
ঝিনাইদহ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শ্রমিকদের একাংশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সাধারণ শ্রমিকদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করা হয়। শ্রমিকদের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্রমিক নেতা আমির ফয়সাল মহাব্বত।
শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, আগামী ২৫ এপ্রিল সংগঠনটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন হওয়ার আগে থেকে নানা অনিয়ম করা হচ্ছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র একটি পদে কিনলেও তা কাটা-ছেড়া করে অন্য পদে জমা দিয়েছে কিছু শ্রমিক নেতা। ইলেকশন হলেও সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৪ টি পদে পছন্দের শ্রমিকদের সিলেকশন করা হয়েছে।
মহব্বত অভিযোগ করে বলেন, আমি কার্যকরী সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র কিনেছিলাম। টাকা জমা দিয়েছিলাম ১৬ হাজার ৪০০ টাকা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর আমারটা পদ কেটে সহ-সভাপতি পদে জমা দেওয়া হয়েছে। যেটা সম্পুর্ণ বেআইনি।
হানিফ খাঁন নামের এক শ্রমিক অভিযোগ করেন, আমি মনোনয়নপত্র কিনেছিলাম যুগ্ম সম্পাদক পদে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত টাকাও জমা দিয়েছি। কিন্তু আমার সেই পদ কেটে দেওয়া হয়েছে সহ-সাধারণ সম্পাদক। ৪ জনকে সিলেকশন করার জন্য কিছু শ্রমিক নেতা এই অনিয়ম করেছে। পাতানো নির্বাচনের অভিযোগ এনে শ্রমিকরা এই তফসীল বাতিল করে পুনরায় তফসীল ঘোষণা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবী জানান। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন বাতিল করা না হলে সড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচীর ঘোষণা দেন তারা।
এ ব্যাপারে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহকারী নির্বাচন কমিশনার রোকনুজ্জামান রানু বলেন, কিছু শ্রমিক যে অভিযোগ করেছেন তার সত্যতা নেই। তারা নিজেরাই স্বাক্ষর করে নিজ নিজ পদে ফরম সংগ্রহ করেছেন।
আর সিলেকশনের ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সরে যাওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কিছু পদে ভোট হচ্ছে না। বাকি পদগুলোতে সঠিক নিয়মেই নির্বাচন হবে। নিয়মের বাইরে কিছু করার সুযোগ নেই।

