গাংনীতে অবৈধ ইটভাটায় লাখ টাকা জরিমানা

 মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে একটি অবৈধ ইটভাটায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেন।

এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক টিপু সুলতানসহ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি টিম উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৩ এর ৬/১৬ ধারা অনুযায়ী অবৈধভাবে খড়ি পোড়ানোর অপরাধে বামন্দী বিক্সের পরিচালক মিজানুর রহমান (৫৫) কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেন বলেন, ধারাবাহিকভাবে অবৈধভাবে পরিচালিত প্রতিটি ইটভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হবে। পরিবেশ রক্ষা ও আইনের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।




জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম দামুড়হুদার রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের দুই শিক্ষার্থী

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বাংলা ও ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতায় দামুড়হুদা উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে দামুড়হুদা রেসিডেন্সিয়াল আইডিয়াল স্কুলের দুই কৃতি শিক্ষার্থী।

উপজেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলা পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার গৌরব অর্জন করেছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ। গত বুধবার সকাল ১০টায় দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুলে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার মোট ৫৩টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজি রচনা বিভাগে দামুড়হুদা রেসিডেন্সিয়াল আইডিয়াল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া হোসেন লুবনা এবং সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাবিয়া বসরি নিজ নিজ বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে।

এই সাফল্যের মাধ্যমে তারা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এর আগেও আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী প্রাথমিক পর্যায়ে দেশসেরা বৃত্তি অর্জন করেছে। শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান, শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলেই আজ এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এই অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।




টেণ্ডার ছাড়া মেহেরপুর গণপূর্তের কয়েক কোটি টাকার কাজ!

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি উপেক্ষা করে মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কয়েক কোটি টাকার সরকারি ভবন সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান কিংবা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই।

এসব কাজ বাছাই করা কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসানের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকেই এই অনিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে জেলা জজ আদালত ভবন, পুলিশ সুপারের বাসভবন ও কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, মুজিবনগর কমপ্লেক্স, বিআরটিএ অফিস, সদর হাসপাতাল, নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজস্ব সরকারি বাসভবন, জেলা কারাগার, থানাভবনসহ অন্তত এক ডজন সরকারি দপ্তর।

এসব ভবনের সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের কোথাও দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি, প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের কোনো নথি নেই, এমনকি কাজের কার্যাদেশও পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘জরুরি’ অজুহাত দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে একাধিক ভবনে কয়েক কোটি টাকার কাজ করানো কোনোভাবেই বৈধ নয়। সরকারি বিধিতে জরুরি ক্রয়ের সীমা, অনুমোদন ও পরবর্তী নিয়মিতকরণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যা এখানে অনুসরণ করা হয়নি। সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু মেহেরপুরে সেই আইন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার ও গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নিজ ক্ষমতাবলে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারকে কাজ ভাগ করে দিচ্ছেন। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কারিগরি যোগ্যতা, দরপ্রস্তাব বা প্রতিযোগিতার কোনো মূল্য নেই; মূল্যবান হয়ে উঠেছে ‘ব্যক্তিগত সখ্য’।

এক ঠিকাদার বলেন, জেলায় অন্তত ৬০-৭০ জন বৈধ ঠিকাদার আছে। কিন্তু আমরা কেউ জানি না কোথায় কাজ হচ্ছে, কবে টেন্ডার হবে। সবকিছু হয় গোপনে। কয়েকজন ঠিকাদারকে দিয়েই কোটি কোটি টাকার কাজ করানো হচ্ছে।

শুধু ঠিকাদার নয়, গণপূর্ত বিভাগের ভেতরেও এই অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানেনই না কোন কাজের কত বাজেট, কীভাবে বরাদ্দ হচ্ছে। পরে যদি অডিট বা তদন্ত আসে, দায় পুরো বিভাগকে নিতে হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, এভাবে নিয়ম ভেঙে কাজ করানো মানে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্নীতি ও মামলার পথ তৈরি করা।

উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল গাফফার বলেন, আমি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাপোষা চাকরি করি। এক্স ইএন ও এসডিই স্যার আমাকে কাজ দেখাশোনার জন্য যেভাবে নির্দেশ দেন, আমি সেই নির্দেশই পালন করি মাত্র। কোনো কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে আপনি এক্স ইএন ও এসডিই স্যারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। কাজের টেন্ডার হয়েছে অথবা হয়নি এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।

