
সুজন – সুশাসনের জন্য নাগরিক এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠন ও তারুণ্যের প্ল্যাটফর্ম সুজন বন্ধু-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মেহেরপুরের তরুণ সমাজকর্মী ফিরোজ আহম্মেদ পলাশ।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় সাবেক সুজন বন্ধু আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান স্বজলের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, সুজনের অফিস স্টাফ স্বজল কোরায়েশি এবং The Hunger Project Bangladesh-এর ট্রেনিং ইউনিটের তুহিন আফসারি।
সভায় দেশের ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। পরে তাদের মতামতের ভিত্তিতে ফিরোজ আহম্মেদ পলাশকে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। প্রতিনিধিরা জানান, তরুণ নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণেই তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফিরোজ আহম্মেদ পলাশ ২০১৪ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। দেশের বিভিন্ন সংকটকালীন সময়ে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। করোনাকালীন সময়েও তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের কাছে পৌঁছে সহায়তা করেছেন।
তিনি পূর্বে The Hunger Project Bangladesh-এর অঙ্গ সংগঠন ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলা কো-অর্ডিনেটর, যশোর অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী এবং জাতীয় ফোরামের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘ-এর মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং Democracy International-এর মেহেরপুর জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে রক্ত সংগ্রহ ও অসুস্থ রোগীদের রক্ত সংকট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কারণে তিনি এলাকায় “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবেও পরিচিত।
নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ফিরোজ আহম্মেদ পলাশ জানান, সুজন বন্ধু হলো সুজন – সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর তরুণদের প্ল্যাটফর্মভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের ইউনিটগুলোকে সংগঠিত ও নেতৃত্বদানের মাধ্যমে তরুণদের সামাজিক উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য কাজ করবেন।
তার এ অর্জনে মেহেরপুর জেলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও তরুণ সমাজের মাঝে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

