
মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন।
সড়ক দুর্ঘনায় আহতের বিষয়টি আড়াল করে একটি মহল ‘জামায়াতের হামলায় আহত’ বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয়।
জানা গেছে, মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রোমানা আহমেদ ও বিএনপি নেত্রী সাবিহা সুলতানা। আমঝুপি ও চাঁদবিলের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে একটি কুকুরের সঙ্গে তাদের রিকশার ধাক্কা লাগে। এসময় রিকশাটি উল্টে যায়। এতে রোমানা আহমেদ ও সাবিহা সুলতানা আহত হন।
ঘটনার পর রোমানা আহমেদ এবং সাবিহা সুলতানার স্বামী শফিক সেন্টু তাদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে পোস্ট করেন। অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতেও ঘটনাটি একটি সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবেই প্রকাশিত হয়।
তবে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এই দুর্ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চালায় হয়। ফেসবুকে দাবি করা হয়, ধানের শীষের প্রচারণা শেষে ফেরার পথে জামায়াত-শিবিরের হামলার শিকার হন রোমানা ও সাবিহা।
তবে আহত বিএনপি নেত্রী রোমানা আহমেদ বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি ঠিক হচ্ছে না।
জেলা জামায়াতের রাজনৈতীক সেক্রেটারি মো. রুহুল আমিন বলেন, এভাবে দুর্ঘটনার খবর জামায়তের ঘাড়ে চাপিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাওয়া বিএনপির দেউয়ালিয়াত্ব প্রমাণ করে। এটা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল। তিনি প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের প্রতি অনুরোধ জানান, দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় হোক।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহত নেত্রীদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে জামায়তের নেতারা ছুটে যান।
আহত রোমানা আহমেদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে জানান, যারা দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপির জামায়াতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন তারা ঠিক করছেন না।
সেখানে এ নেত্রী দুর্ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জামায়াতের উপর দোষ চাপানো বন্ধ করার আহ্বান জানান।

