জীবননগরে কেন্দ্রীয় গোরস্থানের নিজস্ব জমি পুনরুদ্ধরের দাবীতে মানববন্ধন

জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্থানের নিজস্ব জমি পুনরুদ্ধরের দাবী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার সময় জীবননগর চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধন অনুষ্ঠানে জীবননগর কেন্দ্রীয় গেরাস্থান কমিটির সভাপতি সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মো: আশরাফুল হক লিখিত বক্তব্যে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার, থানা জীবননগর অধীন ২৫ নং জীবননগর মৌজায় আর.এস ৯৬৪ নং খতিয়ানে আর.এস ২৫৭৯ নং দাগের মালিক ছিলেন কাজী মাহাবুব হোসেন, কাজী সাইফুজ্জামান (বাবলা), আসমা খাতুন ও আছিয়া খাতুন গং। তন্মধ্যে উত্ত আছিয়া খাতুন এর নিকট হইতে বিগত ২৭/০৪/১৯৮৩ ইং তারিখে ৪৫৩৬ নং রেজি: কবলায় ০.০৪০০ একর জমি মর্ঝিনা খাতুন ক্রয় করেন। উক্ত মর্জিনা খাতুন এর নিকট হইতে আমরা গোরস্থান কমিটি বিগত ইং ১৯/০২/১৯৮৫ তারিখে ১৮৯০ নং রেজি: কবলায় ০.০৪০০ একর জমি ক্রয় করি। আসমা খাতুন এর নিকট হইতে আমরা গোরস্থান কমিটি বিগত ইং ০৩/০৬/১৯৮৪ তারিখে ২০১৬ রেজিঃ কবলায় ০.০৭০০ একর জমি ক্রয় করি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের আমলে সাবেক এম.পি আলী আজগর টগরের মৌখিক নির্দেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যের মনোনিত নেত্রীবৃন্দের সহায়তায় জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্থানের জমি মোঃ আরিফুজ্জামান, মোঃ স্বপন হোসেন, মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ কামরুজ্জামান, মোছাঃ নাজমা খাতুন, মোছাঃ বিলকিছ খাতুন, মোছাঃ নারগিস খাতুন, মোছাঃ নাছরিন খাতুন সর্ব পিতা মৃত নুরুল ইসলাম, সর্ব সাং মাধবখালী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা জোর পূবক দখল করেন। উক্ত দখল প্রতিরোধের জন্য জীবননগর গোরস্থান কমিটি বাদী হইয়া জীবননগর সহকারি জজ আদালতে দেওয়ানি ২৫২/২০১২ নং মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলায় আদালত হইতে বিগত ২১/০২/২০১৩ ইং তারিখে বিবাদীগণের বিরুদ্ধে নালিশি সম্পত্তির উপর সর্বপ্রকার নির্মাণ কার্য করা থেকে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়াছিলেন। যাহা আদালতের আদেশ অবমাননা মামলা মিস-০৫/২০১৩ অদ্যবধি বিচারাধীন আছে। আমরা এই গোরস্থান কমিটির সদস্য সহ এলাকাবাসী উক্ত জমি পুনরুদ্ধরের জন্য মানববন্ধনের আয়োজন করিয়াছি। জমি উদ্ধারের আপনাদের সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি।

উক্ত মানব বন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্থান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সামসুল আলম, জীবননগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম.আর বাবু, সাবেক কমিশনার হযরত আলী, হাজী আঃ মজিদ, মুন্সী খোকন, মিনহাজ আলী, আবু হানিফ,নাসু মিয়া, প্রমুখ।




দর্শনা পৌর বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে চুরি

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা পৌর বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে বার বার চুরি ঘটনা ঘটছে। বার বার বিদ্যালয়ে চুরি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে কতৃপক্ষ। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌর বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ২৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ১৮০ জন প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রী নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি।

গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে অবশেষে সাইন বোর্ডটি চোরেরা লােহার এংঙ্গেল কেটে নিয়ে গেছে। ২০২২ সাল থেকে এ বিদ্যালয়ের তিনটি টিউবওয়েল প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের থেরাপি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং তিনটি হুইল চেয়ার চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়ে গেছে বলে প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিরিনা আক্তার জানান। বার বার বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

প্রধান শিক্ষক শিরিন আক্তার জানান আমরা ১৪ জন শিক্ষক বিনা বেতনে প্রতিবন্দী ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা নিজের টাকা দিয়ে প্রতিবন্ধী স্কুলটি টিকিয়ে রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বার বার এ রকম ভাবে চুরি হলে আমাদের পক্ষে প্রতিবন্ধী স্কুলটি টিকিয়ে রাখা সম্বব হবে না। তাই প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।




মেহেরপুরে ১ দফা দাবিতে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন

১০ম গ্রেড আমাদের দাবি নয় আমাদের অধিকার ১২ তম গ্রেড প্রবাস্তবানা প্রত্যাখ্যান করে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেট বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ মেহেরপুর আয়োজিত আজ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টার দিকে মেহেরপুরের প্রাথমিক টিচার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) এর সামনে এ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেট বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ মেহেরপুরের আহ্বায়ক শেখ রাসেল, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম মিন্টু ও মোঃ আক্তারুজ্জামান হীরা।

এসময় বক্তারা বলেন, সমযোগ্যতায় বিভিন্ন পদে দশম গ্রেড হলে আমাদের জন্য কেনো নয়?? তাই আমাদের দাবী গুলো মেনে নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

১.যোগ্যতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে দশম গ্রেড দিতে হবে ২. শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে ৩. টাইম স্কেল পুনর্বহাল করতে হবে ৪. পিটিআই ও ইউ আরসির ইন্সট্রাক্টর সহ বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থীর সুযোগ দিতে হবে ৫. সময়সূচি ১০ টা থেকে ৩:০০ টা করতে হবে (কোমলমতি শিশুদের কথা বিবেচনা করে) ৬. টিফিন ভাতা ( মাসিক মাত্র ২০০/-) বৃদ্ধি করতে হবে ৭. সরকারের প্রস্তাবিত সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ চাইনা ৮. প্রস্তাবিত ১২ তম গ্রেড ঘৃণা ভরে প্রত্যাক্ষাণ করছি।

এছাড়াও তারা বলেন, ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাথমিক এর সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের জন্য বৈষম্য বিরোধী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানউপদেষ্টার কাছে আমাদের প্রাণের দাবী বাস্তবায়নের জন্য সদয় অনুগ্রহ কামনা করছি।

এসময় সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: নাজমুল হক লিটন, সহকারী শিক্ষক আহসান হাবীব, সহকারী শিক্ষক আফরোজা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সুমাইয়া লাবনী, সহকারী শিক্ষক মীর সাদিক ইসলাম, সহকারী শিক্ষক নাজমুল হক লিটন, সহকারী শিক্ষক আশাদুল, সহকারী শিক্ষক আজাহার, সহকারী শিক্ষক মেহেদী, সহকারী শিক্ষক রুনা লায়লা, সহকারী শিক্ষক মাহাবুব সহকারী শিক্ষক রোকিবুজ্জামান রাজন , সহকারী শিক্ষক শিফলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




চব্বিশের তুলি

চব্বিশ দেখেছে তুলি
চেনেছে কেমন গুলি,
বিঁধেছে ডান পায়!
মা বলল আন্দোলন
বাবা বলেছে দমাতে
ছুড়েছে বারান্দায়।

খেলছিল তুলি খেলা
পড়ন্ত – বিকেল বেলা
কোলে নিয়ে পুতুল,
কোত্থেকে গুলি এসে
রক্তে – দিয়েছে ভেসে
কাণ্ড কী – হুলুস্থুল!




