অল্প উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই বানান আইসক্রিম

ভ্যাপসা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। বাইরে বেরোলেই ঠান্ডা পানীয় ছাড়া কিছুই মুখে রুচছে না। বাইরে থেকে ফিরেই হাত চলে যাচ্ছে ফ্রিজের দিকে। মাঝেমাঝে আইসক্রিমও অর্ডার করে ফেলছেন। তবে বাইরে থেকে অর্ডার না করে বরং বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন আইসক্রিম। কম উপকরণ দিয়ে অল্প সময়ে বানিয়ে নিন চকোলেট, পিনাট, বাটার আইসক্রিম। চলুন জেনে নেই এর প্রণালীর বিষয়ে।

উপকরণ:

১. ৪টি পাকা কলা

২. আধকাপ পিনাট বাটার

৩. আধ কাপ কোকো পাউডার

৪. ১ টেবিল চামচ চকোলেট প্রোটিন পাউডার

৫. আধ চা চামচ খাঁটি ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট

৬ পরিমাণ মতো লবণ

৭. সামান্য দুধ

এবার উপরের সব উপকরণগুলো ব্লেন্ডারে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হয়েছে কি না একবার দেখে নিন। কলা ঠিকভাবে না মিশলে সামান্য দুধ দিয়ে আবার মেশান। এরপর মিশ্রণটি ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। তার পর জমে গেলে আইসক্রিম স্কুপ দিয়ে খেতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর




সীমান্তের জমিতে কৃষকদের না যাবার জন্য মাইকিং

মেহেরপুর জেলার সীমান্তে কৃষকদের জমিতে ফসল তোলার ক্ষেত্রে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাধা প্রদান করছে। ওপারে নিজ ভূখন্ডে বিএসএফের প্রহরা ও টহল জোরদার করেছে।

ভারত ভুখন্ডে কাঁটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ গজের মধ্যে থাকা ভারতীয় কৃষকদের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ বন্ধ, ভারতীয় কৃষকদের জমির আইল কাটাতেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিএসএফ মাইকিং করছে।

বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিজিবি) সীমান্তে না যাবার জন্য নিজ দেশের কৃষকদের আহবান জানিয়েছেন মসজিদের সাউন্ড সিস্টেমে। যা উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে কৃষকদের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

মেহেরপুর সীমান্তে কাঁটাতারের এপারে ১৫০ গজের মধ্যে ভারতীয় জমিতে বাংলাদেশী কৃষকরা বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছে বহুবছর ধরে। কাঁটাতারের বেড়া দুই বাংলার মানুষের অবাধ বিচরণ বন্ধ করতে পারলেও ভাঙ্গেনি তাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

ভারতীয়রা তাদের অনাবাদি জমি বাংলাদেশি কৃষকদের লিজ দিয়ে চাষাবাদ করতে সহায়তা করে আসছেন। গত মঙ্গলবার ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বোমা হামলার পর ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। যার অংশ হিসেবে সীমান্তের কাটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ গজের মধ্যে ভারতীয় কৃষকদের ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশের কৃষকদের জমিতে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। যা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রভাব ফেলছে।

গতকাল সরেজমিনে বেলা ১০টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাঁঝা সীমান্তে গিয়ে দেখা যায় সীমান্ত এলাকায় চাষাবাদের কৃষকদের চোখে মুখে আতংকের ছাপ।

ঝাঁঝাঁ ক্যাম্প এলাকার সামাদ আলী জানান, ওপারে বিএসএস ক্যাম্প থেকে মাইকিং করা হয়েছে সীমান্তের এপারে ভারতের ১৫০ মিটারের জমিতে বাংলাদেশের কোন কৃষককে না যাওয়ার জন্য। ফলে কেউ জমিতে চাষাবাদে যেতে সাহস পাচ্ছে না। একই গ্রামের দাউদ হোসেন জানান- সীমান্তে নোম্যান্স ল্যান্ডে ভারত অংশের কাাঁটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ মিটারের মধ্যে ভারতের কৃষকদের প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি এপারের কৃষকরা বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে। প্রতিবিঘা জমিবাবদ বার্ষিক ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বর্গা নেয়া হতো। বিএসএফের নিষেধাজ্ঞার পর আবাদি জমির ফসল তুলতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে।

দুলাল শেখ নামের এক কৃষক বলেন, বর্গা নেয়া দেড়বিঘা জমিতে ভুট্টার চাষ করেছিলাম। লুকিয়ে লুকিয়ে ভুট্টা সংগ্রহ করেছি। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীর ভয়ে ওইসব জমিতে চাষাবাদের আগ্রহ হারিয়েছি।

