কবি নজরুল শিক্ষা মঞ্জিলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

শিক্ষকদের বেতন ও বোনাস বকেয়া, অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ বানিজ্য, স্বেচ্ছাচারীতা, দুর্নীতি ও নানা অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফুঁসে ওঠেছেন মেহেরপুরের কবি নজরুল শিক্ষা মঞ্জিলের শিক্ষক কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে গত রবিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কবি নজরুল শিক্ষা মঞ্জিলের প্রধান শিক্ষক সানজিদা ইসলাম সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে একটা বড় অংকের উৎকোচ দিয়ে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি হয়ে উঠেন অসীম ক্ষমতাধর ও স্বেচ্ছাচারী। একক কর্তৃত্ববাদী মনোভাব পোষণ করে তিনি বিদ্যালয়ে একের পর এক অনিয়ম ও দূর্নীতি করতে থাকেন।

বিদ্যালয়ের আবাদী জমি, লিচু বাগান ও পুকুর থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন থেকে আয় হয় প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। অথচ তিনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে শিক্ষক কর্মচারীদের বিদ্যালয় প্রদত্ত ১২ মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস দেননি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা ও হলদে পাখিদের শিশু দিবস বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন না করে জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে জেলা প্রশাসক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহ প্রায় ৩০ জন প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বাংলাদেশ গার্লস গাইডস অ্যাসোসিয়েশনে ভুয়া ভাউচার পাঠিয়ে সরকারি বাজেটের ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করলেও আজ অবধি সে অনুষ্ঠান করেননি।

সাবেক মন্ত্রীর যোগসাজসে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ করে বিদ্যালয়ে চারজন কর্মচারীকে নিয়োগ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক তৌফিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ দিয়ে মামলা করেছেন। যশোর আর্বিটিশন বোর্ড তাকে বিদ্যালয়ে নিজ কর্মে বহাল থাকার অনুমতি দিলেও প্রধান শিক্ষক জোর পূর্বক তাকে দুই বছরেরও অধিক সময় বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেননি। উপরন্ত জাহিদ নামের একজনকে মাস্টাররোলে নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রায়ই দেড় লক্ষ টাকা অপচয় করেছেন। এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত সহকারি শিক্ষকের কাছ থেকে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ পত্র দিতে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্থাপিত আধুনিক আইসিটি ল্যাব অবৈধ অর্থ উপার্জনের মানষে বহিরাগত লোকদের বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতি দিয়ে আইসিটি শিক্ষা থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করছেন। প্রতিটা শ্রেণী কক্ষে আধুনিক স্মার্টবোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা থাকলেও কয়েক লক্ষ টাকার অপ্রয়োজনীয় স্মার্ট টিভি ক্রয় করে ফেলে রেখেছেন। নিজ অফিস কক্ষে বিলাসী সময় কাটানোর জন্য ছয়টি সিলিং ফ্যান ও দুইটি এসি লাগিয়ে বিদ্যালয়ের অর্থ অপচয় করেছেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও শিক্ষকদের উপর স্বীয় আধিপত্য বিস্তারের হীন মানসিকতায় সাবেক মন্ত্রীকে চারবার বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি করে এনে ছয় লক্ষাধিক টাকা অপচয় করেছেন। জনতা ব্যাংক থেকে ১১/০১/২৩ তারিখে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। ০৬/১১/২৩ তারিখ জনতা ব্যাংক থেকে এক লক্ষ টাকা উত্তোলন করে ৭২ হাজার ৭শ ৫০ টাকা শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দিয়েছেন বাকি ২৭ হাজার ২শ ৫০ টাকা দৈনিক আদায় বইতে ব্যাংকে জমা দেখিয়েছেন কিন্তু উক্ত টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। ২৮/০৬/২৩ থেকে ০৬/১১/২৩ তারিখ পর্যন্ত পাঁচটি চেকের মাধ্যমে জনতা ব্যাংক হিসাব নম্বর ৩২৮ থেকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষকেরা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক সানজিদা ইসলাম বলেন, করোনাকালীন সময়ে স্কুলের আয় না হওয়ায় শিক্ষকদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। জমি-জমার টাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। নিয়োগের বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় (জনপ্রশাসন মন্ত্রী) সভাপতি ছিলেন, উনি যা বলেছেন আমি তাই করেছি। মন্ত্রীর বাইরে আমার কোন কাজ করার ক্ষমতা ছিলো না।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্বাস উদ্দিন জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হবে। তদন্তে যদি কেউ দোষী প্রমানিত হয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে চুয়াডাঙ্গার গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময়

