
আলমডাঙ্গা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক আবহ সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামের বিভিন্ন মহল্লার সর্বস্তরের মানুষ দলমত নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে সাবেক ব্যাংক ম্যানেজার আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলামকে গোবিন্দপুর গ্রামের একক প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গোবিন্দপুর গ্রামের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের উদ্যোগে গতকাল বুধবার বিকেল ৫টায় নতুন বাসস্ট্যান্ডে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামের প্রতিটি মহল্লা থেকে আসা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে এই সভাটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সভায় বক্তারা গ্রামের উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং একটি আদর্শ সমাজ গঠনে একজন যোগ্য ও সৎ প্রার্থীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ আলোচনার পর, উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ব্যাংক ম্যানেজার আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলামকে গ্রামের একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। এলাকায় তিনি একজন সৎ, যোগ্য ও সমাজসেবক হিসেবে দীর্ঘদিনের সুনাম অর্জন করেছেন। চাকরিজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি এলাকার নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ নাজিম উদ্দিন (ফকির মোহাম্মদ), সাবেক প্রধান শিক্ষক, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মোঃ সামসুজ্জোহা (সাবু) উপস্থিত ছিলেন। উপস্থাপনায় ও বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া প্রবাসী ও গোবিন্দপুর মণ্ডলপাড়া মোঃ খাইরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, বণিক সমিতির সদস্য মোঃ রেজাউল হক তোতা, সাবেক শিক্ষক হাজী সামছুদ্দিন আহমদ, প্রভাষক মোঃ মনিরুজ্জামান, ইটভাটা মালিক ঠাণ্ডু রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান (মনি), এবিএম মকছেদুল আমিন সোহাগসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কুদুস, মজিবর রহমান, মোঃ আক্কাছ আলী, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ, সাবেক কমিশনার মোঃ ফরহাদ হোসেন (মুকুল হাজী), আসাদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আলিমুর রহমান (শিক্ষক), প্রমুখ।
গ্রামের একক প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত গ্রামবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “গ্রামের মানুষ আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, আমি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তার মর্যাদা রক্ষা করার চেষ্টা করব। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমি এই গোবিন্দপুর গ্রামকে একটি আধুনিক ও শান্তিময় গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।” এছাড়াও তিনি বলেন, আলমডাঙ্গা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে উন্নয়ন করা হবে।

