ঝিনাইদহে আ’লীগের লকডাউনের প্রতিবাদে শেখ মুজিবের ম্যুরাল গুড়িয়ে দিল ছাত্র জনতা

আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউনের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে শেখ মুজিবের ‘এক তর্জনি’ বিশিষ্ট ম্যুরালটি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিল ছাত্র জনতা। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ শহরের সাবেক মুজিব চত্বরে স্থাপিত ‘এই ম্যুরালটি’ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউনের প্রতিবাদে সকাল ১০টার দিকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শহীদ মিনারের সামনে বর্তমান স্বাধীনতা চত্বরে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের ‘এক তর্জনি’ স্তম্ভটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।

এর আগে গত বছরের জুলাই বিপ্লব চলাকালে ৫ আগস্ট ‘এক তর্জনি’ ম্যুরালটি ভাঙচুর করা হলেও কিছু অংশ অবশিষ্ট ছিল। সেই অবশিষ্ট অংশ বৃহস্পতিবার সকালে বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা।

বিষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব সাইদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রাখতে অতীতে অগ্নিসংযোগ করে মানুষ হত্যা করেছে। এখনো তারা সেই কাজটিই করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাজার হাজার মানুষকে আওয়ামী লীগ ও হাসিনা পঙ্গু করে দিয়েছে। দেড় হাজারের বেশি ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। আজও শহিদদের রক্তে রাজপথ ভেজা। কিন্তু আওয়ামী লীগ হায়েনার মতো আবারও অগ্নিসন্ত্রাসে মেতে উঠেছে। যে কারণে, ছাত্র জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে বাকশালের জনক শেখ মুজিবের স্তম্ভটি গুড়িয়ে দিয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা ম্যুরালটি ভেঙে দিয়েছে। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।




গাংনীতে শিশু মৃত্যু রোধে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

মেহেরপুরের গাংনীতে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে সাঁতার প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাংনী উপজেলার ধানশিঁড়ি রিসোর্টের সুইমিং পুলে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম। সাঁতার প্রশিক্ষণে অংশ নেয় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান, গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি ও লুৎফন নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ জাকির হোসেন, গাংনী পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসান আল নুরানি, সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান এবং চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান।

সাঁতার প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, পর্যাপ্ত জলাশয় ও পুকুর না থাকায় আমরা সাঁতার শেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ আয়োজন করায় আমরা খুবই উপকৃত হবো এবং নিজেদের আত্মরক্ষার সুযোগ পাবো।

জেলা প্রশাসক ড. আবদুল সালাম বলেন, প্রতিবছর মেহেরপুর জেলায় পানিতে ডুবে অনেক শিশু মারা যায়, যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।

জেলায় পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকায় শিশুরা সাঁতার শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে বারবার পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এতে সচেতন মহল ও অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। এ কারণেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার প্রতিটি গ্রামে সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা শহর ও গাংনীতে এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।




২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেট তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে বিএনসিসি

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কর্পসের (বিএনসিসি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সায়েদ আল মাসুদ জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেট তৈরির লক্ষ্য নিয়ে তাদের কাজ এগিয়ে চলেছে।

গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক সভায় ‘বিএনসিসির মাধ্যমে জাতীয় রূপান্তর’ শীর্ষক এক উপস্থাপনায় তিনি এ তথ্য জানান।

উপস্থাপনাকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সায়েদ বিএনসিসির বর্তমান কাঠামো, যুব দক্ষতা উন্নয়ন কাঠামো, জাতীয় যুব কর্মপরিকল্পনা, প্রয়োজনীয় জনবল, বাজেট, চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনসিসিতে যোগদানের প্রাথমিক বয়সসীমা ১৭ থেকে ১৮ বছর।

বিএনসিসির মহাপরিচালক জানান, বর্তমানে বিএনসিসির অধীনে ৫৬১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর শাখা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বিএনসিসির লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই বিএনসিসিকে সমর্থন করি, তবে এর গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের ভালো, বিশ্বাসযোগ্য প্রশিক্ষক প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতপন্থি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনসিসি মানে আত্মসম্মান ও শৃঙ্খলা। এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত, যাতে প্রশিক্ষণ শেষে ক্যাডেটরা সার্টিফিকেট পেতে পারেন, যা তাদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে। পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং সুযোগ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারেন।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান।