চুয়াডাঙ্গা নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এর সাথে জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল ১১ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার শুরুতে জেলার গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে পরিচিতি হোন নবাগত জেলা প্রশাসক। এরপর জেলা সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে গণমাধ্যম কর্মীরা।

এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন, দৈনিক পঞ্চিমাঞ্চলের সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আজাদ মালিতা, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি অ্যাড. মানিক আকবর, চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল আই চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি রাজিব হাসান কচি, দৈনিক সময়ের সমীকরণের প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, জিটিভির চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি রিফাত রহমান, চ্যানেল-২৪ টিভির চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম লিটন, বাংলা টিভির চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মামুন মোল্লা, এস এ টিভির চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি বিপুল আশরাফ, ডিবিসি টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান সেলিম, প্রথম আলোর চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সনি, এন টিভির চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, দৈনিক সংগ্রামের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি এফ.এ আলগীর, দৈনিক শেয়ারবিজ পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার, চুয়াডাঙ্গা স্থানীয় দৈনিক সময়ের সমীকরণ নিজস্ব প্রতিবেদক ও আজকের পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি মেহেরাব্বিন সানভি, দৈনিক আকাশ খবরের নিজস্ব প্রতিবেদক শেখ লিটন, এখন টিভি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি অনিক চক্রবর্তী, প্রমুখ।

শেষে নবাগত চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, সবার সহযোগীতা পেলে চুয়াডাঙ্গা নতুন ভাবে গড়া যাবে। চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন যে উন্নয়ন মূলক যে প্রকল্প হয়। ওই প্রকল্প গুলো যাতে সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হয় তা নজরদারি করা হবে। স্বচ্ছ থেকে প্রতেকটা কাজ অব্যাহত থাকবে। এই জেলার সব সরকারি দপ্তর যেন ভালোভাবে দূর্নীতি মুক্ত করে সুন্দর ভাবে কাজ করে সে জন্য দেখভাল করা হবে। জেলার সব সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করা হবে। সব কাজে সবার সহযোগীতা চাই। তথ্য আদান প্রদানের জন্য সবাইকে স্বচ্ছ থাকতে হবে। নতুন ভাবে পরিবর্তন করতে হবে সব কিছু। কেউ কোন দপ্তরের কোন কর্মকর্তা যদি অনৈতিক কাজ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার রেজওয়ানা নাহিদ, সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম সাইফ, প্রমুখ।




চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের সাথে নিরাপদ সড়ক চাই এর সচেতনতা সভা

সড়কে চলাচলের গুরুত্ব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক সভা করেছে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা। আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার দৌলাতদিয়াড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট মানিক আকবর।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভায় বক্তারা বলেন, নিরাপদে পথ চলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাড়ী থেকে স্কুল কিম্বা অন্য কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে রাস্তার দুপাশে দেখে-বুঝে রাস্তা পার হতে হবে। কোনোক্রমেই তাড়াহুড়ো করা যাবে না। বাড়ী কিম্বা স্কুল থেকে দৌঁড়ে রাস্তায় উঠে আসা যাবে না। সাবধানে পথ চললে সড়ক নিরাপদ হবে এবং দূর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সভায় নিরাপদ সড়ক চাই চুয়াডঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হোসেন জাকির বলেন, পরিবারের কোনো সদস্য যদি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ির বাইরে যান তাকে অবশ্যই হেলমেট নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দিতে হবে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও নিরাপদ সড়ক চাই চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাই চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক শেখ লিটন, যুগ্ম- সম্পাদক বিপ্লব হোসেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক উজ্জল হোসেন, আব্দুস সামাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