মুজিবনগরে শতবর্ষী দম্পতির মানবেতর জীবন

বাসিপচা তরকারি আর ভাত খেয়ে বেঁচে আছি। জমিজমা যা ছিল জোর করে সব লিখে নিয়েছে ছেলে-মেয়েরা। আমরা নাকি আবর্জনা হয়ে গেছি তাই বাড়ি থেকেও বের করে দিয়েছে ছেলেরা। বড় মেয়ের ভাগের একটা বাশ বাগানে কিছু পুরোনো টিনের ছাউনিতে কোন মতে ঠাই হয়েছে। বিদ্যুতের আলো কি তা চোখে দেখেনি প্রায় দশ বছর। মাস খানেক হলো প্রতিবেশিরা একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। মাঝে মধ্যে মেয়েরা এসে কিছু চাল ডাল দিয়ে যায়, সেগুলো প্রতিবেশির হাড়িতে দিয়ে আসি তারা রান্না করে দিলে খাই। যেদিন রান্নার সুযোগ হয়না সেদিন না খেয়েই দিন পার করে দিই। সর্বশেষ কবে একটু পেটপুরে ভালো কিছু খেতে পেরেছি মনে পড়েনা। গত পরশুদিনও ছেলের বউরা এসে পচা মাছ আর কচু সাথে বাসি ভাত দিয়ে গেছে সেগুলো দুজনে মিলে দুবেলা খেয়েছি। এভাবেই চোখের পানি ছেড়ে দুঃখের কথা গুলো বলছিলেন ৯৫ বছর বয়সি করিমন নেছা। কথা গুলো শুনে হু হু করে কেদে উঠলেন পাশে বসা করিমন নেছার স্বামী ১০৮ বছর বয়সি রহমতুল্লাহ শেখ।

মুজিবনগর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের দক্ষিনপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাশ বাগানে বসবাস করে শতবর্ষী এই দম্পতি। দাম্পতিক জীবনে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম দিলেও ঠাই হয়নি তাদের কাছে। বয়সের ভারে নুয়েপড়া, চলাচলে অক্ষম এই দম্পতির শরীরে বাসা বেধেছে নানা রোগ বালাই। ওষুধপত্র তো দুরের কথা খোজ নেওয়ারও যেন কেউ নেই।

রহমতুল্লাহ দম্পতির বাসস্থানে গিয়ে দেখা যায় মাটির মেঝেতে পাটি পেড়ে করিমন নেছা টিনের দেয়ালে হেলান দিয়ে আর রহমুল্লাহ শেখ একটি পুরোনো বালিশ মাথায় দিয়ে শুয়ে আছে। পরে এই প্রতিবেদক সহ কয়েকজন মিলে বাইরে এনে চেয়ারে বসানো হলো রহমতুল্লাকে। জানতে চাওয়া হলো তাদের এই হাল কেন। প্রথমে ভাবছিলেন তাদের ছেলেরা হয়তো এসেছে, তাই তিনি কিছু বলতে চাচ্ছিলেন না ভয়ে। চোখে কম দেখতে পাওয়া রহমতুল্লাহ বার বার জিজ্ঞেস করছিলেন ছেলেরা নেই তো। তারা থাকলে তো আমাদের মেরেই ফেলবে। মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে অনেক আগেই জমিজমা সব লিখে নিয়ে আমাদের এখানে ফেলে গেছে। তাদের নামে কিছু বললে হয়তো তারা এবার আমাদের মেরেই ফেলেবে। কাদো কাদো সুরে অস্পষ্ট ভাষায় রহমতুল্লাহ আরও বলেন, আমাদের আর কোন আশা ভরসা নেই। এখন শুধু মরার অপেক্ষা করছি বাপ। আমাদের জন্য দুয়া করো।

প্রতিবেশিরা জানান, তাদের এই জীবনে ছেলে-মেয়ে থেকেও নেই। আমরা যত টুকু পারি তাদের দেখি। আমাদের কাছে মাঝে মাঝে রান্নার জন্য চাল দেয়। তা রান্না করে দিই। পাশাপাশি আমরা নিজেরাও খাবার দাবার দিই।

