
মেহেরপুরের শহরের ঘোষপাড়ায় ক্রয়কৃত জমিতে মাদ্রাসা নির্মাণ করতে গিয়ে বাঁধা ও হুমকির স্বীকার হচ্ছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় আদালত আসামিদের করা মামলা খারিজ করে দিলেও তারা বাঁধা ও হুমকি অব্যহত রেখেছে।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আমিরুল ইসলাম মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্যর সুপারিশ নিয়ে মেহেরপুরের পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত করেছেন ৮ জনকে। তারা হলেন- মেহেরপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষ পাড়ার মৃত এহিয়া খন্দকারের ছেলে আব্দুর রশীদ, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মতিন, আব্দুল গনি, মেয়ে সাকিলা খাতুন পানতা, রোকিয়া খাতুন (বুড়ি), আব্দুস সালামের মেয়ে সামসুন্নাহার, শান্তি ।
অভিযোগে আমিরুল ইসলাম জানান, সাবেক ৫৯ নং মৌজার খতিয়ান নং-২১০০, দাগ নং-৬৫৩০, আর.এস খতিয়ান নং-৮৭৬, দাগ নং-৬৫৩০, শ্রেণী- ভিটা, পরিমাণ ১০ শতক এবং আর.এস খতিয়ান নং-১১৮০, দাগ নং-৬৫৩১, পরিমাণ ৩.৫৬ শতকসহ ১৩.৫৬ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করি।
ক্রয়কৃত জমির উপর সবুজ ছায়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা নামে একটি দ্বিনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। পরবর্তিতে পুরাতন টিনের ছাউনি অপসারণ করে স্থায়ীভাবে কংক্রিটের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু করিলে বিবাদীগণ সংঘবদ্ধভাবে নির্মাণকাজে বাধা প্রদান করে এবং জোরপূর্বক কাজ বন্ধ করে দেয়। বিবাদীগণ অসৎ উদ্দেশ্যে ও পরস্পর যোগসাজশে আমার বিরুদ্ধে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারার মামলা দায়ের করিয়া আমাকে হয়রানি করে। আদালত চলতি বছরের ১৪ মে মামলাটি খারিজ করে দেয়। এরপরেও আসামিরা বিভিন্ন কৌশলে উক্ত জমির খারিজ কার্যক্রম নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং আমার বৈধ মালিকানা ও ভোগদখলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আসামিরা বারবা্র আমাকে জমিতে প্রবেশ, নির্মাণকাজ পরিচালনায় বাধা প্রদান করে অবৈধ অর্থ দাবি করছে।
এ বিষয়ে আসামি আব্দুস সাত্তার বলেন, আমাদের মামলা কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। পরে আমি আমি জেলা জজ কোর্টে আবার মামলা করেছি। তারা টাকা দিয়ে কোর্টের মামলা খারিজ করে নিয়েছে, তা আমি মেনে নেব না। তিনি আরও বলেন, যার সাথে তারা জমি কিনেছে তার সাথে বুছে নেয়নি।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ন কবির বলেন,‘ অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু জমি সংক্রান্ত বিরোধ, উভয় পক্ষকে ডাকবো। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

