
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরী মাঝপাড়ায় বাড়িতে হামলা, মারধর, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মজিবার রহমান (৫০) বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে দামুড়হুদা মডেল থানায় দেওয়া অভিযোগে মজিবার রহমান উল্লেখ করেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে একই গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে তার পূর্ববিরোধ চলে আসছিল।
এর জেরে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার দিকে একই গ্রামের মিঠু, মিজা, নায়েব আলী, ভুট্টু, আশা, শহিদুল ইসলাম, ইয়াল ও হারুনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৮ থেকে ৩০ জন দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তার বাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা বাড়ির সীমানাপ্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন।
এ সময় একজন রামদা দিয়ে মজিবার রহমানকে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা প্রতিহত করেন। পরে কয়েকজন তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি-বাটাম দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। পরবর্তীতে আবারও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হলে তিনি ঘরের ভেতরে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির ভেতরে থাকা টিনের চালা, গোয়ালঘর, টিনের ছাপড়া, প্রাচীরসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক ৩৮ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রাণ রক্ষার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা তাদের গুরুতর জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করেন মজিবার রহমান।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দীন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