ঝাঁঝা ক্যাম্পের কমান্ডার হারুন অর রশিদ বোন তথ্য দিতে অপরাগত প্রকাশ করলেও তিনি জানান গ্রামের মসজিদ থেকে কৃষকদের বর্গা নেয়া জমিতে না যাবার জন্য আহবান করা হচ্ছে প্রতিদিন।

মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী ইচাখালী সীমান্তে ৫৬টি দাগে ৭৪ বিঘা ৫ কাটা জমির মালিক ২৮ জন মালিক বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে বেশীর ভাগই বুড়িপোতা ইউনিয়নের গোভিপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই জমিগুলোর মালিকানা নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হলেও এখনও কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। এসব জমি দেশভাগের সময় ভারতের অংশে চলে যায়। তবে বাংলাদেশী কৃষকরা সেগুলো বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে ফসল তুলতে পারছেন না। আবার ভারতের কৃষকরাও ওই জমিতে আসতে পারছে না। কারণ বাংলাদেশের অনেক জমি অতিক্রম করে ওই ৫৬ দাগের জমিতে তাদের আসতে হবে।

মেহেরপুর জেলার তিনদিক ভারত সীমান্ত বেষ্টিত। সীমান্তের মোটদৈর্ঘ প্রায় ৮৯ কিলোমিটার। এই সীমান্তটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে সংযুক্ত।

মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলা মুজিবনগর, গাংনী ও মেহেরপুর সদর। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবীননগর, শিকারপুর, তাজপুর, ভাদুপাড়া, নবচন্দ্রপুর, লালবাজার, করিমপুরসহ অনেকগুলো গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত।

এই সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে দুই দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে ৭৪টি সীমান্ত গেট রয়েছে। যেগুলো দিয়ে প্রতিদিন অন্তত সহস্রাধিক ভারতীয় কৃষক কৃষিকাজ করতে কাঁটাতারের বেড়ার এপারে নিজ জমিতে আসেন। অজানা আতংকে তারাও এপারে তেমন আসছে না। যারা আসছে তারাও বিএসএফের প্রহরায়।
ভারতের নিকটবর্তী বিজিবির ইচাখালী সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়-ইচাখালী বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হারুন অর রশিদ দুজন সিপাহী নিয়ে সীমান্তের ভারতের নবচন্দ্রপুর বিএসএস ক্যাম্পর নিকটবর্তী বাংলাদেশ অংশে একটি বাগানে অবস্থান করছেন। তিনি নোম্যান্স ল্যান্ডে যেতে বারণ করেন।

তিনি বলেন, ওপারে ভারতের নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্প সদস্যরা অস্ত্র তাক করে অবস্থান করছেন। আমরা গ্রামের মসজিদ থেকে প্রতিদিনই মাইকিং করছি সীমান্তের কোন জমিতে না যাবার জন্য। কারণ ভারতীয় কৃষকদের জমি বর্গ নিয়ে চাষাবাদ করা আইনত দণ্ডনীয়।

এই পরিস্থিতিতে, সীমান্তবর্তী কৃষকদের জমিতে প্রবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতাবৃদ্ধির এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।




