গাংনীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

“তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দেব মিলেমিশে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৭ম জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে গাংনীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে হাসপাতাল বাজার প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ভোটরা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রীতম সাহা। আলোচনা বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সামসুল আলম সোনা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেহেরপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব মুজাহিদুল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ।

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় ভোটার দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে ধরেন। সেই সাথে নতুন ভোটারদের নিবন্ধন ও ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।




পড়াশোনার চাপ বাড়ছে, সন্তানের মন স্থির রাখতে যা করবেন

এখন ডিজিটাল যুগ। আগের চেয়ে আপনার সন্তানের পড়াশোনার চাপ দশগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু পড়াশোনাই নয়, স্কুলের পড়াশোনার বাইরেও নাচের ক্লাস, গান শেখা, ছবি আঁকা বা আবৃত্তি শেখা, ক্রিকেট ও ফুটবল খেলা— সবই চলছে সমানতালে। সব মিলিয়ে আপনার শিশুসন্তানেরও মনের ওপর চাপ বাড়ছে। প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে গিয়ে উদ্বেগের বোঝা বাড়ছে। সে কারণে আপনার সন্তানকে মনস্থির রাখতে ধ্যান অভ্যাস করান।

এ বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, মানসিক চাপ ছোটদের মস্তিষ্কের গঠন ও বৃদ্ধিকে ব্যাহত করতে পারে। কারণ যে শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে খুব বেশি মানসিক চাপ ভোগ করেছে, তাদের বুদ্ধির বিকাশ তেমনভাবে হয়নি। স্মৃতিশক্তিও তেমনভাবে উন্নত হয়নি।

ইউনিসেফের একটি সমীক্ষাসূত্রে জানা গেছে, শিশু যদি বেশি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ভোগে, তা হলে তাদের আচরণগত পরিবর্তন দেখা দেয়। শিশু অনেক বেশি অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে। ভবিষ্যতে তাদের মেলামেশায় সমস্যা হয়— এমনকি অপরাধমূলক কাজে প্ররোচিতও হতে পারে। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হতে হবে অভিভাবকদের। সে জন্য ছোট থেকেই ধ্যানের অভ্যাস করালে, শিশুর মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমবে। মনোযোগও বাড়বে। ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিজঅর্ডার’ (এডিএইচডি)-এ আক্রান্ত শিশুদের জন্যও মেডিটেশন বা ধ্যান খুবই উপযোগী।

পাঁচ মিনিটের মাইন্ডফুল ব্রিদিং

শান্ত হয়ে বসে চোখ বন্ধ করে নাক দিয়ে গভীরভাবে শ্বাস টেনে ৩-৪ সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে। তার পর ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়তে হবে। খুব তাড়াহুড়া করলে এই ধ্যান হবে না। সবটাই করতে হবে ধীরগতিতে। নাক দিয়ে যতক্ষণ ধরে শ্বাস টানবে শিশু, মুখ দিয়ে সেই শ্বাস ছাড়তে হবে আরও বেশি সময় ধরে। স্কুলে পরীক্ষা থাকলে বা বোর্ডের পরীক্ষার আগে যখন উদ্বেগ বাড়বে, তখন এই ধ্যান করলে মন স্থির হবে।

ঘর অন্ধকার করে একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে দিন। শান্ত হয়ে বসে মোমবাতির শিখার দিকে তাকিয়ে থাকতে বলুন সন্তানকে। চোখের পাতা না ফেলে যতক্ষণ পারবে তাকিয়ে থাকুক। মন বারবার বিক্ষিপ্ত হবে, কিন্তু অভ্যাস করলে মন স্থির হবে খুব তাড়াতাড়ি। যে শিশুদের মনোযোগ কম, অস্থিরতা ও চঞ্চলতা বেশি, তাদের জন্য খুবই উপযোগী হতে পারে এমন ধ্যান।

শান্ত হয়ে পদ্মাসনের ভঙ্গিতে বসতে বলুন সন্তানকে। চোখ বন্ধ রেখে প্রথমে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেবে। তারপর মুখ দিয়ে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়তে হবে। শ্বাসছাড়ার সময়ে পেট যেন ভেতরের দিকে ঢুকে আসে। এই প্রক্রিয়া ২০ বার করে করতে হবে। নিয়মিত কপালভাতি করলে মনঃসংযোগ বাড়ে ও স্মৃতিশক্তিও উন্নত হয়।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

“তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দেব মিলেমিশে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৭ম জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সকাল ১০টায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা নির্বাচন অফিসার মো. ওয়ালিল্লাহ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ। সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দোলন কান্তি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তরিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম, টিটিসির অধ্যক্ষ আরিফ হোসেন তালুকদার প্রমুখ।

এর আগে ৭ম জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে একটি র‍্যালি বের করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ৭ম জাতীয় ভোটার দিবসের সূচনা করা হয়।




কন্যা রাহার সব ছবি মুছে ফেললেন আলিয়া, কিন্তু কেন?

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছিল রাহা কাপুরের একগুচ্ছ ছবি। ভক্ত-অনুরাগীরা প্রায়ই একরত্তির ছবির জন্য সেই অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে দেখতেন। হঠাৎ নিজের সামাজিক মাধ্যম থেকে রাহার সব ছবি মুছে দিলেন অভিনেত্রী। হঠাৎ কী এমন হলো যে এ সিদ্ধান্ত নিলেন আলিয়া ভাট? এ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে। রাহার মুখ দেখা যাচ্ছে, এমন সব ছবিই প্রায় মুছে দিয়েছেন অভিনেত্রী।

এমনকি জামনগর ও প্যারিসে গিয়ে তোলা একাধিক ছবিও আর নেই আলিয়ার সামাজিক মাধ্যমে। রাহার একটি ছবিই শুধু রয়েছে। নতুন বছর উদযাপনের আগে ছবিটি পোস্ট করেছিলেন আলিয়া। রণবীর ও আলিয়ার কোলে ছোট্ট রাহা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু দেখা যাচ্ছে না তার মুখ।

আলিয়ার অনুরাগীরা মনে করছেন, নিরাপত্তার খাতিরেই রাহার সব ছবি সরিয়ে দিয়েছেন তিনি। অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনার পরেই নাকি আরও বেশি করে সতর্ক হয়েছেন আলিয়া। তাই সব ছবি মুছে দিয়েছেন তিনি।

সাইফের ওপর হামলার ঘটনায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল বলিউড। তদন্তে জানা গিয়েছিল এক দুষ্কৃতকারী প্রথমেই ঢুকে পড়ে কারিনা-সাইফের ছোট ছেলে জেহর ঘরে। ছোট্ট জেহ সেই পরিস্থিতিতে বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিল। ন্যানির সাহায্যে কোনোমতে সেই ঘর থেকে পালিয়ে যায় সে। সেই ঘটনার পর থেকে সতর্ক হয়ে পড়েছেন কারিনা ও সাইফও। দুই সন্তানকে কখনই ফটোসাংবাদিকদের থেকে আড়াল করেননি তারকা দম্পতি। বরং ফটোসাংবাদিকদের সঙ্গে দুই খুদের ভালোই সখ্য দেখা গেছে। ক্যামেরার সামনে তাদের নানা অঙ্গভঙ্গিও করতে দেখা গেছে তাদের অতীতে। কিন্তু সেসব বন্ধ হয়েছে। ফটোসাংবাদিকদের সামনে আর দুই পুত্রকে আনছেন না কারিনা ও সাইফ। এই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আলিয়াও সতর্ক হয়েছেন বলে ধারণা করছেন নেটিজেনরা।

সূত্র: যুগান্তর




স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পালাতে সহযোগিতা করলেন বিএনপি নেতা

ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনিচুর রহমান মিঠু মালিথাকে ভারতে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ মিঠু মালিতার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় দুইটি ও ঢাকায় একটি মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্টেও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অঅওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মিঠু পলাতক ছিলেন। সবশেষ গত কয়েকদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এ নেতা জেলার মহেশপুরে অবস্থান করছিলেন। ওই এলাকায় থাকার সময়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার আশ্রয়ে থাকতেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা জিয়ার অফিসে তাকে বসতে দেখেছেন বলে জানান।

