ঝিনাইদহে ’স্টেম সেল থেরাপি’ চিকিৎসা পদ্ধতির সেমিনার

ঝিনাইদহে প্রথমবারের মত চিকিৎসা বিজ্ঞানে যুগান্তকারী ব্যবস্থা ‘স্টেম সেল থেরাপি’ চিকিৎসা পদ্ধতির বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে শহরের হামদহ হাবিবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

লিভেন গ্লোবাল এর সাকসেস টিমের সহযোগিতায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ ক্লিনিক মালিক সমিতির ঝিনাইদহ জেলার শাখার সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, হাবিবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বতাধিকারী জাহিদুল ইসলাম। এসময় সেমিনারে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন,  প্রশিক্ষক মোঃ হাসানুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, স্টেম হলো অবিভাজিত জীবকোষ, যা আজীবন আরো অনেক স্টেম সেল তৈরি করতে পারে। এই এক কোষ থেকে অনেক কোষ তৈরি হয় বিভাজন ও পৃথকীকরণ ভাবে।

১৯০৮ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ম্যঅক্সিমভ স্টেম সেলের ধারনা দেন। স্টেম সেল বিভিন্ন ধরনের হয়, যেমন এমব্রায়োনিক স্টেম সেল,যা মানুষের ভ্রুণে থাকে। লিভার বিকল, টাকে চুল গজানো থেকে শুরু করে হাঁটুর ব্যথা কিংবা হৃদযন্ত্রে প্রদাহ—এমন অনেক রোগেই এই থেরাপি প্রয়োগ হচ্ছে।




ঝিনাইদহে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রীজের রেলিং ভেঙে নদীতে, চালক ও হেলপার নিহত

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রীজের রেলিং ভেঙে নদীতে পড়েছে। এ ঘটনায় চালক ও হেলপার নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত ১ টার দিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের গাড়াগঞ্জ এলাকার বড়দাহ পুরাতন ব্রীজে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো- ট্রাক চালক সোহেল শেখ (২৭) পাবনা সদর উপজেলার গাজামানিকুন্ডা গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে এবং হেলপার মুবারক হোসেন (২০) একই গ্রামের জাফর মিয়ার ছেলে।

ফায়ার সার্ভিসের যশোর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, রাতে যশোর থেকে একটি ডাল বোঝায় ট্রাক পাবনা যাচ্ছিলো। রাত ১ টার দিকে গাড়াগঞ্জ এলাকার বড়দাহ পুরাতন ব্রীজের উপর এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিং ভেঙে কুমার নদে পড়ে যায়।

খবর পেয়ে শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট উদ্ধার কাজ শুরু করে। ভোরে মুবারক হোসেন ও সকাল ৮ টার দিকে চালক সোহেল শেখের একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার সংবাদ শুনে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।




মেহেরপুরে আজ ভোটের গাড়ির প্রচার শুরু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে মেহেরপুরে আজ রোববার থেকে ‘ভোটের গাড়ি’র প্রচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

রোববার বিকেল ৩টায় শহীদ শামসুজ্জোহা পার্কে এ প্রচারণার উদ্বোধন করা হবে। এ সময় গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে এই বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হবে।

আয়োজকদের জানান, ভোটের গাড়ি’র মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

পাশাপাশি নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরে অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।




তাজউদ্দিন খানের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা স্থাবর ১ কোটি টাকা, অস্থাবর ২২ লাখ ২১ হাজার টাকা

মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) আসনের জামায়াত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মোঃ তাজউদ্দিন খান। তাঁর বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৩ টাকা। এর মধ্যে চাকরি থেকে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৩ টাকা এবং ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ টাকা।

তাঁর বাড়ি ও কৃষিজমি মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি টাকা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামার আয়কর বিবরণীতে তিনি এ তথ্য উল্লেখ করেছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া তাজউদ্দিন খাঁনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাঁর অর্জিত ১ একর ১৭ শতাংশ কৃষিজমি, ৭ শতক বাড়ি, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও অন্যান্য আসবাবপত্র রয়েছে।

