যুক্ত হলো হোয়াটসঅ্যাপে নতুন টাইপিং ইন্ডিকেটর

মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। আর ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নতুন আকর্ষণীয় ফিচার নিয়ে আসার চেষ্টা করছে মেটা। এবার এক নতুন ফিচার নিয়ে এলো হোয়াটসঅ্যাপ।

সংবাদমাধ্যম এমএসএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই ফিচারটি মূলত টাইপিং ইন্ডিকেটার্স। অর্থাৎ ওয়ান-অন-ওয়ান চ্যাট হোক কিংবা গ্রুপ চ্যাট, কেউ টাইপ করতে শুরু করলেই বাকিরা দেখতে পাবেন তিনটি বিন্দুর ‘বাবল’। যা বুঝিয়ে দেবে কে টাইপ করছেন।

শুধু তাই নয়, ওই তিনটি বিন্দুর পাশেই দেখা যাবে সেই ইউজারের প্রোফাইল ছবি। আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড, দুই ধরনের ডিভাইসেই এই ফিচার চালু করা হয়েছে। ইউজারদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এই পরিকল্পনা বলে জানা যাচ্ছে।

বিশেষ করে গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রে এই ফিচার বিশেষ ফলপ্রসূ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এতে ইউজারদের পক্ষে বোঝা সম্ভব হবে গ্রুপে এই মুহূর্তে কারা অ্যাকটিভ আছেন। ফলে ‘রিয়েল টাইমে’ ভাবনার আদান-প্রদান আরও সহজ হবে।

এদিকে হোয়াটসঅ্যাপ এনেছে আর এক ফিচার। যার নাম ‘লিস্টস’। এই ফিচারের সাহায্যে ইউজাররা নিজেদের চ্যাটকে আলাদা করে সাজাতে পারবেন। যেমন ‘পরিবার’, ‘অফিস’ এমনকি ‘প্রতিবেশী’ ইত্যাদি ভাগে ভাগ করে নিলে প্রতিটি গ্রুপই আলাদা স্পেস পাবে। যারা নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে বহু ইউজারের সঙ্গে চ্যাট করেন তাদের জন্য এই ফিচারটি কাজে দিবে।

সূত্র: ইত্তেফাক




দর্শনা সীমান্তে ৯ টি স্বর্নের বারসহ শ্যামপুর গ্রামের রুহুল আটক

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ৬ বিজিবি চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের ৯ টি স্বর্নের বারসহ দর্শনা শ্যামপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রুহুল আমিনকে (২১)আটক করা হয়েছে।

বিজিবি জানায় আজ রবিবার ৮ ডিসেম্ভর দুপুর আড়াইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবির) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, পিএসসির নেতৃত্বে অভিযান চালায় দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারের পাকা রাস্তার উপর। এ সময় দর্শনা বিওপি’র টহল কমান্ডার নায়েক মোঃ জিয়াউর রহমান, পিবিজিএম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সীমান্তের পিলার ৭৭/২-এস হতে আনুমানিক ০৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ডুগডুগি বাজার পাঁকা রাস্তার পার্শ্বে এ্যাম্বুশ করে। সে সময় বিজিবি সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে মোটরসাইকেল যোগে উক্ত এলাকা দিয়ে অতিক্রম করতে দেখে তাকে গতিরোধ করে। পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি পলায়নের চেষ্টা করলে টহল দল তাকে ধাওয়া করে মোটরসাইকেলসহ রুহুল আমিনকে আটক করে। পরে তার মোটরসাইকেলের অভিনব কায়দায় লুকানো হেড নাটের কভারের মধ্যে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় আনুমানিক ১ কেজি ১৭৮ গ্রাম ওজনের ৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। যার আনুমানিক মৃল্য ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

আটককৃত আসামীকে দর্শনা থানায় হস্তান্তর পূর্বক জব্দকৃত স্বর্ণের বারগুলি চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারী অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় দর্শনা বিওপি’র টহল কমান্ডার নায়েক মোঃ জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছে।

