দর্শনায় বিপুল পরিমাণ চোলাই ও বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ১

দর্শনা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৭ লিটার চোলাই (বাংলা) মদ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৮ বোতল বিদেশি (ফরেন) লিকারসহ আকাশ (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আকাশ দর্শনার কেরু কোম্পানির দারোয়ান লাইনপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন দর্শনা থানার চৌকস কর্মকর্তা এসআই মাসুদুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা আনোয়ারপুর কেরু কোম্পানির স্টাফ মেসের পেছনে দারোয়ান লাইনের সামনে অব্যবহৃত একটি বাথরুমে অভিযান চালান।

সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ কেরু অ্যান্ড কোম্পানির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৮ বোতল বিদেশি মদ এবং ৬৭ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে আকাশকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় আকাশসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দর্শনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।




ভারতে যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা আ.লীগের নেতা গোলাম মতুর্জা গ্রেপ্তার

ভারতে যাওয়ার সময় দর্শনা চেকপোস্টে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মতুর্জাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১১ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় দর্শনা জয়নগর আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে দর্শনা থানা হেফাজতে পাঠায়।

গ্রেপ্তার গোলাম মর্তুজা (৭২) চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের মৃত মেহের আলীর ছেলে। তিনি জীবননগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

দর্শনা থানার ওসি শহীদ তিতুমীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মতুর্জাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।




ঝিনাইদহে হামলা ও গ্রেফতার আতংকে বাড়িছাড়া অর্ধশত পরিবার

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় চরম আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

প্রাণ বাঁচাতে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে অন্তত অর্ধশতাধিক পরিবার। ফাঁকা হয়ে যাওয়া এসব বাড়িতে চলছে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হওয়ার পর থেকে নিহতদের অনুসারীরা প্রতিশোধের নামে নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালাচ্ছে। সংঘবদ্ধভাবে ভাঙচুর করা হচ্ছে আসবাবপত্র, লুটে নেওয়া হচ্ছে ঘরের মালামাল। এমনকি গৃহপালিত পশু-গরু, ছাগল পর্যন্ত জোর করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এই তাণ্ডবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওই গ্রামের সামাজিক নেতা আলিম উদ্দিন, নায়েব আলী ও শহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল সুরী। তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হামলায় অংশ নিচ্ছেন মজিদ সর্দার, মস্ত সর্দার, রুবেল, মারুফ, আতর বিশ্বাস, সবেদ আলী, বিল্লাল মোল্লা, মাজেদ বিশ্বাস, সাইদুল বিশ্বাস, মিহির বিশ্বাস, সামারুল বিশ্বাস, সোহান, বল্টু, সাহেব, শিমুল, টিকারী গ্রামের শিপন, রিয়াজ ওরফে চন্নু এবং বনকুমড়া এলাকার ইমরোজ।

ভুক্তভোগীদের দাবি, বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি ভয়াবহ রকমের অস্থিতিশীল। বহু পরিবার নারীদের সন্তানসহ নিরাপত্তাহীনতার কারণে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই কোনো কার্যকর পদক্ষেপ।
একাধিক পরিবার অভিযোগ করেছে, যারা নিরীহ তারা আজও হামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে বাড়িতে ফিরতে পারছে না। অথচ

প্রতিপক্ষরা লুটপাট, তাণ্ডব চালালেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি প্রশাসনকে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এখনো পুলিশ মোতায়েন করা আছে। কোন প্রকার লুটপাট বা ভাংচুর রোধে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে।




অল্প উপকরণ দিয়ে বাড়িতেই বানান আইসক্রিম

ভ্যাপসা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। বাইরে বেরোলেই ঠান্ডা পানীয় ছাড়া কিছুই মুখে রুচছে না। বাইরে থেকে ফিরেই হাত চলে যাচ্ছে ফ্রিজের দিকে। মাঝেমাঝে আইসক্রিমও অর্ডার করে ফেলছেন। তবে বাইরে থেকে অর্ডার না করে বরং বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন আইসক্রিম। কম উপকরণ দিয়ে অল্প সময়ে বানিয়ে নিন চকোলেট, পিনাট, বাটার আইসক্রিম। চলুন জেনে নেই এর প্রণালীর বিষয়ে।

উপকরণ:

১. ৪টি পাকা কলা

২. আধকাপ পিনাট বাটার

৩. আধ কাপ কোকো পাউডার

৪. ১ টেবিল চামচ চকোলেট প্রোটিন পাউডার

৫. আধ চা চামচ খাঁটি ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট

৬ পরিমাণ মতো লবণ

৭. সামান্য দুধ

এবার উপরের সব উপকরণগুলো ব্লেন্ডারে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হয়েছে কি না একবার দেখে নিন। কলা ঠিকভাবে না মিশলে সামান্য দুধ দিয়ে আবার মেশান। এরপর মিশ্রণটি ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। তার পর জমে গেলে আইসক্রিম স্কুপ দিয়ে খেতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর




