দামুড়হুদায় মাদক বিরোধী অভিযানে ফেনসিডিলসহ ১ মহিলা আটক

দামুড়হুদায় মাদক বিরোধী অভিযানে কার্পাসডাঙ্গা থেকে ১৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিলসহ ১ জন মহিলাকে আটক করেছে দামুড়হুদা মডেল থানার অন্তগত কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি পুলিশ।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা বাজারের বন্ধু টেলিকমের সামনে থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মহিলা হলো দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের মুন্সিপুর গ্রামের মাঝের পাড়ার বিল্লালের মেয়ে নাসরিন বেগম (৩৫)পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মাওলা মহোদয় ও দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীরের নির্দেশনায় কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই এস এম নিয়ামুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী অভিযানের ডিউটি পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা মডেল থানাধীন কার্পাসডাঙ্গা বাজারের বন্ধু টেলিকমের সামনে থেকে নাসরিন বেগমকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাকে হাতেনাতে আটক করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে মামলা রজু করা হয়েছে।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন মহিলাকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




জীবননগর সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিল্টন মোল্লা আটক

জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইসাবুল ইসলাম মিল্টনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় জীবননগর থানার পুলিশের একটি টিম মহেশপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গঙ্গাদাশপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মোল্লার ছেলে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ ইশাবুল ইসলাম মিল্টন মোল্লাকে (৪৫) আটক করে।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, আটককৃত ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন মোল্লা আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মহেশপুর থানার অফিসার ফোর্স এর সহযোগিতায় মহেশপুর থানা এলাকা হতে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে জীবননগর থানার মামলা নম্বর ১৪ তারিখ ১৮/১০/২৪ এর ৭ নং এজাহারনামীয় আসামি । মামলার পর থেকেই আসামী বিভিন্ন সময় জায়গা পরিবর্তন করে আসছিল। উক্ত আসামীকে সোর্স এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আটক করা হয়।




গাংনীতে সহকারি অধ্যাপক আব্দুর রশিদের স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক ও সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি সদ্য প্রয়াত আব্দুর রশিদের স্বরণ সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট পরিবারের পক্ষ থেকে আজ রবিবার (১০ নভেম্বর) বিকালে গাংনী ফুঁলকুড়ি মাধ্যমিক স্কুল মাঠে এই স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, গাংনী পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রশিদের ঘনিষ্ট বন্ধু কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো: আক্তার হোসেন, হাটবোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার, একই বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, মরহুমের সহপাঠি বিল্লাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী বিএসসি, মুজিবনগর সরকারি ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোরাদ হোসেন, গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান লাইলা আরজুমান বানু, আব্দুর রশিদের সরাসরি ছাত্র বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, আব্দাল হক, ডিজিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক জুলফিকার আলী কানন, গাংনী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ আলী টেকনিকেল কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম বকুল, হাড়াভাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আফরোজা আক্তার বানু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আজিজুল হক রানু, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর গাংনী এরিয়া সমন্বয়ক হেলাল উদ্দীন।

এসময় তার সহধর্মিনী ইভা রশিদ ও ছেলে সাহেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

সুজনের গাংনী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও করমদি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আবু সাদাদ মোহাম্মদ সায়েম পল্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্বরণ সভায় সমাপনি বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক সংগঠক সিরাজুল ইসলাম।

স্বরণ সভায় আলোচকবৃন্দ সহকারি অধ্যাপক আব্দুর রশিদের জীবনীর উপর নানা তথ্য উপাত্য তুলে ধরে বলেন আব্দুর রশিদের মৃত্যুতে গাংনী উপজেলাবাসি একজন সৎ নিষ্ঠাবান সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদকে হারিয়েছেন। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি অনাচার দূরিকরণে আব্দুর রশিদ স্বোচ্ছার ছিলেন। তিনি মানুষকে সততার দিকে আহবান জানাতেন।

উল্লেখ্য, গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) সহকারি অধ্যাপক আব্দুর রশিদ গত ৩০ অক্টোবর বুধবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।




অভিশাপের কারনে হাসিনা সহ তার এমপি মন্ত্রীরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে… সাবেক এমপি আমজাদ 

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন বলেছেন ৭৪ সালে দূর্ভিক্ষের সময় কুকুরের সাথে মানুষ খাবার নিয়ে টানাটানি করেছে। খাবারের অভাবে মানুষ ডাষ্টবিনের খাবার খেয়েছে। শেখ মুজিবের সময় সেটি হয়েছে।

