
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, কুপিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও পল্লী চিকিৎসকরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার আল্লারদর্গা জয়ভোগা এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে দৌলতপুর উপজেলা পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন বলেন, “আমাদের সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো।”
সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মো. সুমন আলী বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম একজন সৎ ও ভালো মানুষ। রাতে আঁধারে তার ওপর হত্যাচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তাদের গ্রেফতারে এখনো দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই, যা অত্যন্ত দু:খজনক।
এদিকে পল্লী চিকিৎসক আবু সাঈদ অভিযোগ করে বলেন, “ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমাদের হুমকি দিচ্ছে। মামলা হলেও পুলিশ এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা উদ্বেগজনক।”
এলাকাবাসী আবদুর রশীদ মাস্টার দ্রুত বিচার দাবি করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ছাড়া বন্ধ হবে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল রাতে আল্লারদর্গা বাজার থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে জয়ভোগা চাররাস্তার মোড়ে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে গুরুতর জখম করে এবং তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ১ মে দৌলতপুর থানায় ভুক্তভোগীর ভাই আবু সাঈদ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আহত জাহাঙ্গীর আলম জয়ভোগা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে।