এব্যাপারে ছেলেদের সাথে যোগযোগ করা হলে কেউ কিছু বলতে রাজি হয়নি। তবে বড় ছেলে আজিল শেখের স্ত্রী বলেন, আমরাই তো দেখাশুনা করি। তাছাড়া আবার কে করে।

শতবর্ষী এই দম্পতির মানবেতর জীবন-যাপন করার ব্যাপারে জানেত চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ডালিম হোসেন জানান, রহমতুল্লার বয়ষ্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সেটা দিয়ে কোন মতে চলে। তাছাড়া পাড়া প্রতিবেশি ও আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের ওষুধপত্র কেনার ব্যবস্থা করি। এছাড়াতো আমারও কিছু করার নেই।

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, এরকম দম্পতির ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন তথ্য ছিলনা। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। উপজেলা প্রশাসন থেকে যতটুকু সম্ভব আমি তাদের জন্য ভালো কিছু ব্যবস্থা করব।




স্কয়ার গ্রুপে চাকরির সুযোগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্কয়ার গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির ভেটেরিনারি সার্ভিসেস, এগ্রোভেট বিভাগ এক্সিকিউটিভ পদে একাধিক জনবল নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানের নাম : স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

পদের নাম : এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা : নির্ধারিত নয় অভিজ্ঞতা : কমপক্ষে ২ থেকে ৪ বছর

বয়সসীমা : উল্লেখ নেই

কর্মস্থল : দেশের যে কোনো স্থানে

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদন শুরুর তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কর্মঘণ্টা : ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র : অফিসে

প্রার্থীর ধরন : নারী-পুরুষ (উভয়)

আবেদনের শেষ সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

শিক্ষাগত যোগ্যতা : ভেটেরিনারি মেডিসিনের ডাক্তার

অন্যান্য যোগ্যতা : কম্পিউটারে এমএস অফিসে ভালো দক্ষতা। অন্যান্য সুবিধা : প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

যেভাবে আবেদন করবেন : আগ্রহীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।




মুজিবনগরে সহযোগী স্কুল শিক্ষকদের সাথে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মুজিবনগরে গুডনেইবারর্স বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির আয়োজনে, সহযোগী স্কুল শিক্ষকদের সাথে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর)  দুপুরে গুডনেইবারর্স বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপি এর বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস হলরুমে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপি এর ম্যানেজার সুব্রত টুডুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন, মুজিবনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দিন আল আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার হাসনাইন জাহিদ, মুজিবনগর সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজারুল ইসলাম।

মেহেরপুর সিডিপি এর সিনিয়র অফিসার প্রোগ্রাম রিফাত আল মাহমুদের সঞ্চালনায়, প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ১৫ জন সহকারী শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।




বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের মন বুঝুন

বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানের মনের দিকে মনোযোগ রাখা জরুরি। বিশেষত একটু খিচড়ে স্বভাবের সন্তানদের সামলানোর জন্য হলেও বাবা-মাকে বাড়তি মনোযোগ রাখতে হয়।

‘বয়ঃসন্ধির সময়টা এমনই যে ছেলেমেয়েদের শরীরে হরমোনের বিশেষ তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। এরফলে তাদের মেজাজ ও মনে প্রভাব পড়ে। এই বয়সে যৌন হরমোনের নিঃসরণ বেশি হয়। শরীর ক্রমশ যৌবনের দিকে এগুতে থাকে। ফলে ছেলে বা মেয়ে, উভয়েরই শরীরে বদল আসে। এই সময় কিছু নিউরনের ‘কানেক্টিভিটি’ বা সংযোগের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসে। যার ফলে মনোজগতে প্রভাব পড়ে। হরমোনের প্রভাব মস্তিষ্কেও পড়ে।’