দর্শনায় রুকন শিক্ষা শিবিরে আব্দুল হালিম

দর্শনায় দিনব্যাপী রুকন শিক্ষা শিবিরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত কল্যাণমুখী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়। তিনি গতকাল রুকন সন্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুল হালিম আরও বলেন, তিনটি বিষয় নিয়ে আগামীতে এগুতে চায় জামায়াত। ফ্যাসিস্টদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। পলাতক শেখ হাসিনাসহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের বিচার করতে হবে সবার আগে। এরপর সকল সেক্টরে সংস্কার করে একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামীতে ক্ষমতায় এসে দূর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত একটি কল্যানমুখী বাংলাদেশ গড়তে চায়। ইতিপুর্বে আমরা কী দেখেছি ? পুলিশ শুধু মামলা দেয়। আমরা বিগত ১৬ বছরে দেখলাম,পুলিশ বাসা থেকে ধরে নিয়ে এনে চোখ তুলে নেয়,হাত-পা কেটে ফেলে,গুম করে,আয়না ঘরে পাঠিয়ে নির্যাতন করে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আয়োজনে আজ শনিবার দর্শনা অডিটোরিয়ামে সকাল ৮টায় দিনব্যাপী রুকনদের শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। শুরুতেই উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবিরের ব্যবস্থাপক মাওলানা আজিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর- কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসাইন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- ৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৫২ ও ৭১ শহীদের তালিকা লিপিবদ্ধ হয় নাই, ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের তালিকা করা হয়েছে। ৯৭৩/৯৭৫ জনের তালিকা ১০ খন্ড লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ২০ হাজার জন পঙ্গুর পাশে দাঁড়িয়েছে জামায়াত, বিগত দিনে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে নমুনা সৃষ্টি করেছে সংগঠন। আগামীতে আমরা মানবিক বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই। এছাড়াও তিনি আনুগত্য,পরামর্শ ও মুহসাবা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় বলেন যে ব্যক্তি আনুগত্য করল সে আল্লাহর আনুগত্য করল। যদি কোন হাবশী ব্যক্তিও নেতা নির্বাচিত হয় তাহলে তার আনুগত্য করতে হবে। যার ঈমান যত শক্তিশালী তার আনুগত্য তত মজবুত। আনুগত্যের পরাকাষ্ঠ দেখিয়েছেন হযরত আবু বকর (রা)। রাসূল সাঃ বলেছিলেন আবু বকর আমাদের হয়তো হিজরত করতে হতে পারে। সেই দিন থেকে আবু বকর দরজায় পিঠ লাগিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন কখনও বিছানায় পিঠ দিয়ে ঘুমাননি, এক দিন রাতে রাসুল (সাঃ) আবু বকর(রা) দরজায় গিয়ে ডাক দিলেন আবু বকর সঙ্গে সঙ্গে উত্তর এলো লাব্বাইক ইয়া রাসুল সাঃ, তিনি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন একবারেই তুমি হাজির হলে কিভাবে? তিনি বললেন আপনি যে দিন থেকে বলেছেন হিজরত করা লাগতে পারে সেদিন থেকে আমি আর বিছানায় ঘুমায়নি, কি আশ্চর্য আনুগত্য ছিল তার। জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমীর রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে জেলার ৬ শতাধিক পুরুষ রুকন অংশ নেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, জেলা কর্ম ও শুরা সদস্য বৃন্দ্ব, সকল উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারীসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ্ব। শিক্ষা শিবিরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবির পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।

এছাড়াও বেলা ৪টায় জেলা কর্মপরিষদ সদস্যের সাথে ও সাড়ে ৪টায় উক্ত অডিটোরিয়ামে জেলা তালিমুল কুরআন সকল বিভাগের দায়িত্বশীল নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমীর মোঃ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে জেলার ৬ শতাধিক পুরুষ রুকন অংশ নেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, জেলা কর্ম ও শুরা সদস্য বৃন্দ্ব, সকল উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারীসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ্ব। শিক্ষা শিবিরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবির পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। বিকাল সাড়ে ৪টায় উক্ত অডিটোরিয়ামে জেলা তালিমুল কুরআনের সকল বিভাগের দায়িত্বশীল নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বিষয়ভিত্তিক দারসুল হাদিস পেশ করেন অঞ্চল টিম সদস্য সাবেক মাগুরা জেলা আমীর অধ্যাপক আলমগীর বিশ্বাস। চুয়াডাঙ্গা জেলা আমীর রুহুল আমিন তার বক্তব্যে যে অতীত প্রেরণা দেয় এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্বিবিদ্যালয়ের শহীদ সাব্বির ও শহীদ আজগরসহ শহীদদের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে রুকনদের তাদের মত ত্যাগের মহিমা প্রদর্শনের আহবান জানান।




দর্শনায় মৌচাকের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের ছাগল পালনের প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মৌচাক সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উদ্দ্যোগে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে ছাগল লালন পালন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়েছে।

এ প্রশিক্ষণে মৌচাক উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার মগগুল হোসেনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপি। এ প্রশিক্ষণে প্রায় ২০-২৫ জন প্রতিবন্ধী ছাগল লালন পালনে অংশ নেয়।




মেহেরপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী পালন

মেহেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ভৈরব সাহিত্য সাংস্কৃতিক চপ্তর এর আয়োজনে শনিবার বিকেলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ও মাসিক সাহিত্য বাসর উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুর প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভৈরব সাহিত্য সাংস্কৃতিক চত্বরের সভাপতি এডভোকেট এম আনোয়ার হোসেন।

বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নুরুল আহমেদ, রফিকুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল চক্রবর্তী, সংগঠনের নাট্য সম্পাদক সাইদুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মিনা পারভিন, কবি সাদিকুজ্জামান সেন্টু প্রমুখ।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মেহের আমজাদের সঞ্চালনায় কবিতা আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন কবি এস এম এ মান্নান, আবুল লায়েস লাভলু, বাঁশরী মোহন দাস, শহিদুল ইসলাম কানান, ফাতেমা ফিরোজ, রফিকুল ইসলাম, আবুল হাশেম, মহিবুল ইসলাম, বদরুদ্দোজা বিশ্বাস, শফিকুজ্জামান সেন্টু, ঐশী, রাইসা প্রমুখ।




দামুড়হুদায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত

“মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করি, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে. এইচ. তাসফিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।




দামুড়হুদায় ফেনসিডিলসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাদকদ্রব্য পাচারের সময় ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পুড়াপাড়া মাঠের উত্তর পাশে পাকা রাস্তার উপর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, দামুড়হুদা সদর দশমীপাড়ার মো. আবেদ আলীর ছেলে মো. মামুন আলী (৩৩) এবং মৃত শরমান দফাদারের ছেলে মো. রুহুল (৩০)।

জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলার দিকনির্দেশনায় ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীদের কয়েকজন পালিয়ে গেলেও মামুন ও রুহুলকে ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মেহেদী হাসান জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।




আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে মেহেরপুর শহরে ব্লকেড কর্মসূচি

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে মেহেরপুর শহরে ব্লকেড কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেল চারটার দিকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্র ও যুব আন্দোলন, রেড জুলাইসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিটি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলেছে।

এ সময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা “দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা”, “আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না”, “আওয়ামী লীগ, ব্যান্ড ব্যান্ড”এমন নানা স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেহেরপুর জেলা শাখার আহবায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ, সদস্য সচিব মুজাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব তামিম হোসেন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য খন্দকার মুইজ ।




শৈলকুপায় লিচু গাছ থেকে পড়ে শ্রমিকে মৃত্যু

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের রতিডাঙ্গা গ্রামে লিচু পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে সাঈদ হোসেন নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সাঈদ হোসেন রতিডাঙ্গা গ্রামের মৃত সাফাই মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনরা জানায়, সকালে শ্রমিক সাঈদ হোসেনকে একই গ্রামের জাহিদ বিশ্বাস তার গাছ থেকে লিচু পাড়তে ডেকে নিয়ে যায়। গাছে উঠলে অসাবধানতাবশত গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, গাছ থেকে পড়ে একজনের মৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। মরদেহ এখনো কুষ্টিয়াতে রয়েছে।




ঝিনাইদহে তারেক রহমানের মানবিক সহায়তা প্রদান

ঝিনাইদহের বিভিন্ন গ্রামে বজ্রপাতে নিহত কৃষক পরিবারকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর ভবানীপুর ও একই উপজেলার পশ্চিম বিষয়খালি গ্রামে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এই মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাকির তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বজ্রপাতে মৃত ওলিয়ার রহমান ও মিরাজুল ইসলামের কবর জিয়ারত করে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। এ সময় বজ্্রপাতে নিহত ওলিয়ার রহমানের স্ত্রী শিরীনা খাতুন ও মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী সোহাগী খাতুনের হাতে তারেক রহমানের মানবিক সহায়তা তুলে দেন। সেসময় কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা টিএস আইয়ুব, মোমিনুর রহমান, ওসমান আলী বিশ্বাস, শফিকুল ইসলাম শফিক, শামসুর রহমান শামস, আব্দুল্লাহ আল নাইম, কবির হোসেন, সোলায়মান হোসেন, মোল্লা হারুনুর রশিদ, ফারুকুল ইসলাম, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, মুন্সী কামাল আজাদ পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সাজেদুর রহমান পাপ্পু, আলমগীর হোসেন আলম, মীর ফজলে এলাহী শিমুল, গান্না ইউনিয়নের বিএনপি নেতা ইজ্জত আলী মাস্টার, মহারাজপুর ইউনিয়নের শাহাজান আলী ও আবু সাঈদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে ঝিনাইদাস সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাকির তুহিন। তিনি বলেন, কৃষকদের নিয়ে জননেতা তারেক রহমানের আলাদা ভাবনা রয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে গ্রামের কৃষকদের মুখে যাতে বারো মাস হাসি থাকে তেমন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, বজ্রপাতে নিহত দুইজন কৃষকের মৃত্যুতে হাজারো মাইল দূরে থেকেও জননেতা তারেক রহমান তাদের জন্য ব্যথিত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি মানবিক সহায়তা হিসেবে দুই কৃষক পরিবারকে সহায়তা প্রদান করেছেন, যা জীবনের তুলনায় খুবই নগণ্য।