তাঁর হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ২২ লাখ ২১ হাজার ২৪৪ টাকা, যা তিনি চাকরি ও নিজস্ব সম্পদ থেকে আয় করেছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩ হাজার টাকা।

তাঁর স্ত্রী মোছাঃ মনোয়ারা খাতুন একজন গৃহিণী। স্ত্রীর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ১০ তোলা স্বর্ণ রয়েছে।

মোঃ তাজউদ্দিন খাঁনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ১৫টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি মামলায় খালাস এবং একটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।




আসাদুজ্জামানের বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা | ঢাকার উত্তরা, ধানমন্ডি ও সাভারে প্লট

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি মনোনিত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তার ঢাকার উত্তরা, ধানমন্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে। তবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার কোনো ঋণ নেই। নেই কানো মামলা। নির্বাচনি হলফনামায় এসব তথ্য দিয়েছেন অ্যাড. মো. আসাদুজ্জামান।

হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড,সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।

স্ত্রীর শেয়ার বন্ড ব্যাংক আমানত,সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা এবং পেশাগত (শিক্ষকতা) থেকে বছরে আয় পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা দেখানো হয়েছে।

অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে আসাদুজ্জামানের কাছে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে এক কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা। বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার এবং ফিক্সড ডিপোজিট  প্রায় ৩০ লাখ টাকার হিসাব দেখানো হয়েছে।

হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন, এছাড়া সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ছয় লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য চার লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।

অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে দুই কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা। যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য পাঁচ কোটি টাকা। একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমন্ডিতে দুটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা দেখানো হয়েছে।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ১১৪, মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি। যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান তার মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা ধরা হয়েছে।

তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেননি। চলতি অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা এবং সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।




আলমডাঙ্গায় বিএনপির মতবিনিময় সভা

আলমডাঙ্গা উপজেলা পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো:শরীফুজ্জামান শরীফ।

প্রধান বক্তা আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইয়িন টিলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিরুল ইসলাম সেলিম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস।

আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আইনজীবী ফোরাম এর আহ্বায়ক অ্যাড. আ স ম আব্দুর রউফ, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ও বাড়াদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন, জেলা জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ সরোয়ার রোমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম হোসেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক হাজী মকবুল হোসেন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুল মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার কাজী সাচ্চু, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন বিশ্বাস, কুমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহাবুব হোসেন, বাড়াদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদউর রহমান মাসুদ, বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চান্দ আলী, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব মাস্টার, হাড়দী ইউনিয়ন বিএনপির  মইনদ্দিন মিয়া, কুমারী ইউনিয়ন বিল্লাল হোসেন, গাংনী ইউনিয়ন বিএনপির মামুনুর মামুন,কালিদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইনাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর হোসেন লালন, ডাউকি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দর হোসেন, সাধারন সম্পাদক সালাম সিরাজী, বেলগাছি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আমজাদ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ঝন্টু মালিতা, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, খাসকররা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক শাহীন আলম, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ, জেহেলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহেদুজ্জাহ মিল্টন, সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন খান আলা, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বকুল হোসেন, সাধারন সম্পাদক শুকুর আলী, গাংনী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি রেজাউর রহমান রেজু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আইনাল, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারন সম্পাদক আতাউল হুদা, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্তাত সভাপতি মনির হোসেন, সাধারন সম্পাদক শফিউল ইসলাম, জামজামি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ আলম, সাধারন সম্পাদক পলাশ আহমেদ,খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেরেগুল ইসলাম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক লালন ইসলাম, চিতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাজিব ফেরদৌস হাসান পাপেন, সাধারণ সম্পাদক মহাসিন আলী বিশ্বাস,  সভাপতি জেলা যুবদলের নেতা মাগরিবুর রহমান মাগরীব, আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি তোজ্জামেল হক মাস্টার, জামজামি ইউনিয়ন লিয়াকত আলী, কুমারী ইউনিয়ন বিল্লাল হোসেন, হাড়দী ইউনিয়ন নাসির উদ্দিন, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন সন্টু মিয়া, বেলগাছি ইউনিয়ন আব্দুল মজিদ, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চান্দ আলী, ডাউকী ইউনিয়ন আব্দুল হান্নান, গাংনী ইউনিয়ন মামুনুর রশীদ মামুন, কালিদাসপুর ইউনিয়ন  ময়নয়উদ্দিন,  আব্দুর রহিত, খাসকররা নওশদ মাস্টার, চিতলা ইউনিয়ন আব্দুল হালিম,নাগদাহ ইউনিয়ন আব্দুর রশিদ হ্যাবা, যুবদল নেতা সুন্নত আলী, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সহ-সাধারন সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন হাবলু, শফিকুল হক সালাম,  আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর উজ্জ্ল, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম পৌর যুবদলের আহবায়ক নাজিম উদ্দীন মোল্লা, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাদের, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খন্দকার আরিফ,  জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কৌশিক কাউনাইন রুবেল, আলমডাঙ্গা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ এমদাদ হোসন, সদস্য সচিব রাজু, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাসেল আহমেদ, আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসান রিংকু, সদস্য সচিব তন্ময় আহমেদ, আলমডাঙ্গা পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া হোসেন শান্ত প্রমুখ।




