মহেশপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে বিএনপির কার্যালয়। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে পুড়ে গেছে অফিসে থাকা চেয়ার, টেবিলসহ আসবাবপত্র।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

মুহূর্তে আগুনে পুড়ে যায় অফিসে থাকা সকল আসবাবপত্র ও দলীয় প্রধানের ছবি। সে সময় বিস্ফোরণ করা হয় দুটি ককটেল। টের পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মহেশপুর থানা বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, গত বুধবার ফেসবুকে তারেক রহমানকে নিয়ে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবক মহিরুদ্দিনের সঙ্গে বিএনপি সদস্য হামিদুল ইসলামের বাকবিতণ্ডা হয়। বিষয়টি ওইদিনই সমাধান করে দেন স্থানীয়রা। ওই ঘটনার জেরে বিএনপি কার্যালয়ে আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টারের ২ লাখ টাকা জরিমানা 

চুয়াডাঙ্গার অবহেলিত দামুড়হুদায় মানহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ছড়াছড়ি রয়েছে। উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করেই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় কার্পাসডাঙ্গা সীমান্তবর্তী ইউনিয়নসহ একাধিক স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম।

অভিযানকালে কার্পাসডাঙ্গায় অবস্থিত লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার নামক একটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি, মানহীন সেবা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ, অপারেশন থিয়েটারের অপব্যবস্থাপনাসহ একাধিক অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা, দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন ও দর্শনা পৌরসভা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহযোগিতায় কার্পাসডাঙ্গাস্থ বেসরকারি হাসপাতাল লাইফ কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল (লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার) এ জনস্বার্থে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ক্লিনিকটির অপারেশন থিয়েটার (ওটি) কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে তা সিলগালা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিন আলম।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের সরবরাহ মনিটরিং করা হয়। এ সময় খোলা বাজারে প্রকাশ্যে তেল বিক্রির অপরাধে একজনকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে সহযোগিতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান, হেলথ ইন্সপেক্টর (স্বাস্থ্য পরিদর্শক) মো. নিয়ামুল আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের পেশকার মো. আনিসুর রহমান আনিসসহ দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের একটি টিম।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সরকারের নির্দেশনা ও আইন অমান্য করে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে উপজেলার বেশিরভাগ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান অদক্ষ লোক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা করছে। বেশিরভাগ ক্লিনিক ভাড়া করা স্থানে নিয়ম না মেনে গড়ে তোলা হয়েছে। কাগজে-কলমে থাকলেও অনেক ক্লিনিকে নেই ডিউটি ডাক্তার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নারকোটিক পারমিট ও পরিবেশ ছাড়পত্র। প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো অনুমতিও নেই বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে সচেতন মহল ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. শাহিন আলমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।




কুষ্টিয়ায় তিন প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী বিক্রি এবং সংরক্ষণের অভিযোগে কুষ্টিয়া শহরে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার এন.এস. রোড বাজার এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে কাপড়ের দোকান, জুতা ও স্যান্ডেলের দোকান, কনফেকশনারি এবং ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকানগুলোতে মনিটরিং করা হয়। এ সময় অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশে খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে জমজম সুইটস অ্যান্ড কনফেকশনারিকে ২০ হাজার টাকা, নিউ শাহিন বেকারিকে ১০ হাজার টাকা এবং শাহিন বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আলী।

তিনি জানান, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রী বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে সহযোগিতা করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম দায়িত্ব পালন করে।




মেহেরপুরের আমঝুপিতে মউক প্রধান কার্যালয়ে তালা ভেঙে চুরি

মেহেরপুরের আমঝুপিতে অবস্থিত স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন মানব উন্নয়ন কেন্দ্রের (মউক) প্রধান কার্যালয়ে তালা ভেঙে পরিকল্পিতভাবে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আজ শনিবার সকাল আটটার দিকে অফিস খোলার সময় প্রধান গেটের দুটি তালা ভাঙা দেখতে পান কর্মচারীরা। পরে অফিসে প্রবেশ করে তারা আরও তিনটি কক্ষের তালা ভাঙা দেখতে পান। কক্ষের ভেতরে রক্ষিত নগদ ৩০ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ ও মূল্যবান ডকুমেন্ট চুরি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে সংস্থার প্রশাসনিক বিভাগ।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মেহেরপুর সদর থানায় জানানো হলে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্ত শুরু করে।
এ বিষয়ে মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর জানান, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং সংস্থার পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মউকের প্রধানকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং অফিসের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের হীনচক্রান্ত করে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।




