
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি সড়কের জিকে ক্যানেল সংলগ্ন হাড়গাড়ী এলাকায় দুর্বৃত্তদের আগুনে কয়েকটি ফলজ গাছ পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পাশে থাকা দুইটি কাঁঠাল গাছ, তিনটি তালগাছ এবং একটি আমগাছ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গাছগুলোতে আগুন দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, মানুষের মধ্যে বিরোধ বা শত্রুতার জেরে ফলজ গাছের মতো পরিবেশবান্ধব সম্পদ ধ্বংস করা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অমানবিক কাজ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত বিরোধের প্রতিশোধ নিতে গাছ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা কতটা বর্বরতার পরিচয় বহন করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি জমিতে বেড়ে ওঠা এসব গাছের ওপর এর আগেও বিভিন্ন সময় ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।
তবে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন নাগরিকরা।
ঘটনার খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এর তীব্র নিন্দা জানান। সংগঠনের সদস্যরা বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ক্ষতিগ্রস্ত গাছগুলোর পরিচর্যা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
তারা আরও বলেন, সামাজিক সংগঠন হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও পরিবেশকর্মীরা। তাদের মতে, পরিবেশ ধ্বংসের এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে

