
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়।
তিনি বলেন, আগামীর প্রজন্ম তরুণ সমাজকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য সম্পর্কে জানাতে হবে। তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। তরুণদের মেধা, সততা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণ সম্ভব।
শনিবার সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ১৯৭৫ সালের আগস্ট ও নভেম্বরের শুরুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে ৭ নভেম্বর সিপাহি ও দেশপ্রেমিক জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছিল। ওই সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, একটি দেশ বা জাতি তখনই উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে, যখন সব নাগরিকের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধাবোধ থাকে। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি সম্মান রেখে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পার্থ প্রতিম শীল। বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আলী হায়দার চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বশির আহমেদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা রায়হানুল কবীর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা কমান্ড্যান্ট আল আমিন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক আব্দুস সাত্তার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন, জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মাসুদ, সমবায় কর্মকর্তা এনামুল হক, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ, জেলা প্রতিবন্ধীবিষয়ক কর্মকর্তা তুলসী কুমার পাল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনজুমান আরা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এরশাদ আলী, নির্বাচন কর্মকর্তা বাবু হক এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধীজন।

