ঝিনাইদহ-৪ আসনে আবারো স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিসে হামলা-ভাংচুর, আহত ৬; পুলিশের নিরবতা

ঝিনাইদহ-৪(কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে একের পর এক স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতিকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী অফিস ও সমর্থকদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর করা হচ্ছে। ঘটনাটি নির্বাচনী আচরণ বিধির মধ্যে পড়লেও পুলিশের নিরব ভুমিকা পালনের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার সমর্থকেরা সবার প্রতি সমান সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় নলডাঙ্গায় বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অফিস ভাংচুর করা হয়। এ সময় অফিসে থাকা ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও ফিরোজের কর্মী ওয়াজ্জেদ এবং তার ছেলে বাদশা ও আহাদ ,ঘড়াশুনি গ্রামের রাজ্জাকের ছেলে শামীম ও শ্রীমন্তপুর গ্রামের আয়নালের ছেলে জনিকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়।

এসময় অফিসের টেবিল, চেয়ার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। এরপর এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

একই দিন রাতে ৮ জনের একটি দল পৌরসভার হেলাই গ্রামের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের আরেকটি নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। অফিসে থাকা চেয়ারগুলো ভাংচুর করে দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। অপরদিকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের করা হয়। এসময় আহত করা হয় ৩জনকে। এছাড়া প্রতিদিন নির্বাচনে এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় বিছিন্ন ঘটনা ঘটতেই আছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগ করেন, আমার কর্মী-সমর্থকরা সর্বোচ্চ ধৈর্য্যরে পরীক্ষা দিচ্ছে। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে আমি মনে করি। নির্বাচন দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই আসার প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। প্রশাসনও এক রকম পক্ষ-পাতিত্ব করছে বলে মনে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী রাশেদ খানের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি জানান, তার নেতাকর্মী, সমর্থকেরা হামলা-ভাংচুরের সাথে জড়িত নয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী লোকজনই নিজেদের অফিস-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ভেঙ্গে আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নলডাঙ্গায় অবস্থিত অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ: বাধা দেওয়ায় যুবকদের মারধর

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিত্তিপাড়া বাজার থেকে রাজাপুর পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের কাজে ঠিকাদার প্রকাশ্যে দুই নম্বর ইট ও পোড়া মাটির মতো নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

ঝিনাইদহ এলজিইডির দেওয়া তথ্য মতে, কাঁচেরকোল বাজার টু রাজাপুর ক্যানেল সড়কে দেড় কিলোমিটার এই রাস্তাটি পাকাকরণে খরচ হচ্ছে ১ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ৩’শ ৮৬ টাকা। কাজটি নির্মাণের দায়িত্ব পায় মেসার্স ঝিনাইদহ বাজার নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে কাজটি স্থানীয় কৃষকদল নেতার ভাই ইলিয়াস আলী সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার ভিত্তি শক্ত না করেই তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। ব্যবহৃত ইটগুলো হাত দিয়েই ভেঙে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই টেকসই সড়ক নির্মাণের উপযোগী নয়। এতে করে সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত টেকসই সড়কের স্বপ্নই থেকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় আপেল মাহমুদ নামের এক যুবক অভিযোগ করেন, সাব-ঠিকাদার ইলিয়াস কৃষকদল নেতা ওসমান আলীর ভাই। সেই প্রভাবে নিম্নমানের কাজ করেও পার পেয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। কাজ নিম্নমানের হওয়ায় আমরা বাধা দিলে লোকজন নিয়ে আমাদের মারধর করা হয়।

স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক এস এম আকাম উদ্দিন অভিযোগ করেন, এই রাস্তা আমাদের বহু দিনের দাবি। কিন্তু যেভাবে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে, তাতে বর্ষা আসার আগেই রাস্তা ভেঙে যাবে। আমরা বাধা দিতে গেলে উল্টো আমাদের ওপর চড়াও হচ্ছে ঠিকাদারের লোকজন।

অনিয়মের ব্যাপারে সাব-ঠিকাদার ইলিয়াস আলী বলেন, রাস্তার কাজ সকল নিয়ম অনুযায়ী করা হচ্ছে। নিম্নমানের ইট দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার উদ্দিন বলেন, সড়ক নির্মাণে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। যদি কোনো ঠিকাদার অনিয়ম করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিকী ‘প্রবর্তনা’র মোড়ক উন্মোচন ও পিঠা উৎসব

মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিকী ‘প্রবর্তনা’র মোড়ক উন্মোচন, পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সকালে সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশিদ, কবি ও গবেষক ড. গাজী রহমান এবং সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মুহা: আব্দুল্লাহ আল আমিন।

কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশিদ বলেন, ‘প্রবর্তনায় লেখার মাধ্যমে আজ এক আতুর ঘরে জন্ম হলো এক কবির। তিনি হয়তো নিজেই বুকে হাত দিয়ে বলতে পারেন না আমাকে দিয়ে আবার হবে কি না। তবু হবে। আমি চাই সেই স্বপ্নটুকু তাদের ভেতরে বুনে দিতে এই বিশ্বাস যে, হবে। ‘প্রবর্তনা’ সেই আত্মবিশ্বাসটাই যেন তাদের মনে রচনা করে।’

কবি ও গবেষক ড. গাজী রহমান বলেন, ‘যারা পড়াশোনার সঙ্গে থাকে, গবেষণার সঙ্গে থাকে, আর লেখার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখে, তারা আনন্দে থাকার চেষ্টা করে এবং আনন্দ খুঁজে পায়। আনন্দ ও দুঃখ আসলে এক বিশেষ অনুভূতির স্তর, সেই স্তরে পৌঁছাতে না পারলে না আনন্দ স্পষ্ট হয়, না দুঃখের গভীরতা ধরা দেয়। এই পথচলারই এক অনুপ্রেরণার নাম ‘প্রবর্তনা’। প্রবর্তনার মত সৃষ্টিশীল কাজগুলো শিক্ষার্থীদের ভাবনার জগৎ খুলে দেয়, লেখার সাহস জোগায়, আর অনুসন্ধিৎসু মনকে গবেষণার দিকে এগিয়ে নেয়।’

উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মুহা: আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘প্রবর্তনা’ উপলব্ধির পথ দেখায়। এটি শিক্ষার্থীদের ভাবনা, স্বপ্ন আর সৃজনশীলতাকে প্রকাশের সাহস দেয় এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস জাগায়।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও ‘প্রবর্তনা’র আহ্বায়ক কাজী আশরাফুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক একরামুল হাসান লোটাস, ‘প্রবর্তনা’র সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক রূপালী বিশ্বাস, মেহেরপুর প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন।

আলোচনা শেষে মেহেরপুর সরকারি মহিলা করেজের প্রকাশিত বার্ষিকী ‘প্রবর্তনা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয় । পরে অতিথিবৃন্দ পিঠা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। পিঠা উৎসবে ১০টি স্টলে নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শিত হয়। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

উল্লেখ্য, ‘প্রবর্তনা’য় মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী ও শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল লেখা স্থান পেয়েছে।




মেহেরপুরের ৩নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারনা

মেহেরপুরে জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের নেতৃত্বে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারনা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে মেহেরপুর-১ আসনের আজ রবিবার সকালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।

এসময় জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের নেতৃত্বে নাসির উদ্দীন, সাইদ হাসান জনি, মৃদুলসহ ৩নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরের আমঝুপিতে সূর্যমুখী দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রতিবছরের মতো এবারও সূর্যমুখীর হলুদ ফুলে ভরে উঠেছে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি (বিএডিসি) ডাল ও তৈলভিত্তিক বীজ উৎপাদন খামার। সূর্য যেদিকে হেলে পড়ে, সূর্যমুখীর ফুলগুলোও ঠিক সেদিকেই মুখ ঘুরিয়ে নেয় প্রকৃতির এই অনন্য দৃশ্য যেন তৈরি করেছে এক অপূর্ব হলুদের রাজ্য।

সবুজ মাঠের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সূর্যমুখী ফুল মন কেড়ে নিচ্ছে দর্শনার্থীদের। এর সঙ্গে রাস্তার দুই পাশের সারি সারি নারিকেল গাছ পুরো পরিবেশকে করেছে আরও মোহনীয়। প্রজাপতির আনাগোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন দল বেঁধে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষ। কেউ আসছেন শুধু চোখ জুড়াতে, কেউ আবার ক্যামেরাবন্দী করতে এই সৌন্দর্য।

এই প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় করছেন মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের পাশে অবস্থিত আমঝুপি ডাল ও তৈলভিত্তিক বীজ উৎপাদন খামারে। পাশ্ববর্তী জেলাগুলো থেকেও মাইক্রোবাস, কার ও মোটরসাইকেলে করে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা।

জানা গেছে, দেশে বীজ ও ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এবং স্থানীয় কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উৎসাহিত করতে খামার কর্তৃপক্ষ প্রতিবছরই সূর্যমুখী চাষ করে থাকে। চলতি মৌসুমে বিগত বছরের মতো এবারও সাড়ে ১৬ বিঘা জমিতে বারি সূর্যমুখী-৩ জাতের চাষ করা হয়েছে।

ফুলে ভরা এই মাঠ এখন যেন বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ সেলফি তুলছেন, কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে ছবি তুলছেন। ফুল যেন কেউ নষ্ট না করে, সে জন্য খামার কর্তৃপক্ষকে আলাদা লোকবলও নিয়োগ করতে হয়েছে।