তিনি জানান, তিনি এসপি বাসা, জজ আদালত ও সদর থানার শেড নির্মাণসহ মেরামতের কাজ দেখভাল করছেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন বলেন, আমি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল ও পিডব্লিউডি ভবনের সাইট দেখভাল করি। কিছুদিন আগে হাসপাতালে মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। কাজের টেন্ডার হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই। এক্স-ইএন এবং এসডি স্যারদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের তদারকি করে থাকি। এছাড়া আর কিছু বলতে পারব না বলে তিনি মোবাইল কেটে দেন।

উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, অফিসের বস এক্স-ইএন স্যার। তিনি যেভাবে বলেন, সেভাবেই করতেই হয়।

অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসান দরপত্র ছাড়া বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা সংস্কারকাজ চলমান থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, “৫ আগস্টের পর জেলায় তিনজন পুলিশ সুপার ও দুইজন জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন। নতুন কর্মকর্তারা এলে তাদের অফিস ও বাসভবন ব্যবহারযোগ্য করতে হয়।

তাছাড়া পুলিশ সুপারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডে দুটি এসিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জরুরি অবস্থায় দরপত্রের সময় পাওয়া যায়নি।”

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিচার বিভাগের ভবনগুলোতেই এই অনিয়ম হয়েছে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের নীরব সম্মতি ছাড়া এসব কাজ কীভাবে চলতে পারে? যখন প্রশাসনের ভবনই অনিয়মের মাধ্যমে সংস্কার হয়, তখন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার বা দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে আস্থা রাখবে কীভাবে?




দর্শনায় পাখি শিকারীর হাতে দুই নারী নিযার্তনের স্বীকার, থানায় অভিযোগ

দর্শনায় পাখি শিকারীর হাতে দুই নারী নিযার্তনের স্বীকারের ঘটনায় দর্শনা থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে দর্শনা রিফিউজি কলনীর দুই নারী আব্দুস শুকুরের স্ত্রী জাহিদা খাতুন (৪০) ও সমশের আলীর স্ত্রী নুরজাহান খাতুন (৫৫) পরাণপুর ও রামনগর মাঠে ছাগল চরাতে যায়। এদিকে আগে থেকে পাখী শিকারী রিফিউজি কলনীর রোজির খাতুনের ছেলে রাজু হোসেন ও সাজু হোসেন ঐ মাঠে আগে থেকে পাখী ধরা ফাঁদ পেতে রাখে।

এসময় জাহিদা খাতুন (৪০) ও নুরজাহান খাতুন (৫৫) রামনগর মাঠে ছাগল চরাতে গিয়ে পাখী ধরা এলাকায় ছাগল নিয়ে গেলে তাদের ছাগল সরাতে বলে। এদিকে জাহিদা খাতুন ও নুরজাহান খাতুন ছাগল সরাতে দেরী করে। এসময় রাজু হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ দুই নারীকে বাঁশের কাবারী দিয়ে বেদম প্রহার করে এবং জাহিদা খাতুনের গলাই হাঁসুয়া দিয়ে  জবাই করতে যায়। এতে জাহিদার গলাই ও কোমরের নীচে ফোলা রক্তজমাট ও ক্ষত হয়। নুরজাহান ছুটে এসে তাকে বাঁচাতে আসলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে আহত করে। এতেই রাজু শান্ত না হলে আশেপাশের মাঠের লোকজন এসে জাহিদাকে রক্ষা করে।

এলাকাবাসী জানান, রাজু দীর্ঘদিন সুন্ডো, বেতোগাড়ীর মাঠ, রামনগর মাঠ, মাথাভাঙ্গা গোপাল খালীর মাঠে অতিথি পাখি, ডাউক পাখী, টিয়া পাখী, হাঁসপাখী, পানকৌড়ি, ঘুঘু পাখীসহ নানা ধরনের পাখি শিকার করে বিক্রী করে আসছে। তার একমাত্র কাজই পাখি ধরে বিক্রি করা বলে জানা গেছে।

