মেহেরপুর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ২০২৫-২৭ নির্বাচনি তফসিল




জীবননগরে ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো. তুহিন আহমেদ (২৭) এবং একই গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মো. সজিব (২৫)।

পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তোরগুল হাসান সোহাগের নেতৃত্বে গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলার লক্ষীপুর ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।




দর্শনায় স্বর্ণ ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় মূলহোতাসহ ৪ জন গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় দিনদুপুরে সংঘটিত দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় মূলহোতা ইসলামসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে দর্শনা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে আংশিক স্বর্ণও উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা গেছে, দর্শনা আমতলা পাড়ার কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মনজু রানী ঘোষের বাড়িতে গত ১৪ অক্টোবর দুপুরে চুরির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার দিনভর অভিযান চালিয়ে দর্শনা থানা পুলিশ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বৃত্তিপাড়া গ্রাম থেকে চিহ্নিত চোর ইসলাম (৪৩), স্বর্ণ ব্যবসায়ী তপন বিশ্বাস (৩৭), ও অর্ণব কুমার কর্মকারকে (২৭) গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দর্শনা আমতলা পাড়ার চায়না বেগমকেও (৩০) গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ তাদের কাছ থেকে দুটি ভাঙা স্বর্ণের আংটির টুকরো উদ্ধার করেছে।

দর্শনা থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর জানান, চুরির ঘটনার দিন থেকেই আমরা তদন্তে ছিলাম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরও একজনকে ধরা হয়।
তিনি আরও জানান, তারা স্বীকার করেছে যে দুটি আংটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর চোরেরা ঘরের গ্রীল কেটে প্রায় ২১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ দুই লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।




আলমডাঙ্গায় পালাগানের আসরে চলছে রমরমিয়ে মাদক ব্যবসা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় গ্রামে গ্রামে কালু গাজীর পালাগানের অনুষ্ঠানে রমরমিয়ে চলছে মাদক ব্যবসা।

আলমডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘গাজীর মান্নত গানের’ অনুষ্ঠানে একদল অসাধু মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রির সুযোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আলমডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় কালু গাজীর মান্নত গানের প্রতি মানুষের গভীর বিশ্বাস রয়েছে। দুরারোগ্য ব্যাধি, মামলা-মোকদ্দমা বা বিপদাপদ থেকে মুক্তির আশায় অনেকে মান্নত করে থাকেন। মান্নত পূর্ণ হলে গাজীর পালাগানের আসর বসিয়ে খাসি জবাই করে রান্না করে অতিথিদের আপ্যায়ন করেন।

এই আসরকে কেন্দ্র করে একদল মাদক ব্যবসায়ী গোপনে মাদক বিক্রি করছে। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্যবসা চলছে বলে জানা গেছে। গতকাল বেলগাছি বাগানপাড়ায় সরেজমিনে দেখা গেছে মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের আড্ডা। উঠতি বয়সী তরুণরা ক্রমেই মাদকের কবলে পড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গাজীর গানে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে মাদকচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্ধকার ও জনসমাগমের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক বিক্রি চলছে। এলাকাবাসী মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




আলমডাঙ্গার নগরবোয়ালিয়ায় জাল নোটসহ যুবক আটক

আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরবোয়ালিয়া গ্রামে ৫০০ টাকার জাল নোটসহ হৃদয় (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ। আজ  বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদী ইউনিয়নের নতিডাঙ্গা গ্রামের জামাত আলির ছেলে হৃদয় তার বন্ধু রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে নগরবোয়ালিয়া গ্রামে যায়। সেখানে একটি মুদি দোকানে ৫০০ টাকার দুটি জাল নোট দিয়ে সিগারেট কেনার চেষ্টা করলে দোকানদারের সন্দেহ হয়। পরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাব্বি পালিয়ে যায় এবং হৃদয়কে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, সারা দেশজুড়ে যেমন জাল নোটের বিস্তার ঘটেছে, তেমনি আলমডাঙ্গা উপজেলা ও আশপাশের হাটবাজারেও জাল নোটের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গরুর হাট, মোটরসাইকেল হাট, বাজার ও গার্মেন্টস এলাকায় এসব জাল নোট কারবারিরা সুযোগ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীজনরা।




