
মুন্সীগঞ্জে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ড ভ্যানের পেছনে দর্শনা ডিলাক্স পরিবহনের একটি কোচের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন। নিহতদের মধ্যে দুজন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
নিহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা শহরের স্টেডিয়ামপাড়ার বাসিন্দা দর্শনা ডিলাক্স কোচের সুপারভাইজার মো. রঞ্জু (৪৫), দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্বপাড়ার মিলন কুমারের ছেলে নওমুসলিম আব্দুল্লাহ ওরফে চন্দন (২১) এবং একই ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে সালাউদ্দিন (২৪)।
আব্দুল্লাহ ওরফে চন্দন দর্শনা ডিলাক্স কোচের হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে, সালাউদ্দিন ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় ওয়ালটন কোম্পানিতে চাকরি করতেন। কর্মস্থলে যোগ দিতে গতকাল তিনি বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। তবে পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ড ভ্যানের পেছনে দর্শনা ডিলাক্স পরিবহনের কোচটি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে বা পরে তিনজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও ১৬ জন।
একই উপজেলার দুই তরুণের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া ও শিবনগর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিশেষ করে কর্মস্থলে ফেরার পথে সালাউদ্দিনের মৃত্যুর খবরে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

