মেহেরপুরে জামায়াত কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুর সদর উপজেলার গহরপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের নেত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামাত ইসলাম।

আজ শনিবার বিকালে মেহেরপুর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য রাখেন জেলা জামাতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি রুহুল আমিন।

তিনি বলেন, বিএনপি কর্মী আলিহিম ৭ দিন পূর্বে হুমকি দিয়ে বলেন এলাকায় কোন মহিলা জামায়াত নেত্রী ভোট চাইতে পারবেনা। ভোট চাইলে তাদের ঠ্যাং ভেঙ্গে দেওয়া হবে। চোরের অপবাদ দিয়ে পেটানো হবে। কোন মহিলাকে গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবেনা। সাধারণ মানুষ যারা জামায়াত সমর্থক তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে যাইতে দেবেনা। তার জের ধরে শনিবার সকাল ১১টার দিকে গহরপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের নেতা কর্মীরা নির্বাচনী কাজে গেলে আলিহিম ও হায়দারের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের সন্ত্রাসীরা মহিলাদের উপর হামলা করে ও গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে কুরআন দিয়ে শপথ করাচ্ছে এমন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাদের হাসুয়া দেখিয়ে জোর পূর্বক একটি বাড়িতে আটকিয়ে জিম্মি করে রাখে।

রুহুল আমিন আরো বলেন, মহিলাদের উপর হামলা ও জিম্মি করে রাখার খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারের জন্য স্থানীয় জামায়াত কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছালে আলিহিম ও হায়দারসহ ৭-৮ জনের সন্ত্রাসী টিম জামায়াত কর্মীদের উপরে হামলা করে। এতে আনছারুল, আশরাফুল ও সোহেল রানা নামের তিনজন জামায়াত কর্মী আহত হয়।

হামলার খবর শুনে জামায়াতের নির্বাচনী টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌছলে তাদের উপরও হামলা করে এবং তাদের ২ জনকে আহত করে।

প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, অবিলম্বে প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করতে হবে ও নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন, নির্বাচন সচিব আব্দুর রহমান ও তার সেক্রেটারি খাইরুল বাশার, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।




ঝিনাইদহ-২ আসনের জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় সভা

আগামী ২৬ জানুয়ারি জাময়াতের কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমানের ঝিনাইদহে আগামন উপলক্ষ্যে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও মাল্টিমিডিয় মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে ঝিনাইদহ-২ আসনের ১০দলীয় জোট প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর আলী আজম মোঃ আবু বকরের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় শহরের কাঞ্চনপুর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্টিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর ও ঝিনাইদহ -২ আসনের ১০দলীয় জোট মনোনিত প্রার্থী আলী আজম মোঃ আবু বকর।

এছাড়া সভায় অতিথি হিসেবে জেলা জাময়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলীম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি’র) জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী আরেফিন কায়ছার ও আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার। শহর শাখার জামায়াতের আমীর এ্যাড. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা জামায়াতের জেনারেল সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল ।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিএনপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বৃদ্ধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ধরেন। এছাড়া আগামী ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীরের ঝিনাইদহে আগমন উপলক্ষে সকল সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার আহবান জানান।




দর্শনায় ইটভাটার শ্রমিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পাঁচটি ইটভাটার শ্রমিকদের সঙ্গে নির্বাচনী গণসংযোগ করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী রুহুল আমিন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দর্শনা পৌর এলাকার পাঁচটি ইটভাটায় কর্মরত সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রকেট শাহজাহান, অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ এবং দর্শনা পৌরসভার আমির শাহিকুল আলম অপু প্রমুখ।




দর্শনায় পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দিলেন ধানের শীষের প্রার্থী বাবু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের পোলিং এজেন্টদের নিয়ে এক নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানা ও পৌর এলাকার পোলিং এজেন্টদের নিয়ে দর্শনা অংকুর আদর্শ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু নিজে উপস্থিত থেকে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন এবং এজেন্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত এজেন্টদের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কার্যক্রম এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশদ ধারণা দেওয়া হয়। নির্বাচনের দিন একজন পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব, ভোট গণনার সময় সতর্কতা এবং আইনগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