দেশে পানীয় জলের ঘাটতি ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য

বর্তমান বিশ্বের একটি জটিল ও উদ্বেগজনক বাস্তবতা পানি সংকট। যদিও পৃথিবীর একটি বড় অংশ জলমণ্ডিত,তবু ব্যবহারের জন্য উপযোগী পানযোগ্য পানির পরিমাণ সীমিত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দূষণের কারণে এই সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে পানীয় জলের বৈষম্য বাড়ছে। ওয়াটার এইড-এর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য আরও বেড়েছে, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় মিষ্টি পানির অভাব দেখা দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণও অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছে ভবিষ্যতে পানীয় জলের সন্ধানের লড়াই আরও তীব্র হবে। উত্তর বাংলাদেশের খরা-প্রবণ বরেন্দ্রভূমি এলাকায়, মানুষকে নিরাপদ পানীয় জল পেতে ৩৫০ মিটারের বেশি খনন করতে হবে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, কারণ এই এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে কম বৃষ্টিপাতের অর্থ হল ভূগর্ভস্থ জলাধারগুলি পুনরায় পূরণ হচ্ছে না। এমনকি ঢাকায়ও মানুষ পানির সরবরাহ কমে যেতে পারে। ঢাকার ভূগর্ভস্থ জলরাশিগুলি রিচার্জ হয় যা আশেপাশের জেলাগুলিতে ভূগর্ভস্থ জলে সঞ্চারিত হয়। তবে সেই জেলাগুলিতে ভূগর্ভস্থ মিঠা জলের স্তরও নেমে গেছে, যার ফলে সমুদ্রের জল জলাশয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এভাবে চলতে থাকলে ঢাকার পানীয় জল ক্রমশই পানের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খারাপ পানির গুণমান কৃষিকে প্রভাবিত করবে। বাংলাদেশ ধান, পাট, গম, চা, ডাল, তৈলবীজ, শাকসবজি এবং ফল চাষের জন্য উৎসর্গীকৃত জমির ৭০ শতাংশ সহ কৃষির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। দূষিত নলকূপগুলি সেচের জন্য ব্যবহৃত বেশিরভাগ পানি সরবরাহ করে। ফলস্বরূপ, উচ্চ মাত্রার আর্সেনিক অনেক ফসলের উদ্ভিদ, বিশেষ করে ধান এবং মূল শাকসবজি দ্বারা শোষিত হয়। এটি মারাত্মক হতে পারে।
বাংলাদেশে পানীয় জলের ঘাটতি ও বৈষম্য জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দূষণ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বাড়ছে, যেখানে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ পানি সংকটে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংকটের কারণে শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে, এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এর শিকার হচ্ছে। এর সমাধান হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, এবং সবার জন্য পানির অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পানির মান উন্নত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাস করতে পারে এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে, বিশ্বব্যাংকের একটি নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পানি অ্যাক্সেসের উন্নতিতে দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও, সমস্ত উন্নত পানির উৎসগুলোর ৪১ শতাংশ ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত, যা মল দূষণের উচ্চ প্রকোপ নির্দেশ করে ৷ ‘প্রমিসিং প্রোগ্রেস: এ ডায়াগনস্টিক অফ ওয়াটার সাপ্লাই, স্যানিটেশন, হাইজিন এবং পোভার্টি’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে পানীয় পানির দুর্বল গুণমান ধনী-দরিদ্র এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণকে সমানভাবে প্রভাবিত করে। তবে, জনসংখ্যার সবচেয়ে দরিদ্রতম কুইন্টাইল পানি সম্পর্কিত গ্যাস্ট্রো-ইনটেস্টাইনাল রোগে তিনগুণ বেশি ভোগে। আজ, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত পানির উৎস থেকে পানির অ্যাক্সেস রয়েছে। তবে পানির মান খারাপ। সারা দেশে নমুনা নেওয়া জলের কলের ৮০ শতাংশই. কোলাই ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত ছিল, যা পুকুর থেকে উদ্ধার করা জলের সমান।