চুয়াডাঙ্গার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম টোটন গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গার সাবেক এমপি সেলুন জোয়ার্দারের ছোট ভাই সাবেক পৌরমেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের কথিত লকডাউন উপলক্ষে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ছিল রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনের।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

ডিবির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নাশকতার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।




মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

দিনব্যাপী কবিতা আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশনা ও নানা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল ওয়াদুদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সংস্কৃতি ও খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল্লাহ আল আমিন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ ও প্রফেসর কাজী আশরাফুল আলমসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।




নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হলেন জোহরান মামদানি

নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানি। এনবিসি নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রগতিশীল ভোটারদের উজ্জীবিত করে এবং দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে তিনি এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। তার জয়ে যেমন আনন্দে ভাসছে প্রগতিশীল শিবির, তেমনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রিপাবলিকানরা এবং কিছু ডেমোক্র্যাটিক মধ্যপন্থী নেতাও।

নিউইয়র্কের ১১১তম মেয়র হলেন মামদানি। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী মামদানি সহজ ব্যবধানে পরাজিত করেন সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো ও রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াকে। কুয়োমো ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে পরাজয়ের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েন। আর বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামস গত সেপ্টেম্বরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়ে কুয়োমোকে সমর্থন জানান।

প্রায় এক বছর আগে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করা মামদানির জন্য এটি এক অবিস্মরণীয় উত্থান। একজন তুলনামূলক অখ্যাত স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান থেকে আমেরিকার সবচেয়ে বড় শহরের নেতৃত্বে পৌঁছে গেলেন তিনি। মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে তিনি নিউইয়র্কের প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরিকে দু’দুবার হারিয়ে দেন।

এখন জাতীয়ভাবে পরিচিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে মামদানিকে সামলাতে হবে বিশাল প্রশাসনিক কাঠামো, বাস্তবায়ন করতে হবে তার উচ্চাভিলাষী নীতিমালা, এবং প্রগতিশীল রাজনীতির জাতীয় ধারায় প্রভাব বিস্তার করতে হবে। তার ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ভাড়া নিয়ন্ত্রিত ফ্ল্যাটে ভাড়া বৃদ্ধিতে স্থগিতাদেশ, সার্বজনীন শিশুসেবা, বিনামূল্যে বাস চলাচল ব্যবস্থা ও সিটি করপোরেশন পরিচালিত মুদি দোকান চালু করা।

কুইন্সে হাজারো সমর্থকের সামনে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এক সমাবেশে মামদানি বলেন, ‘এমন মুহূর্ত যেন আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল—এমনটা ভাবতে ইচ্ছে করে। কিন্তু যখন আমি প্রচারণা শুরু করি, তখন সেখানে একটিও টেলিভিশন ক্যামেরা ছিল না।’ তিনি যোগ করেন, ‘চার মাস পর, ফেব্রুয়ারিতেও আমাদের সমর্থনের হার ছিল মাত্র ১ শতাংশ—আমরা ছিলাম সেই প্রার্থীর সঙ্গে সমান, যার নাম ছিল “অন্য কেউ”।’

মামদানির এই জয়ের প্রভাব শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা সারা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিউইয়র্কে এখন তার প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে অ্যালবানি ও সিটি কাউন্সিলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করা—যাদের অনেকেই শুরুতে তার পাশে দাঁড়াতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন।

জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাট নেতারা খতিয়ে দেখবেন, কীভাবে মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছেন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটকে প্রধান ইস্যু বানিয়েছেন—যা তাদের নিজেদের নির্বাচনী লড়াইয়েও দিকনির্দেশনা দিতে পারে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা ইতিমধ্যেই মামদানির বামঘেঁষা নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

এনবিসি নিউজের এক্সিট পোল অনুযায়ী, মামদানি নিউইয়র্কের প্রায় সব জাতিগত গোষ্ঠীর ভোট পেয়েছেন—শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ, লাতিনো, এশীয় ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ভোটারদের বড় অংশই তাকে বেছে নিয়েছেন। ৪৫ বছরের নিচের ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ছিল বিপুল; কুয়োমোর চেয়ে ৪৩ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন তিনি। অন্যদিকে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারদের মধ্যে কুয়োমো ১০ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন।

শিক্ষাগত পার্থক্যও ভোটের ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে এক্সিট পোল জানায়। এছাড়া গত ১০ বছরে নিউইয়র্কে বসতি স্থাপন করা নতুন বাসিন্দা ও জন্মসূত্রে নিউইয়র্কে থাকা ভোটারদের মধ্যেও স্পষ্ট বিভাজন দেখা গেছে।

