
মেহেরপুরের গাংনীতে বাড়ির উঠানে রাখা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে পলাশ আহমেদ (১১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পলাশ আহমেদ ওই গ্রামের মো. হারুন বলী ও পপি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় পলাশ বাড়ির উঠানে খেলছিল। তার মা পপি বেগম গরুর গা ধোয়ানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত পলাশ পাশেই রাখা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায়। পরে তার মা তাকে বালতি থেকে তুলে দ্রুত গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাসেল রানা জানান, পানিতে ডুবে যাওয়া শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায়, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ষোলটাকা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম সুজা জানান, বাড়ির উঠানে খেলার সময় অসাবধানতাবশত বালতির পানিতে পড়ে যায় পলাশ। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

