মেহেরপুর প্রতিদিনের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে “মেহেরপুর প্রতিদিন” এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সদস্য Carlos Maria De Ceron y Castro ও Benedetta Odorisio।

বুধবার সকালে মেহেরপুর প্রতিদিন কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা মেহেরপুর প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাহাবুব চান্দুর সঙ্গে নির্বাচনী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সাক্ষাৎকালে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী পরিবেশ, ভোটারদের অংশগ্রহণ, প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এসময় মেহেরপুর প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার সাকিব হাসান রুদ্র, অনলাইন স্টাফ রিপোর্টার ইয়াসির ইউসুফ ইমন, মাল্টিমিডিয়া ডেস্ক ইনচার্জ মোঃ রাফি হাসান উপস্থিত ছিলেন।




দামুড়হুদায় বিএনপির উদ্যোগে ধানের শীষের প্রচারণায় মিছিল 

দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনায় প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার সময় দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আয়োজনে স্টার ক্লাব মোড় নামক স্থান থেকে এই মিছিল বের হয়ে ওয়ার্ডের সকল পাড়া মহল্লার অলি গলিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থনা করেন।

দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো রফিকুল হাসান তনু, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আশরাফ আলী, সাধারণ সম্পাদক দলু দফাদার এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি মুনতাজ আলী, দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহাফুজুর রহমান মিল্টন, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আফজালুল রহমান সবুজ, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম সহ অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতৃবৃন্দ।

মিছিলটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, সাবেক ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা একরামুল হক।




আলমডাঙ্গায় বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা 

আলমডাঙ্গা উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত উন্নত জাত বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের নতিডাঙ্গা গ্রামে এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান সরকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নূরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ হাসান আলী, বাড়াদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ বশিরুল আলম, সিনিয়র সাংবাদিক রহমান মুকুল।

অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাসুদ হোসেন পলাশ। উপস্থিত ছিলেন, কৃষাণ-কৃষানী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দ্বয় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

প্রধান অতিথি বলেন, বারি সরিষা-১৪ একটি উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদি জাত। এই জাতটি রোগবালাই সহনশীল হওয়ায় কৃষকরা সহজেই চাষ করতে পারেন এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে বেশি লাভবান হতে পারেন। এছাড়া এর তেলের পরিমাণও বেশি, যা কৃষকদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

মাঠ দিবসে উপস্থিত কৃষকদের সরিষা চাষের আধুনিক পদ্ধতি, সঠিক সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা, সময়মতো সেচ প্রদান এবং ফসল কর্তনের বিষয়ে বিস্তারিত কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হয়।

মাঠে প্রদর্শিত বারি সরিষা-১৪ এর ফলন দেখে কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগ্রহের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই জাতের সরিষা চাষ করলে স্বল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং ভবিষ্যতে মাঠ দিবসে উপস্থিত কৃষকদের সরিষা চাষের আধুনিক পদ্ধতি, সঠিক সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা, সময়মতো সেচ প্রদান এবং ফসল কর্তনের বিষয়ে বিস্তারিত কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হয়।

মাঠে প্রদর্শিত বারি সরিষা-১৪ এর ফলন দেখে কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগ্রহের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, এই জাতের সরিষা চাষ করলে স্বল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে বারি সরিষা-১৪ চাষে আগ্রহী হবেন। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মাঠ দিবসের আয়োজন করা হবে।




আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ২

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার হয়েছে।

আলমডাঙ্গা দুর্লভপুর গ্রামের অভিযানে এসআই(নিঃ) মোঃ তোরগুল হাসান সোহাগ, সংগীয় অফিসার নিয়ে পলাতক আসামী শামসুল আলমের ছেলে মোঃ হুদা আলী(৩৮) বসত বাড়ীর রান্না ঘরের সানসেটের উপর হতে গতকাল দুপুরে ১০০ পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। সে সময় আসামী মোঃ হুদা আলী(৩৮) দৌড়ে পালিয়ে যায়।

অপরদিকে এসআই(নিঃ) মোঃ ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ ক্যাম্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলমডাঙ্গা থানাধীন রুইতনপুর বাজারস্থ সোনার বাংলা ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড মেসিনারীজ এর দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর হতে গতকাল ইউনোচ আলির ছেলে মোঃ শুকুর আলী(৩৫)’কে ৫০গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার করে।

