মেহেরপুর জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা

মেহেরপুর জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৮ই এপ্রিল) রাতে মেহেরপুর জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নির্বাচনী কার্যক্রম ও মনোনয়নপত্র ফরম বিক্রির জন্য নির্ধারিত ফি ঘোষণা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ৫,০০০ টাকা, সহ-সভাপতি, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সড়ক সম্পাদক পদের জন্য ৩,০০০ টাকা এবং সাধারণ সদস্য পদের জন্য ১,০০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়।

নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৪৫ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করা হবে, তবে সম্ভব হলে তার আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা থাকবে।

সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেহেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন, সহকারী নির্বাচন কমিশনার এ.এস.এম সাইদুর রাজ্জাক টোটন (পিপি,মেহেরপুর জজ কোর্ট) ও মোখলেছুর রহমান স্বপন।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবলু, কোষাধ্যক্ষ রেজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মিন্টু, সড়ক সম্পাদক খুলিলুর রহমান এবং নির্বাহী সদস্যবৃন্দ আব্দুল কুদ্দুস মেগা ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।




৫ মিনিটেই সুন্দর ত্বক পাবেন যেভাবে

প্রতিদিন সকালে তাড়াহুড়ো করে কাজে বেরিয়ে যান। ত্বকের যত্ন নেওয়া তো দূরে থাক— প্রাতঃরাশের সময়টুকুও থাকে না অনেক সময়। তখন মনকে সান্ত্বনা দিয়ে নিশ্চয়ই বোঝান দুয়েক দিন স্কিনকেয়ার রুটিন না মানলে ক্ষতি নেই। কিন্তু এই ভাবনাই ডেকে আনছে আপনার ত্বকের চরম ক্ষতি। অথচ মাত্র ৫ মিনিট সময় খরচ করলেই আপনার সেই মুশকিল আসান হবে।

কিন্তু কীভাবে ত্বককে ভালো রাখবেন, সেই টিপস দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর টিপস দিয়েছেন ডার্মা আর্টস দিল্লির প্রতিষ্ঠাতা ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মিত্র আমিরি।

তিনি বলেছেন, ত্বকের যত্নে বরফ ব্যবহার করুন। অফিসের কাজে হাতে বিন্দুমাত্র সময় নেই। একটি বরফের ছোট কিউব নিন। একটা নরম কাপড়ের মধ্যে টুকরোটি নিয়ে ৩০ সেকেন্ড ধরে আপনার মুখে ঘষতে থাকুন। এতে ফোলাভাব দূর করে আপনাকে অনেক বেশি সতেজ দেখাবে।

এ ছাড়া এসপিএফ যুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ত্বকের দীপ্তি আরও বাড়াতে চাইলে এর মধ্যে অল্প পরিমাণ লিকুইড হাইলাইটার যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে নিন। সেটি লাগিয়ে নিন ত্বকে। এর ফলে আপনার ত্বক থাকবে হাইড্রেটেড ও রোদের তাপ থেকে সুরক্ষিত।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মিত্র আমিরি বলেন, ক্রিম মেখে ত্বক শুষ্ক লাগলে ব্যবহার করুন ফেসিয়াল মিস্ট। গোলাপজল কিংবা অ্যালোভেরার মিস্ট ত্বকের জন্য দারুণ কার্যকর। এই মিস্ট ব্যবহার করলে ত্বক আর্দ্রতা ফিরে পাবে এবং ত্বকের জৌলুসও ফিরে আসবে।

এ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে লিপবামের জুরি মেলা ভার। লিপবাম ঠোঁটকে ময়শ্চারাইজ করে এবং নরম রাখতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া আপনার ঠোঁটের পাশাপাশি চোখের পাতাতেও হালকা করে লাগিয়ে নিন একটুখানি লিপবাম।

তিনি বলেন, আর শিট মাস্ক ব্যবহার করুন। আমরা ফোনে স্ক্রল করতে করতে অনেক সময় নষ্ট করে ফেলি। সেই সময়ের মধ্যেই শিট মাস্ক আপনার ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে। তাই ৫ মিনিটের এই শিট মাস্ক ব্যবহার করুন আর প্রাণখুলে হাসতে থাকুন।

সূত্র: যুগান্তর




চঞ্চলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন

ইসলাম, মুসলিম, ঈমান ও ফিলিস্তিন নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে চঞ্চল মাহমুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে মেহেরপুর জেলার তৌহিদী জনতা।

বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর জেলার তৌহিদী জনতার ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছে যার জন্য প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে আমরা কৃতজ্ঞ। তবে এত বড় অপরাধের জন্য শুধু গ্রেপ্তারই যথেষ্ট নয়। আমরা চাই, তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ধৃষ্টতা করার সাহস না পায়।

