আলমডাঙ্গার অনুপনগরে ৮ শিক্ষার্থীকে পিটালেন প্রধান শিক্ষক

আলমডাঙ্গার অনুপনগরে আরশোলা দেখে চিৎকার করার অপরাধে ক্ষোভে অন্তত ৮ শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছেন এক প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার বিচার দাবিতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা। এ ঘটনায় গভীর রাত পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবার বিচারের দাবিতে অবস্থান নেয়।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবার জানায়, গত ১১ এপ্রিল সকালে পঞ্চম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী স্কুলে যায়। স্কুল শুরু হওয়ার আগেই শ্রেণিকক্ষে তেলাপোকা দেখে ভয়ে চিৎকার করে তারা। এতে প্রধান শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে অন্তত আটজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয় বলে জানান অভিভাবকেরা।

ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলেন, ছোট শিশুদের পড়াশোনার জন্য বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়, কিন্তু সেখানে এমন শারীরিক শাস্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের আমি নিজের সন্তানের মতো দেখি। শাসন করতে গিয়ে বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, তিনি আগে বিষয়টি জানতেন না। পরে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তদন্তের জন্য সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বকতিয়ার উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তবে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বকতিয়ার উদ্দিন বলেন, তিনি এখনো বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




দামুড়হুদায় যুবদল নেতা মাহফুজুর রহমান মিল্টনের জানাজা সম্পন্ন

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাহফুজুর রহমান মিল্টনের প্রথম জানাজা ব্যাপক শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ৯টায় দামুড়হুদা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় উপস্থিত থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান (বাবু) গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, মিল্টনের মতো ভালো ও গুণী কর্মীদের জন্য বারবার রাজনীতির মাঠে ফিরে আসতে মন চায়। পরে সকাল ১০টায় জনপ্রিয় এই যুবনেতার নিজ গ্রাম পাটাচুরায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ। তিনি বলেন, “মাহফুজুর রহমান মিল্টন ছিলেন একজন সৎ, মৃদুভাষী ও গুণী মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।”

জানাজায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ হাসান মিল্টন, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, যুগ্ম সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাসেম, জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান ঝন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব খান, দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ ও সোহেল রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খানসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ দলীয় নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মিল্টনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




দর্শনায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা

দর্শনা ও আশপাশ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন কমিটির পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক উত্তম রঞ্জন দেবনাথকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

রবিবার রাত ৮টার দিকে দর্শনা রেলবাজারের মনোরঞ্জন মার্কেটের একটি কার্যালয়ে এ ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দর্শনা জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অনন্ত সান্তারা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দর্শনা পৌর শাখার সভাপতি সমীর কুমার সরকার, একই সংগঠনের আহ্বায়ক অজয় কুমার লোধ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ দর্শনা পৌর শাখার সদস্যসচিব অবনী সান্তারা, বাংলাদেশ পূজা ঐক্য ফ্রন্টের আহ্বায়ক অরুণ হালদার ও সদস্যসচিব শান্ত অধিকারী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুরাতন বাজার মন্দির কমিটির আহ্বায়ক স্বরূপ দাস ও সদস্যসচিব মিল্টন কুমার সাহা, দামুড়হুদা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সঞ্জয় হালদার ও শোভন দাসসহ নারায়ণ সরকার, লিটন দাস, দীপেন ঘোষ, শ্রভ্র লোধ, সঞ্জয় চক্রবর্তী, বিকাশ মজুমদার, সমরেশ, প্রণয়, শুভ, হৃদয়সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক উত্তম রঞ্জন দেবনাথের সফলতা কামনা করেন এবং তার নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।




আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন আহত

আলমডাঙ্গা বাবুপাড়ার মরহুম হিলু মিয়ার ছেলে সুষম সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় রেফার করা হয়েছে।

গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে চুয়াডাঙ্গা থেকে ফেরার পথে আলমডাঙ্গার হক ফিলিং স্টেশনের অদূরে তার জিপ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় সুষম গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

চিকিৎসক জানান, তার পায়ে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা তাকে ভোরের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, তার কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।




দামুড়হুদায় পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ছেলে বিদেশে থাকার সুযোগে পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শ্বশুরকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি উপজেলার জুড়ানপুর পশ্চিমপাড়ার মৃত খেদের বিশ্বাসের ছেলে রহিদুল ইসলাম (৫০)।

গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী পুত্রবধূ অভিযুক্ত শ্বশুরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। দামুড়হুদা মডেল থানার মামলা নং-০৭, তারিখ ০৯/০৪/২০২৬ ইং।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ছেলে বিদেশে থাকার সুযোগে অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে প্রায়ই হুমকি-ধমকি ও মানসিক নির্যাতন করত। একাধিকবার একাকী পেয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্ত শ্বশুর পুত্রবধূর ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক নির্যাতনের চেষ্টা চালায়। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর আওতায় দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।




গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মেহেরপুরে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মেহেরপুরে ১১ দলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার বিকালে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হুসাইনের নেতৃত্বে জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে সামসুজ্জোহা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হুসাইন, জামায়াতের শুরা সদস্য আব্দুর রউফ মুকুল, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা, পৌর আমির সোহেল রানা ডলার, মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতের আমির জাহান আলী, গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমির ডা. মো. রবিউল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি আব্দুল গাফফার, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি আব্দুল সালাম, এনসিপির জেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়ক আরিফ খান।

বক্তারা বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের দেওয়া রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দাবির প্রতি গুরুত্ব না দিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। এ সময় তারা সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে থাকার আহ্বান জানান।

মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক উপস্থিতি দেখা যায়।




উৎসবের আমেজ বইছে অনূর্ধ্ব-২০ সাফজয়ী ফুটবলার আশিকুরের গ্রামের বাড়িতে

উৎসবের আমেজ বইছে অনূর্ধ্ব-২০ সাফজয়ী ফুটবলার আশিকুরের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুরে।

তিনি বাড়িতে আসার পর থেকে তাঁর সাফল্যে খুশি হয়ে ফুল, মিষ্টি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে শুভাকাঙ্ক্ষীরা অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন। এদিকে বাড়িতে বসে টিভির পর্দায় ছেলের খেলা দেখার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় উচ্ছ্বসিত কৃষক পিতা শমসের আলী।

জানা যায়, ২০১৮ সালে কোটচাঁদপুর জালালপুর দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন আশিকুর রহমান (১৯)। ছোটবেলা থেকেই খেলার প্রতি তাঁর টান ছিল। এ কারণে তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল অনুশীলন করতেন। তাঁর খেলা দেখে মুগ্ধ হন জালালপুর গ্রামের সেই সময়কার খ্যাতিমান ফুটবলার ইউসুফ আলী। তিনি আশিকুরকে বিকেএসপিতে যোগদানের পরামর্শ দেন।

তাঁর পরামর্শে আশিকুর বিকেএসপিতে ভর্তির জন্য অনুশীলন শুরু করেন ফুটবলার আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে কোটচাঁদপুর খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠে। কিছুদিন পর বিকেএসপিতে ট্রায়াল ম্যাচ খেলার ডাক পান তিনি। ট্রায়াল ম্যাচে ভালো খেলে উত্তীর্ণ হন। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আশিকুরকে। সামনের দিনগুলো ছিল তাঁর ও তাঁর পিতার স্বপ্ন পূরণের পথচলা।

ইতোমধ্যে আশিকুর ৭টি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ২৩টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ভারত ২০২২, সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ শ্রীলঙ্কা ২০২২, এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ কোয়ালিফায়ার বাংলাদেশ ২০২২, সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ ভুটান ২০২৩, সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ ভুটান ২০২৪, সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ ভারত ২০২৫ এবং সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ মালদ্বীপ ২০২৬।

এসব টুর্নামেন্টের বেশিরভাগে তিনি রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। তবে সর্বশেষ ২০২৬ সালে অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের মাধ্যমে বড় অর্জন এসেছে তাঁর ঝুলিতে।

এই অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় আশিকুর রহমান বলেন, “আমার এই অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার পিতা-মাতার। এরপর আমাকে বিকেএসপিতে যোগদানের জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছেন বড় ভাই ফুটবলার ইউসুফ আলী। আর যিনি আমাকে প্রস্তুত করেছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর ও পিডব্লিউডি ক্লাবের হেড কোচ আনোয়ার হোসেন। আমি এই মানুষগুলোর কাছে চিরদিন ঋণী থাকব। আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, যেন ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারি।”

পিতা শমসের আলী বলেন, “জালালপুর স্কুলে ৯ম শ্রেণিতে পড়ার সময় আমি ইন্টার-স্কুল ফুটবল খেলেছিলাম। এরপর আর পড়াশোনা বা খেলা হয়নি। তখন থেকেই স্বপ্ন ছিল ছেলেকে ভালো ফুটবলার বানাবো। সে দেশের ও বিশ্বের মানুষের মন জয় করবে, আর আমি বাড়িতে বসে টিভিতে তার খেলা দেখব। আজ আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি চাই সে দেশের জন্য আরও ভালো কিছু বয়ে আনুক।”
এদিকে ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা রেহেনা বিবি। আনন্দে কথা বলতে না পারলেও কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

ফুটবলার আশিকুর রহমান সম্পর্কে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর ও পিডব্লিউডি ক্লাবের হেড কোচ আনোয়ার হোসেন বলেন, “আশিক খুব ভালো ছেলে। সে সব সময় নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকে এবং পড়াশোনাতেও ভালো। সে কঠোর পরিশ্রমী।”

