায় এই কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দলিল লেখক মো. আল মামুন ও নকলনবিশ মো. বাবুল আক্তারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

তাদেরকে সাসপেন্ট করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য মহেশপুর সাবরেজিস্ট্রারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী হলে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও তিনি যোগ করেন। তিনি বলেন, রেকর্ড রুম থেকে দলিল বের করে টেম্পারিং করে নাম পরিবর্তন করা আমাদের জন্য ব্যাপক মানহানিকর। আমানতের খিয়ানত করা। এটা আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক। এটা কোনভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।




গাংনীতে আলগামন উল্টে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত, আহত ২

মেহেরপুরের গাংনীতে চলন্ত আলগামন (ইঞ্জিনচালিত ভ্যান) উল্টে নাহিদ হোসেন (১৮) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

বুধবার (১৮ জুন) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গাংনী-কাথুলী সড়কের চৌগাছা মাঠ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ গাংনী উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে। চলতি বছর সে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলগামনটিতে চালকসহ মোট তিনজন ছিলেন। তারা কাথুলী থেকে গাংনীর দিকে ফিরছিলেন। পথে চৌগাছা মাঠ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আলগামনটি উল্টে যায়। এতে গুরুতর আহত হয় নাহিদসহ তিনজন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাহিদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজন হলেন—আলগামন চালক সামিউল ইসলাম ও নিহত নাহিদের বন্ধু আজমান হোসেন। তারা বর্তমানে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাঙ্গী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




মেহেরপুরে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অফিস উদ্বোধন

বুধবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফিতা কেটে অফিসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

প্রধান কার্যালয়ের বিএম মো. ফিরোজ আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) গোলাম মোস্তফা।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স দেশের একটি বিশ্বস্ত এবং গ্রাহকবান্ধব জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান। আমরা সবসময়ই গ্রাহকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা প্রদান করে থাকি। মেহেরপুরে নতুন অফিস উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা এখানকার মানুষদের আরও কাছাকাছি থেকে জীবন বীমা সেবা পৌঁছে দিতে পারব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান কার্যালয়ের এজিএম মো. মনিরুজ্জামান খান এবং দৈনিক মেহেরপুর প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন।

তারা বলেন, সোনালী লাইফ শুধু একটি বীমা কোম্পানি নয়, এটি মানুষের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অংশীদার। আমরা চাই দেশের প্রতিটি মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাক এবং প্রত্যেকেই একটি নিরাপদ জীবন গঠনে বীমা গ্রহণ করুক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফএ শামীম, হাসান, মাহাবুল, মো. মশিউর রহমানসহ কোম্পানির অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।




গাংনীতে দুইজনের করোনা শনাক্ত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় নতুন করে দুইজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তারা দু’জনই বর্তমানে নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুন (মঙ্গলবার) করোনা পরীক্ষায় চৌগাছা ডিগ্রি কলেজপাড়ার মরহুম অ্যাড. রমজান আলীর স্ত্রী মোছাঃ রুনা লায়লা (৪৫), ও ১৮ জুন (বুধবার) বামুন্দী চেরাগীপাড়ার জিয়াউল হকের ছেলে মোঃ কালাম হোসেন (৪৭), এর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্টরা জানান, আক্রান্ত দুজনের মধ্যে কেউই হাসপাতালে ভর্তি হননি। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল এবং তারা নিজ নিজ বাড়িতে থেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত কিট মজুদ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে মাস্ক পরিধান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




হাসিনা দিল্লিতে বসে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও দেশে তার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়বিচারের নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহে গণ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি যে হাসিনা দিল্লিতে বসে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে। হাসিনা বার বার তার আওয়ামী লীগের পান্ডাদের মাঠে নামানোর চক্রান্ত করছে। হাসিনার সেই নিয়োজিত ফ্যাসিস্ট যারা ১৪ সালের ইলেকশন করেছে যেসকল ডিসি, এসপিরা।

যার ১৮ সালের ইলেকশন করেছে। যারা ২৪ সালের ইলেকশন করেছে ওই ফ্যাসিস্ট সরকারি কর্মকর্তারা সরকারের কার্যক্রমে বাঁধা দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এসব চক্রান্তের বিরুদ্ধে সকলকে একসাথে লড়াই করার আহ্বান জানান তিনি।

শোভাযাত্রাটি শহরের সিটি কলেজ এলাকা থেকে শুরু হয়। সেখান থেকে শহর ঘুরে হরিণাকুন্ডু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে আরাপপুর মোড়ে এসে শেষ হয়। শোভযাত্রায় গণ অধিকার পরিষদের জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়।




ঝিনাইদহে গ্রাম আদালত বিষয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অতি সহজে বিরোধ ও বিবাদ নিষ্পত্তির করতে ঝিনাইদহে সমন্বিত পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প।

এতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.বি.এম. খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমানসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও সংবাদ কর্মীরা অংশ নেয়।

কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও গতিশীল করতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ, প্রচারমূলক কার্যক্রম জোরদার ও জনগণের মধ্যে আস্থা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




হরিণাকুণ্ডুতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে ইঞ্জিনচালিত লাটা হাম্বা গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নাজমুল হুদা (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার ভায়না-বাগআঁচড়া মাঠের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল হুদা ভবানীপুর গ্রামের ইসাহাক আলী ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানির এস.আর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে কুষ্টিয়া শহরের দিকে অফিসে যাচ্ছিলেন নাজমুল হুদা। পথে ভায়না-বাগআঁচড়া মাঠের মধ্যে পৌঁছালে একটি ইঞ্জিনচালিত লাটা হাম্বা গাড়ি ওভারটেক করার সময় সেটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এতে তিনি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেণ হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম হাওলাদার দূর্ঘটনায় নিহতের খবর নিশ্চিত করে জানান, কিভাবে দূর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




গাংনীতে ট্যাপেন্ডাল ট্যাবলেটসহ আটক-১

৯ পিচ নিষিদ্ধ ঘোষিত ট্যাপেন্ডেল ট্যাবলেটসহ মিনারুল উদ্দীন (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে গাংনী থানার এলাঙ্গী ক্যাম্পের পুলিশের একটি টিম।

মিনারুল উদ্দীন গাংনী উপজেলার বাথানপাড়া গ্রামের জামাল উদ্দীনের ছেলে।

গতকাল মঙ্গলবার সকারের দিকে এলাঙ্গী ক্যাম্পের এএসআই দেবদাশ কুমার দেবনাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম তার বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান চালিয়ে মিনারুলকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ৯ পিচ ভারতীয় ট্যাপেন্ডাল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দিয়ে আটককৃত মিনারুল উদ্দীনকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের আদালতের মাধ্যমে মেহেরপুর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।