আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা 

আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০ টার সময় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আকতারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি এ এস এম শাহনেওয়াজ মেহেদী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শারমিন আক্তার, উপজেলা প্রোকৌশলী আওহীদ আহমেদ, থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আসগর আলি।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের আমির শফিউল আলম বকুল, ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, আশিকুর রহমান ওল্টু, মাহাবুব আলম মাহাবুল, মেহেরাজ হোসেন, ইজাজ ইমতেয়াজ বিপুল, এমদাদ মুন্সি, সোহানুর রহমান, আহসান হাবিব, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলাউদ্দিন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল হক, সরকারি কলেজের প্রভাষক আব্দুল মালেক, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, ফায়ারসার্ভিস কর্মকর্তা আল মামুন প্রমুখ।

গত রবিবার আলমডাঙ্গা যুগীরহুদা গ্রামে দুইদলের ভোট চাওয়া’কে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষ সংঘটিত হওয়ায় আইন শৃঙ্খলা সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এই ঘটনার যাতে পূনারাবৃত্তি না হয় তার জন্য সকল ব্যাবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়।

সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে সকল প্রকার নির্দেশ দেন, আলমডাঙ্গা থানা পুলিককে।

সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন গুলোতে মাদক চোরাচালান, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে নজরদারি বাড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুরত্বের সাথে প্রতিরোধ করতে নির্দেশ দেন।




দর্শনায় ধানের শীষের অফিসসহ দুইটি দোকান ও দর্শনা সরকারী কলেজে চার দফায় দুঃসাহসিক চুরি

আলোর নীচে অন্ধকার। দর্শনা থানার ১শ থেকে ২শ ফিট এর মধ্যে ৭টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাতে দর্শনা চটকাতলায় ইসলাম বাজারের আজগার আলীর ছেলে আজাদ আলীর দোকানের সামনের তালা ভেঙ্গে গভীর রাতে নগদ ১০ হাজার টাকা, মোবাইলের কার্ড, ১০ হাজার  সিগারেটসহ প্রায় ৬০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়ে গেছে।

এছাড়া একই স্থানে গত পরশু রবিবার চটকাতলায় ছোট একটি হোটেলের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে একটি ব্যাটারী, খুনতা, গামলা, তালা বাসন ও প্রয়োজনীয় প্রায় ৫ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়ে গেছে। ঐ একই রাতে চটকাতলায় ধানের শীষের অফিসে সার্চ লাইট ও ৬০ গজ বৈদ্যুৎতিক তার চুরি হয়েছে। এছাড়া দর্শনা সরকারী কলেজে পরপর ৪ দিন ৪ দফায় চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দর্শনা কলেজ পাড়ায় একের পর চুরি ঘটে চললেও এর কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না বলে জানান, ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার্স ইনচার্জ সুলতান মাহমুদের চুরির ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরা সব হিরোখোর, আমরা বাবু ও শাহিনসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছি। আমরা চুরির সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।




দর্শনায় এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্যাহত্যা

দর্শনার শ্যামপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তন্নি (২২) নামের এক গৃহবধূ আত্যাহত্যা করেছে।

নিহত তন্নি দর্শনা পৌরসভার শ্যামপুর গ্রামের সবুজ আহম্মেদের মেয়ে। গত রবিবার রাতে ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটায়।নিহতের পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ বছর আগে বিয়ে হয় একই গ্রামের দর্শনা বিজিবি ক্যাম্পের সামনে নজুর ছেলে সজিব মিয়ার সাথে।

সংসারে অভাব অনাটনে সজিব পাড়ি জমায় সৌদি আরব।সজিব এর মধ্যে দুইবার বাড়ি এসেছে। বাড়ি এসে বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করছিলো। হঠাৎ করে কি হলো কেউ বলতে পারছে না।

গত শনিবার রাতে ভাড়া বাড়ির ২য় তলায় ঘরের দরজা আটকিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে আত্যাহত্যা করে। পরে মেয়ের বাপ সবুজ আহম্মেদ মোবাইলে ফোন দেয় রিং আর ধরে না। পরে সন্দেহ হলে মেয়ের বাপসহ স্থানীয় লোকজন নিয়ে দরজা ভেঙ্গে তন্নির ঝুলন্ত মরাদেহ বের করে।