কর্মশালায় প্রধান ট্রেনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদ হাসান খান বাবুর নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট ড. আব্দুস সবুর। তিনি পোলিং এজেন্টদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রদান করেন।

ড. সবুর বলেন, “ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে এজেন্টদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে যাতে জনগণের ভোটের সঠিক প্রতিফলন ঘটে।”

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সহকারী ট্রেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন। তিনি হাতে-কলমে নির্বাচনী ফর্ম পূরণ ও কারিগরি বিষয়গুলো এজেন্টদের বুঝিয়ে বলেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু তার বক্তব্যে বলেন,”সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা অপরিসীম। কেন্দ্রে কোনো প্রকার অনিয়ম হতে দেওয়া যাবে না। সাহসের সাথে আইন অনুযায়ী আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি খাজা আবুল হাসনাত সহ চুয়াডাঙ্গা জেলা ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় দর্শনা থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের কয়েকশ পোলিং এজেন্ট অংশগ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধানের শীষের কর্মীরা নির্বাচনী মাঠে আরও দক্ষ ও সজাগ ভূমিকা পালন করতে পারবেন।




মেহেরপুরে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভা

মেহেরপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধির কার্যালয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল আলম বকুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও কালের কন্ঠ প্রতিনিধি ইয়াদুল মোমিন, মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব চান্দু, ইংরেজি লেখক ও গবেষক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি এম এ বাসার, সদস্য সানোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম, সাকিব হাসান রুদ্র, মো. রাফি হাসান, ইয়াসির ইউসুফ ইমন, আরশাদ আওসাফ রাফি প্রমুখ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে আমরা অনেক সুফল পাচ্ছি, কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তির এই সুযোগকে কাজে না লাগিয়ে আমরা অপব্যবহার বেশি করছি। যার ফলে সমাজে হিংসা-বিদ্বেষ এবং মানহানিকার ঘটনা ঘটছে।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আমাদের এ সকল বিষয়গুলো ভেবেচিন্তে ব্যবহার করতে হবে। না বুঝে,না জেনে কোন কিছু শেয়ার করা করা থেকে বিরত থাকতে হবে।




মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদন পেল দুটি সাবজেক্ট

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদন পেয়েছে দুটি সাবজেক্ট।

গতকাল শুক্রবার মেহেরপুর আইটি ট্রেনিং ও ইন্টিগ্রেশন সেন্টার এর উদ্বোধনী মতবিনিময় সভায় মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন এ কথা বলেন।

অনুমোদিত সাবজেক্ট দুটি হল, Computer Science & Engineering (CSE) এবং English Language & Communication Studies.




মেহেরপুর পৌর ডিগ্রি কলেজের নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফয়েজ মোহাম্মদ

মেহেরপুর পৌর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহসিন আলী আঙ্গুরকে তার পদ থেকে অপসারণ করে কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন ও কার্যকর করেছে।

ম্যানেজিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ একরামুল আজিম অবসর গ্রহণের পর মহসিন আলী আঙ্গুরকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, নিজের স্বার্থ ও পদোন্নতির উদ্দেশ্যে তিনি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে সাবেক অধ্যক্ষ একরামুল আজিমকে প্রভাবিত করে কলেজের নাম পরিবর্তন করেন। এ সময় তাঁকে সাবেক মন্ত্রীর বিভিন্ন দলীয় ও নির্বাচনী সভা-সমাবেশে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এমনকি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে নৌকা প্রতীকের প্রচারণা ও মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়াও কলেজের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় মেহেরপুর ছহিউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের নাম ব্যবহার করে প্রায় ৩০ লাখ টাকার দুর্নীতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কলেজকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়মিত আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনা, ক্রেস্ট প্রদান ও ভুরিভোজের আয়োজন করা হয়, যা কলেজের তহবিল থেকে ব্যয় করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের ম্যানেজিং কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে মহসিন আলী আঙ্গুরকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে অপসারণ করে এবং সহকারী অধ্যাপক ফয়েজ মোহাম্মদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মহসিন আলী আঙ্গুরের অপসারণপত্র অনুমোদন ও কার্যকর করে মেহেরপুর পৌর ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রদান করেছে।