তবে মামদানির ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান নির্বাচনজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। তার মুসলিম পরিচয় ও ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নিয়ে বিরূপ প্রচারণা চললেও শেষ পর্যন্ত ভোটাররা তাকেই সমর্থন দেন। এক্সিট পোল অনুযায়ী, ইহুদি ভোটারদের মধ্যে কুয়োমো এগিয়ে ছিলেন ৬০% ভোটে, যেখানে মামদানি পান ৩১% ভোট।

নির্বাচনের শেষ সপ্তাহগুলোতে মামদানি ও কুয়োমোর মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ হয়। কুয়োমো তাকে ‘নিউইয়র্কে বিভাজন সৃষ্টিকারী’ বলে আখ্যা দেন, অন্যদিকে মামদানি কুয়োমোকে ট্রাম্পের ‘কাঠপুতলি’ বলে সমালোচনা করেন। নির্বাচনের আগের রাতেই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুয়োমোকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্লিওয়াকে ভোট দেওয়া মানে মামদানিকে ভোট দেওয়া।

একইসঙ্গে এক্সিট পোল থেকে জানা যায়, রিপাবলিকান ভোটারদের বড় অংশ স্লিওয়ার চেয়ে কুয়োমোকেই সমর্থন করেছেন—রিপাবলিকানদের ৬১% ভোট গেছে কুয়োমোর পক্ষে, আর স্লিওয়া পেয়েছেন ৩৫%।

গত মাসের শেষদিকে এক আবেগপূর্ণ ভাষণে মামদানি বলেন, তিনি নিজের মুসলিম পরিচয় নিয়ে ‘বর্ণবাদী ও ভিত্তিহীন’ আক্রমণের মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘তারা এই নির্বাচনকে বানাতে চেয়েছে আমার ধর্মবিশ্বাসের ওপর গণভোট, কিন্তু আমি লড়েছি নিউইয়র্কবাসীর জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের বিরুদ্ধে।’

নিউইয়র্কের ইতিহাসে তিনিই হতে যাচ্ছেন প্রথম মুসলিম মেয়র। তার বিজয় শুধু নিউইয়র্ক নয়, সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে প্রগতিশীল রাজনীতির জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে দিল।

সূত্র: ইত্তেফাক




বিএনপি সমর্থিত বনাম জামায়াত-বিএনপি মিশ্র প্যানেল; লড়াইয়ে ১৪ প্রার্থী

আজ মেহেরপুর রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচন। মেহেরপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সকাল ১১ টায় শুরু হবে ভোট গ্রহণ, চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

দুটি প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন ১৪ জন। তবে দীর্ঘ আওয়ামী শাষণের পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ নির্বাচন। নির্বাচনে দুটি প্যানেলের একটিতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল, অপরটি বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত মিশ্র প্যানেল গঠণ করায় এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অ্যাড. নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারী পদে কাজী মিজান মেনন, সদস্য পদে মো: সামসুর রহমান, দবির হোসেন, নাজমুন নাহার রিনাও খ: মো: ইব্রাহীম আলী (লাল মিয়া) প্রতিদ্বন্দীতা করছেন।

অপর মিশ্র প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত নেতা আল আমিন ইসলাম বকুল, সেক্রেটারী সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন, নির্বাহী সদস্য পদে জামায়াত নেতা নুর রহমান, বিএনপি নেতা একেএম আনোয়ারুল হক কালু, মাজাহারুল ইসলাম , মো: নজরুল ইসলাম ও সোহেল রানা।

এ প্যানেলে চারজন জামায়াত সমর্থিত এবং তিনজন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রয়েছেন বলে জানা গেছে।




৩৩ বছর পর আজ মেহেরপুর রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ভোট

৩৩ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মেহেরপুর ইউনিটের নির্বাচন। দীর্ঘ সময় ধরে সদস্যদের সরাসরি ভোটের সুযোগ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি কার্যত নেতৃত্বের একচেটিয়া দখলে পরিণত হয়েছিল বলে অভিযোগ সদস্যদের একটি অংশের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৩৩ বছর ধরে আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট একরামুল হক হীরা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতি মেয়াদেই প্রস্তাবিত কমিটিই অনুমোদিত হওয়ায় নেতৃত্বে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এতে সংগঠনের ভেতরে নতুন নেতৃত্ব গড়ে ওঠার সুযোগও সীমিত থেকেছে বলে মনে করেন অনেকে।

রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিটটি মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকলেও, সংগঠনটির গণতান্ত্রিক কাঠামো অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছিল বলে পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য। ভোট প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এবার সেই স্থবিরতা কাটার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

ভোটের ঘোষণা আসার পর থেকেই পুরনো সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে ‘সংগঠনের পুনর্জাগরণের সূচনা’ হিসেবেই দেখছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তনের নয়, বরং রেড ক্রিসেন্টের প্রতি আস্থা পুনর্গঠনেরও সুযোগ তৈরি করবে।

২০০১ সালে আজীবন সদস্য হওয়া আনোয়ারুল হক কালু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সদস্য হয়েছি প্রায় ২৪ বছর আগে, কিন্তু কোনো ভোট দিতে পারিনি। প্রতিবছরই প্রস্তাবিত কমিটি গঠিত হয়েছে, সদস্যরা শুধু সমর্থনের আনুষ্ঠানিকতা পালন করেছেন।

প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মী মাহবুবুল হক মন্টু বলেন, ৪০ বছর আগে সদস্য হয়েছি। ২০০১ সাল থেকে আজীবন সদস্য। একবার ব্যাপক চাপের মুখে ১৯৯২ সালে ভোট হয়েছিল, তারপর আর কার্যনির্বাহী কমিটির ভোট হয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় রাজনীতির প্রভাব রেড ক্রিসেন্টের কমিটিতেও কম নয়। অতীতে আওয়ামী লীগপন্থী নেতৃত্বের প্রভাবসহ একটি গোষ্ঠী নেতৃত্ব কুক্ষিগত করে রেখেছিল। এবার ভিন্ন ধারা থেকে প্রার্থীরা এগিয়ে আসায় ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিন সমর্থন ভোটে মেহেরপুর ইউনিটের সাধারণ সম্পাদকের পদে থাকা অ্যাডভোকেট একরামুল হক হীরার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই নির্বাচন স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তবে এটি ভবিষ্যতে সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চাকে নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে।




ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস চাকরি করেন পোস্টমাস্টারের

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক তারকা ইমরুল কায়েস এখন মেহেরপুরের উজলপুর ডাকঘরের কাগজে-কলমে কর্মচারী। তার মাসিক সম্মানী মাত্র চার হাজার চারশত নব্বই টাকা। কিন্তু যে ডাকঘরে তিনি কর্মরত বলে সরকারি রেকর্ডে দেখা যায়, সেই অফিসের অস্তিত্বই মেলে না বাস্তবে।

বিষয়টি জানাজানি হতেই মেহেরপুর জুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে অবাক হয়ে বলছেন, জাতীয় দলের ক্রিকেটার কি সত্যিই সাড়ে চার হাজার টাকার সরকারি চাকরিজীবী? নাকি এটি প্রভাব খাটিয়ে নেওয়া এক নামমাত্র নিয়োগ?

উজলপুর গ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক চিঠি ও নথিপত্র ফেরত যাচ্ছে প্রেরকের কাছে। ফয়সাল নামের একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার ভিসা সংক্রান্ত কাগজ পাননি, সে চিঠি আবার যুক্তরাষ্ট্র ফেরত গেছে। আবার কেউ চাকরির সাক্ষাৎকারের ডাক হারিয়েছেন। এমন অভিযোগ পেয়ে সরজমিনে উজলপুর গ্রামে গেলে দেখা যায়, গ্রামটিতে ডাকঘরের কোনো অস্তিত্বই নেই। কোথাও কোনো সাইনবোর্ড নেই, নেই পোস্ট অফিসের কোন চিহ্ন।

চায়ের দোকানে জিজ্ঞেস করতেই কেউ বললেন, এই এলাকায় তো কোনো পোস্ট অফিস নাই। অন্য কেউ বললেন, ইমরুল কায়েসের বাবা ও দাদা নাকি আগে কাজ করতেন।সে সময় তাদের বাড়িতেই ডাকঘর ছিল। এখন কে বা কারা কাজ করছে সে সম্পর্কে তাদের ধারণা নাই।

মেহেরপুর প্রধান ডাকঘরের রেকর্ডে দেখা যায়, উজলপুর ডাকঘরে ইমরুল কায়েস ও আব্দুল জলিল ইডিএ পদে এবং রাজু আহমেদ ইডিএমসি পদে কর্মরত। কিন্তু গ্রামের মানুষ জানে না, তারা কারা বা কোথায় আছেন। জলিল নামে একজন চিঠি বিলি করতেন, পরে তিনি বিদেশে চলে গেছেন বলে জানা যায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইমরুল কায়েস বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার একটি ক্রিকেট একাডেমিতে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।