আলমডাঙ্গার রুশদান ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে আঞ্চলিক পর্বে প্রথম

আলমডাঙ্গার বিশিষ্ট কবি লেখক ও হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক আসিফ জাহানের ছোট ছেলে রুশদান বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে আঞ্চলিক পর্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

গতকাল কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় আলমডাঙ্গা একাডেমির ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মাহবীর হাসান রুশদান এ-গ্রুপে অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করে।

পুরস্কার প্রদান পুর্বক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আহবায়ক বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড আঞ্চলিক কমিটি সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর লাল মোহাম্মদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোল্লা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড কমিটি ফয়েজ আহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাসুদ। আয়োজনে বাংলাদেশ ফিজিক্স অলেম্পিয়াড।

আলমডাঙ্গা হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক আসিফ জাহান তার সন্তানের সাফল্যে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মাহবীর হাসান রুশদানের সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গা একাডেমির মহাপরিচালক আব্দুল হাই, অধ্যক্ষ এনামুল হক, আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ওমর আলী মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক কবি হাবিবুর রহমান মজুমদার, আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরি, কবি সিদ্দিকুর রহমান, গাঙচিলের সভাপতি কবি জামিরুল ইসলাম প্রমুখ।




দর্শনায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে জামায়াতের জেলা আমীরের মতবিনিময়

দর্শনায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াতের জেলা আমীর রুহুল আমিন বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক কালচারালের পরিবর্তন করতে চাই। যারা  ক্ষমতায় থাকে তারা বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন  চালায়। আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই।

গতকাল শনিবার দুপুরে দর্শনার পুরাতন বাজারে অবস্থিত  লিটিল এনজেল কেজি স্কুলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতের দর্শনা পৌর শাখার আমীর  সাহিকুল আলম অপুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি  রুহুল আমিন উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে

ছেলে ও মেয়েদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। অবহেলিত জেলায় শিক্ষার মান বাড়াতে চাই। তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে মুক্তি যোদ্ধা শুরু হয়েছিল। আজ মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে রাজনৈতিক কালার দিয়ে তাদের ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হয়। বৃদ্ধ বয়সে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। তখন তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, একজন বিচারক জবাব দিহিতার অভাবে অন্যায়ভাব রায় দিয়ে থাকে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারী সেক্রেটারী আব্দুল কাদের ও দর্শনা থানা সেক্টেটারী মাহবুবুর রহমান টুকু।




আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা

দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে চুরি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা। ফলে চরমভাবে অবনতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিগত অক্টোবর-২০২৫ থেকে এলাকায় ছোট-বড় বেশ কয়েকটি চুরি, ছিনতায় ও ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন মহল সহ ভুক্তভোগীরা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হবার আহ্বান উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের। গত ২ জানুয়ারি দিবাগত রাতে থানা এলাকাযর চিৎলা টু জুড়ানপুর সড়কে দুটি দোকানে চুরি সংগঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রায় প্রতিনিয়তই এ সকল ভয়াবহ চুরির ঘটনায় মাদকদ্রব্যের অবাধ ব্যবহার ও বিচরণকে দায়ী করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ, সংবাদ কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, দিনমজুর সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকার বিভিন্ন স্থান ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক শ্রেণী পেশার সচেতন মহলের ভাস্যমতে উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা তাদের চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে থানাতে লিখিত অভিযোগ করলেও আজও পর্যন্ত জড়িত অপরাধীদেরকে আটক কিংবা চুরি যাওয়া মালামাল এখনো পর্যন্ত  উদ্ধার করতে পারেনি থানা পুলিশ। স্থানীয়রা চুরির এ সকল ঘটনায় অবাধ মাদক ব্যবসায়ী ও প্রবণতাকে দায়ী করছেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য মতে,উপজেলার মডেল থানা এলাকায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর-২০২৫ পর্যন্ত বেশ কিছু ছোট-বড় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতের ঘটনা ঘটেছেন বলে খবর পাওয়া যায়।যার মধ্যে একাধিক দুঃসাহসিক চুরি’র ঘটনা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে-১৬ অক্টোবর দামুড়হুদা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার তারেফ ফল ভান্ডারে রাতের আঁধারে তালাবদ্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে ১২ হাজার ৫’শ টাকার বিভিন্ন মালামাল চুরি’র ঘটনা ঘটে,১১ ই নভেম্বর দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের গোবিন্দহুদা গ্রামের সরকারি চাকরিজীবী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির তালাবদ্ধ বাসভবনের ভেঙে প্রায় চার লাখ টাকার স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র,২০ ডিসেম্বর উপজেলার হাউলী ইউনিয়নে দিনের আলোতে ভুক্তভোগী শ্রী চন্দন কুমার বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির ব্যবহৃত চুয়াডাঙ্গা ল: ১২-১২৬৯ নম্বর রেজিস্ট্রেশনের ২ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল, ২৯ ডিসেম্বর রাতে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের মুন্সিপুর সীমান্তবর্তী গ্রামের সুরাত আলী নামের এক ভুক্তভোগীর পরিবারের বসত বাড়ির তালা ভেঙ্গে জমি বিক্রয়ের প্রায় ৭ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্রের সদস্যরা।

সর্বশেষ চলতি জানুয়ারি মাসের ২ তারিখে দিবাগত রাতে থানা এলাকার চিৎলা টু জুরানপুর পাকা সড়কের পাশে খাদিজা স্টোর নামের এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হতে চুরির ঘটনা ঘটে।প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই চুরির ঘটনায় তার দোকানে থাকা নগদ ৪ হাজার ৫’ শ ঢাকা সহ সর্বমোট ২০ হাজার ৫’ শ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।

একই সড়কে একই দিনে সুমন ফল ভান্ডার নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেও নগদ ১৩ হাজার টাকা সহ দোকানে থাকা বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সুমন আলী জানিয়েছেন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকাসহ সর্বমোট ২৭ হাজার ৮’ শ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।এক রাতে দুইটা চুরির ঘটনায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী মহলের অনেকেই।

