আলমডাঙ্গায় মাদকসহ তিনজন গ্রেফতার

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৫৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত শনিবার রাত ৯টার সময় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আলমডাঙ্গা মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের এসআই(নিঃ) মোঃ তাইজুল ইসলাম ও সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান চালান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কৃষ্ণপুর গ্রামের তোফায়েল হকের ছেলে মোঃ মানিক হোসেন (২২), একই গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে মনজুরুল ইসলাম এবং খুদিয়াখালি গ্রামের আরমান আলির ছেলে ইয়াছিন আলি।

তাদের কাছ থেকে ৫৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত ২১/০২/২০২৬ তারিখে জব্দ তালিকায় নথিভুক্ত করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-১৭, তারিখ ২২/০২/২০২৬, ধারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণি ১৯(ক)/৪১ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে।




চুয়াডাঙ্গায় দুই প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় পৌরসভার দৌলতদিয়াড় ও রেলগেট বাজার এলাকায় ডাল-ডাতের মধ্যে মরা ইদুর এবং খাদ্যপণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ও ভেজাল দেওয়ার অভিযোগে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান পৃথক দুটি স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পরিচালিত তদারকি অভিযানে বেকারিতে ব্যবহৃত ডাল-ডাতে মরা ইদুর, মেয়াদোত্তীর্ণ ফ্লেভার ব্যবহার এবং অগ্রিম তৈরি বেকারি পণ্যে বর্তমান তারিখ না থাকাসহ ভোক্তা প্রতারণার নানা ঘটনা ধরা পড়ে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৩ ও ৫১ ধারায় মেসার্স মৌসুমী ফুড প্রোডাক্টের স্বত্বাধিকারী মো. সাইদুর রহমানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য প্রতিষ্ঠানকেও অভিযানের সময় যথাযথ জরিমানা করা হয়েছে।

এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয় জানিয়েছে।




আলমডাঙ্গায় সাতকপাটে চুরি-ছিনতাইয়ের মূলহোতা গ্রেফতার

আলমডাঙ্গা সরোজগঞ্জ সড়কের সাতকপাট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিত্যনৈমিত্তিক চুরি-ছিনতাইয়ের মূলহোতা বেলগাছির মোঃ আমির হামজা ওরফে ‘দুদু’ (৩২) গ্রেফতার হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে, অফিসার ইনচার্জ মোঃ বানী ইসরাইল ও তাঁর নেতৃত্বাধীন ফোর্স গতকাল রবিবার সকাল ৫টার দিকে সাতকপাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামি আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম মোঃ জহুরুল ইসলাম।

থানার সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দুদু চুড়ান্ত খলনায়ক হিসেবে এলাকায় যাতায়াতকারীদের উপর হামলা, চুরি ও ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিল। তাঁর নেতৃত্বে গঠনকৃত গ্যাংটি ভ্যান, রিকশা চালকসহ সাধারণ মানুষকে তাড়িয়ে দেয় এবং এলাকাজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল।

গ্রেফতারকৃত দুদুকে পরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।




দর্শনায় কুপিয়ে জখমের ঘটনায় বিএনপির ঝটিকা মিছিল ও বিক্ষোভ

দর্শনা পৌরসভার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল রবিবার নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে রিপনকে (৪০) ৪–৫ জন এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। মাগরিবের সময় মোটরসাইকেলযোগে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা আহত রিপনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩–৪ মাস আগে রিপনের সঙ্গে একই গ্রামের হাসেমের ছেলে খাইরুল ও সানিরুলের ছেলে রাশদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রবিবার বিকেলে রিপন ইফতার শেষে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় খাইরুল, খোকনসহ ৪–৫ জন তাকে দুই পা ও হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এই ঘটনায় ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার পর, বিএনপি সমন্বয়ক নাহারুলের নেতৃত্বে দর্শনা শহরে ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দর্শনা থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে মেহেদী হাসান জানান, বিক্ষোভকারীদের ৪৮ ঘণ্টার সময় দেয়া হয়েছে; এই সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জেরে রিপনকে কুপানো হয়েছে। খাইরুলসহ ৪–৫ জন পলাতক রয়েছে। তবে আমরা তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি। মামলার প্রস্তুতিও চলছে।”




আলমডাঙ্গার বেলগাছী-কেদারনগরে মাদকের রমরমা বাণিজ্য, ঝুঁকিতে যুবসমাজ

আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছী ও কেদারনগর গ্রামে মাদকদ্রব্যের বিস্তার উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে পাঁচজনের একটি চক্র এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীরকে সম্প্রতি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে বাকি চারজন এখনও প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন বেলগাছী বাগানপাড়ার মৃত সাহেব আলীর ছেলে ওল্টু (৩০), কেদারনগর পশ্চিমপাড়ার মো. হালিমের ছেলে রাজা (২৫), মাঝেরপাড়ার বাটপার সরদারের ছেলে রাজ্জাক (৩০) এবং গঙ্গার ছেলে আলী হোসেন (৩৫)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।