সীমান্তের জমিতে কৃষকদের না যাবার জন্য মাইকিং

মেহেরপুর জেলার সীমান্তে কৃষকদের জমিতে ফসল তোলার ক্ষেত্রে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাধা প্রদান করছে। ওপারে নিজ ভূখন্ডে বিএসএফের প্রহরা ও টহল জোরদার করেছে।

ভারত ভুখন্ডে কাঁটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ গজের মধ্যে থাকা ভারতীয় কৃষকদের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ বন্ধ, ভারতীয় কৃষকদের জমির আইল কাটাতেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিএসএফ মাইকিং করছে।

বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিজিবি) সীমান্তে না যাবার জন্য নিজ দেশের কৃষকদের আহবান জানিয়েছেন মসজিদের সাউন্ড সিস্টেমে। যা উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে কৃষকদের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

মেহেরপুর সীমান্তে কাঁটাতারের এপারে ১৫০ গজের মধ্যে ভারতীয় জমিতে বাংলাদেশী কৃষকরা বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছে বহুবছর ধরে। কাঁটাতারের বেড়া দুই বাংলার মানুষের অবাধ বিচরণ বন্ধ করতে পারলেও ভাঙ্গেনি তাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

ভারতীয়রা তাদের অনাবাদি জমি বাংলাদেশি কৃষকদের লিজ দিয়ে চাষাবাদ করতে সহায়তা করে আসছেন। গত মঙ্গলবার ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বোমা হামলার পর ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। যার অংশ হিসেবে সীমান্তের কাটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ গজের মধ্যে ভারতীয় কৃষকদের ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশের কৃষকদের জমিতে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। যা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রভাব ফেলছে।

গতকাল সরেজমিনে বেলা ১০টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাঁঝা সীমান্তে গিয়ে দেখা যায় সীমান্ত এলাকায় চাষাবাদের কৃষকদের চোখে মুখে আতংকের ছাপ।

ঝাঁঝাঁ ক্যাম্প এলাকার সামাদ আলী জানান, ওপারে বিএসএস ক্যাম্প থেকে মাইকিং করা হয়েছে সীমান্তের এপারে ভারতের ১৫০ মিটারের জমিতে বাংলাদেশের কোন কৃষককে না যাওয়ার জন্য। ফলে কেউ জমিতে চাষাবাদে যেতে সাহস পাচ্ছে না। একই গ্রামের দাউদ হোসেন জানান- সীমান্তে নোম্যান্স ল্যান্ডে ভারত অংশের কাাঁটাতারের বেড়ার এপারে ১৫০ মিটারের মধ্যে ভারতের কৃষকদের প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি এপারের কৃষকরা বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে। প্রতিবিঘা জমিবাবদ বার্ষিক ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বর্গা নেয়া হতো। বিএসএফের নিষেধাজ্ঞার পর আবাদি জমির ফসল তুলতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে।

দুলাল শেখ নামের এক কৃষক বলেন, বর্গা নেয়া দেড়বিঘা জমিতে ভুট্টার চাষ করেছিলাম। লুকিয়ে লুকিয়ে ভুট্টা সংগ্রহ করেছি। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীর ভয়ে ওইসব জমিতে চাষাবাদের আগ্রহ হারিয়েছি।

ঝাঁঝা ক্যাম্পের কমান্ডার হারুন অর রশিদ বোন তথ্য দিতে অপরাগত প্রকাশ করলেও তিনি জানান গ্রামের মসজিদ থেকে কৃষকদের বর্গা নেয়া জমিতে না যাবার জন্য আহবান করা হচ্ছে প্রতিদিন।

মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী ইচাখালী সীমান্তে ৫৬টি দাগে ৭৪ বিঘা ৫ কাটা জমির মালিক ২৮ জন মালিক বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে বেশীর ভাগই বুড়িপোতা ইউনিয়নের গোভিপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই জমিগুলোর মালিকানা নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হলেও এখনও কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। এসব জমি দেশভাগের সময় ভারতের অংশে চলে যায়। তবে বাংলাদেশী কৃষকরা সেগুলো বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নিষেধাজ্ঞার কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে ফসল তুলতে পারছেন না। আবার ভারতের কৃষকরাও ওই জমিতে আসতে পারছে না। কারণ বাংলাদেশের অনেক জমি অতিক্রম করে ওই ৫৬ দাগের জমিতে তাদের আসতে হবে।

