
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামে নিজ শয়ন কক্ষ থেকে গৃহবধু শিমা খাতুন (২৫) নামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবারের লোকজন।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার (২৩মে) গাংনী উপজেলার তেতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের করমদি কাজি পাড়ার হযরত আলীর বাড়িতে।
নিহত শিমা খাতুন হযরত আলীর মেয়ে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে,শিমা খাতুন ও তার স্বামী জিনারুল ইসলাম দুজনেই করমদি গ্রামে শিমার বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন।
গতকাল রাতে এক সাথে খাওয়া দাওয়া শেষে শোবার ঘরে চলে যায় তারা। হঠাৎ ভোরের দিকে শিমা খাতুন কে ঘরের আড়ার সাথে ঝুঁলন্ত অবস্থায় দেখে স্বামী জিনারুল চিৎকার করে ওঠে। চিৎকার শুনে শিমার পরিবারের লোকজন ঘরে মধ্যে ঢুকে শিমার ঝুঁলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রতিবেশি মর্জিনা খাতুন বলেন,শিমা ও তার স্বামী জিনারুলের হেব্বি মিল। তবে শিমা আমাকে মাঝে মধ্যেই বলতো চাচি আমার রাতে ঘুম আসতে চাই না। তাই আমাকে মাঝে মধ্যেই ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমাতে হয়। তাছাড়া শিমা খাতুনের আগের পক্ষের একটা মেয়ে আছে।
জিনারুলের সাথে শিমার বিয়ে হওয়ার আগেও শিমার আরো তিন জাইগাতে বিয়ে হয়েছিল।
নিহত শিমা খাতুনের মা হানুফা খাতুন বলেন, আমার মেয়ে জামাই ঘরে থাকে। আর আমি আমার নাতনিকে নিয়ে পাশের ঘরে থাকি।
শিমার ঘরের দরজা রাতে খোলাই থাকে। আজ ভোরে জিনারুলের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার শিমা ঘরের আড়ার সাথে ঝুলছে। পরে আমরা আড়া থেকে শিমাকে নামাই। আমার সব শেষ হয়ে গেলো।
বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের এ এস আই মাজহারুল ইসলাম বলেন, করমদি গ্রামে শিমা খাতুন নামের এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবারের লোকজন। সংবাদ পেয়ে থানা থেকে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছেছে।