গ্রামবাসীরা জানান, একজন গ্রেপ্তার হওয়ার পরও অন্যরা নির্ভয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রমজান মাসেও সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে কিশোর ও তরুণদের মধ্যে নেশার প্রবণতা বাড়ছে এবং এলাকার সামাজিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। ছোটখাটো চুরি ও ঝামেলার ঘটনাও বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। সচেতন মহল মনে করছে, মাদক বিক্রির স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা জরুরি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত জোরদার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




দর্শনায় বিভিন্ন মামলার ৬ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ৬ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

রবিবার ভোর রাতে থানার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন দুপুরে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সুজায়েতপুর পূর্বপাড়ার মৃত রইচ উদ্দীনের ছেলে আবুজার মোল্লা (৫৭), কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ঠাকুরপুর বাজারপাড়ার মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. রাসেল (২০), ঠাকুরপুর বাজারপাড়ার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২৫), ঠাকুরপুর বাজারপাড়ার লস্কর আলীর ছেলে মো. শাহীন (২৩), সুজায়েতপুর পূর্বপাড়ার আবুজার মোল্লার স্ত্রী মোছা. আকলিমা খাতুন (৪৮) এবং মদনা স্কুলপাড়ার মুনছুর আলীর ছেলে মো. মিলন মিয়া (২৪)।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ছিলেন। দর্শনা থানাধীন পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




জীবননগরে সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল

জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেলে রায়পুর হাইস্কুল মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী রায়পুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আমির হামজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমান, জেলা তালিমুল বিভাগের সভাপতি মহিউদ্দিন, জেলা তারবিয়াতি সেক্রেটারি মো. জিয়াউর রহমান, জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুর রহমান ও মো. সাজেদুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য রুহুল আমিন রায়পুর ইউনিয়নবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাস্তাঘাটসহ উন্নয়নমূলক দাবি তুলে ধরা হলে তিনি মনোযোগ দিয়ে তা শোনেন এবং বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছেন। পূর্বে কাজের ক্ষেত্রে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, নিজের কোনো কমিশনের প্রয়োজন নেই; সততার সঙ্গে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি। জনগণের প্রাপ্য যেন সঠিকভাবে পৌঁছে যায় সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, জনকল্যাণমূলক কাজে কোনো বাধা সহ্য করা হবে না। শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও মাদক প্রতিরোধসহ বিভিন্ন খাতে সমন্বিতভাবে কাজ করে চুয়াডাঙ্গা জেলাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।




হরিণাকুণ্ডুতে বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ; আহত ২

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় রোজার মাসে প্রকাশ্যে বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেদিন বিকাল ২টার দিকে নাজিম উদ্দীনের বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে আফজাল মালিতার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আফজাল মালিতার লোকজন দলবদ্ধ হয়ে এসে নাজিম উদ্দীন (৫৫) ও তার ছেলে মশিয়ার রহমানকে (২৫) মারধর করে আহত করে।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার জানান, “আমরা ঘটনাটি শুনেছি, তবে থানায় কোনো মামলা হয়নি। মামলা হলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




চাঁদাবাজি বন্ধে এমপি আলী আজমের কঠোর হুঁশিয়ারি

চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর।

তিনি বলেন, “সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কষ্ট করে ছোট ছোট যানবাহন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু একটি চক্র সেই খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে। এই চাঁদাবাজি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।”

রবিবার দুপুরে চাঁদাবাজি বন্ধে হরিণাকুণ্ডু ও ঝিনাইদহ শহরে মাইকিং কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, “সাধারণ মানুষ আলমসাধু, ভ্যান ও রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু হরিণাকুণ্ডু শহরের কিছু ব্যক্তি এই খেটে খাওয়া মানুষগুলোর কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে। এসব চাঁদাবাজের লজ্জাও লাগে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাঁদাবাজি বরদাশত করবো না। যারাই চাঁদাবাজি করবে, তারা যত বড় শক্তিশালীই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যে বা যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, আজ থেকেই তা বন্ধ করুন। যদি চাঁদাবাজি না ছাড়েন, তাহলে আইনগতভাবে কীভাবে ব্যবস্থা নিতে হয়, তা আমার জানা আছে।”




মেহেরপুরে ইফতারি শেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামে ইফতারি শেষ করার পর ১৫ বছর বয়সী রুবাইয়া খাতুন নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহত রুবাইয়া খাতুন গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে এবং হাড়াভাঙ্গা ডিএইচএস সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে ইফতার ও মাগরিবের নামাজের পর তিনি আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন‍্য বামন্দী ক্লিনিকে নিয়ে যান।

পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. বিডি দাস জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রুবাইয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ উত্তম কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।