তিনি আরও বলেন, “আশিকুর বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার কারণেই আজ এই পর্যায়ে আসতে পেরেছে। বর্তমানে সে পিডব্লিউডি ক্লাবের হয়ে বি-লীগ খেলছে। আশা করি, একদিন সে বাংলাদেশ সিনিয়র জাতীয় দলে খেলবে এবং কোটচাঁদপুরের সম্মান আরও বাড়াবে।”




জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে আছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন প্রকল্প

জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে আছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ| প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ| ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী লাখো মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন|

জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ নভে¤^র একনেক সভায় ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর (উইকেয়ার) ফেজ-১-এর আওতায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়| সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে চলমান এই প্রকল্পটির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসে¤^র পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে| মেয়াদ আর কয়েকমাস হলেও এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৪ থেকে ৫ শতাংশ|

জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও এখনো মূল সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরুই করা যায়নি| ঝিনাইদহ শহরের বাইপাসের চুটলিয়া মোড় এলাকায় ফ্লাইওভারের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে| এছাড়া ধোপাঘাটা সেতুর জন্য ব্রিজের গার্ডার নির্মাণ এবং কয়েকটি কালভার্টের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে| তবে সড়কের মূল অংশে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই|

কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহগামী ইজিবাইক চালক রাশেদ উদ্দিন জানান, সড়কটি ছয় লেন প্রকল্পের আওতায় যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত মেরামত বন্ধ হয়ে গেছে| ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ, ধুলাবালি আর ভাঙাচোরা অবস্থা| এতে যান চলাচল হয়ে পড়েছে ধীরগতির ও ঝুঁকিপূর্ণ| প্রতিদিন যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে|

মাজেদা খাতুন নামের এক সরকারি কর্মচারী বলেন, আমাকে প্রতিদিন কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহ যেতে হয়| বাস বা ইজিবাইকে উঠলে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়| সারা রাস্তা ভাঙ্গাচোরা| এভাবে আর কতদিন চলতে হবে তার কোন ঠিক নেই| আমাদের ছয় লেন দরকার নেই| দুইলেন ছিলো সেটাই ভালো| আমরা রাস্তা ভালো চাই|

ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমš^য় কমিটির সভাপতি আশরাফুল আলম অভিযোগ করেন, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া খুবই হতাশাজনক| তিন বছরে মাত্র ২% অগ্রগতি হয়েছে| এখন ভিক্ষা চাই না কুকুর ঠেকা অবস্থা হয়ে গেছে|

উইকেয়ার ফেজ-১’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিলন আলী বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আমরা নির্ধারিত জায়গায় কাজ শুরু করতে পারছি না| যেসব স্থানে জমি বুঝে পেয়েছি, সেখানে আংশিক কাজ চলছে| জমি হস্তান্তর পেলে দ্রুতগতিতে বাকি কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে|

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে| কিছু জটিলতা থাকলেও সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে| আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু করা যাবে|




ধর্ম অবমাননার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়

খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন বলেছেন, ধর্ম অবমাননার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতা ঘটেছে, তা মোটেই কাম্য নয়।

রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকায় অবস্থান করছে। তিনি আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ঘটনার আগে প্রশাসনের কাছে গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেরি হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, তথ্য পাওয়ার পরই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে পুলিশের ব্যর্থতার দায় তিনি নেননি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

গত শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত স্থাপনাটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমান ওরফে শামীম (৬৫) ওই দরবার শরিফের প্রধান ছিলেন। হামলায় আরও তিন অনুসারী—মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের আহত হয়েছেন। তাঁরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছেন।

এদিকে ল ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং পীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

অপরদিকে বেলা ১টার দিকে দরবার শরিফের প্রধান শামীমের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) হোসেন ইমাম জানান, মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এর মধ্যে মাথায় একটি গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত আব্দুর রহমান ওরফে শামীম (৬৫) পীরের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাঁচ শ বিঘার মাঠ এলাকার কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

জানা যায়, জীবিতাবস্থায় তিনি উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘শামীম বাবার দরবার শরিফে’ই সমাহিত হতে চেয়েছিলেন। তবে নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক জটিলতায় পরিবার তাঁকে গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।




মারা গেছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত কয়েক মাস ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে এই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আগামীকাল সোমবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় গায়িকা আশা ভোঁসলে ১৯৩৩ সালে সংগীত অনুরাগী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের ছায়ায় ঢাকা না পড়ে নিজস্ব গায়কী ঢঙে তিনি কয়েক দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে রেখেছিলেন।

দাদাসাহেব ফালকে ও বঙ্গবিভূষণসহ একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এ খ্যাতনামা গায়িকা। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনীত হন তিনি।

তার ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ নাটকীয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব ৩১ বছর বয়সী গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন তিনি। তবে ১৯৬০ সালে সেই সম্পর্ক ত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণের (আর ডি বর্মণ) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্মণ পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকলেও তাদের দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ পায়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসাথেই ছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তার নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞীর ছায়াসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল।

সূত্র: যমুনা টিভি।