
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ সোমবার।
এবারের ফলাফলে মেহেরপুর সদরের জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ নিজেদের সাফল্য ধরে রেখেছে। তবে জেলার চারটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক।
মেহেরপুর সদরের জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৮৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪২ জন জিপিএ-৫সহ মোট ৮৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৭৪ জন জিপিএ-৫সহ মোট ১৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
এদিকে জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৯ জন জিপিএ-৫সহ ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
অন্যদিকে জেলার চারটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফলে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯ জন জিপিএ-৫সহ ১৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেল করেছে ৩৯ জন। পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৭ জন জিপিএ-৫সহ ১৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেল করেছে ৬৮ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৭৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।
গাংনী সরকারি পাইলট বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজন জিপিএ-৫সহ ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেল করেছে ২১ জন। পাসের হার ৬৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।
মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৭ জন জিপিএ-৫সহ ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেল করেছে ২৭ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১ জন জিপিএ-৫সহ ১৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেল করেছে ৪৪ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেহেরপুর সদরে জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং গাংনীতে সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবারও ভালো ফলাফল ধরে রেখেছে। বিপরীতে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।

