
প্রস্তাবিত ‘চুয়াডাঙ্গা ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (চুয়েট)’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাইট নির্ধারণে আলমডাঙ্গায় লিয়াঁজো কমিটি স্পট ভিজিট করেছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ঢাকাস্থ আলমডাঙ্গা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জমি সংক্রান্ত বিষয় যাচাই ও স্থান নির্ধারণের জন্য সম্প্রতি লিয়াঁজো কমিটি এ পরিদর্শন করে।
স্পট ভিজিটে উপস্থিত ছিলেন লিয়াঁজো কমিটির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা শাহরিয়ার মাহমুদ (লন্টু), আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম (ডিন, এগ্রিকালচার ফ্যাকাল্টি, সিটি ইউনিভার্সিটি), সদস্য প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান (পরিচালক/যুগ্ম সচিব, স্রেডা, পিডিবি), সদস্য ড. মাসুদুল হক ঝন্টু (প্রকল্প পরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, জয়দেবপুর), সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ (পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট), মহাপরিচালক (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) মো. রুহুল আমিন এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহেলসহ অন্যান্যরা।
টিমকে স্বাগত জানান আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস পান্না আক্তার, দর্পণ থিয়েটারের সভাপতি মো. আরশাদ হোসেন সাদ, কলেজপাড়া কল্যাণ কমিটির সভাপতি খোন্দকার সহিদুর রহমান, আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব খোন্দকার হাবিবুল করিম চঞ্চলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পরিদর্শনকালে টিমটি প্রাথমিকভাবে দুটি স্থান বন্ডবিল থেকে ফরিদপুরমুখী সড়কের দুই পাশ এবং মুন্সিগঞ্জ গোবিন্দপুর মাঠ এলাকা ঘুরে দেখেন। দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে তা ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এলাকার কৃতি সন্তান ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, “প্রস্তাবিত চুয়েট বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। তাই এর বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস পান্না আক্তার বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলার বৃহত্তম উপজেলা আলমডাঙ্গায় প্রস্তাবিত এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। সরকারিভাবে নির্দেশনা পেলে জমি অধিগ্রহণসহ বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”
পরিদর্শন শেষে বিকেল ৩টায় লিয়াঁজো কমিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন বলে জানা গেছে।