প্রাপ্ত অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, দুটি থানা এলাকা নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা গঠিত। যার একটি দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকা অপরটি দর্শনা থানা এলাকা। যার মধ্যে দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকা ৫ টি ইউনিয়ন দামুড়হুদা সদর, হাউলি, জুরানপুর, নাটুদহ ও সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এছাড়াও প্রায় ১০দিন আগে থানা এলাকার কার্পাসডাঙ্গা টু কুতুবপুর সড়কে প্রায় ৪/৫ জন যাত্রী বেঁধে রেখে ডাকাত দলের সদস্যরা নগদ টাকা সহ স্বর্ণালংকার লুট করে নেন। এছাড়াও,থানা এলাকার উল্লেখিত ইউনিয়ন সমূহের কোন না কোন গ্রামে প্রায় প্রতিনিয়ত ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটছে বলে একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়। এ সময় গৃহপালিত পশু ছাগল,সাংসারিক আসবাবপত্র, অসহায় দিনমজুর পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল পাখি ভ্যান চুরি’র ঘটনা ঘটছে। এদের আবার বেশিরভাগই ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করছেন না বলেও জানা যায়।

অনুসন্ধান আরও বলছে, দামুড়হুদা থানা অন্তর্গত ইউনিয়ন গুলোর প্রায় প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মাদকের অবাধ বিচরণের ভয়াবহ প্রবণতার বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে সন্তানদের আগামীর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তিত।সচেতন মহল্লা বাসী ও  অভিভাবকদের অনেকের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে পাড়া মহল্লার অলি গলিতে  মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় থেকে মাদকদ্রব্য তুলে দিচ্ছেন তরুণ কৃষক ও যুব সমাজের হাতে।দামুড়হুদা উপজেলা সদর সহ দামুড়হুদা মডেল থানা এলাকার সকল ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রাম সহ আশপাশ পাড়া মহল্লায় প্রায় ২০০ টির মত মাদকের স্পটে নিয়মিত অবাধে মাদক বিক্রি করছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাদক বিক্রেতারা। এসকল মাদক স্পট গুলোতে মাদকদ্রব্য সেবনের জন্য ক্রয় করতে আসা প্রত্যেকের বয়স বেশিরভাগ ১৫-৩০ বছরের মধ্যে, তবে সবচেয়ে বেশি মাদকদ্রব্য ক্রয় ও সেবনে উদ্বেগ জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে কিশোর তরুণ যুবসমাজ,যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। সকল মাদকের আঁকড়ায় ফেনসিডিলের পরিবর্তে আসা বিভিন্ন নেশা জাতীয় স্রাব, হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও বাংলা মদ বিক্রি করা হচ্ছে বলেও  স্থানীয়দের একাধিক সূত্রে অভিযোগ রয়েছে।

অবাদে মাদক বিক্রি ও প্রসারের ফলেই থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে রাতের আঁধার কিংবা দিনের বেলাতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকে আবার  মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানা পুলিশ সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের  দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ না থাকাকেই দায়ী করছেন  এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সচেতন সচেতন মহল।

দামুড়হুদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খুবই ভয়াবহ অবস্থা।সামাজিক পেক্ষাপটে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরকে আরো তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে মাদকের বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।

মাদক থেকেই সকল ধরনের অপরাধের সূত্রপাত ঘটে।তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে সামজিক সচেতনা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরী।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমরা এ বিষয়ে কার্যক্রম করতেছি। ইতিমধ্যেই কিছু চোর ধরে আমরা জেল হাজতে প্রেরণ করেছি। এছাড়াও যে চুরির ঘটনা ঘটছে তা আমরা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।




দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনকালে ট্রাক্টরসহ আটক ২, এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ভৈরব নদ সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে দুইজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের ভৈরব নদ ব্রীজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবাইদুর রহমান সাহেল।

অভিযানে ভৈরব নদের পার্শ্ববর্তী সরকারি খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে ট্রাক্টরযোগে পরিবহনকালে মাটিসহ দুইটি ট্রাক্টর হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃত ট্রাক্টর দুটি উপজেলায় জব্দ আছে।

এসময় আটক ব্যক্তিরা হলো, উজিরপুর গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে নয়ন (২৯) এবং উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে ইকবল গাজী। তাদের দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত উভয়কে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) এর ৪(খ), ৭(ক), (খ), (গ) ও (ঘ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরে তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়, পরিবেশ ও কৃষি জমি রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।