ছবি তুলতে আসা এক কলেজছাত্রী সোহাগ বলেন, এত বড় সূর্যমুখীর মাঠ একসঙ্গে আর কোথাও দেখা যায় না। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য ক্যামেরায় ধরে রাখতে বান্ধবীদের নিয়ে এসেছি।

আমঝুপি গ্রামের এক জিহাদ জানান, নিজের এলাকাতেই এত সুন্দর দৃশ্য, না দেখে থাকা যায় না। তাই পরিবার নিয়ে চলে এসেছি।

শহর ও গ্রাম থেকে ঘুরতে আসা কয়েকজন গৃহবধূ জানান, কয়েক বছর ধরেই সূর্যমুখীর মৌসুম এলেই এখানে ছবি তুলতে আসি। এখানে এলে মনটা ভরে যায়, সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

ফুলে-ফুলে ভরপুর জেলার একমাত্র এই বীজ উৎপাদন খামার এখন শুধু কৃষি কার্যক্রমেই নয়, বরং প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের জন্য একটি আনন্দঘন ভ্রমণস্থলে পরিণত হয়েছে।




কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য ও জননিরাপত্তা চান মেহেরপুরের ভোটাররা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৪ দিন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ভোটারদের মাঝে উৎসব-উদ্দীপনা বাড়ছে; একই সঙ্গে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে। অপরদিকে, শেষ সময়ের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন প্রার্থী ও তাঁদের অনুসারীরা।

প্রার্থীদের কাছে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—তাঁরা যেন কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে কাজ করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণে প্রার্থীরাও দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

মেহেরপুরের দুটি আসনের বেশ কয়েকটি গ্রামের সাধারণ কৃষক, গৃহিণী ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশাও সাধারণ ভোটারদের।

এদিকে, নির্বাচনের আগে মেহেরপুরের মুজিবনগর ও গাংনী এলাকায় গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি ককটেল ও বোমা উদ্ধার, যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার এবং আঞ্চলিক সড়কগুলোতে ছিনতাই ও চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

মেহেরপুর-১ আসনের আওতাধীন উজুলপুর গ্রামের কৃষক রশিদ আলী বলেন, ‘সরকার আসে সরকার যায়, আমাদের কোনো আয়-উন্নতি নেই। আমরা হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে ফসল ফলাই। কিন্তু বেচতে গেলে দাম পাই না। নতুন সরকারের কাছে দাবি জানাই, তারা যাতে আমাদের ফসলের ন্যায্যমূল্যের ব্যবস্থা করে দেয়।’

মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার এলাকার ভোটার ইমদাদুল হক বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যাতে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং রাস্তাঘাটে ছিনতাই-চাঁদাবাজি না হয়—এমনটাই প্রত্যাশা করি।’

মেহেরপুর-২ (গাংনী) সংসদীয় আসনের আওতাধীন গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা গাংনী উপজেলার বাসিন্দা হলেও জেলা শহরের সাথে আমাদের যাতায়াত বেশি। কিন্তু কাজ থাকলেও সন্ধ্যার মধ্যে গ্রামে ফিরতে হয়। সন্ধ্যা নামলেই মনে ছিনতাই ও ডাকাতির ভয় কাজ করে। যিনি আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন, তাকেই ভোট দেব।’

জানা গেছে, মেহেরপুর পৌরসভা, সদর ও মুজিবনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মেহেরপুর-১ সংসদীয় আসন। এ আসনে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৫ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৯০, নারী ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। ১৯৯০ পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে এ আসনটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানতালে জয়লাভ করেছে। এবার এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। বিএনপি থেকে মাসুদ অরুণ এবং জামায়াত থেকে তাজ উদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকিরা হলেন সিপিবি-র অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ।

মাঠের বাস্তবতায় এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর মধ্যেই। অতীতে জামায়াতের এ আসনে প্রায় ৩০ হাজার ভোটব্যাংক ছিল, যা বর্তমানে আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুরুতে বিএনপির ভেতরে কিছুটা কোন্দল থাকলেও এখন নেতাকর্মীরা একতাবদ্ধ। তবে জনপ্রিয়তার দিক থেকে মাসুদ অরুণ এগিয়ে থাকলেও প্রচার-প্রচারণায় জামায়াতও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে ভোটার ২ লাখ ৭০ হাজার ৫ জন। এখানে প্রার্থী তিনজন, তারা হলেন-বিএনপির আমজাদ হোসেন, জামায়াতের নাজমুল হুদা এবং জাতীয় পার্টির আব্দুল বাকী। এখানেও লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। ৯১ পরবর্তি এখানেও কখনো আওয়ামী লীগ কখনও বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

কামরুল ইসলাম নামের এক বিএনপি সমর্থক বলেন, ‘মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন মনোনয়ন না পাওয়ায় দলীয় কোন্দল এখনো রয়ে গেছে। মিল্টন কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিলেও আমজাদ হোসেনের অনুসারীরা তাঁদের সেভাবে মূল্যায়ন করছেন না। ফলে অনেক কর্মী হয়তো নিষ্ক্রিয় থাকতে পারেন, যা আসনটি ধরে রাখা মুশকিল করে তুলবে।’




চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর গণসংযোগ

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যা রাতে দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের বড় দুধপাতিলা গ্রামে এক বিশাল গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।

গণসংযোগকালে মাহমুদ হাসান খান বাবু এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং খোঁজখবর নেন। তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এই আসনের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবো।”এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

নির্বাচনে এগিয়ে থাকতে তিনি ইতোমধ্যে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামে পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি কর্মসূচিতেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে তাঁর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে। এসময় ইউনিয়ন বিএনপি ও স্থানীয় বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




আলমডাঙ্গায় আচরণ বিধি লঙ্ঘিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

আলমডাঙ্গায় নির্বাচনী প্রচারণায় আচরণ বিধি লঙ্ঘিত হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গতকাল বিকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম শাহনেওয়াজ মেহেদী এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ও বিজিবির এক চৌকস যৌথ বাহিনীর টিম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সার্বিক সহোযোগিতা করেন।

গতকাল হাটবোয়ালিয়া থেকে বিএনপি’র সমাবেশে অতিরিক্ত মোটরসাইকেল ব্যাবহার ও রঙিন ব্যানার ব্যাবহার করার অপরাধে ১০০০০/ জরিমানা আদায় করা হয়। আলমডাঙ্গা রুপালী ব্যাংকের সামনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারণায় রঙিন ব্যানার ব্যাবহার করার অপরাধের ৫ হাজার টাকা,  বাদেমাজু গ্রামে একই অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ টিপু কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আলমডাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম শাহনেওয়াজ মেহেদী বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে অনিয়মে এই রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।




দামুড়হুদায় ধানের শীষের উঠান বৈঠকে মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের কন্যা কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য, জিয়া পরিষদের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা–২ আসনের বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু’র নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন।

গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে তিনি দামুড়হুদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে গোবিন্দহুদা গ্রামের কুলু পাড়ায় মহিলাদের উঠান বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং মাহমুদ হাসান খান বাবুর জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

উঠান বৈঠকে উপস্থিত নারী ভোটার ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই এই আসনে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি দলীয় ও সাধারণ নারী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি নির্বাচনী কৌশলগত বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তাঁর উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, মুহুর্মুহু স্লোগানে মুখরিত হয় উঠান বৈঠক প্রাঙ্গন। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও ভোটারা প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন। মিলিমা ইসলাম বিশ্বাসের এই আকস্মিক সফর ও দিকনির্দেশনায় উপস্থিত সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাশেম, উলামা দল নেতা মাওলানা নাজমুল হাসান বিপ্লবী, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বকুল হোসেন, বিএনপি নেতা শফি মহুরি, যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, মনির, মানিক স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ২ শতাধিক নারী ভোটার উপস্থিত ছিলেন।




আলমডাঙ্গায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় গণজাগরণের ডাক দিলেন শরিফুজ্জামান

আলমডাঙ্গায় বিএনপি’র বিশাল নির্বাচনী জনসভায় শরিফুজ্জামান শরিফ ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ারের ডাক দিলেন।

আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকাল ৩টার সময় আলমডাঙ্গা বড় ফুটবল মাঠে আয়োজিত এই সভায় নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

নির্বাচনী এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ। সভায় স্থানীয় বিএনপি’র শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দেশের গণতন্ত্র রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ধানের শীষের জয়ের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।শরিফুজ্জামান শরিফ এলাকার উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র নেতা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ্যাড. ওয়াহিদুজ্জামান বুলা, বিএনপি নেতা খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, জেলা বিএনপি’র সাংগাঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম  পিটু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু।

আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান তবারক হোসেন, বোরহান উদ্দিন, শেখ সাইফুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন লাড্ডু, সেলিমুল হাবিব, সেলিম চেয়ারম্যান, মোমিন মালিতা, মীর উজ্জ্বল হোসেন, খন্দকার আব্দুল কাদের, মাগরিবুর রহমান, তন্ময় প্রমুখ।

বিশাল জনসমাগমে দুপুরের পর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা বড় ফুটবল মাঠে জড়ো হতে থাকেন।

স্লোগান ও উদ্দীপনায় সভা চলাকালীন ধানের শীষ ও বিএনপি’র সমর্থনে মুহুর্মুহু স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

উপস্থিত বক্তারা এই জনসভাকে আলমডাঙ্গার রাজনীতিতে এক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন এবং আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।