আইনগত পাখি ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও সে আইনের তোয়াক্কা না করে নির্বিঘ্নে প্রতিনিয়ত পাখী ধরে চলেছে। এদিকে জাহিদা খাতুনের উপর নিযার্তন করার ঘটনায় জাহিদা খাতুন বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মেহেদী হাসানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজু হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




দামুড়হুদায় এসএসসি ৯২ ব্যাচের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ 

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীতপ্রবণ জেলা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় এসএসসি ১৯৯২ ব্যাচের উদ্যোগে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। কনকনে শীতের মধ্যে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গতকাল সোমবার বিকাল ৩টায় উপজেলার দশমী ঈদগাহ মাঠে এই শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দামুড়হুদা উপজেলা শীতপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এখানকার দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ শীতকালে সবচেয়ে বেশি কষ্টের সম্মুখীন হন। এমন বাস্তবতায় এসএসসি ’৯২ ব্যাচের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বন্ধুদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আজও অটুট রয়েছে, তা আমাদের সমাজের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শুধু নিজেদের মধ্যে মিলনমেলায় সীমাবদ্ধ না থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতা।

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে এবং নতুন প্রজন্মকে মানবিক কাজে উৎসাহিত করে। ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদী। এসএসসি ’৯২ ব্যাচ দামুড়হুদা উপজেলার সভাপতি নাসির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে

উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ, দামুড়হুদা মডেল থানার পক্ষে এসআই উত্তম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল রাজা, মাহফুজুর রহমান বেল্টু, আব্দুল হালিম ভুট্টু, সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, তাহাজ উদ্দিন তাজু, আব্দুল মমিন, আলাউল হক, আসাদুর রহমান বাদশা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল গাফফার শক্তি, আসলাম উদ্দীন, ইকবাল হোসেন, একরামুল হক লিটন, আব্দুল খালেক, একরামুল হকসহ ব্যাচের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠান শেষে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হলে উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।




ভালাইপুরে ধানবোঝাই আলমসাধু উল্টে গাংনীর ব্যবসায়ী নিহত

চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুরে ধানবোঝাই আলমসাধু উল্টে গাংনী উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের ব্যবসায়ী মনসুর আলী (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়ির চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মনসুর আলী পেশায় ভুসিমাল ব্যবসায়ী। তিনি নিজ গ্রাম পাকুড়িয়া থেকে ধান বিক্রির উদ্দেশ্যে আলমসাধুতে যোগে জেলা চুয়াডাঙ্গার হাতিকাটার দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ভালাইপুর এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ করে আলমসাধুটির এক্সেল কেটে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়।

এ সময় মনসুর আলী ধানবোঝাই গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে উদ্ধারকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনায় আহত আলমসাধুর চালককে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে নিহত মনসুর আলীর নিজ গ্রাম পাকুড়িয়া গোরস্থান ময়দানে জানাজা নামাজ শেষে তাকে দাফন করা হবে।




অনলাইন জুয়াড়ী আনোয়ার হোসেনের আয়োজনে ওয়াজ মাহফিল !

মেহেরপুর পুলিশের তালিকাভূক্ত পলাতক শীর্ষ অনলাইন জুয়াড়ী আনোয়ার হোসেনের আয়োজনে দুইদিন ব্যাপি ইসলামি ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করে জেলাব্যাপি শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। এনিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও অজ্ঞাত কারণে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ রয়েছে নিরব।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের অনলাইন জুয়াড়ী আনোয়ার হোসেন তার পিতা মরহুম কিয়ামদ্দিন আলীর ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুইদিন ব্যাপী ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে এই আলোচনা ও বিতর্ক।

পুলিশের গ্রেফতার আতংকে পলাতক এই আনোয়ার হোসেন, মাহফিলের সভাপতিত্ব করার কথা থাকলেও তিনি রয়েছেন পলাতক। তবে, মাহফিলকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে গাঁড়াডোব গ্রামে করা হয়েছে আলোক ঝলমল লাইটিং ও ডেকোরেশন। বেশ কয়েকদিন যাবৎ চলছে মাইকিং প্রচার প্রচারণা। আনা হয়েছে দেশ বরেণ্য ইসলামিক বক্তা ও ইসলামিক সংগীত শিল্পী।