তারা আরও বলেন, ইসলাম ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত নাস্তিক চঞ্চল মাহমুদকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি মুফতি হুসাইন আহমাদ, সেক্রেটারি মুফতি মিনারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাহবুবুর রহমান, কুতুবপুর ইউনিয়নের শৈলমারি ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. খায়রুল ইসলাম, জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য হাসনাতসহ স্থানীয় তৌহিদী জনতা।




‘বড় ছেলে’র রেকর্ড ভাঙল ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’

দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর, যিনি ছোট ও বড় পর্দায় সমানভাবে সফল। বিশেষ করে ছোট পর্দায় কমেডি ঘরোনার নাটক করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।

তবে এবার নিলয়ের ক্যারিয়ার জীবনে নতুন একটি মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। তার অভিনীত নাটক ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’ ৫৪ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। যা ৮ বছর আগে মুক্তি পাওয়া জিয়াউল ফারুক অপূর্বের ‘বড় ছেলে’ নাটকের রেকর্ড ভেঙেছে।

নিলয় আলমগীর সবসময়ই তার অভিনয়ে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা দেন। সম্প্রতি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এই নাটকটির মাধ্যমে। ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’ নাটকটি গত বছর মুক্তি পায় এবং ইউটিউবের মাধ্যমে আজ ৫৪ মিলিয়ন ভিউ পেরিয়ে গেছে, যা অপূর্বের নাটকের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

আট বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘বড় ছেলে’ নাটকটি এতদিন ছিল ইউটিউবে সর্বোচ্চ ভিউ পাওয়া নাটক (৫ কোটি ৪১ লাখ ৮২ হাজার)। সেই রেকর্ড ভেঙেছে ছোট পর্দার ‘জামাই’ খ্যাত নিলয় আলমগীর অভিনীত ‘শ্বশুর বাড়িতে ঈদ’। ১১ মাস আগে ইউটিউবে এসেছে মহিন খানের নাটকটি, গতকাল পর্যন্ত এটির ভিউ ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৭৮ হাজার।

সূত্র: যুগান্তর




গাংনীতে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেফতার

মেহেরপুরের গাংনীতে পৃথক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাদক মামলায় ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মো. পল্টু হোসেন (৩৫) এবং পারিবারিক মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত কামরুজ্জামান শিহাব (২৮)।

পল্টু হোসেন গাংনী উপজেলার খাসমহল গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে এবং শিহাব গাংনী শহরের থানাপাড়া এলাকার কালাম আলীর ছেলে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইলের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি পৃথক দল মঙ্গলবার দিবাগত রাতের শেষভাগে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে।

ওসি বানী ইসরাইল জানান, পল্টু হোসেনের বিরুদ্ধে হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা জিআর ১৯/১৩ নম্বর মামলায় আদালত তাকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেন। অপরদিকে, কামরুজ্জামান শিহাব পারিবারিক বিরোধজনিত সিআর ৩১৭/২৩ নম্বর মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।




ক্যাম্প শুরুর দুই দিন আগেই সিলেট যাচ্ছেন মুশফিক

জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ তাদের প্রস্তুতি শুরু করবে আগামী ১২ এপ্রিল। দলের প্রস্তুতির ভেন্যু সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম সে সিরিজের প্রস্তুতির জন্য সিলেটে যাচ্ছেন দুই দিন আগেই।

দলের জন্য মুশফিকের নিবেদন নিয়ে নতুন করে কিছুই বলে দিতে হয় না। রোদ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনুশীলনে যাওয়া মুশফিকের যাপিত জীবনেরই অংশ। দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন সেশনেও সবচেয়ে বেশি মনোযোগী দেখা যায় তাকেই।

সে তিনি এবার জিম্বাবুয়ে সিরিজের ক্যাম্প শুরুর ২ দিন আগেই যাচ্ছেন সিলেটে। এ জন্য তাকে ত্যাগও স্বীকার করতে হচ্ছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।

এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তিনি খেলছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই বাজে ফর্মের সঙ্গে লড়ছিলেন তিনি। ডিপিএলেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারছেন না। ৫ ইনিংসে ২৪.৫ গড়ে তিনি করেছেন ৯৮ রান।

তার আগে এশিয়া কাপে দুই ইনিংসে করেছিলেন ২ রান। জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে নিজের ব্যাটিংয়ের ভুলত্রুটি শুধরে নিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুশফিক।

মুশফিককে নিয়ে আগামী ২০ এপ্রিল সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্টে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর আগামী ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টেস্ট মাঠে গড়াবে।

সূত্র: যুগান্তর




গাংনীতে সাব-রেজিস্টার ও দলিল লেখকদের দ্বন্দে জমি রেজিস্ট্রি বন্ধ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখকদের দ্বন্দে, বন্ধ হয়ে পড়েছে দলিল লেখার কাজ ও জমি রেজিষ্ট্রি। জমি রেজিস্ট্রি করতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা।

