
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে কর্মচারীদের মারধরে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর রাতে ৩টি বাসে আগুন দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা। এর প্রতিবাদে সকালে সড়ক অবরোধ করে ঝিনাইদহের বাসের শ্রমিকরা।
গ্তকাল রোববার সকালে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এ সড়ক অবরোধ শুরু হয়।
শ্রমিকরা সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে পোড়া বাস নিয়ে অবরোধ শুরু করে। এতে বন্ধ হয়ে যায় ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের সকল প্রকার যানচলাচল। সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা। পরে বাসে আগুন দেওয়ার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের আশ্বাসে ২ ঘন্টা পর অবরোধ তুলে দেয় শ্রমিকরা।
উল্লেখ, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শহরের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পের কর্মচারীদের পিটুনিতে নিহত হয় ফারদিন আহম্মেদ নিরব নামে এক যুবক। এ ঘটনায় রাতে শহরের আরাপপুরে একটি তেল পাম্প ভাংচুর ও রাত ২ টার দিকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে ৩ টি বাসে আগুন নেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহফুজ হোসেন বলেন, রাতে বাসে যারা আগুন দিয়েছে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশ আশ্বাস নেওয়ার পর রাস্তা ছেড়ে দিয়েছে শ্রমিকরা। এবিষয়ে শহরের সুধিজনরা নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন কথায় কথায় তারা বাস দোকান-পাঠ, বাসা বাড়িতে আগুন দেবে এটা মেনে নেওয়া যায়না। যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় যখন সারা শহরে শোক ও প্রতিবাদ চলছে সেই সুযোগে বৈসম্যবিরোধী নামধারী কয়েকজন ছাত্র-যুবক বাসে আগুন দিয়ে তিনটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে পোষাকের সোরুম বন্ডে আগুনসহ কয়েকজনের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া একই সূত্রে গাথা। সব অপরাধের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবী করেন তারা।