গত শুক্রবার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হাফিজুলের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিঠু মালিতা। খবর পেয়ে ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে স্থানীয় জনতা। পরে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পালাতে সহযোগিতা করে। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক বাসিন্দা জানান, ৫ আগস্টের পরে মহেশপুর উপজেলা পরিষদের সামনে কয়েকদিন মিঠু মালিথাকে দেখেছেন। বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে বেশ সখ্যতা আছে মিঠু মালিথার। ৪ দিন আগেও বিএনপি নেতা জিয়ার সঙ্গে তাকে মহেশপুরে দেখা গেছে।

জেলা কৃষকদলের সদস্য মোহাম্মদ উল্লাহ শাওকী তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর মহেশপুর বর্ডার দিয়ে একাধিক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা এবং কর্মীরা ভারতে পালিয়ে গেছে বলে গেছে বলে জানা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার মহেশপুরের বোয়ালিয়া গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য হাফিজুলের বাড়িতে পাচারের জন্য প্রস্তুত ছিল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টুর ক্যাডার নামে পরিচিত মিঠু মালিথা। খবর পেয়ে এলাকার জনসাধারণ বাড়িটা ঘিরে ফেলে এবং তাকে পুলিশে দেওয়ার জন্য খবর দেয়। কিন্তু আগেই খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় সুবিধাভোগী নেতারা দ্রুত সেখানে ছুটে যায় এবং জনগণের কাছ থেকে মিঠু মালিথাকে ছাড়িয়ে নিয়ে তাকে পালাতে সাহায্য করে। এ ঘটনায় প্রশাসন কেন নীরব ভূমিকা পালন করছে তা রহস্যজনক।’

মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ‘৫ আগস্টের পর মিঠু মালিথার সঙ্গে মহেশপুর শহরে কয়েকবার দেখা হয়েছে। শুনেছি তিনি এখানে তার খালাতো ভাইয়ের বাড়িতে থাকতেন। তাকে ভারতে পালাতে আমি কোনো সহযোগিতা করিনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমাকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ‘বোয়ালিয়া গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অবস্থান করছিলেন এমন খবর স্থানীয়রা জানায়। পরে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে তাকে পাইনি।’




সেমির প্রতিপক্ষ বাছাইয়ে ভারত-নিউজিল্যান্ডের একাদশ হতে পারে যেমন

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। এখন সেমিতে প্রতিপক্ষ বাছাইয়ের সুযোগ ভারত ও নিউজিল্যান্ডের সামনে। সেমির আগে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হতে আজ দুপুর ৩ টায় দুবাইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড। সেমির আগে দুদলের একাদশেই আসতে পারে বেশ কিছু পরিবর্তন।

দুবাইয়ে আজ ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে জয়ী দল ‘এ’ গ্রুপের সেরা হিসেবে খেলবে সেমিতে। যারা সেমিতে মুখোমুখি হবে গ্রুপ ‘বি’ রানার্সআপ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অন্যদিকে এই ম্যাচে হারা দল মুখোমুখি হবে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

নকআউট পর্বের আগে প্রয়োজনীয় শেষ পরীক্ষা সেরে নিতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। বিশ্রাম পেতে পারেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। এছাড়াও একাদশে লোকেশ রাহুলের জায়গায় উইকেটকিপার হিসেবে দেখা যেতে পারে ঋষভ পান্তকে। এছাড়াও একাদশে সুযোগ মিলতে পারে বরুণ চক্রবর্তীর।

অন্যদিকে, ভারতের মতো নিউজিল্যান্ডও সেমি নিশ্চিত করে ফেলায় একাদশে পরিবর্তন করতে পারে। অভিজ্ঞ কেন উইলিয়ামসনকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তার জায়গায় প্রথম একাদশে আসতে পারেন মার্ক চাপম্যান। মিচেল ব্রেসওয়েলের জায়গায় প্রথম একাদশে আসতে পারেন ড্যারিল মিচেল। ব্যাটিং অর্ডারের আট নম্বরে থাকবেন অধিনায়ক স্যান্টনার।

ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: শুভমান গিল (অধিনায়ক) বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আয়ার, অক্ষর প্যাটেল, ঋভষ পান্ত (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাডেজা, মোহাম্মদ শামি, হর্ষিত রানা, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী।

