
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলু’র মৃত্যু সংবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়।
গত সোমবার রাত ১০টায় সেনাবাহিনীর একটি টিম জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশে একটি কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ এর এক পর্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন পরে সেনাবাহিনীর একটি টিম তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শামসুজ্জামান ডাবলু জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মৃত্যুর খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে। এই অবরোধ রাত ১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে।
সকাল ১০টায় সেনাবাহিনীর একটি টিম স্থানীয় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান। এরপর সকাল ১১টায় জীবননগর থানার একটি টিম স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে বিক্ষিপ্ত জনতা তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় জীবননগর থানার ওসি সহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।
দুপুর ১টায় লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এবং পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম । লাশ নেওয়ার পরপরই জীবননগরের প্রধান সড়কগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং ব্যবসায়ীরা দোকান খুলতে থাকেন।
জেলা প্রশাসন মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ময়না তদন্ত করা হবে ময়না তদন্ত শেষে যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