মেহেরপুর জেলার তিনদিক ভারত সীমান্ত বেষ্টিত। সীমান্তের মোটদৈর্ঘ প্রায় ৮৯ কিলোমিটার। এই সীমান্তটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে সংযুক্ত।

মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলা মুজিবনগর, গাংনী ও মেহেরপুর সদর। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবীননগর, শিকারপুর, তাজপুর, ভাদুপাড়া, নবচন্দ্রপুর, লালবাজার, করিমপুরসহ অনেকগুলো গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত।

এই সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে দুই দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে ৭৪টি সীমান্ত গেট রয়েছে। যেগুলো দিয়ে প্রতিদিন অন্তত সহস্রাধিক ভারতীয় কৃষক কৃষিকাজ করতে কাঁটাতারের বেড়ার এপারে নিজ জমিতে আসেন। অজানা আতংকে তারাও এপারে তেমন আসছে না। যারা আসছে তারাও বিএসএফের প্রহরায়।
ভারতের নিকটবর্তী বিজিবির ইচাখালী সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়-ইচাখালী বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হারুন অর রশিদ দুজন সিপাহী নিয়ে সীমান্তের ভারতের নবচন্দ্রপুর বিএসএস ক্যাম্পর নিকটবর্তী বাংলাদেশ অংশে একটি বাগানে অবস্থান করছেন। তিনি নোম্যান্স ল্যান্ডে যেতে বারণ করেন।

তিনি বলেন, ওপারে ভারতের নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্প সদস্যরা অস্ত্র তাক করে অবস্থান করছেন। আমরা গ্রামের মসজিদ থেকে প্রতিদিনই মাইকিং করছি সীমান্তের কোন জমিতে না যাবার জন্য। কারণ ভারতীয় কৃষকদের জমি বর্গ নিয়ে চাষাবাদ করা আইনত দণ্ডনীয়।

এই পরিস্থিতিতে, সীমান্তবর্তী কৃষকদের জমিতে প্রবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতাবৃদ্ধির এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।




দর্শনায় রুকন শিক্ষা শিবিরে আব্দুল হালিম

দর্শনায় দিনব্যাপী রুকন শিক্ষা শিবিরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত কল্যাণমুখী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়। তিনি গতকাল রুকন সন্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুল হালিম আরও বলেন, তিনটি বিষয় নিয়ে আগামীতে এগুতে চায় জামায়াত। ফ্যাসিস্টদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। পলাতক শেখ হাসিনাসহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের বিচার করতে হবে সবার আগে। এরপর সকল সেক্টরে সংস্কার করে একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামীতে ক্ষমতায় এসে দূর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত একটি কল্যানমুখী বাংলাদেশ গড়তে চায়। ইতিপুর্বে আমরা কী দেখেছি ? পুলিশ শুধু মামলা দেয়। আমরা বিগত ১৬ বছরে দেখলাম,পুলিশ বাসা থেকে ধরে নিয়ে এনে চোখ তুলে নেয়,হাত-পা কেটে ফেলে,গুম করে,আয়না ঘরে পাঠিয়ে নির্যাতন করে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আয়োজনে আজ শনিবার দর্শনা অডিটোরিয়ামে সকাল ৮টায় দিনব্যাপী রুকনদের শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। শুরুতেই উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবিরের ব্যবস্থাপক মাওলানা আজিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর- কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসাইন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- ৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৫২ ও ৭১ শহীদের তালিকা লিপিবদ্ধ হয় নাই, ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের তালিকা করা হয়েছে। ৯৭৩/৯৭৫ জনের তালিকা ১০ খন্ড লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ২০ হাজার জন পঙ্গুর পাশে দাঁড়িয়েছে জামায়াত, বিগত দিনে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে নমুনা সৃষ্টি করেছে সংগঠন। আগামীতে আমরা মানবিক বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই। এছাড়াও তিনি আনুগত্য,পরামর্শ ও মুহসাবা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় বলেন যে ব্যক্তি আনুগত্য করল সে আল্লাহর আনুগত্য করল। যদি কোন হাবশী ব্যক্তিও নেতা নির্বাচিত হয় তাহলে তার আনুগত্য করতে হবে। যার ঈমান যত শক্তিশালী তার আনুগত্য তত মজবুত। আনুগত্যের পরাকাষ্ঠ দেখিয়েছেন হযরত আবু বকর (রা)। রাসূল সাঃ বলেছিলেন আবু বকর আমাদের হয়তো হিজরত করতে হতে পারে। সেই দিন থেকে আবু বকর দরজায় পিঠ লাগিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন কখনও বিছানায় পিঠ দিয়ে ঘুমাননি, এক দিন রাতে রাসুল (সাঃ) আবু বকর(রা) দরজায় গিয়ে ডাক দিলেন আবু বকর সঙ্গে সঙ্গে উত্তর এলো লাব্বাইক ইয়া রাসুল সাঃ, তিনি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন একবারেই তুমি হাজির হলে কিভাবে? তিনি বললেন আপনি যে দিন থেকে বলেছেন হিজরত করা লাগতে পারে সেদিন থেকে আমি আর বিছানায় ঘুমায়নি, কি আশ্চর্য আনুগত্য ছিল তার। জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমীর রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে জেলার ৬ শতাধিক পুরুষ রুকন অংশ নেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, জেলা কর্ম ও শুরা সদস্য বৃন্দ্ব, সকল উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারীসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ্ব। শিক্ষা শিবিরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবির পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।