অপরদিকে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবির) অধিনস্থ মুজিবনগর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্তের মেইন পিলার ১০৮/৩-এস হতে আনুমানিক ২০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নাজিরাকোনা মাঠের মধ্যে হাবিলদার মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩৬ পিস ভারতীয় শাড়ী, ১৫ পিস থ্রীপিছ এবং ২৯ পিস শাল চাদর আটক করতে সক্ষম হয়। যার আনুমানিক মৃল্য ১০ লাখ টাকা।




ভারতকে কাঁদিয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপা বাংলাদেশের

ব্যাটনটা হাত বদল হতে দেয়নি বাংলাদেশের যুবারা। বরং রাজত্বর সময়কাল আরো এক বছর বাড়িয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতে। দুবাইয়ে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ভারত। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আয়ুশ মাহত্রেকে (১) আউট করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন আল ফাহাদ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা বৈভব সূর্যবংশীকে (৯) দলীয় ২৪ রানের মধ্যে ফিরিয়ে ভারতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা। তবে এরপর ছোট ছোট জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছিল ভারত।

এমন সময় বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল একটা মোমেন্টাম। সেই মোমেন্টামটাই এনে দিলেন ইকবাল হোসেন ইমন। ২১তম ওভারে ভারতকে জোড়া ধাক্কা দেন এই পেসার। নিজের ফিরতি ওভারে আরেকটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের কাজটা অনেকটাই সেরে রাখেন তিনি। ৯ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট নেন উদীয়মান এই পেসার।

৮১ রানে ৬ উইকেট তুলে নেওয়া বাংলাদেশের জয়ের পথের কাঁটা হিসেবে তখন ছিলেন মোহাম্মেদ আমান। ভারতীয় অধিনায়ক এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে আশা দেখাচ্ছিলেন। তবে সেই আশা কিছুদূর গিয়ে মিইয়ে যায়। দলীয় ১১৫ রানের সময় আজিজুল হাকিমের বলে তিনি ২৬ রানে বোল্ড হলে।

শেষ দিকে ২৪ রানের ইনিংস খেলে পরাজয়ের ব্যবধান কমান হার্দিক রাজ। ১৩৯ রানে ভারতীয় ‍যুবারা অলআউট হলে ৫৯ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।
ভারতের শেষ ব্যাটার চেতন শর্মার ক্যাচ বাউন্ডারিতে কালাম সিদ্দিকি ধরার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মেতে উঠে পুরো বাংলাদেশ দল। যুবাদের উল্লাস তখন ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্যালারিতে। বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে আজ অসংখ্য দর্শক মাঠে হাজির ছিলেন। ম্যাচ জয়ের পর বাংলাদেশের পতাকা হাতে ওভারল্যাপ দেওয়ার সময় প্রবাসী দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছে যুবারা।

এর আগে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে টস ভাগ্যে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ করতে পারে ১৯৮ রান। অথচ, একটা সময় বাংলাদেশের রান কমপক্ষে ২২০ হওয়ার কথা ছিল। তা হয়নি মাঝে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয়। ৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে চতুর্থ উইকেটে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখান মোহাম্মেদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন। দুজনে ৬২ রানের জুটি গড়েন। জেমস ৪০ রানে বিদায় নেওয়ার পর চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

কেননা জেমসের দেখানো পথেই দ্রুত ফেরেন দেবাশীষ দেবা (১) ও রিজান। আউট হওয়ার আগে অবশ্য দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন রিজান। শেষ দিকে বাংলাদেশকে দুই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর এনে দেন ফরিদ হাসান। সতীর্থরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৯ রান করেন তিনি।

সূত্র: কালের কণ্ঠ




বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে উত্তেজনা কাম্য নয়: কবীর সুমন

বাংলাদেশ ও ভারতের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি। একদিনের এই সফর সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে এই সফরকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা। এর মধ্যেই উত্তেজনা প্রশমনে দুই দেশের মানুষদের মধ্যে মুক্ত সংলাপ এবং সম্প্রীতি তৈরির লক্ষ্যে ‘শান্তিসেতু’ নিয়ে এসেছেন ভারতীয় গীতিকার, সংগীতশিল্পী ও সাবেক লোকসভা সদস্য কবীর সুমন।

এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে একটা অকাম্য উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে একাধিক বিষয়ে পারস্পরিক দোষারোপ। আমাদের এই দুটি দেশই সরাসরি প্রতিবেশী। জীবনের এমন কোনও ক্ষেত্র নেই, যেখানে এই দুটি দেশের বিবিধ দৈনন্দিন অভ্যেস ও সংস্কৃতি এক নয়। সবচেয়ে যা উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভাষা এক, যদিও বাংলাদেশে ও পশ্চিমবঙ্গে অন্য ভাষাভাষী মানুষও থাকেন। বছরের মৌসুমগুলোর প্রকৃতি দুই দেশে অভিন্ন। এসব সত্ত্বেও অল্পেই আমরা এ ওর ব্যাপারে উত্তেজিত হয়ে পড়ি, কখনও কখনও এ ওকে সন্দেহ করি, এমনকি ভয় পাই।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভারতের নাগরিক, বয়স ছিয়াত্তর চলছে। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের একাধিক বার্তা সংস্থা ও সংবাদমাধ্যম যে ধরনের অর্ধসত্য ও মিথ্যে খবর দিয়ে চলেছেন, তাতে ভয় হয় যে বাংলাদেশের মানুষজন আমাদের ভুল বুঝছেন ও ভুল বুঝবেন। তেমনি বাংলাদেশ সম্পর্কেও আমার দেশের অনেকের কিছু ভুল ধারণা আছে। এই সমস্যাগুলো দূর করতে গেলে প্রথমত দরকার দুই দেশের মানুষদের মধ্যে মুক্ত সংলাপ এবং সম্প্রীতি। সেই লক্ষ্যেই আমরা তৈরি করে নিয়েছি ‘শান্তিসেতু’। এখানে দুই দেশের মানুষ খোলা মনে যে যার বক্তব্য রাখতে পারবেন।’

‘শান্তিসেতুর একটা বড় কাজ হচ্ছে মিথ্যে খবরগুলোকে চিহ্নিত করা এবং আসল কথাগুলো সকলের সামনে তুলে ধরা’ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘এ ছাড়াও দুই দেশের জনগণের মধ্যে আত্মিক লেনদেনের, ভাবনা ও ভাব বিনিময়ের আরও অনেক দিক ক্রমশ খুলে যেতে বাধ্য। এগুলো আমরা ক্রমশ দেখতে পাব।’

সূত্র: ইত্তেফাক




গাংনীতে মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ট জনজীবন

মেহেরপুরের গাংনীতে উচ্চ শব্দে মাইক বাজানোর কারনে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। একই সাথে অতিষ্ঠ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি রোগীরাও। প্রশাসনিক ভুমিকা না থাকায় বেপরোয়া ভাবে প্রায় সব সময়ই উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো হচ্ছে। উচ্চ শব্দে মাইক বাজানোর বিরুদ্ধে বারবার গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যেরাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক বাজিয়ে রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের কর্মসূচি, ভোগ্যপণ্য, ডাক্তারের সন্ধান, গরু-ছাগল হারানো সহ নানা প্রচারণা চালানো হয়। ফলে সড়কের পাশে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, হাসপাতাল, অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমার দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।

মাইকের উচ্চ আওয়াজে শিক্ষার্থীরা রাতের বেলায় যেমন পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে না তেমনি রোগী ও তার স্বজনা মাইকের শব্দে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের অবহেলা আর নিস্ক্রিতার কারনে বেপরোয়া ভাবে যত্রতত্র মাইকের ব্যবহার বাড়ছে। এতে করে শ্রবন শক্তি হারানোর পাশাপাশি নানা সমস্যায় পড়ছে এলাকাবাসি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শব্দ দূষণে শরীরের প্রথম আক্রান্ত হয় কান এবং শ্রবণশক্তি, অতিরিক্ত শব্দের মধ্যে থাকেন তারা ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি হারাতে থাকেন। শব্দদূষণের কারণে শিশু মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী হতে পারে। অতিরিক্ত শব্দে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, মানসিক অসুখের ঝুঁকি বাড়ায় এছাড়া মানসিক ক্লান্তি উচ্চ রক্তচাপ, স্নায়ুবিক সমস্যা, অমনোযোগিতা সৃষ্টি এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস করে। ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে শব্দদূষণের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

গাংনী বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই মাইকে নানা প্রচার প্রচারনা শুরু। মাইকের শব্দে কান ঝালাপালা অবস্থা। সঙ্গে আছে গাড়ির হর্নের শব্দ দূষণ। এই শব্দ দূষনের যন্ত্রণা থেকে আমরা মুক্তি চাই।

গাংনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, এখন পরীক্ষা চলছে। দিন রাত্রী সমানতালে মাইক বাজানো হচ্ছে। মাইকের আওয়াজে পড়ায় মনোযোগ দেওয়া যায় না।

গাংনী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভেজ সাজ্জাদ রাজা বলেন, উচ্চ শব্দে মাইক বাজানোর ফলে ক্লাসে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। একারণে পাঠদান ব্যহত হয়। তাই উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তিনি।

আইনজীবিরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫এর ক্ষমতাবলে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ এবং বিধিমালায় ‘নীরব’ ‘আবাসিক’, ‘মিশ্র’, ‘বাণিজ্যিক’ ও ‘শিল্প পাঁচটি এলাকা চিহ্নিত করে শব্দের মানমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

বিধিমালার আওতায় নীরব এলাকায় দিনে (ভোর ৬টা থেকে রাত ৯টা) ৫০ ডেসিবেল ও রাতে (রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা) ৪০ ডেসিবলের বেশি আওয়াজ করা যাবে না। একইভাবে আবাসিক এলাকায় দিনে ৫৫ ও রাতে ৪৫ ডেসিবেল, মিশ্র এলাকায় দিনে ৬০ ও রাতে ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৭০ ও রাতে ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ ও রাতে ৭০ ডেসিবেল শব্দের মানমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ কর্তৃপক্ষ দেখভাল না করার কারনে যত্রতত্র মাইক বাজানো হচ্ছে।

কয়েকজন মাইক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ক্রেতা ও শ্রতাদেরকে আকৃষ্ট করতে উচ্চ শব্দে মাইক বাজাতে হয়। সবাই তো মাইক বাজাচ্ছে, তাই আমরাও বাজাচ্ছি। মাইক বাজাতে প্রশাসনের অনুমতি নেয়া হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাইক বাজাতে অনুমতি নেওয়া লাগে নাকি। বাজারে যেভাবে মাইক বাজানো হয় ঠিক সেভাবেই প্রশাসনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তো মাইক বাজানো হয়।

এবিষয়ে কথা বলতে পরিবেশ অধিদপ্তর মেহেরপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোজাফ্ফর হোসের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলে তিনি ফোন (রিসিভ করেননি) ধরেন নি।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আবারো বলা হবে। জনসচেতনার জন্য এবিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য আহবান জানান তিনি।

উচ্চশব্দে মাইক ব্যবহার বন্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা বলেন বিষয়টা দেখছি।




ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সমতা আনলো অস্ট্রেলিয়া

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে ভারত-অস্ট্রেলিয়া উভয়ের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি। পার্থে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে লিড নিয়েছিল ভারত। তবে অ্যাডিলেডের পিঙ্ক টেস্টে ভারতকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছ অজিরা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-১ এ সমতা আনলো অস্ট্রেলিয়া।

অ্যাডিলেড টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানে অলআউট হয় ভারত। জবাবে ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরিতে ৩৩৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ১৪০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন হেড। ১৫৭ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা।

১৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১২৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করে ভারত। এখানেই মূলত ম্যাচ চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার হাতে। তৃতীয় দিনে খেলতে নেমে ১৭৫ রানে অলআউট হয় রোহিত শর্মার দল। মাত্র ১৮ রানের লিড পুঁজি পায় ভারত। প্যাট কামিন্স নেন ৫টি উইকেট।