তেল পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির টহল ও তল্লাশি জোরদার

সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্ভাব্য পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি, টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সদর দপ্তর বিজিবির নির্দেশনা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় দর্শনা আইসিপিসহ জেলার বিভিন্ন সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন মালামালের ওপর তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অতীতে যেসব রুট দিয়ে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছিল, সেসব পয়েন্টে বাড়তি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে দর্শনা আইসিপি গেটে দেশীয় ও ভারতীয় পণ্য ভারতে প্রবেশের সময়ও অধিক সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত পথে জ্বালানি তেল পাচার না হতে পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনো চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হবে এবং পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




মেহেরপুরে তেল সংকট, সীমিত পরিমাণে বিক্রি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব মেহেরপুরের তেল পাম্পগুলোতেও পড়েছে। জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় সাধারণ ক্রেতারা অতিরিক্ত তেল কেনার চেষ্টা করায় জেলার বিভিন্ন পাম্পে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ফলে চাহিদার তুলনায় বেশি বিক্রি হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছে পাম্প মালিকরা।

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ক্রেতারা সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল নিতে পারছেন। তবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে কেউ কেউ তেল পেলেও অনেকেই না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

শনিবার বেলা ১২টার তথ্য অনুযায়ী, শহরের কলেজ মোড়ে অবস্থিত মেসার্স মেহেরপুর ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। বামনপাড়ায় অবস্থিত মা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল বিক্রি বন্ধ থাকলেও সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অকটেন দেওয়া হচ্ছে। কাথুলী রোডের মেসার্স জেড কে ফিলিং স্টেশনে সর্বোচ্চ ১০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। আর পুলিশ লাইন রোডের নূর ফিলিং স্টেশনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে সরকার রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। এতে করে কেউ অতিরিক্ত তেল কিনে মজুদ করতে পারবেন না বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।




মেহেরপুরের বেশিরভাগ তেল পাম্প বন্ধ; খোলার খবর পেলেই ভিড় জমাচ্ছে মানুষ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে মেহেরপুরের তেল পাম্প গুলোতে। জ্বালানি তেলের সংকট আশংকায় অতিরিক্ত তেল মজুদের চেষ্টা করছেন সাধারণ ক্রেতারা। ফলে চাহিদার তুলনায় বেশি বিক্রি হওয়াতে হিমশিম খাচ্ছে পাম্প গুলো। যে কারণে অধিকাংশ তেল পাম্প বন্ধ করে রেখেছেন মালিকরা। যেখানে পাম্প খোলার খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই ছুটছে মানুষ। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল নিতে পারছেন ক্রেতারা। তবে ধৈর্য ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে পাচ্ছেন, কেউ কেউ না পেয়েই ফিরছেন। তবে এমন পরিস্থিতি সরকার আগামীকাল রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সীমা নির্ধারন করে দিয়েছে। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল কিনে মজুদ করতে না পারেন।

বাস-ট্রাকগুলো তাদের নির্ধারিত পাম্প থেকে তেল নিতে পারছে। ফোন দিয়ে ডেকে নিয়ে বন্ধ পাম্প খুলে নিয়মিত কাস্টমারদের তেল দিয়ে ফের বন্ধ করে রাখছেন মালিকরা। তবে অনিয়মিত বাস-ট্রাকে তেল দেওয়া হচ্ছে না।

তেল সংকট হবে গত ৫-৬ দিন ধরে এমন খবরে ক্রেতারা পাম্প থেকে বেশি করে তেল কিনে নিয়ে যাওয়ায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পাম্প মালিকরা। এখন ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে। সংকট থেকে উত্তরণের কোনো খবরও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। এভাবে চলতে থাকলে এবার বোরো চাষ বিঘ্ন হবে বলে আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার উজুলপুর গ্রামের কৃষক ওহিউল ইসলাম বলেন, তিনি ১০ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছেন। তার শ্যালো মেশিনের অধীনে আড়াইশ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়। ৩-৪ দিন ধরে পাম্পগুলো ঘুরে অল্প অল্প করে ডিজেল পেলেও আজ দুদিন ধরে কোনো ডিজেল কিনতে পারেননি। ফলে ধানের জমিতে সেচ দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