এ বিষয়ে সাবেক অধ্যক্ষ মহসিন আলী আঙ্গুর বলেন, ক্ষমতার বলে এইসব অভিযোগ এনে আমাকে অপসারণ করানো হয়েছে।




ঝিনাইদহে উৎসবমুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপন

আজ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক হিসেবে পূজিত।

যদিও সরস্বতী বৈদিক দেবী, তবে সরস্বতী পূজার বর্তমান রূপটি মূলত আধুনিককালে প্রচলিত হয়েছে। প্রাচীনকালে তান্ত্রিক সাধকেরা সরস্বতী-সদৃশ দেবী বাগেশ্বরীর পূজা করতেন বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও ঝিনাইদহের চাকলা পাড়া প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ পূজায় কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পূজা উপলক্ষে সকাল থেকেই পূজা মন্ডপ প্রাঙ্গণে ভক্তদের উপস্থিতি দেখা যায়। পূজার আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করা হয়। পরে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ধর্মীয় আলোচনাসভা ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়, যেখানে দেবী সরস্বতীর মহিমা ও শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে সরস্বতী পূজার গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।




এ দেশে আবারও নতুন করে কোন স্বৈরাচার তৈরীর পটভূমি তৈরি হতে দেব না

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, আজকে আমরা দায় ও দরদের রাজনীতি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। এই দায় হচ্ছে আমাদের এমন একটি নতুন পথের দিশা জাতিকে দিতে হবে যেখানে আর কখনো আমাদের দেশে নতুন কোন স্বৈরাচার তৈরীর পটভূমি তৈরি হতে দেব না।

যেহেতু আমাদের রাজনীতিকে জবাবদিহিতার রাজনীতি করতে হবে আমাদের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতা মূলক করতে হবে সরকারকে জবাবদিহিতা করতে হবে যার জন্য আমাদের ম্যানিফেস্ট দরকার যে ম্যানিফেস্ট সাধারণ মানুষের ম্যানিফেস্ট। সেজন্য আমাদের প্রধান উপদেষ্টা দীর্ঘ বক্তৃতার মাধ্যমে বুঝিয়েছেন বলেছেন কেন গণভোট দরকার।

তিনি আরো বলেন, গণভোট বিশ্বের যেসব দেশে স্থিতিশীলতা আছে জবাবদিহিতা আছে গণতন্ত্র আছে সেসব দেশে আমরা দেখেছি রেফারেনডম এর মাধ্যমে সংবিধান তৈরি করা হয় পরিবর্তন করা হয়। বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের সংবিধানের কোন রেফারেনডম নাই আবার অন্যদিকে সংবিধানের জন্য গণপরিষদ করা হয়। এই গণপরিষদের বিতর্কে ১৯৭২ সালে এই বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছিল ক্ষমতার ভারসাম্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা এ তিনটি বিষয় সেখানে ওভারকাম করা হয়েছিল।

আজ শুক্রবারে বেলা সাড়ে ৩টায় ড. শহীদ শামসুজ্জোহা পার্কে অনুষ্ঠিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এসকল কথা বলেন।

তিনি আরোও বলেন, আমরা দেখেছি ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী এত ক্ষমতায়িত যে ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী কেবিনেটের মন্ত্রিপরিষদের নেতা ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী কার্যত আদালতের নেতা। ফলে ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর যে ইচ্ছা সেই ইচ্ছাই সবকিছু । এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন কাজ করতে পারেনা বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করতে পারে না এখানে বিচারালয় কাজ করতে পারে না । ফলে আমরা দেখে এ রাষ্ট্র অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত হয়েছে আর অকার্যকর রাষ্ট্র তার ক্ষমতার অপব্যবহার করার জন্য সাংস্কৃতিক একটা ফ্যাসিবাদ চালু করে দেয় ফলে একদিকে বিরামহীন ক্ষমতা অপরদিকে সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ এই দুইয়ের সদস্যে আমরা দেখেছি আমাদের প্রধানমন্ত্রী গুলো পরপর স্বৈরাচার হয়ে উঠেছে এবং এই স্বৈরাচারের ফলে আমাদের এখানে গুম খুন হয়েছে এবং বিচার বহিরভূত হত্যার মহামরি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই যে কাউকে যখন তখন হত্তার নির্দেশ দিতে পারে রাষ্ট্রপতি চাইলেই ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মুক্ত করে দিতে পারে। রাষ্ট্রপতি চাইলেই যা ইচ্ছা তাই করতে পারে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই যা ইচ্ছা তাই করতে পারি ফলে রাষ্ট্র কোন ভাবে কাজ করছে না।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দিন, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ.কে‍.এম নজরুল কবির ও নির্বাচন অফিসার মো: এনামুল হক।