মাত্র ১৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে মাত্র ২০ বল খেলে ১০ উইকেটে দলের জয় নিশ্চিত করেন দুই অজি ওপেনার নাথান ম্যাকসুইনি ও উসমান খাজা। ম্যাকসুইনি ১০ ও খাজা ৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

সূত্র: ইত্তেফাক




দর্শনা বৃদ্ধাশ্রমে সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌর এলাকার আনোয়ারপুর হটাৎপাড়ায় অবস্থিত সিনিয়র সিটিজেন হোম (বৃদ্ধাশ্রম) সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বিকাল ৪ টায় বৃদ্ধাশ্রমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সামাজিকভাবে পরিবার ও সমাজ দ্বারা অবহেলিত বাবা মায়েদের পাশে থাকা নিয়ে আলোচনা করেন। বর্তমান সমাজের বাবা মায়ের গুরুত্বের বাস্তব পরিস্থিতি বিষয়টি উঠে আসে। দায়িত্ব বোধের জায়গা থেকে সমাজের সিনিয়র বাবা মায়েরা যেন অবহেলার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে। বাবা মায়ের আরো দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর সামাজিক উদ্যোগ নেয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধাশ্রমটিতে শুধুমাত্র বাবাদের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে মায়েদের জন্যেও ব্যবস্থা রাখা হবে। বৃদ্ধাশ্রমের প্রথম সদস্য ৭০ বছর বয়সী আবু যর গিফারী তার জীবনের নানান কথা তুলে ধরেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সিটিজেন হোম (বৃদ্ধাশ্রম) এর উদ্যোক্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় আলহাজ্ব মশিউর রহমান, সাবেক কি রোজ কর্মকর্তা সমাজ সেবক খালেকুজ্জামান, সমাজসেবক মোঃ আসাদুজ্জামান, মহিউদ্দীন, নজরুল ইসলাম, দর্শনা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি হারুনুর রশীদ,সমাজসেবক তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।




দর্শনায় ফেনসিডিল ও ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ৩

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানা পুলিশ ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদকসহ আটক ভুয়া সাংবাদিক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মঈন উদ্দিন চঞ্চল (৪২) কে ৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কে এইচ তাসফিকুর রহমান রায় প্রদান করেন।

৫ দিনের সাজা পাওয়া চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মঈন উদ্দিন চঞ্চল চুয়াডাঙ্গা ভীমরুল্লার মৃত্য. বিশারত মন্ডলের ছেলে।

গতকাল শুক্রবার ভোরে দর্শন আকন্দবাড়িয়া গাংপাড়ায় ফেনসিডিল আনতে গিয়ে চঞ্চল পুলিশের হাতে আটক হয়।
থানা সূত্রে জানা গেছে, দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীরের নেতৃত্বে দর্শনা থানা পুলিশ সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় আকন্দবাড়িয়া গাংপাড়ায় ফেনসিডিল সেবন করার সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী চঞ্চলকে এক বোতল ফেনসিডিল সহ পুলিশ চুয়াডাঙ্গা ভীমরুল্লার মঈন উদ্দিন চঞ্চলকে আটক করে। এ সময় নিজের অপরাধ আড়াল করতে চঞ্চল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন ও তার মেয়ে কলেজে পড়েন বলে গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করেন।

পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমান আদালত বসানো হয়। আদালতে চঞ্চল তার অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমাপ্রাপ্ত করেন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কে এইচ তাসফিকুর রহমান তাকে ৫ দিনের কারাদন্ডের আদেশ দেয়।

অপরদিকে দর্শনা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার কৃত আসামী কুড়ালাগাছি ইউনিয়নের কুড়ালগাছি পশ্চিম পাড়ার রহিমের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জমশেদ (২৮)ও পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের নাস্তিপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মাদক মামলার পলাতক আসামী রাশেদ (১৮)কে গ্রেফতার করে।

আজ শনিবার ৩ জনকে দর্শনা থানা পুলিশ চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে সোপর্দ করেন।




আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ

ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে নতুনরুপে আলমডাঙ্গা গঠন করার লক্ষ্যে পেশাজীবি জনগোষ্ঠীদের অন্তর্ভুক্ত করে আত্মপ্রকাশ করল আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটি।

১৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে সাবেক আলমডাঙ্গা রেলওয়ে ষ্টেশন মাস্টার শামসুল হক টুকুকে আহ্বায়ক ও সমাজ কর্মী হাবিবুল করিম চনচলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এ কমিটিতে তরুণ প্রজন্মের নেতৃস্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১ টার দিকে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামীতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সফর করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ইউনিয়ন পর্যায়ে আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে বলে জানানো হয় সভায়।

জানা গেছে, নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃত্বে উপজেলার তরুণদের সংগঠিত করা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের নেওয়া হবে না। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সংগঠিত করতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আহ্বায়ক কমিটির নাম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সূশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবি সংগঠন, এসএসসি ব্যাচের সদস্য, প্রবাসী প্রতিনিধি, ঢাকা প্রতিনিধি ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে পথযাত্রা শুরু করেছে।

এছাড়া আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটি প্রাথমিক কয়েকটি কাজ নির্ধারণ করেছে। এগুলো হলো–জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো, পৌর শহর রক্ষার আন্দোলন হিসেবে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, পরিচ্ছন্নতা বাজায় রাখা, যানজট মুক্ত করতে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা, পরিবেশ সংরক্ষণ, মশা নিধন, আলমডাঙ্গাকে সবুজ নগরায়ন গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরে বিল্ডিং কোড না মেনে অবৈধভাবে কংক্রিট জঙ্গল তৈরিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গিকার বদ্ধ হন। এগুলোকে বাস্তবায়ন করতে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বারও একাট্টা ঘোষণা করেন তারা।

আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, এরশাদপুর একাডেমী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক শামীম, ডাউকি বশিরা মালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দীন এটম, সামসুদ্দিন আহম্মেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম সাগর, আনিসুর রহমান, আশরাফুল কবীর, মোমিনপুর ইউনিয়নের সাবেক (সিইও) সোহরাব হোসেন, ক্রিড়াবিদ মিজানুল হক, আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক হিসাব রক্ষক মিজানুর রহমান সাবু, মীর মোহাম্মদ হাসান পল্টু, এমএস জোহা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান মিজা, হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসিফ জাহান রহিম, রোকনুজ্জামান ডাব্লু, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ শফি-উজ জামান, ব্যবসায়ী সংগঠক কামরুল ইসলাম হীরা, রাজ কুমার রামেকা ও শামসুজ্জোহা শাবু।

এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক আঃ রাজ্জাক, হারুন অর রশীদ, আক্তার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ সাজেদুল হক মণি, শিক্ষক ইউনুস আলী, হাফিজুর রহমান, হাসান সাজীদ (হাবিব), মহসিন কামাল, আলিহিম, লিপন বিশ্বাস, সালমান স্বপন, রাজীব, মুন, নাসিম, মিন্টু, মিজান সহ দেড় শতাধিক নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিক কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন এমদাদ হোসেন, সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন খন্দকার হাবিবুল করিম চনচল ও বিশেষ সহযোগিতায় ছিল কলেজপাড়া কল্যাণ কমিটির সদস্যবৃন্দ।




ইবনে সিনা ট্রাস্টে নিয়োগ

ইবনে সিনা ট্রাস্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সহকারী রেজিস্ট্রার পদে একাধিক জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আবেদন প্রক্রিয়া গত ০৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন-ভাতা ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সকল সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ইবনে সিনা ট্রাস্ট। পদের নাম: সহকারী রেজিস্ট্রার (মেডিসিন/সার্জারি/চক্ষু বিভাগ)। পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশনসহ এমবিবিএস ডিগ্রি। অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিভাগে কাজের দক্ষতা। অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম। কর্মক্ষেত্র: অফিসে। প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)। বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

কর্মস্থল: ঢাকা। বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে। অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

https://www.ibnsinatrust.com/ তে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: ১১ ডিসেম্বর ২০২৪।

সূত্র: কালবেলা