পরে খবর পেয়ে দর্শনা ও জীবননগর থানার সার্কেল আনোয়ারুল কবির ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন। এ ঘটনায় দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি শুনেছি তবে দুই পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় পারিবারিক জিম্মায় দিয়ে দিয়েছি। তবে এ ঘটনায় দর্শনা থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।




কেউ বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলের নারী শাখার প্রচার কার্যক্রমে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি’র বাধা দেওয়ার ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।

তিনি বলেছেন, ‘দিশেহারা কেউ কেউ জনগণের ভোটে পরাজিত হওয়ার ভয়ে ১১ দলের পক্ষে যে-সব মা-বোনেরা নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে যাচ্ছেন, তাদের সাথে অমানবিক আচরণ করছে, অভদ্র আচরণ করছে। আমাদের নতুন করে সুড়সুড়ি দিও না, আমাদের পরীক্ষা করার কিছুই নেই। জামায়াতের কর্মীরা এক আল্লাহ ছাড়া, হিমালয়ের সামনেও মাথানত করে না। আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না। সুতরাং বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।’

চুয়াডাঙ্গায় গতকাল সোমবার এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এদিন বিকেল ৫টার দিকে শহরের টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধি ও তাঁর স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রতিবছর প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের যে-সব জনপ্রতিনিধি জয়ী হবেন, তাঁরা কখনো সম্পদের পাহাড় বানাবে না। তাঁদের সম্পদ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে না। প্রতিবছরে তাঁদের এবং স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে।’

বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবসমাজের হাতকে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়তে চান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আজকের যুবসমাজ সেই বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছরে যে রাজনীতি বাংলাদেশকে অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে, অন্য রাষ্ট্রকে তাঁবেদারি করেছে সেই রাজনীতি আমরাও চাই না।’

জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন, দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন, ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিগবাতুল্লাহ্, জাপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোল্লা ফারুক এহসান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।




মেহেরপুরে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও মিছিল

মেহেরপুর পৌর যু্বদল ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে ৫নং ওয়ার্ডে মাসুদ অরুনের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেলে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে এ নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

পরে ৫নং ওয়ার্ডের পাথরগেট থেকে মিছিল বের হয়ে ওয়াবদা মোর পর্যন্ত যায়।

কর্মসূচিতে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নওশেল আহমেদ রনি, যুগ্ম আহবায়ক শিমুল বিশ্বাস,যুবনেতা নাহিদ মাহাবুব সানী, হিরক ও চঞ্চল, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব জারজিস ইউসুফ রমিকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।




গাংনী বামুন্দীতে সিএসএস’র ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

গাংনীর বামুন্দী সিএসএস (খ্রীস্টিয়ান সার্ভিস সোসাইটি) এনজিও’র স্থাপিত প্রয়াত রেভারেন্ড পল মুন্সীর স্মরণে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বামুন্দী-নিশিপুর স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বামন্দী সিএসএস-মাইক্রোফাইন্যন্স প্রোগ্রাম, কুষ্টিয়া জোনের মেহেরপুর অঞ্চলের বামন্দীতে অনুষ্ঠিত এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে মা ও শিশু স্বাস্হ্যসেবা প্রদান করা হয়।

উপকারভোগীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। ক্যাম্পটি পরিচালনা করেন ডা: মো: নূর হোসেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর রিজিওনাল ম্যানেজার মো: আনিসুর রহমান। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মি. সজীব দেউরী, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মি.মিনারুল গোলদার ও মনোরঞ্জন মন্ডল, সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন এবিএম মো: আলামিন বিশ্বাসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

আয়োজকেরা জানান, প্রয়াত রেভারেন্ড পল মুন্সীর সমাজকল্যাণমূলক কাজকে সম্মান জানিয়ে প্রতি বছর এই ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।




ঝিনাইদহে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

ঝিনাইদহ জেলার শিক্ষার গুণগত মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ’র সভাপতিতে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নারায়ণ চন্দ্র পাল।

এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় জেলা প্রশাসক জেলার শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে শিক্ষকদের নিকট বিভিন্ন আইডিয়া ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে মতামত জানতে চান।

