
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী গ্রামে ৫১ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা ও রায় হলেও নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী ইলিয়াস হোসেন জানান, প্রায় ৩৫ বছর আগে আরএস ৮১০ ও ৬১০ দাগভুক্ত দুই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত ৩ বিঘা জমি তিনি ক্রয় করেন। জমিটির মালিকানা পূর্বে মঙ্গল খাঁ থেকে কিনারুন্নেসা, পরে আশরাফুল ইসলামের মাধ্যমে তার কাছে আসে। ক্রয়ের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, শামসুদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সামেদ আলীর দলিল দেখিয়ে জমির দাবি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে শামসুদ্দিন পরাজিত হন এবং রায় তার পক্ষেই যায়। এরপরও সামেদ আলীর ছেলে পুনরায় জমির দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করেন। এতে জমিতে থাকা ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ শহিদুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস হোসেনের কাছে তাদের ৫১ শতক জমি পাওনা রয়েছে। এ কারণে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তার অভিযোগ, ইলিয়াস হোসেন পেশিশক্তি প্রয়োগ করে জমিতে চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আদালত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষকেই সংশ্লিষ্ট জমিতে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