চাহিদানুযায়ী জমি রেজিস্ট্রি না হওয়ায় ক্রেতা বিক্রেতাদের যেমন ভোগান্তি বেড়েছে তেমনি সরকারও হারাচ্ছে বড় পরিমাণ রাজস্ব । কবে নাগাদ এর সমাধান হবে তা নিয়ে সংশয় জনমনে। দলিল লেখকরা বলছেন, অতিরিক্ত টাকা দাবী ও নানা অজুহাতে হয়রানী করা হচ্ছে। আর সাব-রেজিস্ট্রার বলছেন, নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রি হচ্ছে।

মেহেরপুর জেলার সবচেয়ে জনবহুল উপজেলা গাংনী। এ উপজেলায় প্রতিনিয়ত দেড় থেকে দুই শতাধিক ক্রেতা-বিক্রেতা তাদের জমি কেনা বেচা করে থাকেন। প্রতিদিন দেড় থেকে দুশো জমির দলিল জমা হলেও সাব-রেজিস্ট্রার রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন ৩০ থেকে ৪০ টি দলিল।

উপজেলায় অন্য সাব-রেজিস্ট্রার থাকতে আগে যেখানে প্রতিবছরে ন্যূনতম ১২ থেকে ১৩ হাজার দলিল রেজিস্ট্রি হতো, এখন সেখানে রেজিস্ট্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় হাজার। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফলে জন-ভোগান্তি এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেইসঙ্গে সরকারের এ খাত থেকে রাজস্ব কমেছে বছরে কয়েক কোটি টাকা। ভুক্তভোগীরা দুর দুরান্ত থেকে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এসে জমি রেজিষ্ট্রি করতে না পেরে ঘুরে যাচ্ছেন।

এতে তারা সময় এবং অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। দলিল লেখকদের অভিযোগ সাবরেজিস্টার অনৈতিকভাবে দলিল প্রতি ৫ শ টাকা করে দাবি করছেন। এছাড়া কাগজপত্রের অজুহাত দেখিয়ে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছেন ক্রেতা বিক্রেতাদের। মেহেরপুরসহ সারাদেশে যেভাবে দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকে সেভাবে দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার দাবি জানান তারা।

তবে সাব-রেজিস্টার বলছেন সঠিকভাবে কাগজপত্র দেখেই জমি রেজিষ্ট্রি করা হচ্ছে। যাতে ক্রেতা বিক্রেতারা ভবিষ্যতে কোনো ধরণের দুর্ভোগে না পড়েন। তবে মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, দলিল লেখকরা কর্মবিরতি করে তাদের টেবিলে হাত গুঠিয়ে বসে আছেন। আর জমি ক্রেতা বিক্রেতারা দুর-দুরান্ত থেকে এসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন চিন্তা আর হতাশা নিয়ে। এদিকে সাব রেজিস্ট্রার তার অফিস কক্ষে বসে আছেন স্টাফদের নিয়ে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কোন দলিল রেজিষ্ট্রি হয়নি।

ভুক্তভোগীরা জানান, জরুরী টাকার প্রয়োজনে জমি বিক্রি করছিলাম। এখানে এসে শুনছি রেজিষ্ট্রি হচ্ছে না। ফিরে যাচ্ছি। জমি বিক্রি করতে আসা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে অনেক লোকজন সাথে নিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করতে এসেছিলাম। এসে দেখি দলিল লেখার কাজ বন্ধ। ফিরে যাচ্ছি। আমাদের ভোগান্তি দেখার কেউ নেই।

গাংনী দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ ফাকের আলী জানান, সাব-রেজিস্ট্রার যোগদানের পর থেকে দলিল রেজিস্ট্রি কমিয়ে দিয়েছেন। নানা অজুহাতে হয়রানি ও দলিল প্রতি ৫ শ টাকা করে উৎকোচ দাবি করাই দলিল লেখা বন্ধ রেখেছি।
দলিল লেখক রাশেদুল ইসলাম বলেন, দলিল রেজিষ্ট্রেশন অর্ধেকে নেমে এসেছে। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে সাথে ক্রেতা বিক্রেতারা হয়রানি হাচ্ছে।

দলিল লেখক শওকত আলী বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার যেসব শর্ত দিচ্ছেন সেটা তার মনগড়া নিয়ম। বাংলাদেশে কোথাও এভাবে জমি রেজিষ্ট্রি হয়না।

সাব-রেজিস্ট্রার নাইমা ইসলাম বলেন, আমি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দলিল রেজিষ্ট্রেশন করাই দলিল লেখকরা আমার উপর অসন্তোষ। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও হয়রানির অভিযোগ মিথ্যা বলেও দাবী করেন তিনি।