এছাড়াও আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাড়ি ক্যাম্পের এসআই(নিঃ) প্রদীপ বিশ্বাস, ঘোলদাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ ক্যাম্প এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আলমডাঙ্গা থানাধীন নাগদাহ ইউনিয়নের বলিয়ারপুর বাজারের পাবলিক টয়লেটের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর হতে হাসিবুল ইসলামের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন(৩৫) এর কাছে থেকে গতকাল  ৩০(ত্রিশ) পিচ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।




জাতীয় দৈনিক বর্তমান বাংলা’র চুয়াডাঙ্গা থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেন যারা

জাতীয় দৈনিক “বর্তমান বাংলা” র নিয়োগ পেলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি আতিক বিশ্বাস, দামুড়হুদা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম মিলন, জীবননগর প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম ও দর্শনা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম সকলের হাতে দৈনিক বর্তমান বাংলার পরিচয়পত্র (প্রেস কার্ড) হস্তান্তর করেন এবং গলায় পরিয়ে দেন।

দৈনিক বর্তমান বাংলা পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক প্রদীপ কুমার হালদার, প্রকাশক ও সম্পাদক হিরণ্ময় দেবনাথ, নির্বাহী সম্পাদক মিন্টু বালা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ হোসেন, বার্তা সম্পাদক মুন্সী নিজামউদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজুল মনির, মফস্বল সম্পাদক নিপুন চন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দৈনিক বর্তমান বাংলার চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিবারের নবনিযুক্ত সদস্যবৃন্দ।

তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে দামুড়হুদা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”

স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সুধীজনরা তাদের এই নিয়োগে সন্তোষ প্রকাশ করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।




মেহেরপুর পৌর যু্বদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে দুটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণা

মেহেরপুর পৌর যু্বদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পৌরসভার ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নওশেল আহমেদ রনি, যুগ্ম আহবায়ক শিমুল বিশ্বাস,যুবনেতা নাহিদ মাহাবুব সানী, হিরক ও চঞ্চল, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব জারজিস ইউসুফ রমিকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।




মহেশপুর সীমান্ত থেকে মদ ও ইয়াবা আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের কাছে মদ ও ইয়াবা আটক করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)’র একটি টহল দল।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)’র সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমানের স্বাক্ষরিত বিজিবি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাযায়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আনুমানিক ৭.৫০মিনিটের সময় মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাটিলা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার-৫২/১০-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাটিলা মাঠপাড়া গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর ড্রাগন বাগানের মধ্যে হতে হাবিলদার মোঃ শহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামীবিহীন ৩৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া গত ২৬ জানুয়ারি আনুমানিক ২১.৩৫ ঘটিকায় মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর অধীনস্থ গশেপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার-৬৭ এমপি হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোয়ালপাড়া গ্রামের ঘাটপাড়া নামক স্থানে মোঃ শাহজাহান এর চায়ের দোকানের সামনে ইটের হেয়ারিং রাস্তার উপর হতে হাবিলদার সঞ্জয় কুমার সিংহ এর নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামীবিহীন ৭৩ পিচ ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।




কোটচাঁদপুরে নির্বাচন নিয়ে তরুনদের ভাবনা ও প্রত্যাশা বিষয়ক সংলাপ

জেলার কোটচাঁদপুরে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে তরুণদের ভাবনা এবং প্রত্যাশা বিষয়ক সংলাপ হয়েছে। সংলাপে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংলাপের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেনসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের গুরুত্ব, ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং তরুণদের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংলাপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অতিথিরা।

গণসংলাপে জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল বলেন, রাষ্ট্ররসংস্কারের পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। সাম্য, মানবিক ও সমতাভিত্তিক সামাজিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে গণভোট একটি সুযোগ। এই সুযোগনকাজে লাগাতে হবে।

সংলাপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোর কথা আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। নতুন ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জনমত তৈরি করতে হবে। গণভোটে ‘হ্যা’ জয়যুক্ত হলে দেশে সংস্কার বাস্তবায়ন হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আকাঙ্খা বাস্তবায়ন হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি, দায়িত্ব, করণীয় ও নির্দেশনা বিষয়ে প্রশ্ন করেন।




ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, রাশেদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে ক্রমেই জটিল হচ্ছে ভোটের সমীকরণ। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক থেকে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন জেলার নির্বাচনী আলোচনায় উঠে এসেছেন।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে রাশেদকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী করা হলেও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ তা স্বাভাবিকভাবে মেনে না নেওয়ায় তাদের ক্ষোভের সুযোগে শক্ত অবস্থান তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশেদ খাঁন হাইকমান্ডের ভরসা হলেও মাঠের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফিরোজ। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর নেতা-কর্মীদের দুই মেরুতে অবস্থান ঝিনাইদহ-৪ আসনের ভোটের মাঠে এক নতুন নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। আর বিএনপির ঘরের এই বিবাদকে পুঁজি করে সুকৌশলে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু তালিব। ধানের শীষের ভোট যখন দুই ভাগ হওয়ার শঙ্কায়, তখন ভোটারদের মন জয় করে চমক দেখানোর পথে হাঁটছেন জামায়াত প্রার্থী।

তবে জেলা বিএনপির দাবি, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো নেতা-কর্মী যাবে না। ব্যক্তির জন্য নয়, ধানের শীষের প্রার্থীর হয়েই কাজ করবে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

ঝিনাইদহ-৪ আসনটি কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও সদরের ৪টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত। বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুর্শিদা জামান।

আসনটিতে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁনকে মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ ও কাফনের কাপড় পরে মিছিল করেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে রাশেদকে প্রার্থী করা হলেও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশ তাকে মেনে নিতে না চাইলে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। পরবর্তীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও মুর্শিদা জামান। তবে মুর্শিদা জামান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলেও ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

জানা গেছে, ফিরোজের পক্ষে কালীগঞ্জের বিএনপির বড় একটি অংশ কাজ করছেন। এরই মধ্যে গত ১০ জানুয়ারি মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদ ও মুর্শিদা জামানকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাক্ষাতের পরদিন থেকে তাদের রাশেদ খাঁনের সঙ্গে বিভিন্ন গণসংযোগ ও সমাবেশে অংশ নিতে দেখা গেছে।

তবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে রাশেদের প্রধান বাধা এখন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। স্থানীয় রাজনীতিতে ফিরোজের শক্তিশালী জনভিত্তি এবং তৃণমূলের ব্যাপক সমর্থন রাশেদ খাঁনের নিশ্চিত জয়ের পথে বড় চ্যালেঞ্জ বা পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলীয় প্রতীক বনাম ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার এই লড়াইয়ে এখন সরগরম কালীগঞ্জের অলিগলি। অন্যদিকে বিএনপির দুই মেরুর লড়াইয়ের এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় জামায়াতে ইসলামী।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খাঁন বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে হাইকমান্ড আমাকে এই আসনে পাঠিয়েছেন। দল হিসেবে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিতে হলে মানুষ ধানের শীষে ভোট দেবে। ঝিনাইদহ-৪ আসন বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা। আমি বিশ্বাস করি, এ আসনের ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, ‘বিএনপির মধ্যে ৮০ শতাংশ নেতা-কর্মী আমার সঙ্গে রয়েছে। আর সাধারণ মানুষ চায় তাদের নিজ এলাকার মানুষ এমপি হোক। সেই হিসেবে কালীগঞ্জের সকল মানুষের চাওয়ায় আমি প্রার্থী হয়েছি। তাদের ভোটে আমি এমপি নির্বাচিত হবো।’

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু তালিব বলেন, ‘আমাদের ভোটাররা এখন উৎসবমুখর রয়েছে। তারা ভোট দিতে পারবে বলে বিশ্বাস করছে। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তারা এবার চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে নীরব বিপ্লব ঘটাবে। আমি আশাবাদী, জনগণ আমাকে ভোটে বিজয়ী করবে।’




আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে -ড. শফিকুর রহমান

আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের প্রতি কেউ কুদৃষ্টিতে তাকাতে পারবে না, তাকালে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে বলে ঘোষনা দিয়েছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি নারীদের অবর্ননীয় ত্যাগের বর্ণনা করে বলেন, মায়েদের ঋণ শোধ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। সেই মায়েদের দিকে যারা খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে তাদের চোখ উপড়ে ফেলা হবে।

বক্তব্যের শুরুতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমিরে জামায়াত শহীদ ওসমান হাদি’র ইনকিলাব মঞ্চ ও জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এসময় তিনি বলেন, যারা বিগত আন্দোলনে স্বামী, স্ত্রী, সস্তান, বোন ও পিতাকে হারিয়েছেন আমি তাদের হয়ে আপনাদের সামনে দাড়িয়েছি। জবীনের ঝুকি নিয়ে চেষ্টা করেছি তাদের পাশে দাড়ানোর। কি অপরাধ ছিলো তাদের। তাদেরকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অপরাধ একটাই অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলা। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে নির্মম আচরণ করা হয়েছে। আমরা সন্তান হারানোদের কাছে গিয়েছি। তাদের আহাজারি সহ্য করতে পারিনি। অনেকে আছেন যারা তাদের সন্তানদের এখনো কোনো খোঁজ পাননি।