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) ২০১৯ সালে ‘ওয়াটার গভর্নেন্স ইন ঢাকা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, ঢাকায় মাথাপিছু পানির ব্যবহার ৩৬০ লিটার। এর মধ্যে বাড্ডা, কুড়িল ও জোয়ার সাহারা এলাকার মানুষের পানির গড় ব্যবহার ২১৫ লিটার। আর গুলশান ও বনানী এলাকায় মাথাপিছু পানির ব্যবহার ৫০৯ লিটার। ঢাকায় নিম্ন আয় এবং উচ্চ আয়ের মানুষের পানির মূল্য একই, প্রতি হাজার লিটারে ১৫ টাকা ১৮ পয়সা।আয়ের নিরিখে সমতাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণের কথা ঢাকা ওয়াসা অনেক দিন ধরেই বলে যাচ্ছে। কিন্তু এটি এখনো কথাবার্তার পর্যায়েই রয়ে গেছে। দেশের প্রায় ১৩ শতাংশ জলের উত্সে আর্সেনিকের মাত্রা বাংলাদেশের প্রান্তিকের উপরে রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ আর্সেনিক দূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলবায়ু পরিবর্তন প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা এবং ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করছে যা পানি ও স্যানিটেশন পরিষেবা ব্যাহত করছে। দুর্যোগের সময়, দেশের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিবার দূষিত, অপরিবর্তিত জলের উত্সগুলিতে চলে যায়। উপকূলীয় এলাকাগুলো ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা দরিদ্রদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের আর্সেনিক দূষণের সংস্পর্শে আসা দেশ। বাংলাদেশের ১.৮ মিলিয়নেরও বেশি লোকের উন্নত পানির উত্সের অ্যাক্সেসের অভাব রয়েছে। ইউএন ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, সবচেয়ে বেশি আনুমানিক বার্ষিক ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলনকারী দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ষষ্ঠ স্থান। বাংলাদেশ ওয়াটার পার্টনারশিপ এবং ২০৩০ ওয়াটার রিসোর্স গ্রুপ দ্বারা সমর্থিত একটি সমীক্ষা অনুসারে বর্তমান হারের তুলনায় শতকরা হার দ্রুত। ভূগর্ভস্থ একটি ভেদযোগ্য শিলা স্তরে বিশুদ্ধ পানির বিস্তীর্ণ ভাণ্ডার রয়েছে এবং সাধারণত ভূ-পৃষ্ঠের পানির মাধ্যমে তা রিচার্জ হয়। যেসব ক্ষেত্রে অ্যাকুইফার থেকে জল তোলার হার রিচার্জের হারকে ছাড়িয়ে যায়, সেক্ষেত্রে পরিচালিত অ্যাকুইফার রিচার্জ অন্যান্য উৎস থেকে জল প্রবেশ করাতে পারে যা সাধারণত ভেদযোগ্য শিলা পর্যন্ত পৌঁছায় না।
সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় অঞ্চল এবং সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জসহ হাওর অঞ্চলের গ্রামীণ নারী ও কিশোরীদের প্রতিদিনের একটি বড় সময় কাটে দূর-দূরান্ত থেকে পানীয় জল সংগ্রহে। এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে তারা অনেক সময় যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হন। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বে এখনো ২.২ বিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানীয় জলের অভাবে ভুগছে এবং ৩.৫ বিলিয়ন মানুষ পর্যাপ্ত স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
উত্তর আফগানিস্তানে কুশ তেপা খাল নির্মাণ প্রকল্পের কথা বিবেচনা করলে দেখা যাবে এটি মূলত সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে গঠিত। তবে এই প্রকল্পটি আমু দরিয়া নদীর প্রায় ২০ শতাংশ পানি সরিয়ে নেবে, যার ফলে উজবেকিস্তানের কিছু অঞ্চলের চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত এবং পানির ঘাটতি আরও তীব্র হবে। এতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশও বহু বছর ধরে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য পানির হিস্যা আদায়ে জোর দাবি জানিয়ে যাচ্ছে। যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) চুক্তি অনুসারে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ন্যায্য পানিবণ্টন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা