
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের ব্যানারে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১২টায় ডিসি সাহিত্য মঞ্চে চলমান আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে স্লোগান দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এসময় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষনা দেয় জেলা বিএনপি। পরে বিষয়টি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক।
জানা গেছে, ডিসি সাহিত্য মঞ্চে শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে একে একে বক্তব্য দেন অতিথিরা। সবশেষ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই সভাস্থলে পৌঁছে স্লোগান দিতে থাকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে ব্যানারে ছবি না থাকায় জেলা প্রশাসকের কাছে জবাব চান তারা। পরে অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেন নেতাকর্মীরা। এরপর পুরস্কার বিতরণের পর অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষণা করা হয়।
এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। তখনও স্লোগান দিতে থাকেন তারা। এসময় জেলা জাসাসের সাধারন সম্পাদক সেলিমুল হাবীব বলেন, শুধু ব্যানারের ছবি দেয়নি এমন না, বরং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারন সম্পাদক হিরন উর রশীদ শান্ত। প্রশাসনের এমন বিতর্কিত কর্মকান্ড আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু বলেন, একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়টি মেনে নেয়া যায় না। আমরা ডিসির কাছে জানতে চেয়েছি সন্তোষজনক উত্তর পাইনি। তাই অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি।
এদিকে এই পরিস্থিতির পরপরই মঞ্চে উঠে দ্বিতীয় দফায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত বাজেট নেই। এজন্য ছবি সাজানোর ইচ্ছা থাকলেও পারিনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীও ছবি ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করেন। তবে বিষয়টি ভুল হয়েছে