আজ রবিবার বিকালে গাংনী বাজার বাসষ্ট্যান্ডে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,শেখ হাসিনার শাসন আমলে গুম খুন ধর্ষন লুটপাট হুলিয়া থেকে শুরু করে সব অপকর্ম হয়েছে। এসব অপকর্ম আর অভিশাপের কারনে হাসিনা সহ তার এমপি মন্ত্রীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, ৭ নভেম্বরকে মনেপ্রাণে ধারণা করতে হবে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াকে এ দেশের মানুষ ভালোবাসে বলেই সিপাহি-জনতা বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দেশের কল্যাণ-অগ্রগতির জন্য।

এর আগে গাংনী ফুটবল মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিণ্ন সড়ক ঘুরে বাসষ্ট্যান্ড চত্তরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য’র মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাংনী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রউফ মাষ্টার।

প্রধান অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সাবেক এমপি মো: আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মাষ্টার। অনুষ্ঠান সঞ্চালণা করেন বিএনপি নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বাবলু। এসময় উপজেলা বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় যোগদেন।




আলমডাঙ্গায় মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গা উপজেলার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলার বকসিপুর-মাজু গ্রামের মাঠে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনার কর্মসূচি পালন করা হয়।

মাঠ দিবস ও কারিগরি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার ডিডি, ডিএই, কৃষিবিদ মো: মাসুদুর রহমান সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, সরিষা তেলজাতীয় ফসল। এই ফসলের মাধ্যমে তিনটি উপাদান পাওয়া যায়। সেগুলো হলো তেল, মধু ও জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায়। সরিষা চাষে যেমন শারীরিক উপকারে আসে তেমনি আর্থিকভাবেও স্বাবলম্বী করে তোলে। আপনাদের এলাকায় সরিষা চাষে ব্যাপক সাড়া পাওয়াই এঅঞ্চলে মৌসুমে হলুদ ফুলে ছেয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রেহানা পারভিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যশোর আঞ্চলিক তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ এ,এইচ,এম জাহাঙ্গীর আলম, উপসহকারী কৃষি আবু জাফর ওবাইদুল্লাহ, উপসহকারী কৃষি অফিসার হুমায়ন কবির, রফিকুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, পাপিয়া খাতুন, শারমিন আক্তার, সেলিনুর রহমান। এছাড়া আলোচনা সভার আগে কৃষকদের মাঝে সরিষা ও ভুট্রা উৎপাদনে বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।




শপথ নিলেন নতুন তিন উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের আরও তিনজন উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন উপদেষ্টাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শপথ নেওয়া তিন উপদেষ্টা হলেন- ১. সেখ বশির উদ্দিন, ২. মো. মাহফুজ আলম, ৩. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

এর আগে চার দফায় শপথগ্রহণ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ উপদেষ্টা। এর মধ্যে ৮ আগস্ট শপথ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ উপদেষ্টা। ঢাকা ও দেশের বাইরে থাকায় তিন উপদেষ্টা সেদিন শপথ নেননি।

পরদিন শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে ১১ আগস্ট শপথ নেন উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান রঞ্জন রায় আর ১৩ আগস্ট শপথ নেন আরেক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।

এরপর গত ১৬ আগস্ট নতুন করে আরও চার উপদেষ্টা শপথ নেন। তারা হলেন- সাবেক সচিব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ রাইফেলসের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম।

সূত্র: কালবেলা




চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা: চ্যাম্পিয়ন ইতিহাস বিভাগ

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ কৃষিশিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের আহবায়ক সহযোগী অধ্যাপক রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এ কে এম সাইফুর রশীদ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন জয়-পরাজয় মিলেই খেলাধুলা। এটা মেনে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে অত্যন্ত জরুরী। খেলাধুলা শারীরিক গঠন, মানসিক বিকাশ ও নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা একান্তভাবে জরুরী। তিনি বিজয়ী, বিজিত ও খেলায় অংশগ্রহণকারী- সবাইকে অভিনন্দন জানান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আগামী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিকের পাশাপাশি স্মার্ট খেলোয়াড় দরকার। তাই বেশি বেশি খেলার অনুশীলনী করতে হবে। যারা খেলাধুলা করেন, তাঁদের মন ভালো থাকে, তাঁরা শান্তিতে থাকেন। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতা থেকে দূরে থাকেন। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ বেশি বেশি সকল প্রকার খেলাধুলা আয়োজন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং আগামীতে আরও বড় প্রতিসরে খেলা আয়োজনে হবে বলে জানান তিনি। পুরুষ্কার বিতরণ শেষে টুর্নামেন্ট সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক, রোভার স্কাউটস, রেড ক্রিসেন্ট ও বিএসিসি সদস্য সকলকে আন্তরিকতার সাথে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের নিজস্ব তত্বাবধানে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়। মোট ১৫টি বিভাগের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ফাইনাল খেলায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগ ও অর্থনীতি বিভাগ অংশগ্রহণ করে। নিদিষ্ট সময় শেষে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ইতিহাস বিভাগ। খেলায় নিদিষ্ট সময় পার হলেও কোন দল গোল না পাওয়াই খেলা গড়াই ট্রাইবেকারে। ট্রাইবেকারে ৫টি শুট আউট করে ইতিহাস ৪ ও অর্থনীতি বিভাগ ৩ গোল করতে সক্ষম হয়।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের উপাধাক্ষ্য ফারজানা কেতকী, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সফিকুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক আবু বক্কর সিদ্দিক,সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক মতিউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, প্রভাষক ইয়াজিদ হোসেন, প্রভাষক তুষার আহমেদ, প্রভাষক আজিম হোসেন সহ চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বিভিন্ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। খেলা শেষে ইতিহাস বিভাগের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও অর্থনীতি বিভাগের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুর রশীদ।




