
মেহেরপুরে ইজিবাইক ছিনতাই ও মারধরের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৫ মে মঙ্গলবার মেহেরপুরের সদর আমলী আদালতে হাজির মামলার বাদী আবু জাফর সিদ্দিক এ মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর-৪৮৯/২০২৬। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক সদর থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
আসামীরা হলেন, সদর উপজেলার গোভিপুরের মৃত জিল্লুর রহমানের ছেলে মোঃ হাসান (৪৫), শহরের থানাপাড়ার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ আসাদুজ্জামান ডাবু (৪৬), হাইস্কুলপাড়ার মৃত নিয়ামতুল্লাহ’র ছেলে মোঃ ইয়ারুল ইসলাম (৪৮), তাঁতীপাড়ার মোঃ আত্তাব কসাই এর ছেলে মোঃ রিপন (৪৪) ।
মামলার এজহারে বাদী বলেন, আমি ইজিবাহক চালক। গত ২৭ এপ্রিল রাত ১১ টার দিকে ইজিবাইক চালানো শেষে বাড়ী ফেরার পথে টিএন্ডটি মোড়ে পৌছালে আসামীরা লোহার রড, রামদা, চাপাতি ও হকিষ্টিক নিয়ে আমার ইজিবাইকের গতিরোধ করে এবং জোর পূর্বক আমাকে ইজিবাইক হইতে নামিয়ে দেয়। এসময় তারা ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতে গেলে আমি বাঁধা দেওয়ায় আসামি আসাদুজ্জামান ডাবুর হাতে থাকা লোহার রড দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় আঘাত করলে আমি বাম হাতে দিয়ে ঠেকাইলে আঘাতে আমার বাম হাতের কনুইয়ের উপর লাগে এবং মারাত্মক জখম হয়।
এজাহারে তিনি আরো বলেন, এসময় আসামী হাসানের হাতে থাকা হকিষ্টিক দিয়ে আমার পিঠে, মাজায় ও দুই পায়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে দেয়। আসামি ইয়ারুল ও রিপন আমাকে এলোপাথাড়ি লাথি, কিল, ঘুসি মেরে মারাত্মক জখম করে । আমার চিৎকার শুনে সাক্ষীগণসহ পথচলতি লোকজন ছুটিয়া আসলেও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আসামীদের ভয়ে কেওই আমাকে সাহায্য করতে সাহসী হয়নি। আসামীরা আমার ইজিবাইক চালিয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে চলে যায়। স্থানীয়রা (সাক্ষীগণ) আমাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে ভর্তি করে নেন এবং তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম।
মামলায় বাদির আইনজীবী আলামিন হোসেন জানান, মামলাটি আমলে নিয়ে বিজ্ঞ বিচারক সদর থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

