
আলমডাঙ্গার আসাননগর গ্রামে নিজ কক্ষ থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত সুজন (৩৫) আসাননগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাব্বত আলীর ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুজন তার স্ত্রী লিমা ও তিন সন্তানকে মারধর করে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। দীর্ঘদিন কোনো খোঁজ না পেয়ে তার বড় ছেলে লিমন বাড়িতে এসে গেট তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে ঘরের ভেতর রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় বাবার মরদেহ দেখতে পান।
প্রতিবেশীদের ভাষ্য, সুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি প্রায়ই স্ত্রী-সন্তানদের ওপর নির্যাতন করতেন। প্রতিবেশীরা বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করতেন, ফলে ধীরে ধীরে এলাকাবাসী তার বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দেন।
তার বড় বোন হাসি জানান, সুজন দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত থাকায় পরিবারের সঙ্গে তার তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে মাঝে মধ্যেই তিনি স্ত্রী লিমাকে মারধর করতেন।
এ বিষয়ে ওসি বানী ইসরাইল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