এসময় তিনি বলেন, পকেট থেকে জোর করে টাকা নেওয়া হয়েছে, চাঁদাবাজি করা হয়েছে। সেই ফ্য্যাসিবাদ বাংলায় আবার ফিরে আসুক আপনারা কি তাই চান। আমাদের সন্তানরা যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে আন্দোলন করেছেন। তাদের প্রতি সববেদনা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, এই জনপদে সবথেকে বেশি খুন হয়েছে। সোহানের মা বলেছিলেন, তোমরা আমার সন্তানকে মেরেছো ঠিক আছে কিন্তু তার চোখ দুটি কেন তুলে নিলে কি অপরাধ করেছিল আমার ছোট্ট সন্তান।

ঝিনাইদহ জেলা জামায়াত আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন।

এছাড়া সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের জামায়াত জোট প্রার্থী মাওলানা আলী আজম মো. আবু বকর। বিশাল এ সমাবেশে বক্তৃতা করেন, ঝিনাইদহ-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের আবু তালিব ও ঝিনাইদহ-১ আসনের প্রার্থী এএসএম মতিউর রহমানসহ জেলা নেতৃবৃন্দ।

জামায়াতের আমিরের জনসভা কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে আসতে থাকে। বিকাল গড়ানোর আগেই কানায় কানায় ভরে ওঠে জনসভার মাঠ। পুরো ঝিনাইদহ শহর লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীদের বাস ট্রাকসহ থ্রী হুইলারে চরম যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ পথচারিরা।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চুয়াডাঙ্গা থেকে সড়ক পথে ঝিনাইদহে এসে পৌছান জামায়াতের আমীর। এরপর সরাসরি সমাবেশস্থলে পৌছে মঞ্চে ওঠেন। ৬ টা ৫৫ মিনিটে বক্তৃতা শুরু করেন আমিরে জামায়াত। মাত্র ২৩ মিনিটের বক্তব্যে আগামির বাংলাদেশ কেমন হবে তার একটি সংক্ষিপ্ত রুপরেখা তুলে ধরে বলেন, মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতেকটি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। মেডিকেল কলেজ করেই আমরা বসে থাকবো না। উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। সঠিক শিক্ষা ছাড়া ভালো জাতি গড়া সম্ভব না। আমরা ঘোষণা করেছি বেকার সমস্যার সমাধান করতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। চাঁদাবাজি দুর্নীতি বন্ধ করা হবে।

প্রিয় ঝিনাইদহবাসি পাশের জেলা যশোরে যান সেখানে মেডিকেল কলেজ আছে কিন্তু রাস্তার বেহাল দশা। সরকারের কি জনশক্তি নাই। তাহলে অবকাঠামো কেন উন্নয়ন হচ্ছে না। রাষ্ট্রের সম্পদ লুটপাট করা হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজ ও লুণ্ঠনকারীদের পেটে হাত দিয়ে সব সম্পদ বের করে আনা হবে, সে দেশে অথবা বিদেশে থাক। বেকারদেরর ভাতা দিয়ে আমরা অপমানিত করতে চাই না। বেকারদের যোগ্যতার স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

আমরা দুর্নীতিকে লালকার্ড দেখাতে চাই। দুর্নীতিবাজদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের লজ্জা করে না। দুর্নীতি ছেড়ে দাও নইলে রাস্তায় গিয়ে ভিক্ষা কর। চাঁদাবাজির থেকে ভিক্ষা করা সম্মানের।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, এ জাতির সন্তানেরা যুগে যুগে রক্ত দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আমরা তাদের সম্মান দিতে চাই। ২৪ এ বিপ্লব করেছে, ২৬শে আরেকটি বিপ্লব করতে হবে। আগামি ১২ তারিখে ব্যালট বিপ্লব করতে হবে। দেশের উন্নয়নে এ বিপ্লব করতে হবে।

বক্তৃতা শেষে তিনি জেলার চারটি সংসদী‌য় আসনের ১১ দলীয় জোটের দাড়িপাল্লার প্রার্থী ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা উপজেলা) এএসএম মতিউর রহমান, ঝিনাইদহ-২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলা) অধ্যাপক মতিয়ার রহমান এবং ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের ৪টি ইউনিয়ন) মাওলানা আবু তালিবকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দাড়িপাল্লা তুলে দেন।