
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পারফলসী দাখিল মাদ্রাসায় জাল সনদ দিয়ে দীর্ঘদিন চাকুরী করছেন মোঃ আবু সালেহ নামে এক সহকারী শিক্ষক।
তিনি ২০০৩ সালের মে মাসের ১০ তারিখে কৃষি ডিপ্লোমার জাল সনদ দিয়ে কমিটির মাধ্যমে ওই মাদ্রাসায় কৃষি শিক্ষার সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন এবং ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠান এমপিও ভূক্ত হলে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি এমপিও ভূক্ত হন।
তার সনদ সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকবার তার এমপিও আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছিল বলেও তথ্য আছে। অফিসের মাধ্যমে তার সনদ সংগ্রহ করে দেখা যায়, তিনি ২০০০সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনিষ্টিটিউটের মাধ্যমে কৃষি ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেণ, যার রেজিষ্ট্রেশন নং ছিল ৮০৮২ সেসন-১৯৯৭-৯৮ এবং পরীক্ষার রোল নং ৪৫৩।
ওই প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এই সনদটি জাল। প্রতিষ্টান থেকে বলা হয়, এই সেসনে মোঃ আবু সালেহ নামে কোন ছাত্র তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করে নাই।
সনদটি একটি জালিয়াতি চক্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। এবিষয়ে মোঃ আবু সালেহ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রথমে নিজেকে সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন। পরে কৃষি ডিপ্লোমা সনদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।
এবিষয়ে মাদ্রাসা সুপার মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন মোঃ আবু সালেহ আমার এই প্রতিষ্ঠানে আসার আগেই নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন। জাল সনদে নিয়োগ পেয়েছেন কিনা সেটা আমি জানিনা। এক সাথে প্রতিষ্ঠান এমপিও’র অর্ডার হলেও বিভিন্ন কারণে সকল শিক্ষকের একসাথে এমপিও করণ হয়নি, ওনার আবেদন কয়েকবার রিজেক্ট হয়েও পরবর্তিতে এমপিও ভূক্ত হন এতটুকুই জানি। সনদ জাল সম্পর্কে আমার জানা নাই বলে তিনি বলেন।
এবিষয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারী বলেন , আমি বর্তমানে অফিসের বাইরে আছি, এবিষয়ে সঠিক কিছু আমি বলতে পারবনা, কারণ ওনার নিয়োগ এবং এমপিও ভূক্তের সময় আমি এখানে ছিলাম না আমার পূর্বের ঘটনা। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখবো বলে তিনি জানান।

