
দর্শনা পৌরসভার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল রবিবার নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে রিপনকে (৪০) ৪–৫ জন এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। মাগরিবের সময় মোটরসাইকেলযোগে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত রিপনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩–৪ মাস আগে রিপনের সঙ্গে একই গ্রামের হাসেমের ছেলে খাইরুল ও সানিরুলের ছেলে রাশদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রবিবার বিকেলে রিপন ইফতার শেষে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় খাইরুল, খোকনসহ ৪–৫ জন তাকে দুই পা ও হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এই ঘটনায় ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার পর, বিএনপি সমন্বয়ক নাহারুলের নেতৃত্বে দর্শনা শহরে ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দর্শনা থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে মেহেদী হাসান জানান, বিক্ষোভকারীদের ৪৮ ঘণ্টার সময় দেয়া হয়েছে; এই সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জেরে রিপনকে কুপানো হয়েছে। খাইরুলসহ ৪–৫ জন পলাতক রয়েছে। তবে আমরা তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি। মামলার প্রস্তুতিও চলছে।”

