ঐতিহ্য ও উৎসবের আমেজে দামুড়হুদা ব্র্যাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব উদযাপিত

দামুড়হুদায় শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম বিদ্যাপীঠ ব্র্যাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব-২০২৬। মঙ্গলবার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন এক টুকরো গ্রামের পল্লী বাংলায় পরিণত হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা পরিদর্শক মোত্তাসিন বিল্লাহ। উপজেলা ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ার ইসমত তোহা, সার্টিফিকেট পেশকার আনিসুর রহমান,সাহিরুল শেখ, সায়রাত সহকারী এবং কম্পিউটার অপারেটর মশিউর রহমান। এসময় ভূমি অফিসের প্রতিনিধিগণ এসি ল্যান্ড মহোদয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান এবং পিঠা উৎসবের আয়োজকদের সাধুবাদ জানান। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার সুনীল কুমার নাথ,এ্যসিসট্যান্ট চ্যানেল অফিসার চঞ্চল কুমার শাহাসহ দামুড়হুদা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ,ব্র্যাক অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক অভিভাবকবৃন্দ।

গ্রামের বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যের সাথে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে শিক্ষার্থীরা ৬টি দৃষ্টিনন্দন পিঠা উৎসবের স্টল সাজিয়েছিল। স্টলগুলোর সৃজনশীল নাম ও পিঠার বৈচিত্র্য সবার নজর কেড়েছে যেমন,পল্লীর ছোঁয়া,পিঠার সাতকাহন,কুড়েঘরে পিঠা,নবান্নের ঘ্রাণ,পিঠা বিলাস,বসন্তের ফুলঘর ও চা। স্টল গুলোতে ভাপা পিঠা,দুধপুলি,পাকান,ডিম সুন্দরী,রসকদম,জামাই পিঠা,নকমীপিঠা,তালের বরা,ছাঁচ পিঠা,ফলকাটা পিঠা,রসের পিঠা,কদম সুন্দরী, গাজরের হালুয়া, পুডিং, চিতই, পাটিসাপটা, ভাজাপুলি ,গোলাপসুন্দরী, তারাপিঠাসহ নানা বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা দিয়ে সজ্জিত করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে জেলা শিক্ষা পরিদর্শক অফিসার মোত্তাসিন বিল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার পাশাপাশি এ ধরনের সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদেরকে আমাদের শেকড় এবং সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুন নাহার বলেন, পিঠা উৎসবের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য উপস্থাপনের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদেরকে ক্ষুদে উদ্যোক্তা তৈরি করায় মূলত এই উৎসবের আয়োজন।যাতে তারা নিজেদের পন্য কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে,সজ্জিত করতে হবে,প্রফিট করতে হবে তা শিখতে পারে।একজন শিক্ষার্থী কে তার ভবিষ্যৎ জীবনে কর্মক্ষম করে তোলার চেষ্টাই হলো বিদ্যালয়টির সামগ্রীক প্রচেষ্টা।

শীতের শেষে এবং বসন্তের আগমনে এই পিঠা উৎসব ছিল এক মিলনমেলা। স্টলগুলোতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদ আমন্ত্রিত অতিথিদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে।




দামুড়হুদায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত 

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪টার সময় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল-এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার নিলীমা আক্তার হ্যাপী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, উপজেলা মৎস্য অফিসার বিল্লাল হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার হারুন অর রসিদ, দামুড়হুদা মডেল থানার প্রতিনিধি এসআই সবুজ উদ্দীন, দর্শনা থানার প্রতিনিধি এসআই আরিফুল ইসলাম, দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক শামসিয়া ফাহমিদা রহমান, দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন অফিসার রাশিদুল ইসলাম, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওঃ মামুনুর রশীদ সহ সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রমজান মাসে বাজার মনিটরিং জোরদার, ভেজাল ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধ, পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, রমজানে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সভা শেষে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।




দামুড়হুদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

দামুড়হুদায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল-এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার নিলীমা আক্তার হ্যাপী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, উপজেলা মৎস্য অফিসার বিল্লাল হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার হারুন অর রসিদ, দামুড়হুদা মডেল থানার প্রতিনিধি এসআই সবুজ উদ্দীন, দর্শনা থানার প্রতিনিধি এসআই আরিফুল ইসলাম, দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক শামসিয়া ফাহমিদা রহমান, দামুড়হুদা পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন অফিসার রাশিদুল ইসলাম, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওঃ মামুনুর রশীদ সহ সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাত ১২টা ১ মিনিটে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, দোয়া মাহফিল এবং পুরস্কার বিতরণী সহ নানা আয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান। সভা শেষে সার্বিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।




পুনাক শো-রুম পরিদর্শনে মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়

পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), মেহেরপুর শো-রুম সজ্জিতকরণের পর তা পরিদর্শন করেন মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।

