
কেরুজ চিনিকলের বিএমআর প্রকল্প এখন গলার কাঁটা দাড়িয়েছে মিল কতৃপক্ষের। পহেলা জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৬৮ ঘন্টা নতুন বিএমআর প্রকল্পের আখ মাড়াই করতে গিয়ে ৯০ ঘন্টা যান্ত্রিক কবলে পড়ে ১০২ কোটি টাকার বিএমআর প্রকল্প।
দর্শনা কেরুজ চিনিকলের আওতায় আখবাহনের চালক ও আখচাষীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে ভারতীয় বিএমআর প্রকল্পের ইন্জিনিয়ারসহ কেরুজ কর্মকর্তারা।কেরুজ চিনিকলে ২০২৫-২৬ শুরু হয় ৫ ডিসেম্বর। আখ মাড়াই মরসুমের আনুষ্ঠানিক – উদ্বোধন আধুনিকায়নকৃত কারখানায় আখ মাড়াই ডিসেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি।
ফলে পুরোনো মিলেই আখ মাড়াই শুরু করা হয়। শুরু থেকেই ভালো চলছিলো মাড়াই কার্যক্রম। ৩০ ডিসেম্বর ছিলো চলতি মরসুমের প্রথম ক্লিনডেট। ৩১ ডিসেম্বর রাত দুটো থেকে আধুনিকায়নকৃত চিনি কারখানায় আখ মাড়াই শুরুর কথা থাকলেও তাও যায় ভেস্তে। পরে ভোরে চালু হয় মাড়াই কার্যক্রম। শুরু হয় মিলে আখ আনা পরিবহন চালক, কৃষক, শ্রমিক-কর্মচারী নানা ত্রুটি দেখা দেয় আধুনিয়কানকৃত জনিত কারণে রবিবার বন্ধ হয়েছে আখ টারবাইনসহ বিভিন্ন মেশিনারিজে সমস্যা দেখা দেয় কারখানায়। মিল হাউজ, বয়লার, ও কর্মকর্তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। ক্ষণে ক্ষণে মাড়াই ক্ষণে ক্ষণে বন্ধ। গত ৭ দিনে ১৬৮ ঘণ্টার মধ্যে ত্রুটি জনিত কারণে চিনি কারখানায় আখ মাড়াই বন্ধ থেকেছে ৯০ ঘণ্টা।
তথ্যনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর ৬ ঘণ্টা, ১জানুয়ারি ২৩ ঘণ্টা, ২ জানুয়ারি ৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি, ৫ জানুয়ারি ৮ ঘণ্টা, ৭ জানুয়ারি আখ মাড়াই বন্ধ রাখতে হয়েছে। এদিকে কৃষক ও কেরুজ চিনিকলের আওতায় আখ নিয়ে আসা পরিবহন, পাওয়ারট্রলি কৃষকদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। চাষীরা কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে শুর করে বিক্ষোভ। বিক্ষোভহীন অবস্থায় দর্শনা কেরুজ চিনিকলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃরাব্বিক হাসান লিখিতভাবে জানান, বিএমআর প্রকল্প যান্ত্রিক ক্রুটি হচ্ছে।ফলে মাড়াই কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবে বিঘ্নত হচ্ছে।ফলে আবার ডিজিটাল ছেড়ে আবার এনালক দিয়ে মাড়াই কার্যক্রম শুরু করে।
তাহলে প্রশ্ন ১০২ কোটি টাকার প্রকল্প কি মুখ থুবড়ে পড়বে। তাহলে সাধারণ মানুষ মনে করছে এটা শুভংকরের ফাঁকি। এ বিষয়ে কেরুজ চিনিকলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান জানান, পুরাতন মিল দিয়ে আখ মাড়াই শুরু হয়েছে কোনো ঝামেলা ছাড়াই মিল সুন্দর ভাবে চলছে।