সূত্রমতে, আনোয়ার হোসেন মেহেরপুরের শীর্ষ অনলাইন জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়ার এই এজেন্টের জুয়া সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নিয়ে পুলিশ, সিআইডি পুলিশসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছেন। পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ দুবাইতে আত্মগোপন করে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তবে, স্থানীয় মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র এক নেতার হাত ধরে সে নিজেকে ছাত্রদলের ও যুবদলের ব্যানার পোস্টারে ছেঁয়ে দিয়েছিল। নিজেকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার ঘনিষ্ট লোক বলেও পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। আনোয়ার হোসেন তার অবৈধ আয়ের টাকা দিয়ে এলাকায় ধর্মীয় দানবীর হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে চেয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে জুয়াড়ী আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এলাকায় গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী বাহিনী। আনোয়ার হোসেন ও তার সেই বাহিনীকে রাজনৈতিক সহযোগীতা করছে এলাকার একজন প্রভাবশালী নেতা।

স্থানীয়রা জানান, গাড়াডোব গ্রামের আনোয়ার হোসেন মেহেরপুর জেলায় অনলাইন জুয়ার শীর্ষ এজেন্টদের একজন হিসেবে পরিচিত। অথচ, সে অবৈধ টাকা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে বিপুল ব্যয়ে এই আয়োজন করেছে। তরুণদের সর্বনাশ আর পারিবারিক ধ্বংস জড়িয়ে, সেই টাকায় দানের নামে ইবাদত কি গ্রহণযোগ্য হতে পারে কিনা এমন প্রশ্নও করেন তারা।

গাঁড়াডোব গ্রামের লোকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,  ৫-৭ বছর আগেও আনোয়ার হোসেন পারিবারিকভাবেও স্বচ্ছল ছিলেন না। বিকাশ কোম্পানীতে সে ৭ হাজার বেতনে চাকুরী করতো। হঠাৎ সে অনলাইন জুয়াতে জড়িয়ে অল্প দিনের মধ্যেই হাজার কোটি টাকা ও সম্পদের মালিক বনে যান। সেই সাথে এলাকার শত শত যুবককে যুক্ত করেন অনলাইন জুয়ার জগতে। আনোয়ার হোসেন প্রশাসনের নজরে আসার সাথে সাথে পালিয়ে যান দুবাইতে। কিছুদিন আগে সে বাড়ি ফিরে এসে বিএনপি’র এক নেতার হাত ধরে রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে যাতায়াত বাড়ান। এক পর্যায়ে সে নিজেকে ছাত্রদলের জেলা পর্যায়ে নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় পোস্টার ব্যানারে ছেয়ে দেন। আনোয়ার হোসেন পলাতক জীবনযাপন করলেও তার ভাই সানোয়ার হোসেন গাঁড়াডোব বাজারে আনোয়ার হোসেনের নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে আসছেন।

জুয়াড়ী আনোয়ার হোসেন তার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ লাখ টাকা ব্যয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন ও প্রচার-প্রচারণা চালানোতে নড়ে চড়ে বসেছে মিডিয়া এবং স্থানীয় প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গাড়াডোব মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিরাট আকারের একটি প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। বক্তাদের জন্য সুদর্শন মঞ্চ এবং বিশাল এক তোরণ তৈরী করা হয়েছে। মাঠের আশেপাশের এলাকায় আলোকসজ্জা এবং ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে দিয়েছেন আয়োজকরা। মাহফিলের বক্তা ও দেশসেরা ইসলামী সঙ্গীত শিল্পিরা আসবেন বলে মাইকিং চলছে বেশ কয়েকদিন থেকেই।

জানা গেছে, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়া সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা রয়েছে এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্তও চলমান। সম্প্রতি সিআইডি মেহেরপুর জেলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১৯ জনের বিরুদ্ধে যে তদন্ত শুরু করেছে, সেই তালিকায় আনোয়ার হোসেনের নামও রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এদিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ আয়োজন কীভাবে হলো তা নিয়েও প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