মেহেরপুর প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘চার-পাঁচ বছর হলো ইমরুল কায়েস ডাক বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বিস্তারিত জানতে হলে বিভাগীয় ডাক পরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তবে ইমরুল আমাদের এলাকার ছেলে, তারকা ক্রিকেটার, মেহেরপুরের গর্ব। তাকে নিয়ে নেতিবাচক কিছু না লিখলেই ভালো।’

বিভাগীয় ডাক পরিদর্শক অলক কুমার বিশ্বাস মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, ‘২০২১ সালে তৎকালীন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ডিও অনুযায়ী ইমরুল কায়েসকে উজলপুর ডাকঘরের ইডিএ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মাসিক সম্মানী ৪৫০০ টাকা। এটি লাভজনক কোনো পদ নয়।’

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, যে ডাকঘর বাস্তবে নেই, সেখানে কীভাবে সরকারি নিয়োগ কার্যকর থাকে?

অস্ট্রেলিয়া থেকে মুঠোফোনে ইমরুল কায়েস বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন প্রতিবেদকের সাথে। তিনি ডাক বিভাগে তার সম্পৃক্ততা এবং সাম্প্রতিক সময়ে চিঠি ফেরত যাওয়ার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে নেন।

তিনি বলেন, ‘গ্রাম পোস্টমাস্টারদের কাজ চিঠি বিলি করা না। আমি পোস্ট অফিসের অনুরোধে তাদের সাথে আমার নামটি যুক্ত করেছি, যাতে বাংলাদেশের ডাক বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিঠি ফেরত যাওয়ার বিষয়টি পোস্টম্যানের ভুল, আমার নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জলিল সাহেব এখন ওমরাহ করতে সৌদি আরব অবস্থান করছেন। দেশে ফিরলেই সমস্যা সমাধান করবেন।’
মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দেখব, সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় করণীয় পদক্ষেপ অবশ্যই গ্রহণ করা।’

স্থানীয়রা বলছেন, ইমরুল কায়েস দেশের একজন সফল ক্রিকেটার, তার পরিবারও প্রভাবশালী। ইমরুলের শ্বশুর জহুরুল ইসলাম মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এছাড়াও তিনি দেশের শীর্ষ একজন ঠিকাদার ও পরিবহন ব্যবসায়ী। তাদের অনেকেরই প্রশ্ন, গ্রামের কোনো দরিদ্র ছেলেকে এই পদে সুযোগ না দিয়ে এমন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়াটা কতটা ন্যায্য?

উল্লেখ্য, ইমরুল কায়েসের দাদা কায়েম বিশ্বাস পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া থেকে পঞ্চাশের দশকে মেহেরপুরে এসে বসতি গড়েছিলেন। তার দাদা ও পিতার দুজনেই দুপুরবে গ্রাম পোস্টমাস্টার হিসাবে কাজ করেছেন। তার পিতা বনি আমিন বিশ্বাস ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

তবে, যে গ্রামে ডাকঘরের অস্তিত্বই নেই, যেখানে কর্মচারীরা দেশের বাইরে, সেই অফিসের মূল পদে একজন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার, এই নিয়োগ কতটা নিয়মতান্ত্রিক আর কতটা প্রভাবের ফল, সেটিই এখন মেহেরপুর জুড়ে আলোচনার বিষয়।




আ.লীগের লকডাউন প্রতিরোধে মেহেরপুরে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল 

আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের লকডাউন কর্মসূচির বিরুদ্ধে এবং মেহেরপুর-১ আসনের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মেহেরপুর জেলা বিএনপি।

গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. কামরুল হাসানের নেতৃত্বে বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

মিছিলে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা “স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন জিন্দাবাদ” এবং “মেহেরপুর-১ আসনের মনোনয়ন বাতিল করো” ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ইলিয়াস হোসেন, আলমগীর খান ছাতু, আবু সালেহ নাসিম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, রোমানা আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফায়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা প্রমুখ।

এছাড়াও এসময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজমুল হোসেন মিন্টু, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকা বিল্লাহ, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন তপু, জেলা শহীদ সংসদ জিয়া মঞ্চের সভাপতি আলিফ আরাফাত খান, বিএনপি নেতা নাহিদ আহমেদ এবং জেলা যুবদলের সদস্য মেহেদী হাসান রোলেক্সসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।