সাবেক ভূমিমন্ত্রীর সম্পদ ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশকে ব্রিটিশ এমপির চিঠি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ব্রিটেনে থাকা সম্পদ জব্দ করে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন  ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির মহাপরিচালক গ্রায়েম বিগারের কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি এসব সহায়-সম্পত্তির বিষয়ে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছেন।

আপসানা চিঠিতে উল্লেখ করেন- বাংলাদেশের সাবেক এই মন্ত্রীর এসব সম্পত্তিতে দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক অপরাধের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

চিঠিতে আপসানা বলেছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে নিরাপত্তারক্ষাকারী বাহিনীর দমনপীড়নে কয়েকশত মানুষ নিহত হন। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর ব্যাপক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ইতোমধ্যেই করসংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের অধীনে রয়েছেন। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করছে এবং দাবি করেছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাজ্যে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এইচএম ল্যান্ড রেজিস্ট্রি এবং ইউকে কোম্পানি হাউসের রেকর্ডগুলোর বিষয়ে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলো কমপক্ষে ২৮০টি সম্পত্তি রয়েছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি পাউন্ড। আল-জাজিরার তদন্তে জানা গেছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী আমার নির্বাচনী এলাকা পপলার ও লাইমহাউসে ৭৪টি সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

ব্রিটিশ ওই এমপি লিখেছেন, আমি বিশ্বাস করি, প্রশ্নবিদ্ধ এসব সম্পত্তি বাংলাদেশের। সেগুলো বাংলাদেশের জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত, যাতে তারা গণতন্ত্র ও নিজেদের স্বার্থে পরিচালিত একটি সমাজের জন্য কাজ করতে পারে। দুর্নীতি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জীবন মান, কর্মস্থলের অধিকার ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এনসিএ মহাপরিচালকের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পদ জব্দ করে ফিরিয়ে দেওয়া শুধু বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্যতা প্রাপ্তি ও তাদের ভবিষ্যৎ অধিকার সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণই নয়, বরং যুক্তরাজ্যের সুনাম ও আন্তর্জাতিক রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখার জন্যও অপরিহার্য।

সূত্র: কালবেলা




কুষ্টিয়াতে খোকসা ইউপি চেয়ারম্যানের উপর দুর্বৃত্তদের হামলা

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় হামলা চালিয়ে জানিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমানকে কুপিয়ে জখমের পাশাপাশি হাত-পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জানিপুর ইউনিয়নের শেখপাড়া বিহারীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মজিবর রহমান জানিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) বর্তমান চেয়ারম্যান। তাকে গুরুতর অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত চেয়ারম্যানের ভাই শহিদুল ইসলাম জানান, ২০১২ সাল থেকেই ভাইয়ের সাথে প্রতিপক্ষ শামীম গ্রুপের রাজনীতিসহ বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই জের ধরে সকালে ভাই খামারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় মোটরসাইকেল থামাতে বলে শামীম। এ সময় শামীমের নেতৃত্বে তার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চলে যায়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এক হাত, এক পা ভেঙে দেয়া হয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আননুর যায়েদ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




মুজিবনগরে সরকারি চাল চুরির বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

মুজিবনগরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওয়াতায় হতদরিদ্রের ৬৬ বস্তা (৩৩শ) কেজি চাল চুরি যাওয়ার ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করেছে মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি।

আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে মুজিবনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম।

বক্তব্যে আমিরুল ইসলাম বলেন, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ১১০ জন সুবিধাভোগীর প্রায় ৩৩শ কেজি চাল সুবিধাভোগীদের না দিয়ে ডিলার মুজিবর রহমান উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বে জোর করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ করে সুবিধাভোগী আজিম উদ্দিন। যা পুরো মিথ্যা ও মানহানির উদ্দেশ্য।

