
অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া মানে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে যাওয়া। ‘না’ ভোট দেওয়া মানে স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোটের প্রচার এবং ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গণভোটের বিষয়ে সরকারের নিরপেক্ষতার জায়গা নেই। হয় আমি গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে, এই ছেলেমেয়েদের পক্ষে, জুলাই শহিদদের পক্ষে, হয় আমি হাদির পক্ষে, হয় আমি নতুন বাংলাদেশ চাই, অথবা চাই না। আমার দেশে এরকম কিছু মানুষ আছে হয়তো, যারা বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিমের উপকারভোগী; তারা হয়তো গণভোটে ‘না’-এর পক্ষে। তারা মূলত পরিবর্তনটা চায় না। তারা নতুন বাংলাদেশ চায় না।
উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, এই গণভোটের মাধ্যমে আপামর সাধারণ জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট দেয়, তাহলে সংস্কারের দ্বার খুলে যাবে। আমরা গণঅভ্যুত্থানের সরকার। কাজেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা গণভোটের পক্ষে, ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষেই আমাদের অবস্থান। আমরা চাইছি, মানুষ বুঝুক গণভোট কেন তাদের জন্য দরকার। বুঝে-শুনে তারা ‘হ্যাঁ’ এর কাছেই আসুক।
এর আগে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট ও নির্বাচনে জনমত গঠন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, সুবীর কুমার দাশ, নির্মল কান্তি তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