পুনাক শো-রুম পরিদর্শনে এলে পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুনাক, মেহেরপুরের সভানেত্রী টুম্পা সরকার।

সভানেত্রী টুম্পা সরকার মেহেরপুর জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শো-রুমের মালামাল ক্রয়-বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছেন। তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুনাকের স্টলে বিভিন্ন কারুশৈলী পণ্য ও জিআই পণ্য বিশেষ করে শতরঞ্জিসহ নতুন নতুন সামগ্রী সংযোজন করা হয়েছে।

শো-রুমে প্রদর্শিত কারুশৈলী ও শতরঞ্জি পণ্য পরিদর্শন করে পুলিশ সুপারসহ উপস্থিত কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মেহেরপুরসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পুনাকের সহ-সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




রমজান উপলক্ষে মেহেরপুরে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সভা

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. সৈয়দ এনামুল কবির। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা এবং জেলার বাজার কমিটির সভাপতি ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিগণ।

সভায় রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক বাজারে অস্থিতিশীলতা ও কৃত্রিম সংকট রোধে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

একই দিনে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কৃষকদের নিকট মানসম্মত সার ও বীজ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়াও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংক্রান্ত সভা, জেলা এনজিও সমন্বয় সভা এবং টিসিবি’র জেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সকল সভায় জেলা প্রশাসনের সার্বিক তদারকি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও বেগবান করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও কৃষি উপকরণের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




রমজানে মাসব্যাপী জাহেদী ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু

ঝিনাইদহের জাহেদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সমাজের দারিদ্র্য বিমোচন এবং পবিত্র রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে জাহেদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

বিগত ১৭ বছর ধরে চলমান এ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের দুঃস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে রমজান মাসব্যাপী খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিটি দরিদ্র পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি সয়াবিন তেল এবং ১ প্যাকেট সেমাই প্রদান করা হবে।

ঝিনাইদহ পৌরসভায় অবস্থিত কিংশুক ইটভাটা প্রাঙ্গণে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জাহেদী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য এম এ লতিফ শাহরিয়ার জাহেদী। প্রথম ধাপে মঙ্গলবার প্রায় ৫,০০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে ঝিনাইদহসহ সারাদেশব্যাপী প্রায় ৬০,০০০ অসচ্ছল পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।




মেহেরপুরে জাতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ জেলা কমিটির দ্বিমাসিক সভা

জাতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম মেহেরপুর জেলা কমিটির দ্বিমাসিক সমন্বয় সভা মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে মউকের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সদস্য সচিব ও মউক-এর নির্বাহী প্রধান আশাদুজ্জামান সেলিম।

প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফাহিমা খাতুন। এছাড়াও বক্তব্য দেন কমিটির সহ-সভাপতি পলি খাতুন, সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম অল্ডাম এবং কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ।

সভায় মেহেরপুর জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতনের বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি আইনগত দিক, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভা শেষে কমিটির সদস্যরা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




মেহেরপুরের আমঝুপিতে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

মেহেরপুরের আমঝুপিস্থ মানব উন্নয়ন কেন্দ্রে (মউক) পারিবারিক সহিংসতা রোধ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নবগঠিত ‘ভিজিলেন্স কমিটি’র সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সমাজে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় মউক হলরুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুইটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে ভিজিলেন্স কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে আমঝুপি ইউনিয়নের ২১ জন সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং দ্বিতীয় কমিটি গঠনের পূর্বপ্রস্তুতি চলছে।

কমিটিতে স্থানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের কাউন্সেলিং প্রদান করবেন এবং বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মউকের নির্বাহী প্রধান বলেন, মেহেরপুর জেলায় বহু নারী কোনো না কোনোভাবে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এই হার কমিয়ে আনতে এবং সহিংসতামুক্ত সমাজ গড়তে স্থানীয় অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করার এবং পারিবারিক সহিংসতামুক্ত একটি মডেল সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।




তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত

তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। আজ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক হয়।

বিএনপি চেয়ার‍ম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এই সভা। পরে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় জনাব তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এ ছাড়া সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিএনপি সংসদ সদস্য কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না। একই সঙ্গে সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না।

সূৎরঃ কালের কন্ঠ




সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এখনই শপথ নেবে না বিএনপি

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এখনই শপথ গ্রহণ করবেন না বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। দলের পক্ষ থেকে এমনটা জানিয়েছেন কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ শুরুর আগে তিনি এমনটা জানান।

দুটি ফরম হাতে নিয়ে তিনি বলেন, আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটা ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে।

এমন ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হওয়ার পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলেছি। আশা করি সামনের দিনেও চলবো।

তিনি আরও বলেন, আমি মাননীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওনার উপস্থিতিতে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত জানালাম।

পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান।

সূত্রঃ যমুনা টিভি