মেহেরপুরের পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ঘোষিত প্রক্রিয়ায় দলের পূর্ণগঠন জাতীয় ও স্থায়ীয় পর্যায়ে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দলকে সক্ষমতা অর্জনের প্রত্যয়ে পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল ) বিকেল পাঁচটার দিকে সদর উপজেলা পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র আয়োজনে পিরোজপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্মী সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা বিএনপি’র সদস্য আলমগীর খান সাতুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক জাভেদ মাসুদ মিল্টন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. কামরুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম ও ফয়েজ মোহাম্মদ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য হাফিজুর রহমান হাপি, ওমর ফারুক লিটন, মোছাঃ রোমানা আহম্মদ, মশিউর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মিজান মেনন প্রমুখ।

এছাড়াও এসময় জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকা বিল্লাহ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজমুল হোসেন মিন্টু, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি এস এ খান শিল্ট, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রিপন, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি ছাবিহা সুলতানা, জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নাজমিন নাহার রিনা, মুজিবনগর উপজেলা যুবদলের দলের সদস্য সচিব আনোরুল ইসলাম, মোশিউল আলম দিপু আব্দুল লতিফ, ইলিয়াস হোসেন, মাহাবুল হাসান মিলন, যুবদল নেতা মিন্টু, সৌরভ জনিসহ ফিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র মামলায় এক ব্যক্তির ১৭ বছরের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র মামলায় আবুল কাশেম (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আল-আমিন মাতুব্বর এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কাশেম দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের মোহাম্মদ সরদারের ছেলে।

একই মামলার অপর আসামি, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার খেজুরা গ্রামের মৃত মহর আলীর ছেলে জয়নাল (৪৫) কে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৫ মে রাত ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা র‌্যাব ক্যাম্পের ডিএডি আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি টহল টিম সদর উপজেলার আলুকদিয়া এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে আলমসাধুতে করে দুজন ব্যক্তি অস্ত্র নিয়ে মেহেরপুরের দিকে যাচ্ছে।

পরে আলুকদিয়া বাজারের ইউনুছ আলী মার্কেটের সামনে পাকা রাস্তার ওপর সন্দেহভাজন আলমসাধুটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। ওই সময় আটক করা হয় দুজনকে। দেহ তল্লাশির সময় আবুল কাশেমের কোমর থেকে একটি দেশীয় তৈরি শুটারগান এবং একটি লোড করা .৩০৩ রাইফেলের গুলি জব্দ করা হয়। এছাড়াও একটি হাতুড়ি ও ১৪ ইঞ্চি লম্বা লোহার সাবল সদৃশ পাইপ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা জয়নালকে সহযোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ওই ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা র‌্যাব ক্যাম্পের তৎকালীন ডিএডি আফজাল হোসেন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় আবুল কাশেমকে প্রধান আসামি এবং জয়নালকে সহযোগী আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন থাকার পর সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আবুল কাশেমকে অস্ত্র আইনের ১৯ ধারায় ৭ বছর এবং ১৯(এ) ধারায় ১০ বছর, সর্বমোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, অপর আসামি জয়নালকে খালাস দেওয়া হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি অ্যাডভোকেট মানজারুল হক জোয়ার্দ্দার হেলাল এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী সাগর ও অ্যাডভোকেট এনামুল কবীর যুক্ত ছিলেন।




দামুড়হুদায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ২২

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার উত্তর চাঁদপুর জোড়াতলা মাঠে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারীও রয়েছেন। আহতদের দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন: শাখাওয়াত হোসেন (৩৫), মিলন হোসেন (৩০), রকিবুল রহমান (৩৮), মাহাবুবুর রহমান (৪০), তানভির (২৫), আব্দুল আলিম (৩৫), ইউনুস আলী (৫০), রশিদা খাতুন (৪০), আছিয়া খাতুন (৩০), হায়দার আলী (৫০), হাসিবুর রহমান (১৯), শহিদ (১৮), ইনামুল (২২), শরিফুল ইসলাম (৩৫), রফিকুল ইসলাম (৫০), বাবলু (৪০), জুবায়ের হোসেনসহ আরও কয়েকজন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর চাঁদপুর গ্রামের জোড়াতলা মাঠে ২৪ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সামসুল হকের ছেলে হায়দার আলী ও মৃত আফসার আলীর ছেলে আব্দুল হালিমের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আজ সকাল ১০টার দিকে হালিম গং ওই জমিতে পাট বুনতে গেলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ২০-২২ জন আহত হন।

খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহামিদা আক্তার রুনা বলেন, “সকাল থেকেই আহত রোগীরা আসছেন। এখন পর্যন্ত ১৫-১৬ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”