নিউজিল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ: উইল ইয়ং, ডেভন কনওয়ে, মার্ক চাপম্যান, রাচিন রবীন্দ্র, টম লাথাম, গ্লেন ফিলিপস, ড্যারিল মিচেল, মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), জ্যাকব ডার্ফি, উইল ওরুর্ক, কাইল জেমিসন।

সূত্র: যুগান্তর




এবার বিয়াই বাড়ির হামলায় আহত বিয়াইনের মৃত্যু

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে দুটি পরিবারের মধ্যে সৃষ্ঠ সংঘর্ষে আহত মাহফুজা খাতুন (৫৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

গকতাল  শনিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯ টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহত মাহফুজা খাতুন গাংনী উপজেলা বেতবাড়িয়া গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রশিদের স্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রæয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মাহফুজা খাতুন ও তার স্বামী আব্দুর রশিদ ও ছেলে সোহেল রানাকে বিয়াই বাড়ির লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছিল।

আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে মাহফুজা খাতুনের অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসক। দুইদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নিহতের ছেলে রাসেল আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আমি এখন মামলা করার জন্য গাংনী থানায় রয়েছি।
রাসেল আহমেদ জানান, আমার বড় ভাই সোহেল রানার সাথে প্রায় আড়াই বছর আগে একই গ্রামের শওকত আলীর মেয়ে পিংকির বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছিলনা। কয়েক দিন আগে আমার ভাই সোহেল রানা ও ভাবি পিংকির মাঝে মনোমালিন্য হয়। আমাদের বাড়ি এসে ঘটনাটি পিংকির চাচী দুলাল হোসেনের স্ত্রী রেবেকা খাতুন শোনেন। পরে তাঁদের পরিবারের মাঝে সত্য মিথ্যা বলে উস্কে দেন। পরে পিংকির পিতার পরিবারের লোকজন গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আমাদের বাড়ির উপর এসে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিশোঠা নিয়ে হামলা করে। এতে আমার আব্দুর রশিদ মা মাহফুজা খাতুন, ও ভাই সোহেল রানা জখম হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিই।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এঘটনায় নিহতের ছেলে রাসেল আহমেদ বাদী হয়ে একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন। মামলা রুজ্জু প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন।




মেহেরপুরে মানবাধিকার রক্ষায় দিলারা পারভীনের অনন্য স্বীকৃতি

মেহেরপুর জেলার মানবাধিকার ও সমাজসেবার অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখায় বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন মেহেরপুর জেলা শাথার সাধারণ সম্পাদক দিলারা পারভীন ‘মানবিক কন্যা’ খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।

এটি নিঃসন্দেহে এক গৌরবময় স্বীকৃতি, যা তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও মানবিকতার নিদর্শন বহন করে।

বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন মেহেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে শনিবার (১ মার্চ ) বিকেলে শহরের শরীফ আহমেদের আম্র কাননে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

পৌর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল আজিমের সভাপতিত্বে সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. আবুল বাশার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ব্যবসায়ী মোঃ মশিউর রহমান খান ও সমাজসেবক মোঃ মুক্তার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক শরিফ আহমেদ।

এছাড়াও এসময় সাংবাদিক রফিকুল আলম, মোঃ আজমাইন হোসেন, মেরিয়েন শুভ্রতা, সমাজসেবী নিলুফার ইয়াসমিনউপস্থিত ছিলেন।

এসময় তারা বলেন, যারা মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। মানবতার সেবায় দিলারা পারভীনের এই অবদান শুধু মেহেরপুর নয়, পুরো দেশবাসীর জন্যই অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর এই অর্জন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আত্মনিবেদন ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

মেহেরপুর প্রতিদিনের পক্ষ থেকে দিলারা পারভীনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।




মুজিবনগরে ভয়াবহ আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ভয়াবহ আগুন লেগে পুড়ে গেছে ২ টি ভাংড়ির গোডাউন।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার খানপুর, পুরন্দরপুর ৬ নং ওয়ার্ড বাঘমারা ডোহর নামক স্থানে গোপিনাথপুর গ্রামের হবি কারিগরে ছেলে আলমগীরের গোডাউনে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।