জরুরি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে পেহেলগাম ইস্যু ঘিরে যে যুদ্ধাবস্থা ও উত্তেজনা তৈরি হয়, সেখানেও ভারত সিন্ধু নদের পানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এভাবে আমরা দেখতে পাই, কখনো কৃত্রিম খাদ্য সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে গাজার হাজারো মানুষকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, আবার কখনো আন্তঃদেশীয় নদীর পানির প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে প্রতিবেশী দেশকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, পানি বা খাদ্য উভয়ই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়েছে যে ‘বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জল নিশ্চিত করা অপরিহার্য।’ বিভিন্ন গবেষণায় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে, আমরা দ্রুত এক বৈশ্বিক পানি সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। গত জুন মাসে ‘মার্সি কর্পস’ নামের একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা বলেছে আফগানিস্তানের কাবুল বিশ্বের প্রথম আধুনিক শহর হতে পারে, যেখানে নিকট ভবিষ্যতে পানি শেষ হয়ে যাবে। এছাড়াও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক রিচার্জের হারের চেয়েও বেশি পানি উত্তোলন এবং সীমিত পরিমাণে পানি দূষণের সমস্যা দেখা দেওয়ায় শহরটি এক চরম বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই সংকটে আমরা কোথায়?: শিল্পায়ন, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অভাব, অকার্যকর মজুদ ব্যবস্থাপনা, পানির অসম বণ্টন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার এ সবই বাংলাদেশের পানি সংকটকে দিন দিন তীব্রতর করে তুলছে। শুষ্ক মৌসুমে বিশেষ করে বোরো ধান উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ পানির প্রয়োজন, যার প্রধান উৎসই ভূগর্ভস্থ পানি। বাংলাদেশে বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের ৭০-৮০ শতাংশ হয় জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে। এই বৃষ্টির পানি প্রাকৃতিকভাবে লবণাক্ততা ও আর্সেনিকমুক্ত এবং এতে ক্ষতিকর খনিজের মাত্রাও কম, ফলে এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ। বিশাল পরিমাণ বৃষ্টির জল যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে পারলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ হ্রাস পাবে। তাই রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্য এর প্রসার ও সচেতনতা জরুরি।
ঢাকা শহরের মতো শহুরে এলাকায়, যেখানে ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলে ভূগর্ভস্থ পানি দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে, সেখানে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ একটি বাস্তবসম্মত ও অর্থনৈতিক সমাধান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংগ্রহে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে পারে। এর সফল বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি এবং সামাজিক সহযোগিতা জরুরি। রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে দৃঢ় নীতি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উজান পরিবেশের অবক্ষয় রোধে গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াটার হার্ভেস্টিং সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিতে ভর্তুকি প্রদান করে সাধারণ মানুষের উৎসাহ বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে- যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘটে, তা হবে পানির ন্যায্য বণ্টন নিয়ে বিরোধের কারণে। তাই একটি স্থিতিশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য, মানবাধিকার রক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে, দারিদ্র্য বিমোচন এবং ধনী-গরিবের মধ্যে বৈষম্য কমাতে, পানির সুষ্ঠু ও ন্যায্য বণ্টন অপরিহার্য।
লেখক: সাংবাদিক