একই গ্রামের চাষি কফেল উদ্দিন বলেন, ধানে এখন নিয়মিত সেচ দেওয়া জরুরি। ডিজেলের অভাবে আজ দুদিন পানি দিতে পারিনি। জমি শুকিয়ে গেলে ধানের উৎপাদন ব্যাহত হবে। সরকারের উচিত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাষিদের আগে ডিজেল দেওয়া। তা না হলে চাষিরা ক্ষতির মধ্যে পড়ে যাবে।

কাঁচামালের আড়তদার মিজানুর রহমান বলেন, তেলের দাম বেড়ে যাবে ও সংকট হবে এমন কথা ছড়িয়ে পড়ায় আমার পিকআপ ও মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে এসেছি। তবে তেলের দাম না বাড়লেও তেল সংকট ঠিকই হয়ে গেছে। ৫টি পাম্প ঘুরে একটি পাম্পে কিছু তেল পেয়েছি। মোটরসাইকেলের জন্য ৩০০ টাকার অকটেন পেয়েছি। তাও পুলিশ লাইনের পাশে নুর ফিলিং স্টেশনে যেতে হয়েছে। অন্যান্য পাম্প বেশির ভাগই বন্ধ রয়েছে।

পেপার হাউজের ম্যানেজার গোলাম মাহাবুব লাল্টু বলেন, জেলার সব উপজেলায় পেপার পাঠাতে গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছি না। মোটরসাইকেলের জন্য পেট্রোল-অকটেন তো নেই বললেই চলে। এভাবে চলতে থাকলে সব বন্ধ করে বসে থাকতে হবে।

তেল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি নুর হোসেন আঙ্গুর বলেন, তেলের দাম বাড়ার কোনো খবর আমাদের কাছে নেই। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের খবরে মানুষ আতঙ্কে পাম্পে ভিড় করছে। আমরা মজুদ অনুযায়ী নির্ধারিত মূলেই তেল বিক্রি করছি। তবে কোনো কোনো পাম্পের মজুদ শেষ হয়ে গেলে ক্রেতারা তা মানতে না চাওয়ায় বাধ্য হয়ে পাম্প বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনেকেই আতঙ্কে তেল কিনছে। তবে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। পাম্প মালিকরা প্রাপ্যতা অনুযায়ী তেল বিক্রি করছে। জেলা প্রশাসন থেকে পাম্পগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

তেল ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকারের

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।

স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক উল্লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। ২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। ৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। ৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। ৫. তেল বিপণন কম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি মাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যাবধি কোনোরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বর্ণিত অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা/ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হলো।




চুয়াডাঙ্গায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

চুয়াডাঙ্গায় ন্যাশনাল চিল্ড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) জেলা শাখার উদ্যোগে অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুর মাঝে ইফতার বিতরণ, ইসলামিক গান, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পুলিশ পার্ক কমিউনিটি সেন্টারে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এনসিটিএফ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি এস.এ. সাদিক বিন রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ পার্ক ইনচার্জ সাব-ইনস্পেক্টর সোলাইমান হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের আরও সুন্দরভাবে বিকশিত করতে পারে। তিনি এই আয়োজনকে স্বাগত জানান এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের উৎসাহিত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত শিশুদের অংশগ্রহণে ইসলামিক সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিচারকরা প্রতিযোগীদের পরিবেশনা মূল্যায়ন করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও পার্কে শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়।

এ আয়োজন বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম। শিশুদের উৎসাহিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের মাঝে ইসলামিক বই উপহার দেওয়া হয়।




সিপিবির ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মেহেরপুরে আলোচনা সভা

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিথ (সিপিবি) ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেরপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার জেলা কমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শহিদুল ইসলাম কানন।

সভায় বক্তব্য রাখেন শহিদুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, মখলেছুর রহমান, আহসান হাবীব, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা সিপিবির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের গণতন্ত্র, শ্রমিক-কৃষকের অধিকার এবং সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।




আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে মাদকসহ একজন গ্রেফতার

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ (ত্রিশ) পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার এসআই (নিঃ) প্রদীপ বিশ্বাস ঘোলদাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অভিযান চালিয়ে বেলগাছি গ্রামের চাঁদ আলির ছেলে মো. জুয়েল রানাকে (৩০) তার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ৩০ (ত্রিশ) পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি জুয়েল রানার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) সারণির ২৯(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।