পরে পাশেই ওহিদুল নামের একজনের বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে মুজিবনগর ফায়ারসার্ভিস ও সেনাবাহিনীর একটি দল এসে ঘন্টা খানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুন লাগতে পারে।ক্ষতিগ্রস্ত গোডাউন মালিক আলমগীর জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে আগুন লাগতে পারে। বিভিন্ন প্লাস্টিকের ভাংড়ি ও লোহা-লাকড়ি ভিতরে ছিল। যার প্রায় সবই পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আরেক ক্ষতিগ্রস্থ ওহিদুল জানান, গোডাউন থেকে আগুন ছড়িয়ে আমার বাড়িতে চলে আসে। অনেক রাত হওয়ার কারনে লোকজনও তেমন একটা ছিল না। পরে সেনাবাহিনী ও ফায়ারসার্ভিসের দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

মুজিবনগর ফায়ারসার্ভিস সুত্রে জান যায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক লাইনের গোলযোগের কারণে আগুন লেগেছে। প্লাস্টিক থাকায় আগুনের তিব্রতা বেশি হয়ে যায়। ধারণা করা প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে।




খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙা হয় কেন?

রমজানের ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতি অনেক পুরোনো। কখনও কি ভেবে দেখেছেন কেন রোজা ভাঙার জন্য সবাই খেজুরটাই আগে মুখেপুরে? মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রিয় খাবারের একটি ছিল খেজুর। তিনি নিজেও ইফতার করতেন খেজুর খেয়েই। এর পিছনে বৈজ্ঞানিক কারণও আছে।

রোজায় দীর্ঘসময় আমরা খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকি। এতে পুষ্টির অভাবে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই শরীরে দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে অনেকেই ইফতারে খেজুর খান।

সারা দিন না খেয়ে থাকার পর আমাদের এমন কিছু খাবারের প্রয়োজন হয়, যা শরীরে পুষ্টি জোগাবে। সেই সঙ্গে জোগাবে কর্মশক্তিও। এ কারণেই রোজার সময় খেজুরের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। নানা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খেজুরে আছে ক্যালরি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়ামসহ নানা প্রাকৃতিক উপাদান।

ইফতারে যেসব উপকার পেতে খেজুর খাবেন

হৃদরোগের ঝুঁকি: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ খেজুর।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান, তাদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটাও অনেক কম থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ: খেজুরে থাকা আয়রন ও ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।প্রচুর পটাসিয়াম পাওয়া যায় খেজুর থেকে। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া মাত্র কয়েকটি খেজুর ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয় এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অল্পতেই শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে।

এনার্জি: খেজুরের পুষ্টিগুণ প্রচুর। সুগারের পরিমাণ এত বেশি থাকে খেজুরে যে এক কামড়েই অনেকটা এনার্জি পাওয়া যায়। এর মধ্যে আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, গ্লুকোজ, ম্যাগনেশিয়াম ও সুক্রোজ থাকে। যে কারণে খেজুর খাওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে শরীরে এনার্জি বেড়ে যায়। সারা দিন উপোস করে শরীরে ক্লান্তি আসে, তা দূর করে এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে খেজুর।

অ্যাসিডিটি: উপোস করলে সাধারণত অ্যাসিডিটি হয়। যার থেকে অস্বস্তি হতে থাকে। খেজুর শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বশে রেখে অস্বস্তি কমায়।

বেশি খাওয়া: সারা দিন না খেয়ে থাকলে খাওয়ার সময় বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই খেজুর খেয়ে উপোস ভাঙলে এর মধ্যে থাকা জটিল কার্বোহাইড্রেট হজম হতে বেশি সময় নেয়। ফাইবার থাকার কারণে পেট ভরা লাগে। তাই বেশি খাওয়ার আগেই পেট ভরে যায়।

হজম: অনেক ক্ষণ না খেয়ে থাকলে তা পৌষ্টিকতন্ত্রের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটায়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও হতে পারে। খেজুর শরীরে উত্‌সেচক ক্ষরণে সাহায্য করে। ফলে হজম ভাল হয়।

খেজুর হল রোজা ভাঙার সর্বোত্তম উপায়। তবে ইফতারে যদি খেজুর না পাওয়া যায়, তাহলে পানি পান করা উচিত। কারণ উভয়ই বিশুদ্ধ এবং নিরাময়কারী।

সূত্র: যুগান্তর