মূলত মেজাজের ওপর প্রভাব ফেলে সেরোটোনিন নামে একটি হরমোন। নিউরো হরমোন সঠিক ভাবে কাজ না করলেও মেজাজ খারাপ থাকতে পারে। এক্ষেত্রে অভিভাবকেরা কী করবেন? তা নিয়ে কিছু পরামর্শ:

ব্যালান্স প্যারেন্টিং জরুরি
সন্তানের মেজাজ বদলের সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে বাবা-মা নিজেও রাগ হতে পারেন। এমনটি না করে একজন মনোরোগ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। বা নিজেই গুছিয়ে নিন। সন্তানকে বুঝতে হবে, তার কার্যাবলী নজরেও রাখতে হবে, আবার তাকে ছাড়ও দিতে হবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয়, সন্তানকে স্বাধীনতা দিয়ে কোনও খেয়াল রাখবেন না। ছোট থেকেই যদি এমন অভিভাবকত্বে শিশু বড় হতে থাকে, তা হলে বয়ঃসন্ধির দোরগোড়ায় পৌঁছে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেক সময় বাবা-মায়ের মধ্যে সু-সম্পর্কের অভাব বা নিরাপত্তাহীনতা তাদের জীবনে বাড়তি সমস্যা তৈরি করে।

নিজেকে সামলাতে হবে
ছেলেমেয়ে যদি চিৎকার করে সেই সময় আপনাকেই থেমে যেতে হবে। পরিস্থিতি শান্ত হলে, জিজ্ঞাসা করতে পারেন, কিছু হয়েছে কি না। যে কোনও সমস্যায় বাবা-মা পাশে থাকবেন, এই ভরসাটুকু সন্তান পেলে তাদের পক্ষেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজতর হতে পারে।

নিজেকে ওই বয়সের জায়গায় ভাবতে হবে
বাবা-মা হিসেবে এই বয়স পার করায় আপনাকেও ওদের অবস্থা বুঝতে হবে। অনেক সময় বাবা-মা সুলভ আচরণের কারণে সন্তানের সঙ্গে বোঝাপড়ায় সমস্যা হয়। কিন্তু আপনাকে এমন পরিবেশ দিতে হবে যাতে সে নির্ভয়ে আপনাকে সব খুলে বলতে পারে।

সূত্র: ইত্তেফাক




এশিয়ার প্রথম এমিজয়ী আনা সাওয়াই

এশিয়ার কেউ প্রথম এমি জিতলেন, গড়লেন ইতিহাস। সেই ইতিহাসের মহানায়িকা হিসেবে নাম লেখালেন জাপানী অভিনেত্রী আনা সাওয়াই। এমিতে এবার ইতিহাস গড়েছেন জাপানি এই গায়িকা-অভিনেত্রী। বহুল আলোচিত সিরিজ ‘শোগান’-এ অভিনয়ের জন্য ড্রামা সিরিজ ক্যাটাগরিতে হয়েছেন সেরা অভিনেত্রী।

আনা প্রথম জাপানি তথা এশীয় অভিনেত্রী, যিনি এ বিভাগে পুরস্কার পেলেন। পুরস্কারটি তিনি পেয়েছেন জেনিফার অ্যানিস্টন, রিজ উইদারস্পুনের মতো তারকাদের পেছনে ফেলে। পুরস্কারপ্রাপ্তির পর তাই আনার আবেগতাড়িত উচ্চারণ, ‘পুরস্কারের জন্য আমার নাম ঘোষণার আগপর্যন্ত আমি কাঁদছিলাম। আজকে আমি একটু এলোমেলো, প্রচণ্ড আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছি।’

দেশের বাইরের সিরিজ যারা দেখেন, তাদের কাছে আনা সাওয়াই নামটা বিশেষ অপরিচিত নয়। ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর নবম কিস্তিতে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

