
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা আলিয়ার (৬৫)। উপজেলার সকল শ্রেণির মানুষের মুখে মুখে যার নাম আলিয়ার ঘটক।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তিনি ঘটকালির পেশায় জড়িত। ভালোবেসে মানুষের হাত জোড়া লাগানোই তার কাজ। তার হাত ধরে শত শত যুবক-যুবতীর নতুন সংসার শুরু হয়েছে। এলাকা থেকে জেলা-উপজেলা ঘুরলে দেখা মেলে তার গড়া অনেক সুখের সংসার।
আলিয়ার ঘটক জানান আমি ৪০ বছর ধরে ঘটকালি করে ১৩৫ টি বিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন যে এলাকায় আমি মেয়ে বা ছেলে দেখতে যায়, সেখানে বিয়ে না দিয়ে মুখে খাবার তুলিনা।
শুধু ঘটকালি নয়, গত ৩৫ বছর ধরে ভবানীপুর পান বাজারে চালাচ্ছেন একটি ছোট হোটেল। টিনের চাল আর পাটকাঠির বেড়ায় ঘেরা সেই ঘরে নিজ হাতেই রান্না করেন তিনি। তার হাতের রান্নার ঘ্রাণে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমান সেই হোটেলে।
তাকে নিয়ে কারো কারো নেতিবাচক ধারণা থাকলেও, ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাই বেশি। কারণ তার আছে এক বিশেষ গুণ। প্রতিদিন তার হোটেলে ফকির-মিসকিন ও অসহায় মানুষের পেটে খাবার জোটে। কেউ খালি হাতে ফেরেনা। অনেকেই মনে করেণ, আলিয়ার শুধু ঘটক নন, তিনি একজন মানবিক হৃদয়ের অধিকারী।