এছাড়াও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এ জে এম সিরাজুম মুনীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় ওরা বন্ধু সংঘ’র উদ্যোগে শীতবস্ত্র উপহার কম্বল বিতরণ

“হাসবো মোরা প্রাণ খুলে, থাকবো বেঁচে সবাই মিলে”- এই শ্লোগানে দামুড়হুদার ওরা বন্ধু সংঘ’র উদ্যোগে শীতবস্ত্র উপহার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। একই সাথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বন্ধু সংঘ’র পূর্ব ঘোষিত ৪ দিনব্যাপী শীতবস্ত্র উপহার বিতরণের কর্মসূচীর সমাপনী করা হয়।

সাংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর আগে ১১ দামুড়হুদা সদর ও হাওলি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিধবা, এতিম, অসহায় ও দিনমজুর পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার বিতরণের মাধ্যমে তার দিন পারু কর্মসূচি সুবোধ পালন করা হয়েছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকাল সাড়ে ৩ টায় উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়া সীমান্তবর্তী গ্রামে সংগঠনের ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুরশেদ বীন ফয়সাল (তানজির)- এর সভাপতিত্বে এলাকার বিধবা, ভিক্ষুক, অসহায় দিনমজুর পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক দেশ ব্রিকস এর স্বত্বাধিকারী হাজী মো:আব্দুল কাদির।শীত বস্ত্র বিতরণের মহতী উদ্যোগ কারো কারো জীবনে বড় কষ্ট দূর করতে পারেন উল্লেখ করে শীতবস্তুফার বিতরণের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তিনি বলেন, শীত মৌসুমের কনকনে শীতে তাদের অসহায়ত্ব আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। আমাদের প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী এমন মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংগঠন কিংবা ব্যক্তির পাশে থাকা আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আয়োজনে সংগঠনের বন্ধু হয়েছেন যারা তাদের সকলের ব্যক্তিগতভাবে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সর্বোপরি সংগঠনটির এমন প্রচেষ্টা আর্ত মানবতার সেবায় অবদান রাখবেন বলে বিশ্বাস করি।

ওরা বন্ধু সংঘ’র সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ইঞ্জিনিয়ার আক্তারুল ইসলাম ইউপি সদস্য নূর মোহাম্মদ,সংগঠনের সহ-সভাপতি আসলাম মিয়া প্রমুখ।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার সাজু আহমেদ, সাব্বির হোসেন, শেখ হাতেম, জহুরুল ইসলাম, সজল আহমেদ সহ উপস্থিত উপকারভোগী নারী-পুরুষ।

এমন সকল মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমাজের সচ্ছল, ধনী ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুরশেদ বিন ফয়সাল (তানজির) বলেন, শীত মৌসুমে বাংলাদেশে শৈত্য প্রবাহ ও সংশ্লিষ্ট কারণে প্রতিবছর প্রায় ২’শ ৮১ জন মানুষের মৃত্যু হয়।

আমাদের দেশে তাই তিন কোটিরও বেশি মানুষ মানবতার জীবন যাপন করে আসছেন শীতবস্ত্রের অভাবে, যদিও আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি আর অর্থ পাচারের মাধ্যমে লুটেরা ধনিক শ্রেণীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও অসচ্ছল নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো পূর্বের ন্যায় একই রয়ে গেছেন। অপ্রিয় হলেও সত্য যে,৭১,৯০ ও ২৪ বারবার মানুষের স্বপ্ন,আশা কিংবা আকাঙ্ক্ষা ধুলিস্যাৎ হয়েছে।কাজেই সমাজের মানুষ হিসেবে আমাদের দায়বদ্ধতা থেকেই”ওরা বন্ধু সংঘ”সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য শীতবস্ত্র উপহার তুলে দিচ্ছেন।