মুজিবনগরে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজসহ পালাতক চোরাকারবারী আটক

মুজিবনগরে ২১ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ সহ জাকির হোসেন নামের এক পালাতক চোরাকারবারীকে আটক করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ।

আজ রবিবার দুপুরে আটক হওয়া পেঁয়াজের বীজ থানায় নিতে আসলে তাকে আটক করা হয়। আটকৃত জাকির হোসেন মুজিবনগর উপজেলার আনন্দ বাস গ্রামের সাপুরের ছেলে।

এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরীনগর গ্রামে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ আটক করতে গেলে বীজ ফেলে রেখে চোরা কারবারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের চিহ্নিতকরণ করে আনন্দবাস গ্রামের জাকির হোসেন ও সোনাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন সহ অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১ টা ৩০ মি: দিকে ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তি চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ নিয়ে গৌরিনগর গ্রামের খালের ধার দিয়ে গৌরিনগর গ্রামের দিকে যাচ্ছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুজিবনগর থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা কারবারীরা পেঁয়াজের বীজ ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের চিহ্নিত করে পুলিশ।

পরে থানায় এসে উল্লেখ দুইজনসহ ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে রবিবার দুপুরে এদের মধ্যে জাকির নামের ওই ব্যক্তি থানায় বীজ নিতে আসলে তাকে আটক করা হয়।

মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করেন।




মেহেরপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মেহেরপুর জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার( ১০ নভেম্বর) সকাল দশটার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম, সিভিল সার্জন ডা. মহী উদ্দীন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রনি আলম নুর, এন এস আই’র ডিডি মিজানুর রহমান, মেহেরপুর জেলা কমান্ড্যান্ট সাজ্জাদ মাহমুদ, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম ,গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীম কুমার সাহা, সদর উপজেলার (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী মূয়ীদুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্বাস উদ্দীন, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশাদুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নীলা হাফিয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এ জে এম সিরাজুম মূনীর, জেলা সমবায় কর্মকর্তা প্রভাষচন্দ্র বালা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান, মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আবুল হাশেম প্রমুখ।




হরিণাকুন্ডুতে কৃষি ব্যাংকের শাখা স্থানান্তর চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভালকী বাজারে কৃষি ব্যাংকের শাখা অফিস স্থানান্তর চেষ্টার প্রতিবাদে এলাকাবাসি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

আজ রোববার দুপুরে কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের ভালকী বাজারে ব্যাংকের শত শত গ্রাহক ও এলাবাসি এই কর্মসুচি পালন করেন।

মানববন্ধন শেষে ভালকী বাজারে আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধ ও সাবেক চেয়ারম্যান ইমদাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল ইসলাম, মহিউদ্দীন মাষ্টার, স্থানীয় মসজিদের ইমাম কুতুব উদ্দীন মন্ডল, বিসিআইসি সার ডিলার আব্দুল খালেক, স্কুল শিক্ষক ফয়জুর রহমান ফয়েজ, মোয়াজ্জেম হোসেন, খালেদুর রহমান, জাফর আলতাফ সোনা, সোহরাব হোসেন মন্ডল, সাবেক ইউপি সদস্য সালাহউদ্দীন, প্রভাষক ওলিয়ার রহমান, মিজানুর রহমান ও লিন্টু মন্ডল।

ব্যক্তিগন বলেন, হরিণাকুন্ডুর ভালকী বাজার বহু পুরানো জনপদ। এখানে চাকরিজীবী ও বড় বড় ব্যবসায়ী রয়েছেন। এই ব্যাংকে তাদের একাউন্ট রয়েছে। ব্যাংকটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হলে গ্রাহকরা নিরাপত্তহীনতায় পড়তে পারে। গ্রাহক ও গ্রামবাসি ব্যাংকটি যাতে অন্যত্র সরিয়ে না নেওয়া হয় সে বিষয়ে ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।