এছাড়াও বেলা ৪টায় জেলা কর্মপরিষদ সদস্যের সাথে ও সাড়ে ৪টায় উক্ত অডিটোরিয়ামে জেলা তালিমুল কুরআন সকল বিভাগের দায়িত্বশীল নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমীর মোঃ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুকন শিক্ষা শিবিরে জেলার ৬ শতাধিক পুরুষ রুকন অংশ নেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, জেলা কর্ম ও শুরা সদস্য বৃন্দ্ব, সকল উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারীসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ্ব। শিক্ষা শিবিরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও শিক্ষা শিবির পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। বিকাল সাড়ে ৪টায় উক্ত অডিটোরিয়ামে জেলা তালিমুল কুরআনের সকল বিভাগের দায়িত্বশীল নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বিষয়ভিত্তিক দারসুল হাদিস পেশ করেন অঞ্চল টিম সদস্য সাবেক মাগুরা জেলা আমীর অধ্যাপক আলমগীর বিশ্বাস। চুয়াডাঙ্গা জেলা আমীর রুহুল আমিন তার বক্তব্যে যে অতীত প্রেরণা দেয় এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্বিবিদ্যালয়ের শহীদ সাব্বির ও শহীদ আজগরসহ শহীদদের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে রুকনদের তাদের মত ত্যাগের মহিমা প্রদর্শনের আহবান জানান।




দর্শনায় মৌচাকের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের ছাগল পালনের প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় মৌচাক সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উদ্দ্যোগে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে ছাগল লালন পালন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়েছে।

এ প্রশিক্ষণে মৌচাক উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার মগগুল হোসেনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপি। এ প্রশিক্ষণে প্রায় ২০-২৫ জন প্রতিবন্ধী ছাগল লালন পালনে অংশ নেয়।




মেহেরপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী পালন

মেহেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ভৈরব সাহিত্য সাংস্কৃতিক চপ্তর এর আয়োজনে শনিবার বিকেলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ও মাসিক সাহিত্য বাসর উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুর প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভৈরব সাহিত্য সাংস্কৃতিক চত্বরের সভাপতি এডভোকেট এম আনোয়ার হোসেন।

বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নুরুল আহমেদ, রফিকুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল চক্রবর্তী, সংগঠনের নাট্য সম্পাদক সাইদুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মিনা পারভিন, কবি সাদিকুজ্জামান সেন্টু প্রমুখ।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মেহের আমজাদের সঞ্চালনায় কবিতা আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন কবি এস এম এ মান্নান, আবুল লায়েস লাভলু, বাঁশরী মোহন দাস, শহিদুল ইসলাম কানান, ফাতেমা ফিরোজ, রফিকুল ইসলাম, আবুল হাশেম, মহিবুল ইসলাম, বদরুদ্দোজা বিশ্বাস, শফিকুজ্জামান সেন্টু, ঐশী, রাইসা প্রমুখ।




দামুড়হুদায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত

“মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করি, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে. এইচ. তাসফিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।




দামুড়হুদায় ফেনসিডিলসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাদকদ্রব্য পাচারের সময় ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পুড়াপাড়া মাঠের উত্তর পাশে পাকা রাস্তার উপর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, দামুড়হুদা সদর দশমীপাড়ার মো. আবেদ আলীর ছেলে মো. মামুন আলী (৩৩) এবং মৃত শরমান দফাদারের ছেলে মো. রুহুল (৩০)।

জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলার দিকনির্দেশনায় ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীদের কয়েকজন পালিয়ে গেলেও মামুন ও রুহুলকে ৬০ বোতল ফেনসিডিলসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মেহেদী হাসান জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।