শিক্ষকরা মুক্ত আলোচনায় তাদের ভাবনা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। আলোচনায় শিক্ষার মান উন্নয়ন, বিদ্যালয় পরিচালনা, ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, বিদ্যালয় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, শিক্ষার মূল্যবোধ নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী হ্রাস, জবাবদিহিতা ও মনিটরিং জোরদারকরণ, অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।

জেলা প্রশাসক অত্যন্ত ধৈর্য ও গুরুত্বের সঙ্গে সকলের বক্তব্য শোনেন। সভার শেষপর্বে শিক্ষকদের প্রস্তাবনার আলোকে প্রতি বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেন তিনি।




ঝিনাইদহে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উব্ধুদ্ধকরণে জেলা ইমাম সম্মেলন

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উব্ধুদ্ধকরণে ঝিনাইদহে জেলা ইমাম সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে শহরের একটি পার্কে এ সম্মেলনের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। এতে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। সেসময় বক্তারা, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে বলেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে গণভোট সম্পন্ন করতে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁরা খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভোটারদের সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে ভোট প্রদানের পরামর্শ দেন। সম্মেলনে জেলার ৬ উপজেলার ৭০০ জন ইমাম অংশ নেয়।




ঝিনাইদহে অপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অর্তকিত হামলার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে উপজেলার বিষ্ণুদিয়া গ্রামে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষসহ গ্রামবাসী অংশ নেয়। এসময় তারা অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে ইবি ছাত্রদলের সাবেক নেতা মোক্তার হোসেন, আহত যদিয়ার মেম্বারের বড়ভাই মশিয়ার রহমান, জাহিদুলের মা রিজিয়া খাতুন, আহম্মদের মেয়ে আকলিমা খাতুন, সোহেলের ভাবি উর্মি খাতুনসহ আহতের পরিবারের লোকজন বক্তব্য রাখেন। বক্তারা, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের মধ্যে সামাজিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ১৯ জানুয়ারী সকালে আবু জাহিদ চৌধুরীর সমর্থকরা আবুল হোসেনের সমর্থকদো উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় আবুল হোসেনের সমর্থক জাহিদ, ফদিয়ার মেম্বার, আহম্মদ ও সোহেলসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বর্তমানে তাদেও অবস্থা আশঙ্কা জনক।




চাঁদবাজদের পুনর্বাসন নয়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন নয়, বরং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তাদের চাঁদাবাজিতে জড়াতে না হয়।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত মেহেরপুর-১ আসনের প্রার্থী তাজ উদ্দিন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনের প্রার্থী নাজমুল হুদার সমর্থনে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মেহেরপুর ছোট জেলা, মাত্র তিনটি উপজেলা। মানুষ একে অপরকে চেনে। অথচ এই জেলাও চাঁদাবাজদের দখলে চলে গেছে। জনগণের রায়ে আমরা ক্ষমতায় এলে এই মানুষগুলোর দায়িত্ব আমরা নেব। তাদের কাজ দেব, যাতে চাঁদাবাজি করতে না হয়।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি। আমাদের প্রথম ভোট হবে হ্যাঁ ভোট। সবাই হ্যাঁ ভোট নিশ্চিত করলে দেশ বিজয়ী হবে। ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। কেউ ভোট ডাকাতি করতে এলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
গত ৫৪ বছরের শাসকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যে দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়নি। তরুণ সমাজ মাদক ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। তাদের জন্য আমাদের মায়া হয়। দায়িত্ব পেলে দেশকে ফুলের মতো সাজাবো, যাতে মানুষ দেশ নিয়ে গর্ব করতে পারে।’

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাঁদাবাজি করবো না, দুর্নীতি করবো না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেবো না। মানুষ ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কাকে ভোট দেবে।’

বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা বেকার ভাতা দেবো না, রাষ্ট্রের টাকা থাকলেও না। ভাতা দিলে বেকারত্ব কমে না, বরং বাড়ে। আমরা ভাতা নয়, কাজ দেবো।’

তিনি আরও বলেন, তরুণদের শক্তিতেই দেশ এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যেই যুব সমাজকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

জনসভা শেষে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মেহেরপুরের দুইটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতা কামনা করেন।

সমাবেশে মেহেরপুর জেলার জামায়াত ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশ স্থল কানাই কানাই পূর্ণ হয়ে যায়। সমাবেশ মঞ্চে এনসিপির নেতৃবৃন্দসহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।