
মেহেরপুর হোটেল বাজার জামে মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে জীবন বীমার নামে টাকা নেওয়া ও পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শনিবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী মাসুদ খান ও তার স্ত্রী মোছা. মুকুলা আক্তার।
মাসুদ খান বলেন, তিনি বিদেশে কর্মরত থাকাকালে ২০১৫ সালে রোকনুজ্জামান তার বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী মোছা. মুকুলা আক্তার হাসিকে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে জীবন বীমা করার প্রস্তাব দেন। ১০ বছরে ৫ লাখ টাকা জমা করলে ১০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে তাকে জানানো হয়। একই সঙ্গে বীমা কোম্পানি টাকা দিতে কোনো তালবাহানা করলে তিনি নিজে সব টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই আশ্বাসের ভিত্তিতে রোকনুজ্জামান প্রতি বছর ৫৫ হাজার ১৫০ টাকা করে নিয়ে মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ২০০ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে লাভসহ ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮০ টাকা পাওনা হয়েছে বলে দাবি করেন মাসুদ খান।
তিনি বলেন, পাওনা টাকা ফেরত চাইলে রোকনুজ্জামান বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। গত ১১ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে তার বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে টাকা দেবেন না বলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
রোকনুজ্জামান হোটেল বাজার জামে মসজিদের ইমাম হওয়ায় তার স্ত্রী সরল বিশ্বাসে জীবন বীমার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। এখন ওই টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মাসুদ খান ও তার স্ত্রী মোছা. মুকুলা আক্তার।

