
দর্শনার সুলতানপুর মাঠে ৩৯টি মেহগনি গাছ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, দর্শনা থানায় মামলা গ্রহণ না করায় শেষ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা করতে বাধ্য হন সুলতানপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে আশরাফ আলী।
আশরাফ আলী জানান, গত ১১ এপ্রিল জীবননগর উপজেলার ইছাহক আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন, আব্দুল আলিমের ছেলে হুমায়ন ও সবুজ এবং আব্দুল মোমিনের ছেলে আব্দুল আলিম, বগা ও হাবু মিলে তার ১১ কাঠা জমির গাছ কাটতে শুরু করে।
এ সময় সুলতানপুর গ্রামের গোলাম গাউসের ছেলে রুহুল আমিন তাকে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৯টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে।
তিনি আরও জানান, ওইদিন তিনি দর্শনা থানায় মামলা করতে গেলে থানার অফিসার ইনচার্জ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে তিনি বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আশরাফ আলী অভিযোগ করেন, স্থানীয় দুইজন বিএনপি নেতার প্রভাব খাটিয়ে অভিযুক্তরা গাছ কাটার চেষ্টা করে। তবে গ্রামবাসী, তার ভাই, ছেলে ও আত্মীয়স্বজন ঘটনাস্থলে আসতে দেখেই তারা পালিয়ে যায়।
তিনি জানান, জমিটি দর্শনা বাসস্ট্যান্ড পাড়ার আলফাজ উদ্দিনের স্ত্রী তার মেয়ে সাবিয়া খাতুনকে দিয়েছেন। জমির মালিকানা নিয়ে চাচাতো ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

