
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মেহেরপুর জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে মো: ফারহান ফুয়াদ নাফিস।
নাফিস মেহেরপুরের জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১ হাজার ২৫০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২১৪ নম্বর অর্জন করেছে।
জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৮৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে অসাধারণ ফলাফল করে মেহেরপুর জেলায় প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফারহান ফুয়াদ নাফিস।
ফারহান ফুয়াদ নাফিস মুজিবনগর উপজেলার যতারপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: ফেরদৌস রাব্বীর ছেলে। সে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী এবং নিয়মিত অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে।
ফারহানের এমন কৃতিত্বে তার পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছেন শিক্ষকরা।
ফারহান ফুয়াদ নাফিসের এই সাফল্যে পরিবার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মেহেরপুর জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে মো: ফারহান ফুয়াদ নাফিস।
নাফিস মেহেরপুরের জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১ হাজার ২৫০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২১৪ নম্বর অর্জন করেছে।
জিনিয়াস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৮৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে অসাধারণ ফলাফল করে মেহেরপুর জেলায় প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফারহান ফুয়াদ নাফিস।
ফারহান ফুয়াদ নাফিস মুজিবনগর উপজেলার যতারপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: ফেরদৌস রাব্বীর ছেলে। সে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী এবং নিয়মিত অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে।
ফারহান ফুয়াদ নাফিসের মা নারগিস বানু বলেন, আমার ছেলের ওপর আস্থা ছিলো সে ফলাফল করবে।
ফারহান ফুয়াদ নাফিসের বাবা ফেরদৌস রাব্বী বলেন, আমি আশা করেছিলাম ছেলে ভালো ফলাফল করবে। ছোট থেকেই নিজের ভালো এবং নিজেট মতো পরিশ্রম করেছে তার পরিশ্রম সফল হবে এই প্রত্যাশা ছিলো। আমি তাকে সবসময় বলি সময়ের সৎ ব্যবহার করতে হবে পরিশ্রমী হতে হবে অলস হওয়া যাবে না।
জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ শামসুর রহমান বলেন, জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ অংশগ্রহণ করে বিগত বছরের ন্যায় এবারও সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে আমাদের অত্র প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ফারহান ফুহাদ নাফিস। তার সম্পর্কে যদি আমরা কিছু বলি, একজন ভালো ছাত্র হিসেবে যা যা গুণাবলী থাকা দরকার সবগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছি। সে নিয়মিত স্কুলে আসতো ক্লাসগুলো নিয়মিত করতো। তার বাসা মুজিবনগরের যতারপুর গ্রামে। সে প্রতিদিন রোদ, বৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে নিয়মিত সে স্কুলে এসে পাঠদান গ্রহণ করতো, শিক্ষকদের প্রত্যেকটা কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করা লেখার ক্ষেত্রে তার অসাধারণ হাতের লেখা পাশাপাশি প্রত্যেকটা কাজে সে মনোযোগ যার ফলশ্রুতিতে জেলায় সর্বোচ্চো নাম্বার পেয়ে কৃতিত্ব ধরে রেখেছে। তার ভিতরে আমরা কখনো উশৃঙ্খলা লক্ষ্য করি নাই।
তিনি আরও বলেন, এই রেজাল্টের পিছনে আমি মনে করি স্কুলের শিক্ষকদের অবদান রয়েছে পাশাপাশি তার পরিশ্রম এবং তার পিতা-মাতার অবদান রয়েছে। এছাড়াও আমি লক্ষ্য করেছি তার বাবা অথবা চাচা তাকে স্কুলে রেখে যাওয়া এবং শিক্ষকদের সাথে সর্বোপরি যোগাযোগ রাখা, আমরা বাসাতে খোঁজ-খবর নিয়েছি সে সব সময় স্কুলে পড়াশোনা থেকে শুরু করে সামগ্রিক কাজ নিজ দায়িত্বে করতো, আমি প্রত্যাশা করি তার যে পড়াশোনার মনোভাব এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এর ফলে সে একজন সফল মানুষ হিসেবে পরিগণিত হবে এর পাশাপাশি আমি আমার বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই ফারহান ফুয়াদ নাফিস সে নিজেকে একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে তাকে অনুসরণ করে ভবিষ্যতে যারা এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে তাদের নাফিসের কাছ থেকে অনুকরণ করার অনেক বিষয় রয়েছে ধারাবাহিকভাবে সেগুলো গ্রহণ করবে এবং নাফিসের মত ধারাবাহিক রেজাল্ট করবে এবং জিনিয়াসের মুখ উজ্জ্বল করবে,সর্বোপরি নাফিসের এই ফলাফলে আমরা খুবই খুশি।
ফারহানের এমন কৃতিত্বে তার পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছেন শিক্ষকরা।
ফারহান ফুয়াদ নাফিসের এই সাফল্যে পরিবার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

