
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক অভিভাবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে আটক করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আমলা ইউনিয়নের বুরাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থক বলে জানা গেছে।
এদিকে আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন, নামাজের সময় তাদেরকে আটক করা হয়েছে এবং তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বুরাপাড়া গ্রামে দুই শিশুর মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এক শিশুর অভিভাবক অপর পক্ষের কাছে জানতে চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ওই অভিভাবকের ওপর হামলা চালায়। এতে আক্তার হোসেন নামের একজন গুরুতর আহত হন। তার মাথার হাড় ভেঙে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমির খন্দকার রেজাউল করিম বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ এক পক্ষের মামলার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই ছাড়াই গণহারে লোকজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে একজন রোকন সদস্য রয়েছেন, বাকিরা কর্মী-সমর্থক।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই শিশুর মারামারি থেকে ঘটনাটি বড় আকার ধারণ করে এবং গ্রামে দুই পক্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় একজন গুরুতর আহত হন। এক পক্ষ মামলা দায়ের করেছে, অপর পক্ষ এখনও মামলা দেয়নি।
যে পক্ষ মামলা দিয়েছে, সেই মামলায় ২১ জনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