তবে সমালোচকদের নজর কাড়েন পরের বছর, অ্যাপল টিভি প্লাসের ড্রামা সিরিজ ‘পাচিনকো’ দিয়ে। পরে মার্কিন সিরিজ ‘মনার্ক: লিগ্যাসি অব মনস্টারস’ দিয়ে সেই পরিচিতি আরও ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই সুযোগ পান ‘শোগান’-এ, এরপরই গড়লেন ইতিহাস।

আনা সাওয়াইয়ের জন্ম নিউজিল্যান্ডে, ১০ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে জাপানে ফিরে আসেন। ১১ বছর বয়স থেকে অভিনয়ে নাম লেখান। ২০০৯ সালে মার্শাল আর্ট সিনেমা ‘নিনজা অ্যাসাসিন’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিনয়ের শুরু।

কিছুদিন আগেই ‘ডব্লিউ’ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আনা। সেখানে ‘শোগান’ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে শুটিংয়ে নিজের কাজ নিয়ে ভাবছিলাম না। সিরিজটির চিত্রনাট্য এমন দুর্দান্ত যে একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, নিজের পারফরম্যান্স কেমন হচ্ছে, নিশ্চিত ছিলাম না। এমনকি শুটিং যখন শেষ হয়, তখনো নয়।’

অভিনয়ের সঙ্গে গানটাও ভালোই করেন আনা। ২০১৩ সালে জাপানি নারীদের ব্যান্ড ‘ফেকি’ যাত্রা শুরু করে, ব্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন আনা। এখন অবশ্য ব্যান্ডটিতে তিনি নেই, গান করেন নিজের মর্জিমতো। এ প্রসঙ্গে আনা জানান, মূলত অভিনয়ে মন দিতেই ব্যান্ড ছেড়েছিলেন তিনি। যে লক্ষ্য নিয়ে তখন অভিনয়ে মনোযোগ বাড়িয়েছিলেন, সেটা এখন অনেকটাই সফল।

‘শোগান’-এর সাফল্যের পর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকল্পে প্রস্তাব পাচ্ছেন ৩২ বছর বয়সী এই গায়িকা-অভিনেত্রী।

সূত্র: ইত্তেফাক




ঝিনাইদহে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে চা দোকানীকে পিটিয়ে জখম

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী বাজারে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে চা দোকানী মফিজুলকে পিটিয়ে জখম করেছে দুবৃত্তরা। আহত মফিজুলকে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মফিজুলের চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হলিধানী বাজারের গাফ্ফার হোসেনের ছেলে টিটন (২৩) এর নিকট চা দোকানী মফিজুল ইসলাম ১হাজার ৫শত টাকা পায়, উক্ত পাওনা টাকা দেওয়ার জন্য টিটনকে তার দোকানে ডাকে পরে দুজনার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে টিটনের বাবা গফ্ফার হোসেন বাড়ি থেকে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প নিয়ে এসে মফিজুলের মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পিটাতে থাকে পরে তার জ্ঞান হারালে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ওই বাজারের আব্দুল বারী ক্লিনিকে ভর্তি করে। ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতলে পাঠিয়ে দেয়।

বর্তমানে মফিজুল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান। এব্যপারে অভিযুক্ত টিটন বলেন মফিজুল আমার নিকট কোন টাকা পাবেনা সেলিম নামে এক ব্যক্তির নিকট টাকা পাবে। সেলিমের সাথে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল এমন সময় আমি শুধু বলেছি একটা মিমাংশা করে নেন তার পর থেকে মফিজুল আমার নিকট টাকা দাবি করে । সেদিন শুক্রবারে রাত ১০টার দিকে তার দোকানে ডেকে নিয়ে আমাকে মারধর করতে যায় এসময় ধাক্কা-ধাক্কির এক পর্যায়ে পড়ে গিয়ে দেয়ালে আঘাত পেয়ে তার মাথা কেটে যায় আমি বা আমার বাবা তাকে কোন মারধর করেনি।