নাগরিক সমাজ উদ্বেগ জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মেহেরপুর জেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, “এলাকার অনেক যুবক তরুণ অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এসবের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতায় কাজ করছি। অনলাইন জুয়ার অর্থে ধর্মীয় আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিকভাবে যদি অনলাইন জুয়াড়িদের মূল উৎপাটন না করা যায়, তাহলে এ ধরনের ঘটনা চলতেই থাকবে। ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে মানুষকে বিপথগামী করা মোটেও কাম্য নয়। এসব আয়োজন অনেক সময় সমাজে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। মাহফিল আয়োজনের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের অনুমতি লাগে।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির জানান, “মাহফিল আয়োজনের জন্য একটি আবেদন দিয়েছিল। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। তিনি ইতিবাচক মত দিয়েছেন। অনুমতি এখনো পেন্ডিং রয়েছে। তবে কিছু শর্ত সাপেক্ষে তারা অনুমতি পাবে। মাহফিল ঘিরে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




মুজিবনগরে এক ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ইটভাটায় নিষিদ্ধ ফিক্সড চিমনি ব্যবহার এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ ও লাকড়ি ব্যবহারের অভিযোগে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নে এস আর বি ব্রিকস (শেখ রাজ্জাক ব্রিকস) নামের একটি ইটভাটার মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ওই ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়া ধর মুমু।

অভিযানকালে দেখা যায়, ইটভাটাটিতে নিষিদ্ধ ফিক্সড চিমনি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও জ্বালানি হিসেবে কাঠ ও লাকড়ি ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ৬ নম্বর ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

এ অভিযোগে ভাটা মালিককে একই আইনের ১৬ নম্বর ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষা ও আইন বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




গণভোট উপলক্ষে মেহেরপুরে প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের তৎপরতা

মেহেরপুরের বিভিন্ন উপজেলায় গণভোট উপলক্ষে আচরণবিধি প্রতিপালন, গণভোটের প্রচারণা এবং ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

গাংনী উপজেলার মটমূড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান, আকুবপুর ও হোগলবাড়ীয়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেনের নেতৃত্বে আচরণবিধি প্রতিপালন, গণভোটের প্রচারণা এবং ভোটকেন্দ্র দর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এদিকে গাংনী উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া জাহান ঝুরকার নেতৃত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে মনিটরিং ও গণভোটের প্রচারণা চালানো হয়। এ সময় কিছু নির্বাচনী প্রচারণামূলক পোস্টার পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো অপসারণ করা হয়।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবীর আনসারি এর নেতৃত্বে মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের কোমরপুর এলাকায় গণভোটের প্রচারণা ও আচরণবিধি প্রতিপালন মনিটরিং করা হয়। অভিযানে আচরণবিধির ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

একই উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের যতারপুর ও বাবুপুর গ্রামের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জয়া ধর মুমু এর নেতৃত্বে গণভোটের প্রচারণা ও আচরণবিধি প্রতিপালনে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেখানেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের চেষ্টা দেখা দিলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

এছাড়াও জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আরাফাত হোসেন এর নেতৃত্বে গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের গাড়াবাড়িয়া, কুতুবপুর, ধলা, খাসমহল ও মাইলমারিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আচরণবিধির ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

পাশাপাশি মেহেরপুর জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসকের সদয় নির্দেশনায় গণভোটের প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করা হয় এবং কাথুলী ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




কোটচাঁদপুর ব্লাডব্যাংকের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর ব্লাডব্যাংকের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নতুন কমিটি ঘোষণা ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকাল ৩টার সময় উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে সাবেক সভাপতি মাস্টার মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আব্দুল আলিমের সঞ্চালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কোটচাঁদপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইছাহক আলী, পরিচালক ও হরিণদিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ওমর ফারুক, সরকারি কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, উজ্জ্বল হোসেন, সভাপতি মিলন আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ সংগঠনের কমিটির সদস্যবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। তাই অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলে রক্তের প্রয়োজন দেখা দিলে রোগীর পরিবারের লোকজন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমন সময় রক্ত পেলে রোগীর বেঁচে থাকার নতুন দিশা তৈরি হয়।

এ সময় সবাইকে রক্তদান করতে এবং অন্যদের রক্তদানে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।

অনুষ্ঠানে কোটচাঁদপুর ব্লাডব্যাংকের থিম সং ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয় এবং প্রোগ্রাম শেষে ব্লাডব্যাংকে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।