আমিরুল ইসলাম আরও বলেন, আমার রাজনৈতিক জীবনে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদে প্রায় ১৬ বছর জনগনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছে। এই ধরনের কোন অভিযোগ আমার সম্পর্কে দেওয়া তো দুরের কথা কোন দিন কেহ ভাবতেই পারেনি। তাই আমি মনে করি আজিমউদ্দিন গাজী কতৃক আমার ও আমার নেতাকর্মীদের নামে যে অভিযোগ দায়ের করেছে তা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই মিথ্যা ও অসত্য অভিযোগের ফলে আমার ব্যক্তিগত ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দলেরও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি বিষয়টি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুনকে মৌখিকভাবে অবগত করেছি। আমার বিশ্বাস আজিমউদ্দিন গাজীর এই কুকর্ম যারা বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চাই, বিভেদ করতে চাই তাদের একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বহিঃপ্রকাশ। আমরা আজিমউদ্দিন গাজীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করার ব্যবস্থা নেবো।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রোকোনুজ্জামান রোকন, মহাজনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম কালু, দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, উপজেলা যুদলের আহবায়ক আবুল হাসান, সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাভেদ সেনজিরসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদলসহ উপজেলা বিএনপির অংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ ব্যাপারে ডিলার মুজিবুর রহমান জানান, যথাযথ নিয়ম মেনে আমি দীর্ঘদিন ধরে চালের ডিলার শিপের দায়িত্ব পালন করে আসছি। চাল চুরির কোন ঘটনা হয়নি। আমি সরকারি গোডাউন থেকে চাল উত্তোলন করে গোডাউনে মজুদ করে, পরবর্তীতে সুবিধাভোগীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চাল চুরির ঘটনা সম্পর্কে মুজিবনগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এম এম ইকবাল হোসেন বলেন, আমি ডিলারের সাথে লিখিতভাবে বিষয়টি জানতে চেয়েছি। ডিলার একটি লিখিত বক্তব্য দিয়েছে। আমরা একজন অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি। তারা রিপোর্ট দিলে ঘটনার সঠিক তথ্য জানতে পারবো।

এব্যাপারে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই ব্যাপারে সুবিধাভোগী কোন ব্যাক্তির অভিযোগ পাইনি। তবে আজিমউদ্দিন নামের একব্যাক্তির অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মিলন হোসেন এর বহিস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আজ বুধবার সকালে কর্মবিরতি দিয়ে হাসপাতালের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা অংশ নেয়।

কর্মসূচীতে সিনিয়র চিকিৎসক আব্দুল হালিম, মেডিকেল অফিসার আরাফাত রহমান, খালিদ নাঈম, কানিজ ফাতেমা, জুই আক্তার, নাহিদ পারভেজ, সুবোধ রঞ্জন, সিনিয়র ল্যাব সহকারী টেকশিয়ান তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সেসময় বক্তারা বলেন, হিসাব সরকারী থেকে সহকারী পরিচালক হওয়া মিলন হোসেন হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ অভিযোগ দিলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই দুর্নীতিবাজ মিলনের বহিস্কার দাবী করেন তারা। তা না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির হুশিয়ারি দেওয়া হয় কর্মসূচী থেকে।




ঝিনাইদহে বিদ্যুতের লাইন সহকারীদের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

চাকুরীর বয়স শিথিল করে শূন্য কোঠায় দৈনিক মজুরী ভিত্তিক স্থায়ীকরণের দাবীতে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর লাইন সহকারীরা।

আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কর্মবিরতি দিয়ে বিদ্যুৎ অফিস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলটি অফিসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। কর্মসূচীতে লাইন সহকারী ইমামুল হক রকি, মশিউর রহমান, টিপু সুলতান, শাহিন আলম, আমির হোসেন, মিঠু শেখসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সেসময় আন্দোলনকারীরা বলেন, জীবনের ঝুকি নিয়ে বছরের পর বছর বিদ্যুৎ অফিসে কাজ করলেও তারা বেতন ভাতা পান না। আমাদের দিয়ে কাজ করানোর পরও কর্তৃপক্ষ চাকুরী স্থায়ী করছেন না। তাই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। তাদের চাকুরী স্থায়ী করণের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচী চলমান থাকবে বলেও হুশিয়ারি দেন । এদিকে লাইন সহকারীদের কর্মবিরতি পালন করায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জেলার বিদুৎ গ্রাহকদের।




অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেলেন আবদুল্লাহ আল আমিন ধুমকেতু

মেহেরপুরের কৃতি সন্তান মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল আমিন অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন। আবদুল্লাহ আল আমিন ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আকবর হায়দার ও জাহানারা বেগম দম্পতির সন্তান। তিনি একাধারে লেখক, লোক গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।

আবদুল্লাহ আল আমিন ১৯৮৭ সালে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস এস সি, ১৯৮৯ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৯২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স, ১৯৯৩ সলে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

আবদুল্লাহ আল আমিন ১৮ তম বিসিএ এর মাধ্যমে প্রভাষক হিসাবে মেহেরপুর সরকারি কলেজে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি মহিলা কলেজ দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সহকারী অধ্যাপক। এবং ২০১৪ বগুড়া শাহ সুলতান কলেজে কর্মরত অবস্থায় সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি পান। পরে সেখান থেকে মেহেরপুর সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন চাকরি করার পর সম্প্রতি তিনি উপাধাক্ষ হিসেবে মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে যোগদান করেন। এবং সেখানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোমবার তিনি অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেন।
১ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জনক আবদুল্লাহ আল আমিনের পিতা আকবর হায়দার এবং পিতামহ বানি আমিন বিশ্বাস শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। শিক্ষক পরিবারের এই কৃতি সন্তান অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও অনুসন্ধিৎসু গবেষক। সমাজ-সংস্কৃতিমনস্ক ও ঐতিহ্যসন্ধানী। তাঁর চর্চা ও অনুসন্ধিৎসার বিষয় সাহিত্য-ব্যক্তিত্ব, আঞ্চলিক ইতিহাস, লোকধর্ম ও লোকজ সংস্কৃতি। গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন বাংলা একাডেমি ও এশিয়াটিক সোসাইটিতে। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : আজাদ শাহের পদাবলী (২০০৯), ব্রাত্যজনের রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (২০১২), বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি : মেহেরপুর (২০১৩) ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালির সম্প্রীতি সাধনা ও ভাটপাড়া নীলকুঠি ও উনিশ শতকের বাংলাদেশ।




মেহেরপুরে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত চলমান সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করণের দাবিতে মেহেরপুরে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী পরিষদ মেহেরপুর জেলা শাখা আয়োজিত মানববন্ধন আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়‌। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী পরিষদ মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, গাংনী উপজেলার সভাপতি মোঃ মাসুদুর রশিদ, মুজিবনগর উপজেলার সভাপতি বরকত উল্লাহ।

এসময় বক্তারা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন হলে দেশে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আপনি দায়িত্ব গ্রহণ করায় পতিত সরকারের চরম বৈষম্যের শিকার নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছে। বিগত সরকারের দুঃশাসনের সময়ে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তর দাবিতে ঢাকায় আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, সংবাদ সম্মেলন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদযাত্রা ও আমরণ অনশনের মতো অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি না মেনে বরং আমাদের উপর পিপার স্প্রে, জল কামান, লাঠি চার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও বিভিন্নভাবে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে।

তারা আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা-আপনি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত করে আমাদের যাবতীয় কষ্ট লাঘবের ব্যবস্থা করবেন। কষ্ট লাঘব হলে চিন্তামুক্ত অবস্থায় শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ জনসম্পদ ও উদ্যোক্তা তৈরির প্রয়াসে আমরা কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। দেশের চলমান সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত হলে আমরা বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করছি।

মানববন্ধনে এছাড়াও নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী পরিষদ মেহেরপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, উপদেষ্টা ইয়ারুল ইসলাম, গাংনী উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, মুজিবনগর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মোহা: নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।