আলমডাঙ্গা কেশবপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে একটি মালিকানাধীন বিল (জলাশয়) নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ২১ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে দফায় দফায় সংঘটিত এই রক্তাক্ত সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হন।

আহতদের মধ্যে মজিবুল ও কোরবান নামে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর গ্রামের বর্তমান মেম্বার ও হারদী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলী চেংগিস প্রায় তিন বছর আগে প্রায় ৭০ জন স্থানীয়ের কাছ থেকে ১০ বছরের চুক্তিতে একটি পরিত্যক্ত বিল লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন এবং প্রতি বছর নিয়মিত লিজের টাকা পরিশোধ করতেন।

তবে স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর বিএনপি-সমর্থিত একটি গ্রুপ বিলটির মালিকানা দাবি করে। তারা মনসুর আলী চেংগিস মেম্বারের লিজ চুক্তি অস্বীকার করলে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি।

মঙ্গলবার রাতে মনসুর আলী চেংগিস মেম্বারের অনুসারীরা বিএনপি-সমর্থিতদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, হামলাকারীরা রামদা, ফালা, ছুরি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে কুপিয়ে অন্তত ১০ জনকে রক্তাক্ত জখম করে।

আহতদের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন হারদী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জিল হক, আওয়ামী লীগ নেতা ও মেম্বার মনসুর আলী চেংগিস, ডালিম, কুদ্দুস জোয়ার্দার, সামসুল, আয়ুব, এলাকায় চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী ইমাদুল, বিস্কিট, চেংগিস মেম্বারের ছেলে ছানিম ও তানিম।

এই রক্তাক্ত হামলার পর পুরো কেশবপুর গ্রামে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, “বিলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্বে কখনো মাছে বিষ প্রয়োগ, কখনো পাটের জাগ দিয়ে বিল নষ্ট করার মতো ঘটনা ঘটলেও এবার তা সরাসরি রক্তাক্ত সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে।”

আহতদের মধ্যে মজিবুল ও কোরবানকে গুরুতর জখম অবস্থায় দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার জানান, “আজ দুপুরে নারীসহ মোট আটজন ব্যক্তি গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি ছয়জন বর্তমানে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।”

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান, পিপিএম জানান, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”




ঝিনাইদহ মাংসের দোকানে অভিযান, জরিমানা আদায়

ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান করে, দুজন মাংস ব্যবসায়ীর নিকট থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ।

বুধবার (২২অক্টোবর) সকালে পৌরসভার খাদ্য গোডাইনের সামনে ও কালিগঞ্জ পৌর হাটচাঁদনীর মাংসের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম।

এসময় অস্বাস্থ্যকর অপরিচ্ছন্ন খোলামেলা পরিবেশে গরু ও ছাগলের মাংস বিক্রি করার অপরাধে ২ জন মাংস ব্যবসায়ী প্রত্যেককে দেড় হাজার টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া নলডাঙ্গা রোডে পচা মাংস বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ীর মাংস মাটিতে পুতে ফেলা হয়।

এসময় প্রসিকিউশন কর্মকর্তা হিসাবে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেনসহ কালিগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম বলেন, আপনার স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে মাংস বিক্রি করুন। আপনারা সচেতন হোন। আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করবেন না। জনস্বার্থে ও জনস্বাস্থ্যে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।




ঝিনাইদহ ৮দফা দাবিতে সিএইচসিপিদের মানববন্ধন

বকেয়া বেতনভাতা পরিশোধ ও সকল বৈষম্য নিরসনসহ ৮দফা দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) এসোসিয়েশন খুলনা বিভাগীয় শাখা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকালে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেসের সামনে তারা এই কর্মসূচি পালন করে।

সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সমন্বয়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি তারিকুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক খাইরুল হাসান খান, যশোর জেলার সভাপতি আসলাম উদ্দিনসহ খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ঝিনাইদহের সকল সিএইচসিপিরা।

মানববন্ধন থেকে তারা ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে ১৫ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, ১বছর মেয়াদি ইন সার্ভিস ট্রেনিং, ১২তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল চালু, চাকরি প্রবিধানমালা প্রনয়ণ, নিয়মিত ইনক্রিমেন্টসহ বেতন কাঠামো তৈরি, ২৩ সালে নিয়োগকৃতদের দ্রুত বেতনভাতা চালু, ক্লিনিকে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য বরাদ্দের দাবি করা হয়।




আগামী ১৭ নভেম্বর মেহেরপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন

আগামী ১৭ নভেম্বর মেহেরপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার সকালে পৌরসভার পশুহাটে অবস্থিত জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেন ইউনিয়নের সভাপতি মো. আহসান হাবীব সোনা।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি ইউনিয়নের সদস্যদের জন্য মৃত্যু ভাতা, আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা এবং সংগঠনের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন।

মেহেরপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস সেক্রেটারি মো. নাসিম খানের সঞ্চালনায় সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিয়ার রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ, কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্য এবং সাধারণ সদস্যবৃন্দ।

বক্তারা শ্রমিকদের মানোন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, আগামী নির্বাচনে আপনারা যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করুন।

সাধারণ সভায় মেহেরপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সকল সাধারণ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।